নীলফামারীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত পুরষ্কার, ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
নীলফামারীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত পুরষ্কার, ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ

নীলফামারীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত পুরষ্কার, ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ

নীলফামারীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

পুরষ্কার, ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

নীলফামারী প্রতিনিধি: উন্নত গ্রাম, সমৃদ্ধ দেশ-গড়ব সবার বাংলাদেশ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নীলফামারীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) জেলা প্রশাসক ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি),

নীলফামারীর যৌথ উদ্যোগে দিবস টি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য রেলি, আলোচনা সভা, সফল ঋণগ্রহীতাদের সম্মাননা, ঋণের চেক এবং গাছের চারা বিতরণ করা হয়। দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি রেলি বের হয় শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নুসহাত তাসনিম আওনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজামান। স্বাগত বক্তব্য দেন বিআরডিবির জেলা উপ-পরিচালক নূর হোসেন মিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মাইদুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার

(প্রশাসন ও অর্থ) ফজলুর রহমান মহসিন। বক্তব্য দেন নীলফামারী প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আনোয়ারুল আলম প্রধান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুর আলম, উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান আবুল হোসেন শাহ এবং উপকারভোগী আইনাল হক ও সুলতানা বেগম। অনুষ্ঠানে শতাধিক সদস্যের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে বিআরডিবির ঋণের মাধ্যমে

স্বাবলম্বী হওয়ায় আইনাল হক ও সুলতানা বেগমকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য আইনাল হকের হাতে এক লাখ টাকার ঋণের চেক তুলে দেন প্রধান অতিথি। এর আগে তিনি ১০ হাজার টাকার ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজামান বলেন, সরকারের পল্লী উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রামীণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের অর্থ সামাজিক অগ্রগতিকে আরও বেগবান করেছে। টেকসই উন্নয়নে সরকারী উদ্যোগের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণও জরুরী। এটি জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশযোগ্য মান বজায় রেখে সম্পাদনা করা হয়েছে।


স্টাফ রিপোর্টার

তানিন পিয়াস চৌধুরী

তাং:০৬/০৭/২৬ সোমবার।

 

হেডলাইন: নড়াইল নড়াগাতি থানার পহরডাঙ্গা হাটে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন ৫০ বছরের সাহেব মোল্যা নামের এক ব্যক্তি।

 

 

নড়াইলের কালিয়া থেকে গরুর হাটে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন সাহেব মোল্যা নামের এক ব্যক্তি। যোগাযোগের নাম্বার01751320424

 

আজ ৫ই জুলাই সকালে, নড়াইলের নড়াগাতী থানার কলাবাড়ীয়া গ্রামের আনুমানিক ৫৩ বছর বয়সী সাহেব মোল্যা একটি গরু নিয়ে পহরডাঙ্গা হাটের উদ্দেশ্যে বের হন।

 

কিন্তু এরপর আর তিনি বাড়ি ফিরে আসেননি। ওনার কাছে কোনো মোবাইল ফোনও নেই। আত্মীয়-স্বজনসহ সব জায়গায় খুঁজেও ওনার কোনো সন্ধান মেলেনি।

 

কোনো সহৃদয় ব্যক্তি ওনার সন্ধান পেয়ে থাকলে, স্ক্রিনে দেওয়া নম্বরে দ্রুত যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

 

যোগাযোগ: এনামুল মোল্যা (ছেলে) 01751320424

 

একটি পরিবার ওনার ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনছে। দয়া করে ভি

 

পোস্ট টি,বেশি বেশি শেয়ার করে ওনাকে পরিবারের কাছে ফিরতে সাহা,য্য করুন।

 

নড়াইল নড়াগাতি থেকে

তানিন পিয়াস চৌধুরী

গন টেলিভিশন সংবাদ।

নড়াইল নড়াগাতি থানার পহরডাঙ্গা হাটে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন ৫০ বছরের সাহেব মোল্যা নামের এক ব্যক্তি

টানা তিন দিনের ভারী বৃষ্টিতে সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার তিন্দু ও রেমাক্রী ইউনিয়নে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ঘুরতে যাওয়া প্রায় ১২০ জন পর্যটক আটকে পড়েছেন।

 

