ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতিকে ‘চ্যাংদোলা করে ক্যাম্পাস ছাড়া’ করার চেষ্টা - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতিকে ‘চ্যাংদোলা করে ক্যাম্পাস ছাড়া’ করার চেষ্টা

ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতিকে ‘চ্যাংদোলা করে ক্যাম্পাস ছাড়া’ করার চেষ্টা

স্টাফ রিপোর্টার

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের কোন্দল ঘিরে সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেনকে টেনেহিঁচড়ে ও চ্যাংদোলা করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিনিকেতন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনামতে, সোমবার বিকেল ৫টার দিকে সাব্বির হোসেন শান্তিনিকেতন এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলামের অনুসারীরা এসে তার সঙ্গে তীব্র বাকবিতণ্ডায় লিপ্ত হয়। একপর্যায়ে তারা সাব্বিরকে ক্যাম্পাস ত্যাগ করার আলটিমেটাম দেয়। সাব্বির হোসেন ক্যাম্পাস ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে আমিনুলের অনুসারীরা তাকে জোরপূর্বক টেনেহিঁচড়ে এবং এক পর্যায়ে চ্যাংদোলা করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা চালায়।

 

সূত্রমতে, আজ দুপুর পৌনে ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ ব্যানারে ভিসি পতনের আন্দোলনের ডাক দেয় সাব্বির হোসেনের অনুসারীরা। তবে কিছুক্ষণ পর বৃষ্টির অজুহাতে সেই কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। এই বিষয়টি নিয়ে ক্যাম্পাসে নানা গুঞ্জন ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সূত্রটি বলছে, বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে এড়িয়ে এমন কর্মসূচি ঘোষণা ও সাধারণ শিক্ষার্থী নাম ব্যবহার করায় চটেছেন তারা

নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেনকে টেনেহিঁচড়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করার চেষ্টা

নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেনকে টেনেহিঁচড়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করার চেষ্টা © সংগৃহীত

 

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের কোন্দল ঘিরে সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেনকে টেনেহিঁচড়ে ও চ্যাংদোলা করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিনিকেতন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনামতে, সোমবার বিকেল ৫টার দিকে সাব্বির হোসেন শান্তিনিকেতন এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলামের অনুসারীরা এসে তার সঙ্গে তীব্র বাকবিতণ্ডায় লিপ্ত হয়। একপর্যায়ে তারা সাব্বিরকে ক্যাম্পাস ত্যাগ করার আলটিমেটাম দেয়। সাব্বির হোসেন ক্যাম্পাস ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে আমিনুলের অনুসারীরা তাকে জোরপূর্বক টেনেহিঁচড়ে এবং এক পর্যায়ে চ্যাংদোলা করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা চালায়।

 

সূত্রমতে, আজ দুপুর পৌনে ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ ব্যানারে ভিসি পতনের আন্দোলনের ডাক দেয় সাব্বির হোসেনের অনুসারীরা। তবে কিছুক্ষণ পর বৃষ্টির অজুহাতে সেই কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। এই বিষয়টি নিয়ে ক্যাম্পাসে নানা গুঞ্জন ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সূত্রটি বলছে, বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে এড়িয়ে এমন কর্মসূচি ঘোষণা ও সাধারণ শিক্ষার্থী নাম ব্যবহার করায় চটেছেন তারা।

 

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি ভিসি পতনের ডাক দিয়েছিলাম। কিন্তু বৃষ্টির কারণে সেই কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে, যা আমরা পরবর্তীতে বাস্তবায়ন করব। আমি কেন ভিসি পতনের ডাক দিয়েছি, সেটাও পরিষ্কার করতে চাই। যাদের ভিসির কাছ থেকে টাকা খাওয়ার প্রবণতা আছে এবং যারা নিজেদেরকে কথিত ছাত্রদলের পদধারী হিসেবে পরিচয় দেয়, তারা আমার ওপর একজন সিনিয়র সহ-সভাপতির ওপর হামলা চালিয়েছে। আমি মনে করি, তারা ভিসির কাছ থেকে সুবিধা নেওয়ার জন্যই ভিসির হয়ে আমার ওপর এই হামলা করেছে। ভিসির পতন আমি কেন চেয়েছি সেজন্য নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি, সেক্রেটারি আমার উপর হামলা করিয়েছে। সহ-সভাপতি আমিনুল আমাকে হিট পর্যন্ত করেছে।’

 

ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার চেয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট সকল নেতৃবৃন্দের কাছে দাবি জানাচ্ছি, দ্রুত সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক। যদি এই ঘটনার বিচার না করা হয়, তাহলে আমি মনে করব, আপনারা আমাদেরকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছেন। একইসাথে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতিও আহ্বান জানাই, এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। না হলেও একদিন আপনাদেরও সেম পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।’

 

অভিযুক্ত সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ওটা আমাদের অভ্যন্তরীণ একটা মনোমালিন্য। ইতিমধ্যে এটা সমাধান করা হয়েছে। স্যারদের উপস্থিতিতে বসে এটা সমাধান করা হয়েছে। ভিসি পতনের ইস্যু কেন্দ্রীক কোন ঘটনা ঘটে নি বলেও তিনি দাবি করেন।’

 

এ বিষয়ে জানতে শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণ সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে কেন্দ্র করে ধাক্কাধাক্কি হয়েছিলো। সবার সাথে আলোচনা করে মীমাংসা করা হয়েছে। আলোচনা শেষে সবাই একসাথে রাতের ভাত খেয়ে বিদায় নিয়েছে।’

 

অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মনগড়া অভিযোগ দিলে তো হবে না। তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে বলতে হবে। আমরাও ভিসির পদত্যাগ চাই। কিন্তু আজকে সাব্বির যে কর্মসূচি দিয়েছে তারা সাধারণ শিক্ষার্থী ব্যানারে দিয়েছে। এটা নিয়ে আমাদের আপত্তি ছিলো। যেখানে দেশব্যাপী আমরা গুপ্ত রাজনীতির বিরুদ্ধে কর্মসূচি পালন করতেছি সেখানে নিজের দলের ব্যানার ছাড়া অন্য একটি ব্যানারে কর্মসূচি ঘোষণা দিয়ে হাসির পাত্র বানিয়ে ফেলেছে। এটাই ছিলো আমাদের আপত্তির জায়গা। সে আমাদের সাথে কোন ধরনের আলোচনা ছাড়াই এই কর্মসূচি দিয়েছে

 


 

স্টাফ রিপোর্টার:

দেশজুড়ে চলমান বোর্ড পরীক্ষা ঘিরে নতুন করে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দাবি করা হচ্ছে, টেলিগ্রামের গোপন গ্রুপে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র বিক্রি হচ্ছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, কিছু টেলিগ্রাম চ্যানেল ও গ্রুপে পরীক্ষার আগেই কথিত প্রশ্নপত্র সরবরাহের প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব গ্রুপে টাকা নিলে প্রশ্ন দেওয়া হচ্ছে এবং কিছু ক্ষেত্রে পরীক্ষার প্রশ্নের সঙ্গে মিল থাকার কথাও বলা হচ্ছে।

তবে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, প্রশ্নফাঁসের যে খবর প্রচার করা হচ্ছে তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং সত্য নয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে প্রশ্নফাঁসের নামে প্রতারণা নতুন নয়। অনেক ক্ষেত্রে ভুয়া প্রশ্ন দিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পরীক্ষার ক্ষেত্রেও এমন ভুয়া লিকের মাধ্যমে প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

এদিকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে কর্তৃপক্ষ বলেছে, কোনো ধরনের অননুমোদিত উৎস থেকে প্রশ্ন সংগ্রহ বা লেনদেন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

বিএনপি সরকারের প্রথম বোের্ড পরীক্ষায় চরম ব্যর্থতা! সকল বোর্ডের প্রশ্নপত্র বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১০-১২ হাজার টাকায়

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষা আজ (শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬) সারা দেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দেশের বিভাগীয় ও জেলা শহরের নির্বাচিত ১৩৮টি কেন্দ্রে একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

পরীক্ষাটি সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা সময় ধরে অনুষ্ঠিত হয়।

ভর্তি পরীক্ষা এমসিকিউ (MCQ) পদ্ধতিতে ১০০ নম্বরের নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ বছর প্রায় সাড়ে চার লাখের বেশি পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে, যেখানে আসনের বিপরীতে প্রায় সমসংখ্যক আবেদনকারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

সারাদেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স ১ম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আট ফুট দীর্ঘ একটি অজগর উদ্ধার করে পাহাড়ে অবমুক্ত করেছে সোসাইটি ফর স্নেক অ্যান্ড স্নেকবাইট অ্যাওয়ারনেস (থ্রি-এসএ)।

 

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাসে নীপবন শিশু বিদ্যালয়ের সামনে সাপটি দেখা যায়।

 

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জমাদিউল আউয়াল সুজাত সাপটি দেখে সোসাইটি ফর স্নেক অ্যান্ড স্নেকবাইট অ্যাওয়ারনেসকে খবর দেন।

