নেইমারের বিদায়ে পলাশ কিংবদন্তির গল্প কখনও শেষ হয় না - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
নেইমারের বিদায়ে পলাশ কিংবদন্তির গল্প কখনও শেষ হয় না

নেইমারের বিদায়ে পলাশ কিংবদন্তির গল্প কখনও শেষ হয় না

চলমান বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। নরওয়ের কাছে হার শুধু ব্রাজিলের আরেকটি বিশ্বকাপ-বিদায় নয়, এটি ৩৬ বছরের মধ্যে তাদের সবচেয়ে হতাশাজনক বিশ্বকাপ অভিযান। ১৯৯০ সালের পর প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনালের আগেই থেমে গেল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের পথচলা।

 

ব্রাজিলের পথচলা থেমে যাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রিয় দলকে ঘিরে আবেগ প্রকাশ করেছেন অসংখ্য সমর্থক। দলটির সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার জুনিয়রকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ। তাকে জানিয়েছেন শ্রদ্ধাও।

 

সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ৯টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে নেইমারের একটি প্রতীকী ছবি শেয়ার করেন পলাশ। ছবিতে দেখা যায়, ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি পরা নেইমার অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছেড়ে হেঁটে যাচ্ছেন। তার সামনে পড়ে আছে একটি রাজমুকুট। ছবির নিচে লেখা, ‘থ্যাংক ইউ’।

 

ছবির ক্যাপশনে পলাশ লিখেছেন, ‘একটা যুগের সমাপ্তি, কিন্তু কিংবদন্তির গল্প কখনোই শেষ হয় না। বিদায়, নেইমার জুনিয়র!’পলাশের পোস্ট প্রকাশের পরপরই ফুটবলপ্রেমীরা মন্তব্যের ঘরে নিজেদের অনুভূতি জানাতে শুরু করেন। অনেকে নেইমারকে শুভকামনা জানান। কেউ ব্রাজিলের বিদায় নিয়ে হতাশাও প্রকাশ করেন।


বিশ্বকাপ ফুটবল-২০২৬ থেকে প্রিয় দলের বিদায় ও প্রতিপক্ষ দলের সমর্থকদের উপহাস (ট্রল) সইতে না রতন (২১) নামে এক ব্রাজিল সমর্থক আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের ঘোড়াইঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

জানা গেছে, নিহত রতন ওই এলাকার হোসেন মিস্ত্রির ছেলে। তিনি পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন। তার মাত্র দুই মাস বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে ব্রাজিল ও নরওয়ে ফুটবল দলের মধ্যকার খেলায় প্রিয় দল ব্রাজিলের পরাজয় তিনি মানসিকভাবে মেনে নিতে পারছিলেন না। তার ওপর সকালের দিকে প্রতিপক্ষ ফুটবল দলের সমর্থকদের অনবরত নেতিবাচক ট্রল ও উপহাসের শিকার হন তিনি। পরাজয়ের কষ্ট এবং প্রতিপক্ষের বিদ্রূপ সইতে না পেরে তীব্র মানসিক যন্ত্রণায় ভেঙে পড়েন এই যুবক। পরে নিজের শোবার ঘরে গিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।

 

রতনের বাবা হোসেন মিস্ত্রি বলেন, রাতে খেলা দেখে ছেলে ঘুমিয়ে পড়েছিল। বেলা ১১টার দিকেও ঘরের ভেতর থেকে তার কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় আমাদের সন্দেহ হয়। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে দেখি ঘরের আড়ার সঙ্গে রশিতে ঝুলছে রতন। পরবর্তীতে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুমারখালী থানার ওসি (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে নিহতের পরিবার নিশ্চিত করেছে যে রতন ব্রাজিলের কট্টর সমর্থক ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, দল হেরে যাওয়ার গ্লানি ও ট্রল সইতে না পেরেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।

 

পুলিশ আরও জানায়, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ বা দাবি না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ দাফনের জন্য স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ট্রল সইতে না পেরে ব্রাজিল সমর্থকের আত্মহত্যা!

বিশ্বকাপের মঞ্চে আর দেখা যাবে না ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে। স্পেনের বিপক্ষে শেষ ষোলোর মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে নিজেই জানিয়ে দিলেন, ২০২৬ বিশ্বকাপই তার ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ।

 

রোববার ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে ৪১ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ মহাতারকা বলেন, ‘আমি যতটা সম্ভব এই মুহূর্তগুলো উপভোগ করতে চাই। এটাই আমার শেষ বিশ্বকাপ। তবে আশা করি, স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচ যেন আমার শেষ ম্যাচ না হয়।’২০০৬ সালে প্রথম বিশ্বকাপ খেলেছিলেন রোনালদো। এরপর ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬—টানা ছয়টি বিশ্বকাপে খেলার অনন্য কীর্তি গড়েছেন তিনি। এবারের আসরে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে গোল করে বিশ্বকাপের ছয়টি ভিন্ন আসরে গোল করা প্রথম ফুটবলারও হয়েছেন।

 

এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত তিনটি গোল করেছেন রোনালদো। গ্রুপ পর্বে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করার পর শেষ ষোলোতে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নিজের প্রথম গোলের দেখা পান তিনি।

 

রোনালদো বলেন, ‘এই বিশ্বকাপ আমার কাছে অসাধারণ একটি অভিজ্ঞতা। শুধু মাঠের পারফরম্যান্স নয়, মানুষের আবেগ-ভালোবাসার কারণেই এটি আমার স্মৃতিতে সবচেয়ে বেশি জায়গা করে নেবে। কেন জানি না, তবে আবেগের দিক থেকে এটিই আমার সেরা বিশ্বকাপ। আমি প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করেছি।’বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও নিজের ক্যারিয়ার অসম্পূর্ণ থেকে যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি।

 

‘আমার জীবনে কোনো কিছুর অভাব নেই। বিশ্বকাপ জিতলে আমি বেশি কিছু হয়ে যাবো না, আর না জিতলেও কমে যাব না। অবশ্যই আমাদের শিরোপা জেতার সামর্থ্য আছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তো একটি দলই চ্যাম্পিয়ন হবে,’ বলেন রোনালদো।

 

জাতীয় দল থেকে অবসর নিয়েও কথা বলেন তিনি, ‘একদিন অবশ্যই সেই সময় আসবে। কিন্তু আগামীকাল যা-ই ঘটুক না কেন, আমি সম্পূর্ণ তৃপ্তি নিয়েই মাঠ ছাড়ব। আমি ফুটবলের জন্য আমার সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছি। আমি অর্থ বা খ্যাতির জন্য খেলি না, খেলি ভালোবাসা থেকে।’

 

সমালোচনাকে ইতিবাচকভাবে নেওয়ার কথাও বলেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা, ‘৪০ বছর পার হওয়ার পরও সমালোচনা শুনতে হয়। তবে আমি সেসবের জন্যও কৃতজ্ঞ। সমালোচনাই মানুষকে আরও পরিণত হতে শেখায়। গঠনমূলক সমালোচনা গ্রহণ করতে হয়, আর যেগুলো আপনাকে ভেঙে দেওয়ার জন্য করা হয়, সেগুলো উপেক্ষা করতে শিখতে হয়।’

 

স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালের প্রশংসাও করেন রোনালদো, ‘ওর সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। তবে আমি শুধু ইয়ামালকে নয়, পুরো স্পেন দলকেই দেখি। তারা দারুণ একটি দল। দীর্ঘ ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে প্রস্তুত থাকতে হবে, সমালোচনায় ভেঙে পড়া যাবে না। যাঁরা আপনাকে ভালোবাসেন, তাঁদের ভালোবাসা এবং নিজের কাজের প্রতি আবেগই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’অন্যদিকে রোনালদোর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন স্পেনের প্রধান কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।

 

তিনি বলেন, ‘আমি ক্রিস্টিয়ানোর বড় ভক্ত। উচ্চাকাঙ্ক্ষা, চরিত্র, কঠোর পরিশ্রম এবং প্রতিদিন নিজেকে আরও উন্নত করার মানসিকতা—তরুণদের জন্য সে একটি আদর্শ উদাহরণ।’

 

স্পেন কোচ আরও বলেন, ‘পুরো ম্যাচজুড়েই আমাদের ওর দিকে নজর রাখতে হবে। আলাদা করে একজনকে দায়িত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে সে যে জায়গায় খেলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে, সেখানে তাকে এক মুহূর্তের জন্যও অবহেলা করা যাবে না। সেই জায়গাগুলোতে সে এখনো বিশ্বের অন্যতম সেরা।’

এটাই আমার শেষ বিশ্বকাপ, স্পেন ম্যাচ যেন শেষ ম্যাচ না হয়: রোনালদো

চলছে ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপের ১৬-এর লড়াই। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল বিদায় নিয়েছে নরওয়ের কাছে। আর তাতে বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ব্রাজিল ভক্তরা ভেঙে পড়েছেন দলটির পরাজয়ে।

 

বিশ্বজুড়ে থাকা সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের মতো বড় ধাক্কা খেয়েছেন ব্রাজিল সমর্থক বাংলাদেশের বিনোদন জগতের তারকারাও। ব্রাজিল দলের এমন বিদায়ে চরম হতাশা প্রকাশ করলেও প্রিয় দলের প্রতি নিজের আজীবন সমর্থনের কথা ব্যক্ত করেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী।

 

সোমবার (৬ জুলাই) ব্রাজিল বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে। ব্রাজিলের এই অপ্রত্যাশিত ও দ্রুত বিদায়ের পর সামাজিক মাধ্যমে পক্ষে-বিপক্ষে তুমুল আলোচনা চলছে।

 

ব্রাজিলের টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন তানজিম সাইয়ারা তটিনী।

 

ব্রাজিলের জার্সি পরা একটি ছবি পোস্ট করে সেই পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন— দলের প্রতিটি ভালো ও খারাপ সময়ে আমি পাশে আছি। ব্রাজিল এমন একটি দল, যা আমি চিরকাল আমার হৃদয়ে বহন করব। আজ, আগামীকাল এবং সর্বদা— আমি আমার দলের সঙ্গেই থাকব।