সোমবার (৬ জুলাই) নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে নৌযান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় তারা সেখানে অবস্থান করছেন। বর্তমানে সবাই নিরাপদে রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েক দিনের টানা বর্ষণে সাঙ্গু নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে থানচির বিভিন্ন পর্যটন স্পটে নৌপথে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত নতুন পর্যটকদের ওই সব এলাকায় ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নদীর পানি পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

তিনি বলেন, তিন্দু ইউনিয়নের নাফাখুম এলাকায় প্রায় ৭০ জন এবং রেমাক্রী ইউনিয়নে আরও প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন পর্যটক অবস্থান করছেন। নদীর পানির স্রোত ও উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় তারা যাতায়াত করতে পারছেন না। তবে সবাই সুস্থ ও নিরাপদে আছেন।

 

এ বিষয়ে থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কানন সরকার এশিয়া পোস্টকে বলেন, পর্যটক আটকে থাকার বিষয়টি আমাদের এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। যদি কেউ আটকে পড়ে থাকেন, তাহলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সহযোগিতা এবং প্রয়োজনীয় উদ্ধারকারী দলের মাধ্যমে তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে।

সাঙ্গু নদীতে তীব্র স্রোত, বান্দরবানে আটকা শতাধিক পর্যটক

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির ও পৌরসভা এলাকায় পৃথক পাহাড় ধসের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে আটজন রোহিঙ্গা নাগরিক এবং একজন স্থানীয় বাংলাদেশি রয়েছেন।

 

সোমবার (৬ জুলাই) রাত দেড়টা থেকে ভোর ৪টার মধ্যে উখিয়ার ৭, ১১ ও ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং কক্সবাজার পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্তার ঘোনা এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

 

উখিয়ায় নিহতরা হলেন—পালংখালী ইউনিয়নের ১৫ নম্বর জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৬ ব্লকের কামাল হোসাইন (৪৪), তার স্ত্রী হুমায়রা বেগম (৩৯), চার বছরের ছেলে মোহাম্মদ আনাস; কুতুপালং ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৭ ব্লকের মোহাম্মদ রশিদের ছেলে একরাম (৭); এবং বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-১১ ব্লকের উম্মে হাবিবা (২৭), তার বোন তানজিনা আক্তার (১৩), মোহাম্মদ রিহান (৫) ও হারুনুর রশিদ (৩)।

 

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত দেড়টার দিকে ১৫ নম্বর জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৬ ব্লকে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে কামাল হোসাইনের বসতঘরের ওপর পড়ে। এতে পরিবারের ১০ সদস্য মাটিচাপা পড়েন। খবর পেয়ে উদ্ধারকারীরা কামাল হোসাইন, তার স্ত্রী হুমায়রা বেগম ও তাদের চার বছরের ছেলে মোহাম্মদ আনাসের মরদেহ উদ্ধার করেন। পরিবারের অন্য সদস্যরা জীবিত উদ্ধার হলেও কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এর কিছুক্ষণ পর রাত ২টার দিকে কুতুপালং ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৭ ব্লকে আরেকটি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এতে ওই ক্যাম্পের বাসিন্দা মোহাম্মদ রশিদের সাত বছর বয়সী ছেলে একরামের মৃত্যু হয়। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-১১ ব্লকে পাহাড়ধসে একই পরিবারের চারজন (উম্মে হাবিবা, তানজিনা আক্তার, মোহাম্মদ রিহান ও হারুনুর রশিদ) নিহত হন।

 

এদিকে কক্সবাজার পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্তার ঘোনা এলাকায় পাহাড়ধসে আলী আকবর (৫০) নামের এক স্থানীয় বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে। জানা গেছে, ভোর ৪টার দিকে ছাত্তার ঘোনা এলাকায় একই পরিবারের ৩ সদস্য পাহাড়ধসে চাপা পড়েন। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আলী আকবরকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা জানান, পাহাড়ধসের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, এপিবিএন এবং স্থানীয় রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবকেরা রাতভর উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে হতাহতদের উদ্ধার করেন।

 

উখিয়ার রাজাপালং ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন বলেন, নানা সতর্কতা ও প্রস্তুতির পরেও এ ধরনের পাহাড় ধসের মর্মান্তিক ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক।

 

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার বলেন, টানা ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। এ কারণে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে। তিনি সবাইকে প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

 