 

সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আট ফুট দীর্ঘ সাপটি একটি বার্মিজ পাইথন। অজগর সাপ সাধারণত বেশ লম্বা হয়ে থাকে। পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা সাপ হল রেটিকুলেটেড পাইথন। তবে আমাদের দেশে বার্মিজ পাইথনই বেশি দেখা যায়।’

 

উদ্ধার করা সাপটি ক্যাম্পাসের পাহাড়ি অঞ্চলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে রফিক বলেন, ‘নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা সাপ অবমুক্ত করার নির্দিষ্ট স্থান প্রকাশ করি না। তবে এটুকু বলা যায়, ক্যাম্পাসের নিকটবর্তী পাহাড়ি ও বনাঞ্চল এলাকায় এটি অবমুক্ত করা হয়েছে।’

 

সংগঠনের উপদেষ্টা ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইব্রাহীম খলিল আল হায়দার বলেন, বার্মিজ পাইথন আমাদের আদি সাপ। আমাদের দেশে তিন ধরনের পাইথন পাওয়া যায়। তার মধ্যে এটা সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। এই সাপ ১৭ থেকে ১৮ ফুট হতে পারে। এটা জুভেনাইল বা সাব-এডাল্ট সাপ।

 

তিনি বলেন, এই সাপের কোনো বিষ নেই। মানুষের জীবন ঝুঁকি হবে এমন কোনো ক্ষতি করে না। তবে পুকুরে নেমে মাছ খেয়ে বা খামারের মুরগি বা হাঁস খেয়ে ক্ষতি করে। এছাড়া কোনো ক্ষতি করে না।

 

এর আগে গত ১০ ও ১২ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে দুটি কিং কোবরা উ

দ্ধার করা হয়।

 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ ফুট দীর্ঘ আজগর উদ্ধার

‎বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোবিপ্রবি) শাখার ২০২৫-২৬ কার্যবর্ষের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। উক্ত কমিটিতে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ইমন হোসেন কে  সভাপতি এবং বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী জান্নাতি খাতুন কে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহম্মদ সজীব প্রধান ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রহিম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ‎বিজ্ঞপ্তিতে নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে
কেন্দ্রীয় দপ্তর সেলে জমা দিতে বলা হয়েছে।

‎নব-নির্বাচিত কমিটির সভাপতি মো. ইমন হোসেন বলেন,”এই দায়িত্ব আমার কাছে কেবল একটি পদ নয়- এটি একটি দায়িত্বের প্রতিজ্ঞা। আমি বিশ্বাস করি, প্রতিটি তরুণ লেখকের কলমে লুকিয়ে আছে পরিবর্তনের শক্তি, জাগরণের আগুন, আর ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি। আমি চাই তরুণ কলাম লেখকদের কলম হোক হাতিয়ার – স্বপ্নের,সাফল্যের, প্রতিবাদেরও, যেখানে শব্দ জন্ম দেবে চিন্তার, আর চিন্তা জাগাবে মানবতা। আমাদের লক্ষ্য শুধু লেখা নয়—সমাজে আলোর বীজ বপন করা। আমার বিশ্বাস  তরুণ কলাম লেখক ফোরাম হবে সেই মঞ্চ, যেখানে তরুণের ভাবনা মিলবে দেশের হৃদস্পন্দনের সাথে, আর কলম হবে পরিবর্তনের পতাকা।”

সাধারণ সম্পাদক জান্নাতি খাতুন বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, কলমের রাজ্যে আজ নতুন সূর্যের উদয়। দায়িত্ব নয়, এটি এক বিশ্বাস—চিন্তার প্রদীপ জ্বেলে ফোরামকে স্বপ্নের চূড়ায় পৌঁছে দেওয়া।আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—প্রতিটি শব্দে জাগবে সত্য, প্রতিটি লেখায় ফুটবে প্রজ্ঞার ফুল। বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম এখন হবে এক অগ্নিশিখা—যেখানে কলম হবে তরবারি, চিন্তা হবে বিপ্লবের অঙ্গীকার”।

প্রসঙ্গত, ‘সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হোক লেখনীর ধারায়’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম। তরুণ লেখকদের পরামর্শ দেওয়া, পত্রিকায় লেখা প্রকাশে সহযোগিতাসহ লেখালেখি বিষয়ক সভা, সেমিনার এবং কর্মশালার আয়োজন করে থাকে সংগঠনটি।

বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, গোবিপ্রবি শাখার নেতৃত্বে ইমন-জান্নাতি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

 

জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভাঃ

 