 

অবশ্য পোস্ট করা ছবিতে দেখা গেছে, একহাত দিয়ে চোখ ঢেকে কান্না লুকানোর একটি ভঙ্গি, যা মূলত পরাজিত সেলেসাও সমর্থকদের বর্তমান মিশ্র আবেগেরই এক প্রতিচ্ছবি। এমনকি নিজের পোস্টের কমেন্টবক্সেও একাধিক কান্নার ইমোজি দিয়ে নিজের মন খারাপের বিষয়টি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন এ ছোটপর্দার অভিনেত্রী।

ব্রাজিল এমন এক দল, যাকে চিরকাল হৃদয়ে বহন করব: তটিনী

ব্রাজিলের পেনাল্টি মিসের ঘটনা নিয়ে আলোচনা যেন থামছেই না। নরওয়ের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচের শুরুতেই পেনাল্টি কিকের সুযোগ পেয়েছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি ব্রুনো গুইমারেস। তবে গোল মিসের চেয়েও বেশি প্রশ্ন উঠেছে, দলের নিয়মিত পেনাল্টি নেওয়া তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র কেন কিক নিতে এগিয়ে আসেননি।

পেনাল্টি নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, স্পটকিক নেওয়ার বিষয়টি ব্যক্তিগত পছন্দের ছিল না। বরং ম্যাচের আগেই প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি ঠিক করে দিয়েছিলেন কে পেনাল্টি নেবেন। কোচের নির্দেশ মেনেই তিনি বলটি ব্রুনো গুইমারেসের হাতে তুলে দেন।

 

ম্যাচের ১২ মিনিটে ম্যাথিয়াস কুনহাকে ফাউল করার ঘটনায় ভিএআরের পরামর্শে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। প্রথমে বল হাতে পেনাল্টি স্পটের দিকে এগিয়ে যান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, যা দেখে ধারণা করা হচ্ছিল তিনিই কিক নেবেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তিনি দায়িত্ব তুলে দেন ব্রুনো গুইমারেসের ওপর। তবে ব্রুনোর শটটি গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দিলে লিড নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করে ব্রাজিল।

 

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ভিনিসিয়ুস বলেন, ‘কোচ আগে থেকেই ঠিক করে দেন পেনাল্টি কিক কে নেবে। তিনি ব্রুনোকে বেছে নিয়েছিলেন। আমি কখনও অহংকারী ছিলাম না। প্রতিযোগিতার সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার ইচ্ছাও আমার ছিল না। ব্রুনো আমার চেয়ে ভালো পেনাল্টি নেয় বলেই কোচ তাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। আমি কখনও দায়িত্ব থেকে পালিয়ে যাইনি।’

 

পেনাল্টি না নেওয়াকে ঘিরে সমালোচনার জবাবও দিয়েছেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। তার ভাষ্য, অনেকেই হয়তো মনে করতে পারেন তিনি দায়িত্ব নিতে চাননি, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। ভিনিসিয়ুস বলেন, ‘অনেকে হয়তো বলবে আমি নিতে চাইনি। কিন্তু আমি কখনো পালিয়ে যাইনি। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে কোচ যখন আমাকে দায়িত্ব দেন, তখন আমি পেনাল্টি নিই। দলের প্রয়োজন হলে আমি সব সময় প্রস্তুত থাকি। আমাদের পরবর্তী বিশ্বকাপ এবং সামনে থাকা ম্যাচগুলোর জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে।’

 

পেনাল্টি নেওয়ার আগে ব্রুনোর সঙ্গে ভিনিসিয়ুসকে কিছুক্ষণ কথা বলতে দেখা যায়। এরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা জল্পনা। অনেকেই ধারণা করেন, দুজনের মধ্যে হয়তো কে পেনাল্টি নেবেন, তা নিয়ে মতবিরোধ হয়েছিল। তবে সেই ব্যাখ্যাও স্পষ্ট করেছেন ভিনিসিয়ুস।

 

তিনি বলেন, ‘কোনো বিতর্কের অবকাশই ছিল না। পেনাল্টি নেয়ার জন্য ব্রুনোকে বেছে নিয়েছিলেন কোচ। আমরা প্রতিদিন অনুশীলন করি এবং কোচ তাকেই নির্বাচন করেছেন। প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়া কিংবা সেরা খেলোয়াড় হওয়ার কোনো অহমিকা আমার নেই।’

 

সতীর্থ ব্রুনো গুইমারেসের পাশেও দাঁড়িয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। একটি পেনাল্টি মিস দিয়ে পুরো টুর্নামেন্টে ব্রুনোর অবদানকে মূল্যায়ন না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি সব সময় দলের জন্য খেলি। ওই মুহূর্তে ব্রুনোর পেনাল্টি নেওয়াটাই ছিল সঠিক সিদ্ধান্ত। দুর্ভাগ্যবশত সে গোল করতে পারেনি। এটাই ফুটবল। আমাদের মাথা উঁচু রেখেই এগিয়ে যেতে হবে। পুরো টুর্নামেন্টে ব্রুনো অসাধারণ খেলেছে। কিন্তু একটি পেনাল্টি মিস তার সেই পারফরম্যান্সকে কিছুটা আড়াল করে দিয়েছে।’