উখিয়ার ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) পরিদর্শক শুভেন্দু চ্যাটার্জি জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাহাড়ের পাদদেশে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে টানা বৃষ্টির কারণে শরণার্থী শিবিরজুড়ে নতুন করে পাহাড়ধসের আশঙ্কা ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

 

কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান জানান, রোববার সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে ২৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপ এবং সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী কয়েকদিনও জেলায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

 

উখিয়া-টেকনাফের ৩৩টি রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের মধ্যে অন্তত আটটি ক্যাম্প পাহাড়ধসের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব ক্যাম্পে পাহাড়ের পাদদেশ ও ঢালজুড়ে গড়ে ওঠা অস্থায়ী বসতিতে বসবাস করছেন লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। বর্ষা মৌসুমে টানা ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হলেই তাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

কক্সবাজারে পাহাড় ধসে আট রোহিঙ্গাসহ ৯ জনের মৃত্যু

খুলনার দৌলতপুরে এনা পরিবহনের একটি কাউন্টারের বাথরুম থেকে গলাকাটা অবস্থায় এক কলেজছাত্রকে উদ্ধার করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় কাউন্টারের ক্যাশবাক্স থেকে টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। তবে এটি ডাকাতি, পরিকল্পিত হামলা নাকি আত্মহত্যার চেষ্টা এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।

 

রোববার (৫ জুলাই) মাগরিবের পর নগরীর নতুন রাস্তার মোড় এলাকায় এনা পরিবহনের দৌলতপুর কাউন্টারে এ ঘটনা ঘটে।

 

আহত ইমন (২০) দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি এলাকার বাসিন্দা। তিনি বিএল কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাবা শাহজাহান সাজু। স্বজনদের দাবি, ঘটনার দিন রাতেই তিনি এনা পরিবহনের ওই কাউন্টারে কর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেছিলেন।

 

স্বজন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মাগরিবের নামাজের সময় কাউন্টারের অন্য কর্মীরা বাহিরে গেলে ইমন একাই দায়িত্বে ছিলেন। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে সহকর্মীরা তাকে কাউন্টারে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে কাউন্টারের বাথরুমের ভেতরে গলাকাটা অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ও সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। এনা পরিবহনের সংশ্লিষ্টদের দাবি, হামলার সময় কাউন্টারের ক্যাশবাক্স থেকেও টাকা চুরি হয়েছে।

 

হাসপাতালে উপস্থিত ইমনের মামাতো ভাই মিরাজ হোসেন বলেন, আজই সে চাকরিতে যোগ দিয়েছিল। কাউন্টারে থাকা একজন নামাজে গেলে পরে এসে দেখে ইমন নেই। খোঁজাখুঁজির পর বাথরুমের ভেতরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় পাওয়া যায়। কীভাবে এ ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না।

 

ইমনের বাবা শাহজাহান সাজু বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে এসেছি। আমার ছেলে বিএল কলেজে অনার্সে ভর্তি হয়েছে। কয়েকদিন আগে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করেছে। পাশাপাশি চাকরিতে যোগ দিয়েছিল। কে বা কারা তার এমন ক্ষতি করল, তা বুঝতে পারছি না।

 

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্র জানায়, জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ইমনকে সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। তার গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। চিকিৎসকেরা তার শারীরিক অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

 

দৌলতপুর থানার ওসি মুহা. মোরাদুল ইসলাম বলেন, মাগরিবের নামাজের সময় কাউন্টার ম্যানেজার মসজিদে যান। পরে ফিরে এসে ইমনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করা হয়। পরে বাথরুম থেকে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।

এনা পরিবহনের কাউন্টারের বাথরুম থেকে গলাকাটা অবস্থায় কলেজছাত্র উদ্ধার

নীলফামারীতে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৫ জুলাই) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলায় সদর ইউনিয়নের