অদ্য ২৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সকাল ০৭.৩০ ঘটিকায় খুলনা আদালত চত্বরে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি, খুলনার আয়োজনে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জনাব চাঁদ মোহাম্মদ আব্দুল আলিম আল রাজী চেয়ারম্যান, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি এবং সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ, খুলনা এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জনাব মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম সেবা মহোদয়।

 

আলোচনা সভায় পুলিশ কমিশনার মহোদয় বলেন, উন্নত রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম মাধ্যম হলো আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। সামাজিক যোগযোগ তথা ফেসবুক, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদিতে কেহ হয়রানি বা ব্ল্যাকমেইল করলে বা করার চেষ্টা করলে উক্ত বিষয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এলআইসি শাখা ও সাইবার সেল সহায়তার জন্য সর্বদা প্রস্তুত। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি পুলিশকে জানানো অথবা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ যোগাযোগ করার পরামর্শ প্রদান ছাড়াও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ, লিগ্যাল এইডে আইনের সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে সকলকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন।

 

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন কেএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এ্যাডমিন এন্ড ফিন্যান্স ও অতিঃ দায়িত্বে ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জনাব মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান বিপিএম-সেবা, পিপিএম (বার), খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশনস্) জনাব শেখ জয়নুদ্দীন, পিপিএম-সেবা-সহ অন্যান্য সুধীবৃন্দ।

জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভাঃ

কোস্ট গার্ডকে আধুনিক ও যুগোপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশের সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড আজ আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দূরদর্শী চিন্তায় প্রতিষ্ঠিত এই বাহিনীকে একটি আধুনিক, শক্তিশালী ও যুগোপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

 

মন্ত্রী আজ (২৮ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওস্থ কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড-এর ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও কোস্ট গার্ড দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, ১৯৯৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরেই ‘Guardian at Sea’ মূলমন্ত্রে এই বাহিনীর যাত্রা শুরু হয়েছিল। আজ এই বাহিনী মাদক চোরাচালান রোধ, মানব পাচার বন্ধ, জলদস্যু দমন এবং সুন্দরবনের বনজ ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সাহসিকতার পরিচয় দিচ্ছে। তিনি বিশেষ করে সুন্দরবনে গত এক বছরে ২৯টি সফল অভিযানে ৩৫ জন ডাকাত গ্রেপ্তার এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও কাঠ উদ্ধারের জন্য বাহিনীর সদস্যদের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

 

কোস্ট গার্ডের আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে সম্প্রতি বহরে ৩টি সার্ভেইলেন্স ড্রোন যুক্ত হয়েছে। জাইকার অর্থায়নে ১টি মাল্টিরোল রেসপন্স ভেসেল ও ২টি অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এছাড়া খুলনা শিপইয়ার্ডের মাধ্যমে বুলেটপ্রুফ হাই-স্পিড বোট ক্রয় এবং ভবিষ্যতে হেলিকপ্টার ও মেরিটাইম সারভেইলেন্স সিস্টেম সংযোজনের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। বাহিনীর জনবল ১০ হাজারে উন্নীত করার কাজও প্রক্রিয়াধীন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 

বক্তব্যের শুরুতে মন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের, স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে বৈষম্যহীন দেশ গড়ার প্রত্যয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

 

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল মোঃ জিয়াউল হক এনডিসি। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

 

মন্ত্রী বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এর কর্মকর্তা, নাবিক এবং অসামরিক ব্যক্তিবর্গের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের জন্য ০৪ জনকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পদক, ০৪ জনকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড (সেবা) পদক, ০৩ জনকে প্রেসিডেন্ট কোস্ট গার্ড পদক এবং ০৩ জনকে প্রেসিডেন্ট কোস্ট গার্ড (সেবা) পদকসহ মোট ১৪ জন সদস্যের হাত পদক তুলে দেন। পদকপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি তাদের দেশপ্রেম ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

 

অনুষ্ঠানে কোস্ট গার্ডের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের উপর ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। মন্ত্রী কোস্ট গার্ড সদর দপ্তর চত্বরে বৃক্ষরোপণ করেন এবং ভিজিটর বুকে স্বাক্ষর করেন।

 

অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি সামরিক ও অসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ এবং বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

কোস্ট গার্ডকে আধুনিক ও যুগোপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরব-এ এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। মৃত ব্যক্তির নাম আব্দুল হাই বুলু (৬১)।

 

সোমবার (২৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টার দিকে কিং ফাহাদ হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার স্ত্রী ও হজসঙ্গী সমসাদ আরা রেবা।