নরওয়ের বিপক্ষে পেনাল্টি সিদ্ধান্ত আমার নয়, কোচের ছিল: ভিনিসিয়ুস

 

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন নেইমার

এই মেটলাইফ স্টেডিয়ামেই ২০১০ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে ব্রাজিলের জার্সিতে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হয়েছিল নেইমারের। ১৬ বছর পর সেই মাঠেই শেষ হয়ে গেল নেইমার জুনিয়রের বর্ণাঢ্য অধ্যায়। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা।

 

ম্যাচ শেষে আবেগঘন কণ্ঠে ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা বলেন, ‘আমি চেষ্টা করেছি। নিজের সর্বোচ্চটাই দিয়েছি। এই মেটলাইফ স্টেডিয়ামেই আমার পথচলা শুরু হয়েছিল, আর এখানেই শেষ হলো। এখন সব শেষ।’ এর মধ্য দিয়েই ব্রাজিলের জার্সিতে শেষ হলো নেইমারের ১৬ বছরের রঙিন, আলোচিত এবং আবেগঘন এক অধ্যায়।

আন্তর্জাতিক ফুটবলে নেইমারের পথচলাটা ছিল সংখ্যাতেও অসাধারণ। ২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে অভিষেকের পর ব্রাজিলের জার্সিতে খেলেছেন ১২৯টি ম্যাচ। করেছেন ৮০টি গোল, যা পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে ব্রাজিলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। চারটি বিশ্বকাপে (২০১৪, ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬) দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে জিতেছেন রৌপ্যপদক, আর ২০১৬ রিও অলিম্পিকে অধিনায়ক হিসেবে ব্রাজিলকে এনে দিয়েছেন ফুটবল ইভেন্টে দেশটির ইতিহাসের প্রথম অলিম্পিক স্বর্ণপদক।

 

ডান পায়ের কাফের চোট নিয়েই বিশ্বকাপে এসেছিলেন নেইমার। তাই টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই পুরোপুরি ফিট ছিলেন না। গ্রুপ পর্বে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বদলি হিসেবে মাত্র ১৪ মিনিট খেলেছিলেন। এরপর জাপানের বিপক্ষে মাঠেই নামা হয়নি।

 

নরওয়ের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচেও তাকে শুরুতে বেঞ্চে রেখেছিলেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। দ্বিতীয়ার্ধে দল পিছিয়ে পড়ার পর বদলি হিসেবে মাঠে নামেন নেইমার। ইনজুরি সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান ২-১ করেন তিনি। সেটিই হয়ে থাকল চলতি বিশ্বকাপে তার একমাত্র গোল এবং আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ৮০তম ও শেষ গোল।

 

তবে সেই গোলও ব্রাজিলকে বিদায়ের হাত থেকে রক্ষা করতে পারেনি। নরওয়ে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয়। আগামী ১১ জুলাই শেষ আটে তারা মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও মেক্সিকো ম্যাচের বিজয়ীর।

 

পেলেকে ছাড়িয়ে ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবেই আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন নেইমার। তবে দেশের জার্সিতে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নটা আর পূরণ হলো না তার। মেটলাইফ স্টেডিয়ামের অশ্রুসিক্ত রাতেই শেষ হলো ব্রাজিল ফুটবলের এক উজ্জ্বল অধ্যায়।

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন নেইমার

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর মঞ্চে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিদায়ের পর মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েছেন সেলেসাওদের মহাতারকা নেইমার জুনিয়র। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর চোখের জল লুকানোর কোনো চেষ্টাই করেননি এই ফরোয়ার্ড।

 

সতীর্থদের সান্ত্বনাও কমাতে পারেনি তার বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার তীব্র বেদনা। আর এই হৃদয়বিদারক হারের পরপরই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে নিজের অবসরের স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা।

 

নিউ জার্সির মাঠে নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচের যোগ করা সময়ে পেনাল্টি থেকে ব্রাজিলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেছিলেন ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা নেইমার। তবে দলের পরাজয় এবং হেক্সা স্বপ্ন চূর্ণ হওয়া এড়ানোর জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। ম্যাচ শেষে সম্প্রচারকারী মাধ্যম ‘জিই টিভি’কে দেওয়া সংক্ষিপ্ত ও আবেগাপ্লুত এক প্রতিক্রিয়ায় নেইমার বলেন,’চেষ্টা করেছি, বারবার চেষ্টা করেছি। কিন্তু এখানেই সব শেষ। এখান থেকেই শুরু করেছিলাম, এখানেই শেষ করলাম।’

 

প্রসঙ্গত ২০১০ বিশ্বকাপের পর এই যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতেই তৎকালীন কোচ মানো মেনেজেসের অধীনে ব্রাজিল জাতীয় দলে প্রথম অভিষেক হয়েছিল তরুণ নেইমারের। দীর্ঘ ১৬ বছর পর সেই যুক্তরাষ্ট্রের মাঠেই কান্নাভেজা চোখে বিদায়ের রাগিণী শোনালেন তিনি।