পাকারমাথা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, সদর উপজেলার কালিতলা এলাকার দারিকা চন্দ্র রায়ের ছেলে জয়ন্ত রায় (২৬) ও সদর উপজেলার সুঠিপাড়া এলাকার মেহের উদ্দিনের ছেলে মুমিন (৫০)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পাকারমাথা এলাকায় পল্লী বিদ্যুৎ মেরামতের কাজ চলছিল। এ সময়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ না করেই নিহত দুই শ্রমিক সেখানে কাজ শুরু করেন। এ সময় বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে তারা গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের মৃত্যু ঘোষণা করেন। কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার নুরুজ্জামান জানান ঠিকাদার বিদ্যুৎ লাইন বন্ধের জন্য আমাদের কিছু না জানিয়ে চলন্ত লাইনে শ্রমিক দিয়ে কাজ করছিল। এর কারনে এই ঘটনা ঘটে। কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নীলফামারীতে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু 

জুলাই আন্দোলনকে অবমাননা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে শোবিজ দুনিয়ার তিন মডেল-আইনজীবী জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া, মডেল মারিয়া কিসপট্টা এবং অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে

শনিবার (৪ জুলাই) শোবিজ জগতের এ তিন নারীর বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করা হয়। ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’ সংগঠনের সদস্য মিল্লাত হোসেন এ অভিযোগ দায়ের করেন।

 

 

শাহবাগ থানার ডিউটি অফিসার এসআই মাজিবুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অভিযোগটি জিডি হিসেবে গ্রহণ করার পর তা তদন্তের জন্য এসআই আশরাফ আলীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

তিনি আরও জানান, মডেল ও আইনজীবী জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া, মডেল মারিয়া কিসপট্টা এবং অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি ছাড়া আরও তিনজন রয়েছেন। তারা হলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর, উপস্থাপিকা সোমা ইসলাম এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও কলামিস্ট মোমিন মেহেদী।

 

অভিযোগ প্রসঙ্গে শাহবাগ থানার ডিউটি অফিসার এসআই মাজিবুল আলম জানান, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সাইবার সংশ্লিষ্ট। তাই তদন্তকারী কর্মকর্তা বিষয়টি পর্যালোচনা করছেন। প্রয়োজনে এটি সাইবার ইউনিটেও পাঠানো হতে পারে। তদন্তে অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

 

এর আগে শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে জুলাই আন্দোলনকে অবমাননা ও অপপ্রচারের অভিযোগে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি এবং শান্তা ফারজানা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’ সংগঠনের প্রতিনিধি কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আনম আয়াস, তুহিন ফরাজী এবং কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক মুহাম্মদ শাহ্ আলম বাদশা।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ জুলাই আন্দোলনকে নিয়ে অভিযুক্তরা বিভ্রান্তিকর ও অবমাননাকর অপপ্রচার চালিয়েছেন যা জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। তাই আইন অনুযায়ী অভিযুক্তদের শাস্তি চান তারা।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ দিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শুরু। এই আন্দোলনে পরে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হলে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে।

পিয়া-মারিয়া-তুষ্টিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে থানায় জিডি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

স্টাফ রিপোর্টার

তানিন পিয়াস চৌধুরী

তাং:০৬/০৭/২৬ সোমবার।

 

হেডলাইন: নড়াইল নড়াগাতি থানার পহরডাঙ্গা হাটে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন ৫০ বছরের সাহেব মোল্যা নামের এক ব্যক্তি।

 

 

নড়াইলের কালিয়া থেকে গরুর হাটে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন সাহেব মোল্যা নামের এক ব্যক্তি। যোগাযোগের নাম্বার01751320424

 

আজ ৫ই জুলাই সকালে, নড়াইলের নড়াগাতী থানার কলাবাড়ীয়া গ্রামের আনুমানিক ৫৩ বছর বয়সী সাহেব মোল্যা একটি গরু নিয়ে পহরডাঙ্গা হাটের উদ্দেশ্যে বের হন।

 

কিন্তু এরপর আর তিনি বাড়ি ফিরে আসেননি। ওনার কাছে কোনো মোবাইল ফোনও নেই। আত্মীয়-স্বজনসহ সব জায়গায় খুঁজেও ওনার কোনো সন্ধান মেলেনি।

 

কোনো সহৃদয় ব্যক্তি ওনার সন্ধান পেয়ে থাকলে, স্ক্রিনে দেওয়া নম্বরে দ্রুত যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

 

যোগাযোগ: এনামুল মোল্যা (ছেলে) 01751320424

 

একটি পরিবার ওনার ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনছে। দয়া করে ভি

 

পোস্ট টি,বেশি বেশি শেয়ার করে ওনাকে পরিবারের কাছে ফিরতে সাহা,য্য করুন।

 