 

আব্দুল হাই বুলু জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের মোসলেমাবাদ গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি স্থানীয় বালিজুড়ী ফাজেল মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

 

পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২৩ এপ্রিল তিনি স্ত্রীকে নিয়ে হজ পালনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে মক্কা-এর উদ্দেশ্যে রওনা হন। পরে মদিনা-এ অবস্থানকালে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

 

জানাজা শেষে তাকে মদিনার বাকিউল গারকাদ কবরস্থান-এ দাফন করা হবে বলে পরিবার জানিয়েছে।

হজ পালনে গিয়ে সৌদিতে বাংলাদেশি শিক্ষকের মৃত্যু

 

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আজ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম। এটি সফল হলে প্রথম ইউনিট থেকে অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

 

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর তিনটায় এই কার্যক্রম উদ্বোধন উপলক্ষে প্রকল্প এলাকায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

 

এতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, তথ্য প্রযুক্তি বিভাগ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেনের।

 

এর আগে, পাবনার ঈশ্বরদীর পদ্মা নদীর তীরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র-এর ইউনিট-১-এর ডিজাইন অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লাইসেন্স পাওয়ার পর ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর প্রকল্পের মূল নির্মাণ কাজ শুরু হয়। কাজ শেষে চলতি মাসের ১৬ তারিখে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রথম ইউনিটের জন্য কমিশনিং লাইসেন্স দেয়।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম উদ্বোধন আজ

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

দেশের রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেটসহ মোট ১৩টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য দেওয়া এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কি.মি. বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারী সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা, টাঙ্গাইল, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে একই দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সাথে হতে পারে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।

নদীপথে চলাচলকারী ছোট-বড় সকল নৌযানকে আবহাওয়ার পরিস্থিতি বুঝে এবং সতর্ক সংকেত মেনে সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দেশের ১৩ অঞ্চলে ঝড়ের পূর্বাভাস, নদীবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত

প্রতিবেদন: ওমর ফারুক

তারিখ: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

গত রাত থেকে ভোর পর্যন্ত খুলনা শহরসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হয়েছে। মোট তিন দফায় এই বৃষ্টিপাতের ঘটনা ঘটে, যার মধ্যে বিক্ষিপ্তভাবে দুই দফায় শিলা বর্ষণও লক্ষ্য করা গেছে।

রাত গভীর হওয়ার পর শুরু হওয়া বৃষ্টি ভোর পর্যন্ত স্থায়ী হয়, মাঝে মাঝে বজ্রপাতের শব্দে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে সাধারণ মানুষ। হঠাৎ শিলা বর্ষণের কারণে কিছু এলাকায় গাছপালা ও ফসলের সামান্য ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।

তবে আবহাওয়ার পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আবহাওয়া সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খুব শিগগিরই বৃষ্টিপাত কমে আসবে এবং দুপুর পর্যন্ত নতুন করে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

এই বৃষ্টিপাতের ফলে তীব্র গরমে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে খুলনার জনজীবনে। তবে হঠাৎ আবহাওয়ার পরিবর্তনে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

খুলনায় দফায় দফায় চলেছে বজ্রসহ শিলা বৃষ্টি

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্র ও সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, ড. ইউনূসের ভিভিআইপি পদমর্যাদার মেয়াদ কমানো হয়নি, বরং পূর্বঘোষিত এক বছর পর্যন্ত তিনি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী বা এসএসএফ-এর সুরক্ষা পাবেন।

 

সম্প্রতি বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয় যে, বর্তমান সরকার ড. ইউনূসের ভিভিআইপি মর্যাদা ৬ মাস কমিয়ে দিয়েছে এবং আগামী ১০ আগস্টের পর তিনি আর এসএসএফ নিরাপত্তা পাবেন না। তবে সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন ও সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের ভাষ্য অনুযায়ী এই তথ্যটি সঠিক নয়।

 

গত ২৩ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার স্বাক্ষরিত একটি নতুন প্রজ্ঞাপন (এস.আর.ও. নং ৮০-আইন/২০২৬) জারি করা হয়। সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত ১০ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা আদেশটি (এস.আর.ও. নং ৪৬-আইন/২০২৬) ‘অক্ষুণ্ণ রাখা’ হয়েছে। ১০ ফেব্রুয়ারির ওই আদেশে ড. ইউনূসকে তার ক্ষমতা হস্তান্তরের পরবর্তী এক বছরের জন্য ভিভিআইপি মর্যাদা ও বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল।

 