 

চলমান ২০২৬ আসরটি ছিল নেইমারের ক্যারিয়ারের চতুর্থ বিশ্বকাপ। ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬—টানা চারটি আসরে দেশের হয়ে নিজের সর্বোচ্চটা উজাড় করে দিয়েও সোনালী ট্রফিটি ছোঁয়া হয়নি তার। আর এর মধ্য দিয়ে ফুটবল ইতিহাসে বিশ্বকাপ শিরোপা না জিতেই চারটি বিশ্বকাপ খেলার তালিকায় মাত্র দ্বিতীয় ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার হিসেবে নাম লেখালেন এই কিংবদন্তি।

 

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই নেইমার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এটিই হতে যাচ্ছে তার ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ। ফলে নিউ জার্সির মাঠে শেষ বাঁশির পর নেইমারের এই বাঁধভাঙা কান্না শুধু একটি ম্যাচ হারার হতাশা ছিল না, বরং ফুটবল বিধাতার কাছে বিশ্বকাপ জয়ের আজীবনের স্বপ্ন অধরা থেকে যাওয়ার বেদনার বহিঃপ্রকাশ।

এখান থেকেই শুরু করেছিলাম, এখানেই শেষ করলাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

স্টাফ রিপোর্টার

তানিন পিয়াস চৌধুরী

তাং:০৬/০৭/২৬ সোমবার।

 

হেডলাইন: নড়াইল নড়াগাতি থানার পহরডাঙ্গা হাটে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন ৫০ বছরের সাহেব মোল্যা নামের এক ব্যক্তি।

 

 

নড়াইলের কালিয়া থেকে গরুর হাটে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন সাহেব মোল্যা নামের এক ব্যক্তি। যোগাযোগের নাম্বার01751320424

 

আজ ৫ই জুলাই সকালে, নড়াইলের নড়াগাতী থানার কলাবাড়ীয়া গ্রামের আনুমানিক ৫৩ বছর বয়সী সাহেব মোল্যা একটি গরু নিয়ে পহরডাঙ্গা হাটের উদ্দেশ্যে বের হন।

 

কিন্তু এরপর আর তিনি বাড়ি ফিরে আসেননি। ওনার কাছে কোনো মোবাইল ফোনও নেই। আত্মীয়-স্বজনসহ সব জায়গায় খুঁজেও ওনার কোনো সন্ধান মেলেনি।

 

কোনো সহৃদয় ব্যক্তি ওনার সন্ধান পেয়ে থাকলে, স্ক্রিনে দেওয়া নম্বরে দ্রুত যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

 

যোগাযোগ: এনামুল মোল্যা (ছেলে) 01751320424

 

একটি পরিবার ওনার ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনছে। দয়া করে ভি

 

পোস্ট টি,বেশি বেশি শেয়ার করে ওনাকে পরিবারের কাছে ফিরতে সাহা,য্য করুন।

 

নড়াইল নড়াগাতি থেকে

তানিন পিয়াস চৌধুরী

গন টেলিভিশন সংবাদ।

নড়াইল নড়াগাতি থানার পহরডাঙ্গা হাটে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন ৫০ বছরের সাহেব মোল্যা নামের এক ব্যক্তি

নীলফামারীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

পুরষ্কার, ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

নীলফামারী প্রতিনিধি: উন্নত গ্রাম, সমৃদ্ধ দেশ-গড়ব সবার বাংলাদেশ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নীলফামারীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) জেলা প্রশাসক ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি),

নীলফামারীর যৌথ উদ্যোগে দিবস টি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য রেলি, আলোচনা সভা, সফল ঋণগ্রহীতাদের সম্মাননা, ঋণের চেক এবং গাছের চারা বিতরণ করা হয়। দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি রেলি বের হয় শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নুসহাত তাসনিম আওনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজামান। স্বাগত বক্তব্য দেন বিআরডিবির জেলা উপ-পরিচালক নূর হোসেন মিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মাইদুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার

(প্রশাসন ও অর্থ) ফজলুর রহমান মহসিন। বক্তব্য দেন নীলফামারী প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আনোয়ারুল আলম প্রধান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুর আলম, উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান আবুল হোসেন শাহ এবং উপকারভোগী আইনাল হক ও সুলতানা বেগম। অনুষ্ঠানে শতাধিক সদস্যের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে বিআরডিবির ঋণের মাধ্যমে

স্বাবলম্বী হওয়ায় আইনাল হক ও সুলতানা বেগমকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য আইনাল হকের হাতে এক লাখ টাকার ঋণের চেক তুলে দেন প্রধান অতিথি। এর আগে তিনি ১০ হাজার টাকার ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজামান বলেন, সরকারের পল্লী উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রামীণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের অর্থ সামাজিক অগ্রগতিকে আরও বেগবান করেছে। টেকসই উন্নয়নে সরকারী উদ্যোগের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণও জরুরী। এটি জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশযোগ্য মান বজায় রেখে সম্পাদনা করা হয়েছে।

নীলফামারীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত পুরষ্কার, ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ

বিশ্বকাপ ফুটবল-২০২৬ থেকে প্রিয় দল ব্রাজিলের বিদায় সহ্য করতে না পেরে আলমগীর হোসেন (৩৫) না‌মে এক সমর্থক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত থাকলেও চিকিৎসকেরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। তিনি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আলমগীর।

 

সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে অনুষ্ঠিত ব্রাজিল ও নরওয়ের মধ্যকার বিশ্বকাপ ম্যাচটি নিজ বাড়িতে বন্ধুবান্ধব ও অন্যান্য ব্রাজিল সমর্থকদের সঙ্গে দেখছিলেন আলমগীর। শুরু থেকেই তিনি দারুণ উৎসাহ-উদ্দীপনায় খেলা উপভোগ করছিলেন তিনি। তবে ব্রাজিল পিছিয়ে পড়ার পর থেকেই তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। খেলা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হলে তিনি প্রবল মানসিক আঘাত পান। কিছুক্ষণের মধ্যেই বুকে তীব্র ব্যথা, অস্বস্তি ও শ্বাসকষ্ট অনুভব করে মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন।

 

পরে তার স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক তাকে কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি করে পর্যবেক্ষণে রাখেন।

 

আলমগীরের পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ব্রাজিল ফুটবল দলের নিবেদিতপ্রাণ সমর্থক। বিশ্বকাপ এলেই বন্ধুদের নিয়ে খেলা দেখতেন এবং দলের জয়-পরাজয়কে খুব আবেগের সঙ্গে গ্রহণ করতেন। এবারের বিদায় তিনি মানসিকভাবে মেনে নিতে পারেননি।

 

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. নিসর্গ মেরাজ চৌধুরী বলেন, অতিরিক্ত আবেগ, মানসিক চাপ বা হঠাৎ তীব্র উত্তেজনা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই হৃদরোগ বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে। খেলাধুলা বিনোদনের বিষয় হলেও তা নিয়ে অতিরিক্ত মানসিক চাপ নেয়া উচিত নয়।

 

তিনি আরও বলেন, আলমগীর হোসেন বর্তমানে শঙ্কামুক্ত রয়েছেন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে এবং সুস্থতা নিশ্চিত করতে তাকে আরও কয়েকদিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

 

ব্রাজিলের হার সইতে না পেরে কুড়িগ্রামে সমর্থকের হার্ট অ্যাটাক

সদকায়ে জারিয়া অর্জনের অন্যতম বড় মাধ্যম হলো শিক্ষকতা- এমনটাই মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, আপনারা মনে রাখবেন, আপনারা শুধু একটি পেশায় নেই—আপনারা শিক্ষকতা পেশায় আছেন। আমি নিজেও এই পেশার মানুষ। শিক্ষক হিসেবে আমি উপলব্ধি করি, শিক্ষকতা এমন একটি মহান পেশা, যার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি সদকায়ে জারিয়া অর্জনের সুযোগ রয়েছে।

 

সোমবার (৭ জুলাই) বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের ২১০ তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

 

মন্ত্রী বলেন, আপনারা এমন মানুষ গড়ে তুলবেন, যারা সমাজে অবদান রাখবে। আমি নিজে এর বাস্তব উদাহরণ দেখেছি। আগে যখন সচিব ছিলাম, তখন দেখেছি অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা তাঁদের শিক্ষকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করেছেন। কারণ, সেই শিক্ষকই একদিন তাঁদের গড়ে তুলেছিলেন। অর্থাৎ, শিক্ষকতা এমন একটি পেশা, যার মাধ্যমে মৃত্যুর পরও মানুষের কল্যাণের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। তাই এই পেশাকে ভালোবাসতে হবে।

 

নায়েমের উন্নয়নে অভিজ্ঞ এই মন্ত্রী বলেন, আজকের আলোচনায় আমি শুনলাম, এখানে নানা ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি আবার আপনাদের মাঝে আসতে পারি, তাহলে আজকের এই বৈঠকে আপনারা যেসব দুর্বলতা বা সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেছেন, সেগুলোর অগ্রগতি জানতে চাইব। আর যদি আসা সম্ভব না হয়, তাহলে আপনারা সেসব সুপারিশ লিখিত আকারে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেবেন। কারণ, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে এসব সুপারিশ বাস্তবায়ন করা আমাদের দায়িত্ব।

 

নিজ জীবনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমরা অতীতের অনেক কিছুই ভুলে যেতে পারি না। ছাত্রজীবনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে আমি ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম এবং কাজ করেছি। আজ কাজ করছি প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে। আমি তাঁর চিন্তা-ভাবনা কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছি। তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন শিক্ষা খাতকে। তাঁর লক্ষ্য, এই মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একটি শিক্ষিত প্রজন্ম ও একটি সমৃদ্ধ জাতি গড়ে তোলা।

 

শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে ড. মিলন আরো বলেন, লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করবেন আপনারাই। তাই আমরা সবাই মিলে কাজ করব, যাতে সেই কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারি। আপনাদের কাছে যদি আরও কোনো দুর্বলতা বা সীমাবদ্ধতার বিষয় থাকে, অবশ্যই আমাদের জানাবেন।