নড়াইল নড়াগাতি থেকে

তানিন পিয়াস চৌধুরী

গন টেলিভিশন সংবাদ।

নড়াইল নড়াগাতি থানার পহরডাঙ্গা হাটে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন ৫০ বছরের সাহেব মোল্যা নামের এক ব্যক্তি

নীলফামারীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

পুরষ্কার, ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

নীলফামারী প্রতিনিধি: উন্নত গ্রাম, সমৃদ্ধ দেশ-গড়ব সবার বাংলাদেশ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নীলফামারীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) জেলা প্রশাসক ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি),

নীলফামারীর যৌথ উদ্যোগে দিবস টি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য রেলি, আলোচনা সভা, সফল ঋণগ্রহীতাদের সম্মাননা, ঋণের চেক এবং গাছের চারা বিতরণ করা হয়। দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি রেলি বের হয় শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নুসহাত তাসনিম আওনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজামান। স্বাগত বক্তব্য দেন বিআরডিবির জেলা উপ-পরিচালক নূর হোসেন মিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মাইদুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার

(প্রশাসন ও অর্থ) ফজলুর রহমান মহসিন। বক্তব্য দেন নীলফামারী প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আনোয়ারুল আলম প্রধান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুর আলম, উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান আবুল হোসেন শাহ এবং উপকারভোগী আইনাল হক ও সুলতানা বেগম। অনুষ্ঠানে শতাধিক সদস্যের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে বিআরডিবির ঋণের মাধ্যমে

স্বাবলম্বী হওয়ায় আইনাল হক ও সুলতানা বেগমকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য আইনাল হকের হাতে এক লাখ টাকার ঋণের চেক তুলে দেন প্রধান অতিথি। এর আগে তিনি ১০ হাজার টাকার ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজামান বলেন, সরকারের পল্লী উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রামীণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের অর্থ সামাজিক অগ্রগতিকে আরও বেগবান করেছে। টেকসই উন্নয়নে সরকারী উদ্যোগের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণও জরুরী। এটি জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশযোগ্য মান বজায় রেখে সম্পাদনা করা হয়েছে।

নীলফামারীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত পুরষ্কার, ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ

বিশ্বকাপ ফুটবল-২০২৬ থেকে প্রিয় দল ব্রাজিলের বিদায় সহ্য করতে না পেরে আলমগীর হোসেন (৩৫) না‌মে এক সমর্থক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত থাকলেও চিকিৎসকেরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। তিনি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আলমগীর।

 

সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে অনুষ্ঠিত ব্রাজিল ও নরওয়ের মধ্যকার বিশ্বকাপ ম্যাচটি নিজ বাড়িতে বন্ধুবান্ধব ও অন্যান্য ব্রাজিল সমর্থকদের সঙ্গে দেখছিলেন আলমগীর। শুরু থেকেই তিনি দারুণ উৎসাহ-উদ্দীপনায় খেলা উপভোগ করছিলেন তিনি। তবে ব্রাজিল পিছিয়ে পড়ার পর থেকেই তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। খেলা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হলে তিনি প্রবল মানসিক আঘাত পান। কিছুক্ষণের মধ্যেই বুকে তীব্র ব্যথা, অস্বস্তি ও শ্বাসকষ্ট অনুভব করে মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন।

 

পরে তার স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক তাকে কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি করে পর্যবেক্ষণে রাখেন।

 

আলমগীরের পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ব্রাজিল ফুটবল দলের নিবেদিতপ্রাণ সমর্থক। বিশ্বকাপ এলেই বন্ধুদের নিয়ে খেলা দেখতেন এবং দলের জয়-পরাজয়কে খুব আবেগের সঙ্গে গ্রহণ করতেন। এবারের বিদায় তিনি মানসিকভাবে মেনে নিতে পারেননি।

 

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. নিসর্গ মেরাজ চৌধুরী বলেন, অতিরিক্ত আবেগ, মানসিক চাপ বা হঠাৎ তীব্র উত্তেজনা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই হৃদরোগ বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে। খেলাধুলা বিনোদনের বিষয় হলেও তা নিয়ে অতিরিক্ত মানসিক চাপ নেয়া উচিত নয়।

 