২৩ এপ্রিলের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘সরকার, বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (Special Security Force) আইন, ২০২১ (২০২১ সনের ২৪ নং আইন) এর ধারা ২(ক)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কর্তৃক ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে জারীকৃত প্রজ্ঞাপন এস.আর.ও. নং ৪৬-আইন/২০২৬ অক্ষুণ্ণ রাখিয়া, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, প্রধান উপদেষ্টা-কে তাহাদের স্ব স্ব দায়িত্ব হস্তান্তর অথবা পদত্যাগ করিবার তারিখ হইতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ৬ (ছয়) মাসের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসাবে ঘোষণা করিল।’

 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, ২৩ এপ্রিলের এই আদেশের মাধ্যমে ড. ইউনূসের ভিভিআইপি পদমর্যাদার সময়কাল কমানো হয়নি। মূলত ১০ ফেব্রুয়ারির আদেশে বর্ণিত ১ বছরের সুবিধাটি শুধুমাত্র ড. ইউনূসের ক্ষেত্রে কার্যকর থাকবে। আর নতুন আদেশে বর্ণিত ৬ মাসের নিরাপত্তার বিষয়টি পরবর্তী সময়ে যারা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান উপদেষ্টা হবেন, তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

 

আইনগত দিক বিশ্লেষণ করে সুপ্রিম কোর্টের একজন সিনিয়র আইনজীবী জানান, প্রজ্ঞাপনে যেহেতু পূর্বের আদেশ অক্ষুণ্ণ রাখার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, তাই ড. ইউনূসের বিশেষ নিরাপত্তা সুবিধা নিয়ে আইনি কোনো জটিলতা নেই। এটি মূলত ভবিষ্যতের সরকার প্রধানদের নিরাপত্তা কাঠামোর একটি স্থায়ী পরিবর্তন, যা ড. ইউনূসের জন্য প্রযোজ্য বিশেষ সুযোগকে স্পর্শ করবে না।

 

এ সংক্রান্ত বিভ্রান্তিকর সংবাদগুলোতে দাবি করা হয়েছিল যে, ড. ইউনূসের নিরাপত্তা ১০ আগস্টের পর তুলে নেওয়া হবে। কিন্তু প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিনি পূর্বনির্ধারিত প্রটোকল ও এসএসএফ সুরক্ষা পাবেন।

গণমাধ্যমে অসত্য তথ্য, ড. ইউনূসের ভিভিআইপি মর্যাদা বাতিল হয়নি

স্টাফ রিপোর্টার

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের কোন্দল ঘিরে সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেনকে টেনেহিঁচড়ে ও চ্যাংদোলা করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিনিকেতন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনামতে, সোমবার বিকেল ৫টার দিকে সাব্বির হোসেন শান্তিনিকেতন এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলামের অনুসারীরা এসে তার সঙ্গে তীব্র বাকবিতণ্ডায় লিপ্ত হয়। একপর্যায়ে তারা সাব্বিরকে ক্যাম্পাস ত্যাগ করার আলটিমেটাম দেয়। সাব্বির হোসেন ক্যাম্পাস ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে আমিনুলের অনুসারীরা তাকে জোরপূর্বক টেনেহিঁচড়ে এবং এক পর্যায়ে চ্যাংদোলা করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা চালায়।

 

সূত্রমতে, আজ দুপুর পৌনে ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ ব্যানারে ভিসি পতনের আন্দোলনের ডাক দেয় সাব্বির হোসেনের অনুসারীরা। তবে কিছুক্ষণ পর বৃষ্টির অজুহাতে সেই কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। এই বিষয়টি নিয়ে ক্যাম্পাসে নানা গুঞ্জন ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সূত্রটি বলছে, বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে এড়িয়ে এমন কর্মসূচি ঘোষণা ও সাধারণ শিক্ষার্থী নাম ব্যবহার করায় চটেছেন তারা

নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেনকে টেনেহিঁচড়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করার চেষ্টা

নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেনকে টেনেহিঁচড়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করার চেষ্টা © সংগৃহীত

 

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের কোন্দল ঘিরে সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেনকে টেনেহিঁচড়ে ও চ্যাংদোলা করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিনিকেতন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনামতে, সোমবার বিকেল ৫টার দিকে সাব্বির হোসেন শান্তিনিকেতন এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলামের অনুসারীরা এসে তার সঙ্গে তীব্র বাকবিতণ্ডায় লিপ্ত হয়। একপর্যায়ে তারা সাব্বিরকে ক্যাম্পাস ত্যাগ করার আলটিমেটাম দেয়। সাব্বির হোসেন ক্যাম্পাস ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে আমিনুলের অনুসারীরা তাকে জোরপূর্বক টেনেহিঁচড়ে এবং এক পর্যায়ে চ্যাংদোলা করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা চালায়।