সবচেয়ে বেশি সদকায়ে জারিয়া অর্জনের মাধ্যম হলো শিক্ষকতা: শিক্ষামন্ত্রী

বিশ্বকাপ ফুটবল-২০২৬ থেকে প্রিয় দলের বিদায় ও প্রতিপক্ষ দলের সমর্থকদের উপহাস (ট্রল) সইতে না রতন (২১) নামে এক ব্রাজিল সমর্থক আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের ঘোড়াইঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

জানা গেছে, নিহত রতন ওই এলাকার হোসেন মিস্ত্রির ছেলে। তিনি পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন। তার মাত্র দুই মাস বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে ব্রাজিল ও নরওয়ে ফুটবল দলের মধ্যকার খেলায় প্রিয় দল ব্রাজিলের পরাজয় তিনি মানসিকভাবে মেনে নিতে পারছিলেন না। তার ওপর সকালের দিকে প্রতিপক্ষ ফুটবল দলের সমর্থকদের অনবরত নেতিবাচক ট্রল ও উপহাসের শিকার হন তিনি। পরাজয়ের কষ্ট এবং প্রতিপক্ষের বিদ্রূপ সইতে না পেরে তীব্র মানসিক যন্ত্রণায় ভেঙে পড়েন এই যুবক। পরে নিজের শোবার ঘরে গিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।

 

রতনের বাবা হোসেন মিস্ত্রি বলেন, রাতে খেলা দেখে ছেলে ঘুমিয়ে পড়েছিল। বেলা ১১টার দিকেও ঘরের ভেতর থেকে তার কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় আমাদের সন্দেহ হয়। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে দেখি ঘরের আড়ার সঙ্গে রশিতে ঝুলছে রতন। পরবর্তীতে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুমারখালী থানার ওসি (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে নিহতের পরিবার নিশ্চিত করেছে যে রতন ব্রাজিলের কট্টর সমর্থক ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, দল হেরে যাওয়ার গ্লানি ও ট্রল সইতে না পেরেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।

 

পুলিশ আরও জানায়, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ বা দাবি না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ দাফনের জন্য স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ট্রল সইতে না পেরে ব্রাজিল সমর্থকের আত্মহত্যা!

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় আসমা আক্তার (৫) নামে এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে তার জেঠাতো ভাই শাহাদাত হোসেনকে (২৬) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। একই সাথে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

 

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে জেলার বিশেষ শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আকতার এ রায় ঘোষণা করেন।

 

দণ্ডপ্রাপ্ত শাহাদাত উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির বাবুল হোসেনের ছেলে এবং নিহতের জেঠাতো ভাই।

 

নারীও শিশু দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি সেলিম শাহী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদেশে আরও বলা হয়েছে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখতে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

 

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় আসমা। ঘটনার নয় দিন পর বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংকি থেকে আসামির তথ্যের ভিত্তিতে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ভিকটিমের জেঠাতো ভাই শাহাদাতকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলাকালে শাহাদাত আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানায়, ধর্ষণের পর ঘটনা প্রকাশ হয়ে পড়ার আশঙ্কায় সে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে এবং মরদেহ সেপটিক ট্যাংকিতে ফেলে রাখে।

 

এরপর ৬ এপ্রিল নিহত শিশুর বাবা মাওলানা শাহজাহান বাদী হয়ে চাটখিল সদর থানায় শাহাদাতকে একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও জরিমানা করেন।

আসমা ধর্ষণ-হত্যা: চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাবা, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মতো নিজের বেতনের একটি অংশ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও তাদের বেতনের একটি অংশ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

 

সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীতে বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল একটা মিটিং হয়েছে। একজন প্রধানমন্ত্রী, অনেক বড় প্রশ্ন…। একটা দেশের প্রশাসনিক প্রধান ব্যক্তি, উনি আমাদের মিটিংয়ে কী বলেছেন জানেন? খুব বিনয়ের সঙ্গে বলেছেন— মন্ত্রী মহোদয়গণ, আমি একটা কথা বলব আজকে, বিনয় করে বলা, আপনারা রাখতেও পারেন আমার কথাটা, না-ও রাখতে পারেন।’

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি কিন্তু হুবহু কোট করছি—রাখতেও পারেন আমার কথাটা না-ও রাখতে পারেন। তবে আমি অনেক চিন্তা-ভাবনা করে দেখেছি, আপনাদের আমার বলা উচিত, এখন আপনাদের ইচ্ছা! যেটা বলব, আমি এটা করছি। আমার আব্বা (সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান) প্রতি মাসে তার বেতন থেকে ১০ শতাংশ বেতন সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতেন গরিব-মিসকিন মানুষদের সহযোগিতা করার জন্য বা সরকারি কোনো প্রয়োজনে খরচ করার জন্য। আমি কিন্তু বেতন নিচ্ছি, না নিয়ে চলতে পারতেছি না।

 