তিনি আরও বলেন, আলমগীর হোসেন বর্তমানে শঙ্কামুক্ত রয়েছেন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে এবং সুস্থতা নিশ্চিত করতে তাকে আরও কয়েকদিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

 

ব্রাজিলের হার সইতে না পেরে কুড়িগ্রামে সমর্থকের হার্ট অ্যাটাক

সদকায়ে জারিয়া অর্জনের অন্যতম বড় মাধ্যম হলো শিক্ষকতা- এমনটাই মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, আপনারা মনে রাখবেন, আপনারা শুধু একটি পেশায় নেই—আপনারা শিক্ষকতা পেশায় আছেন। আমি নিজেও এই পেশার মানুষ। শিক্ষক হিসেবে আমি উপলব্ধি করি, শিক্ষকতা এমন একটি মহান পেশা, যার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি সদকায়ে জারিয়া অর্জনের সুযোগ রয়েছে।

 

সোমবার (৭ জুলাই) বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের ২১০ তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

 

মন্ত্রী বলেন, আপনারা এমন মানুষ গড়ে তুলবেন, যারা সমাজে অবদান রাখবে। আমি নিজে এর বাস্তব উদাহরণ দেখেছি। আগে যখন সচিব ছিলাম, তখন দেখেছি অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা তাঁদের শিক্ষকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করেছেন। কারণ, সেই শিক্ষকই একদিন তাঁদের গড়ে তুলেছিলেন। অর্থাৎ, শিক্ষকতা এমন একটি পেশা, যার মাধ্যমে মৃত্যুর পরও মানুষের কল্যাণের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। তাই এই পেশাকে ভালোবাসতে হবে।

 

নায়েমের উন্নয়নে অভিজ্ঞ এই মন্ত্রী বলেন, আজকের আলোচনায় আমি শুনলাম, এখানে নানা ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি আবার আপনাদের মাঝে আসতে পারি, তাহলে আজকের এই বৈঠকে আপনারা যেসব দুর্বলতা বা সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেছেন, সেগুলোর অগ্রগতি জানতে চাইব। আর যদি আসা সম্ভব না হয়, তাহলে আপনারা সেসব সুপারিশ লিখিত আকারে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেবেন। কারণ, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে এসব সুপারিশ বাস্তবায়ন করা আমাদের দায়িত্ব।

 

নিজ জীবনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমরা অতীতের অনেক কিছুই ভুলে যেতে পারি না। ছাত্রজীবনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে আমি ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম এবং কাজ করেছি। আজ কাজ করছি প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে। আমি তাঁর চিন্তা-ভাবনা কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছি। তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন শিক্ষা খাতকে। তাঁর লক্ষ্য, এই মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একটি শিক্ষিত প্রজন্ম ও একটি সমৃদ্ধ জাতি গড়ে তোলা।

 

শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে ড. মিলন আরো বলেন, লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করবেন আপনারাই। তাই আমরা সবাই মিলে কাজ করব, যাতে সেই কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারি। আপনাদের কাছে যদি আরও কোনো দুর্বলতা বা সীমাবদ্ধতার বিষয় থাকে, অবশ্যই আমাদের জানাবেন।

সবচেয়ে বেশি সদকায়ে জারিয়া অর্জনের মাধ্যম হলো শিক্ষকতা: শিক্ষামন্ত্রী

বিশ্বকাপ ফুটবল-২০২৬ থেকে প্রিয় দলের বিদায় ও প্রতিপক্ষ দলের সমর্থকদের উপহাস (ট্রল) সইতে না রতন (২১) নামে এক ব্রাজিল সমর্থক আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের ঘোড়াইঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

জানা গেছে, নিহত রতন ওই এলাকার হোসেন মিস্ত্রির ছেলে। তিনি পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন। তার মাত্র দুই মাস বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে ব্রাজিল ও নরওয়ে ফুটবল দলের মধ্যকার খেলায় প্রিয় দল ব্রাজিলের পরাজয় তিনি মানসিকভাবে মেনে নিতে পারছিলেন না। তার ওপর সকালের দিকে প্রতিপক্ষ ফুটবল দলের সমর্থকদের অনবরত নেতিবাচক ট্রল ও উপহাসের শিকার হন তিনি। পরাজয়ের কষ্ট এবং প্রতিপক্ষের বিদ্রূপ সইতে না পেরে তীব্র মানসিক যন্ত্রণায় ভেঙে পড়েন এই যুবক। পরে নিজের শোবার ঘরে গিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।