 

সূত্রমতে, আজ দুপুর পৌনে ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ ব্যানারে ভিসি পতনের আন্দোলনের ডাক দেয় সাব্বির হোসেনের অনুসারীরা। তবে কিছুক্ষণ পর বৃষ্টির অজুহাতে সেই কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। এই বিষয়টি নিয়ে ক্যাম্পাসে নানা গুঞ্জন ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সূত্রটি বলছে, বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে এড়িয়ে এমন কর্মসূচি ঘোষণা ও সাধারণ শিক্ষার্থী নাম ব্যবহার করায় চটেছেন তারা।

 

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি ভিসি পতনের ডাক দিয়েছিলাম। কিন্তু বৃষ্টির কারণে সেই কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে, যা আমরা পরবর্তীতে বাস্তবায়ন করব। আমি কেন ভিসি পতনের ডাক দিয়েছি, সেটাও পরিষ্কার করতে চাই। যাদের ভিসির কাছ থেকে টাকা খাওয়ার প্রবণতা আছে এবং যারা নিজেদেরকে কথিত ছাত্রদলের পদধারী হিসেবে পরিচয় দেয়, তারা আমার ওপর একজন সিনিয়র সহ-সভাপতির ওপর হামলা চালিয়েছে। আমি মনে করি, তারা ভিসির কাছ থেকে সুবিধা নেওয়ার জন্যই ভিসির হয়ে আমার ওপর এই হামলা করেছে। ভিসির পতন আমি কেন চেয়েছি সেজন্য নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি, সেক্রেটারি আমার উপর হামলা করিয়েছে। সহ-সভাপতি আমিনুল আমাকে হিট পর্যন্ত করেছে।’

 

ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার চেয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট সকল নেতৃবৃন্দের কাছে দাবি জানাচ্ছি, দ্রুত সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক। যদি এই ঘটনার বিচার না করা হয়, তাহলে আমি মনে করব, আপনারা আমাদেরকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছেন। একইসাথে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতিও আহ্বান জানাই, এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। না হলেও একদিন আপনাদেরও সেম পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।’

 

অভিযুক্ত সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ওটা আমাদের অভ্যন্তরীণ একটা মনোমালিন্য। ইতিমধ্যে এটা সমাধান করা হয়েছে। স্যারদের উপস্থিতিতে বসে এটা সমাধান করা হয়েছে। ভিসি পতনের ইস্যু কেন্দ্রীক কোন ঘটনা ঘটে নি বলেও তিনি দাবি করেন।’

 

এ বিষয়ে জানতে শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণ সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে কেন্দ্র করে ধাক্কাধাক্কি হয়েছিলো। সবার সাথে আলোচনা করে মীমাংসা করা হয়েছে। আলোচনা শেষে সবাই একসাথে রাতের ভাত খেয়ে বিদায় নিয়েছে।’

 

অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মনগড়া অভিযোগ দিলে তো হবে না। তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে বলতে হবে। আমরাও ভিসির পদত্যাগ চাই। কিন্তু আজকে সাব্বির যে কর্মসূচি দিয়েছে তারা সাধারণ শিক্ষার্থী ব্যানারে দিয়েছে। এটা নিয়ে আমাদের আপত্তি ছিলো। যেখানে দেশব্যাপী আমরা গুপ্ত রাজনীতির বিরুদ্ধে কর্মসূচি পালন করতেছি সেখানে নিজের দলের ব্যানার ছাড়া অন্য একটি ব্যানারে কর্মসূচি ঘোষণা দিয়ে হাসির পাত্র বানিয়ে ফেলেছে। এটাই ছিলো আমাদের আপত্তির জায়গা। সে আমাদের সাথে কোন ধরনের আলোচনা ছাড়াই এই কর্মসূচি দিয়েছে

 

ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতিকে ‘চ্যাংদোলা করে ক্যাম্পাস ছাড়া’ করার চেষ্টা

স্টাফ রিপোর্টার

 

ফরিদপুরে এক যুবকের বিরুদ্ধে নিজের দাদি–ফুফুসহ তিনজনকে কোদাল দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে ফরিদপুর সদরের আলিয়াবাদ ইউনিয়নের গদাধরডাঙ্গী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত আকাশ মোল্লা (৪০) গদাধরডাঙ্গী গ্রামের হারুন মোল্লার ছেলে। হত্যার শিকার তিনজন হলেন আকাশ মোল্লার দাদি আমেনা বেগম (৭৫), ফুফু সালেহা বেগম (৫৫) ও প্রতিবেশী কাবুল চৌধুরী (৪৯)। কাবুল চৌধুরী ওই গ্রামের সুলতান আহমেদের ছেলে। তিনি পেশায় রিকশাচালক। তাঁর স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছেফলো করুন