আমার বেসিক বেতন ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা, ১০ শতাংশ হারে আমি ১১ হাজার ৫০০ টাকা প্রতি মাসে বেতন থেকে জমা দিচ্ছি। বেতন যখন অ্যাকাউন্টে আসে আমি তুলে একটা চেক দিয়ে দিই গভর্নমেন্টের অ্যাকাউন্টে। আমি আপনাদের অনুরোধ করব, আমার আব্বা কাজটা করতেন, আমি করছি; আপনারাও যদি মনে কিছু না নেন বা যদি আপনাদের পক্ষে সম্ভব হয় আপনারাও প্রতি মাসে ১০ শতাংশ আপনাদের বেতনের টাকাটা সরকারের ঘরে ফেরত দিয়ে দেবেন।’

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সবাই আলহামদুলিল্লাহ বলেছি। খুশি হয়েছি যে উনি আমাদের কাছে অ্যাপ্রোচটা।

 

বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত ৭ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে, প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। এ মামলায় একজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

 

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর ৩টায় জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ‘ট্রাইব্যুনাল-১’-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।

 

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন রাশেদুর রহমান ওরফে পাপ্পু, বিজু মিয়া, বাদশা মিয়া, জুয়েল মিয়া, আশরাফুল ইসলাম, জসিম ও আছমত।

 

অন্যদিকে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ইদ্রিস আলীকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক জানান, গত বছরের ২৫ মে রাতে বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষীয়া এলাকায় এক গৃহবধূকে অপহরণ করে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটায়। পরে ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে বকশীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

 

তিনি আরও জানান, মামলায় মোট ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। চিকিৎসা প্রতিবেদন, আলামত ও অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত ৭ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ড ও ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ইদ্রিস আলীকে খালাস দেওয়া হয়। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

 

 

জামালপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

টানা তিন দিনের ভারী বৃষ্টিতে সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার তিন্দু ও রেমাক্রী ইউনিয়নে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ঘুরতে যাওয়া প্রায় ১২০ জন পর্যটক আটকে পড়েছেন।

 

সোমবার (৬ জুলাই) নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে নৌযান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় তারা সেখানে অবস্থান করছেন। বর্তমানে সবাই নিরাপদে রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েক দিনের টানা বর্ষণে সাঙ্গু নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে থানচির বিভিন্ন পর্যটন স্পটে নৌপথে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত নতুন পর্যটকদের ওই সব এলাকায় ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নদীর পানি পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

তিনি বলেন, তিন্দু ইউনিয়নের নাফাখুম এলাকায় প্রায় ৭০ জন এবং রেমাক্রী ইউনিয়নে আরও প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন পর্যটক অবস্থান করছেন। নদীর পানির স্রোত ও উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় তারা যাতায়াত করতে পারছেন না। তবে সবাই সুস্থ ও নিরাপদে আছেন।

 

এ বিষয়ে থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কানন সরকার এশিয়া পোস্টকে বলেন, পর্যটক আটকে থাকার বিষয়টি আমাদের এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। যদি কেউ আটকে পড়ে থাকেন, তাহলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সহযোগিতা এবং প্রয়োজনীয় উদ্ধারকারী দলের মাধ্যমে তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে।

সাঙ্গু নদীতে তীব্র স্রোত, বান্দরবানে আটকা শতাধিক পর্যটক

চলমান বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। নরওয়ের কাছে হার শুধু ব্রাজিলের আরেকটি বিশ্বকাপ-বিদায় নয়, এটি ৩৬ বছরের মধ্যে তাদের সবচেয়ে হতাশাজনক বিশ্বকাপ অভিযান। ১৯৯০ সালের পর প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনালের আগেই থেমে গেল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের পথচলা।

 

ব্রাজিলের পথচলা থেমে যাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রিয় দলকে ঘিরে আবেগ প্রকাশ করেছেন অসংখ্য সমর্থক। দলটির সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার জুনিয়রকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ। তাকে জানিয়েছেন শ্রদ্ধাও।

 

সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ৯টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে নেইমারের একটি প্রতীকী ছবি শেয়ার করেন পলাশ। ছবিতে দেখা যায়, ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি পরা নেইমার অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছেড়ে হেঁটে যাচ্ছেন। তার সামনে পড়ে আছে একটি রাজমুকুট। ছবির নিচে লেখা, ‘থ্যাংক ইউ’।

 

ছবির ক্যাপশনে পলাশ লিখেছেন, ‘একটা যুগের সমাপ্তি, কিন্তু কিংবদন্তির গল্প কখনোই শেষ হয় না। বিদায়, নেইমার জুনিয়র!’পলাশের পোস্ট প্রকাশের পরপরই ফুটবলপ্রেমীরা মন্তব্যের ঘরে নিজেদের অনুভূতি জানাতে শুরু করেন। অনেকে নেইমারকে শুভকামনা জানান। কেউ ব্রাজিলের বিদায় নিয়ে হতাশাও প্রকাশ করেন।

নেইমারের বিদায়ে পলাশ কিংবদন্তির গল্প কখনও শেষ হয় না

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d