একসঙ্গে তিনজনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় স্বজনদের আহাজারি। সোমবার রাতে ফরিদপুর সদরের আলিয়াবাদ ইউনিয়নের গদাধরডাঙ্গী গ্রামে

একসঙ্গে তিনজনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় স্বজনদের আহাজারি। সোমবার রাতে ফরিদপুর সদরের আলিয়াবাদ ইউনিয়নের গদাধরডাঙ্গী গ্রামেছবি: প্রথম আলো

ফরিদপুরে এক যুবকের বিরুদ্ধে নিজের দাদি–ফুফুসহ তিনজনকে কোদাল দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে ফরিদপুর সদরের আলিয়াবাদ ইউনিয়নের গদাধরডাঙ্গী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত আকাশ মোল্লা (৪০) গদাধরডাঙ্গী গ্রামের হারুন মোল্লার ছেলে। হত্যার শিকার তিনজন হলেন আকাশ মোল্লার দাদি আমেনা বেগম (৭৫), ফুফু সালেহা বেগম (৫৫) ও প্রতিবেশী কাবুল চৌধুরী (৪৯)। কাবুল চৌধুরী ওই গ্রামের সুলতান আহমেদের ছেলে। তিনি পেশায় রিকশাচালক। তাঁর স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে।

 

এ ঘটনায় রিয়াজুল ইসলাম (৩৮) ও আরজিনা বেগম (৩৮) নামের দুজন আহত হয়েছেন। এলাকাবাসী তাঁদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

 

ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও প্রতিবেদশীদের ভিড়। সোমবার রাতে ফরিদপুর সদরের আলিয়াবাদ ইউনিয়নের গদাধরডাঙ্গী গ্রামে

ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও প্রতিবেদশীদের ভিড়। সোমবার রাতে ফরিদপুর সদরের আলিয়াবাদ ইউনিয়নের গদাধরডাঙ্গী গ্রামেছবি:

তিনজন নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। এ হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত আকাশ পলাতক রয়েছেন। তাঁকে আটক করার জন্য মাঠে একাধিক টিম কাজ করছে।’

 

আলিয়াবাদ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. রাজ্জাক শেখ বলেন, সোমবার রাত ১০টার দিকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আকাশ তাঁর দাদি ও ফুফুকে হত্যা করে। এ সময় মারধর ঠেকাতে এলে প্রতিবেশী কাবুল চৌধুরীকে পিটিয়ে হত্যা করেছেন। বাঁচাতে এসে আরও দুই প্রতিবেশী আহত হয়েছেন।

 

আকাশ একসময় ফরিদপুর যক্ষ্মা হাসপাতালে পিয়ন পদে কর্মরত ছিলেন উল্লেখ করে ইউপি সদস্য রাজ্জাক শেখ বলেন, ‘আকাশ মানসিকভাবে অস্থির প্রকৃতির ছেলে ছিলেন। এ জন্য তাঁকে বিয়েও দেওয়া হয়নি। তাঁর এক আত্মীয় তাঁকে স্বাস্থ্য বিভাগের চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়ে দিয়েছিলেন। যখন তাঁর মাথা নষ্ট হতো, সে অফিসেও যেত না। আবার যখন ভালো থাকত, সুস্থ–স্বাভাবিক মানুষের মতোই আচরণ করত।’।

ফরিদপুরে মা–মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা, বাঁচাতে আসা প্রতিবেশীও নিহত

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত বিনামূল্যে করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকালে যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে বিএনপির এক সমাবেশে তিনি এ ঘোষণা দেন।

 

সমাবেশে তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ থেকে ৯৬ সাল পর্যন্ত যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, মা-বোনদের শিক্ষিত করার জন্য শিক্ষাব্যবস্থা মেট্রিক পর্যন্ত ফ্রি করে দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যখন ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন, তখন ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করে দিয়েছিলেন। তার অসমাপ্ত কাজ পূরণের লক্ষ্যে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত বিনামূল্যে করব।

 

বেলা আড়াইটায় সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে শার্শায় উলশী খাল পুনঃখনন, হরিনারবিলে পাঁচশ শয্যার যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচন এবং দড়াটানায় যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

মেয়েদের স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষা বিনামূল্যে করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d