 

রতনের বাবা হোসেন মিস্ত্রি বলেন, রাতে খেলা দেখে ছেলে ঘুমিয়ে পড়েছিল। বেলা ১১টার দিকেও ঘরের ভেতর থেকে তার কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় আমাদের সন্দেহ হয়। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে দেখি ঘরের আড়ার সঙ্গে রশিতে ঝুলছে রতন। পরবর্তীতে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুমারখালী থানার ওসি (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে নিহতের পরিবার নিশ্চিত করেছে যে রতন ব্রাজিলের কট্টর সমর্থক ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, দল হেরে যাওয়ার গ্লানি ও ট্রল সইতে না পেরেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।

 

পুলিশ আরও জানায়, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ বা দাবি না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ দাফনের জন্য স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ট্রল সইতে না পেরে ব্রাজিল সমর্থকের আত্মহত্যা!

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় আসমা আক্তার (৫) নামে এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে তার জেঠাতো ভাই শাহাদাত হোসেনকে (২৬) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। একই সাথে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

 

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে জেলার বিশেষ শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আকতার এ রায় ঘোষণা করেন।

 

দণ্ডপ্রাপ্ত শাহাদাত উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির বাবুল হোসেনের ছেলে এবং নিহতের জেঠাতো ভাই।

 

নারীও শিশু দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি সেলিম শাহী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদেশে আরও বলা হয়েছে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখতে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

 

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় আসমা। ঘটনার নয় দিন পর বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংকি থেকে আসামির তথ্যের ভিত্তিতে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ভিকটিমের জেঠাতো ভাই শাহাদাতকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলাকালে শাহাদাত আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানায়, ধর্ষণের পর ঘটনা প্রকাশ হয়ে পড়ার আশঙ্কায় সে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে এবং মরদেহ সেপটিক ট্যাংকিতে ফেলে রাখে।

 

এরপর ৬ এপ্রিল নিহত শিশুর বাবা মাওলানা শাহজাহান বাদী হয়ে চাটখিল সদর থানায় শাহাদাতকে একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও জরিমানা করেন।

আসমা ধর্ষণ-হত্যা: চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাবা, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মতো নিজের বেতনের একটি অংশ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও তাদের বেতনের একটি অংশ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

 

সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীতে বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল একটা মিটিং হয়েছে। একজন প্রধানমন্ত্রী, অনেক বড় প্রশ্ন…। একটা দেশের প্রশাসনিক প্রধান ব্যক্তি, উনি আমাদের মিটিংয়ে কী বলেছেন জানেন? খুব বিনয়ের সঙ্গে বলেছেন— মন্ত্রী মহোদয়গণ, আমি একটা কথা বলব আজকে, বিনয় করে বলা, আপনারা রাখতেও পারেন আমার কথাটা, না-ও রাখতে পারেন।’

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি কিন্তু হুবহু কোট করছি—রাখতেও পারেন আমার কথাটা না-ও রাখতে পারেন। তবে আমি অনেক চিন্তা-ভাবনা করে দেখেছি, আপনাদের আমার বলা উচিত, এখন আপনাদের ইচ্ছা! যেটা বলব, আমি এটা করছি। আমার আব্বা (সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান) প্রতি মাসে তার বেতন থেকে ১০ শতাংশ বেতন সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতেন গরিব-মিসকিন মানুষদের সহযোগিতা করার জন্য বা সরকারি কোনো প্রয়োজনে খরচ করার জন্য। আমি কিন্তু বেতন নিচ্ছি, না নিয়ে চলতে পারতেছি না।

 

আমার বেসিক বেতন ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা, ১০ শতাংশ হারে আমি ১১ হাজার ৫০০ টাকা প্রতি মাসে বেতন থেকে জমা দিচ্ছি। বেতন যখন অ্যাকাউন্টে আসে আমি তুলে একটা চেক দিয়ে দিই গভর্নমেন্টের অ্যাকাউন্টে। আমি আপনাদের অনুরোধ করব, আমার আব্বা কাজটা করতেন, আমি করছি; আপনারাও যদি মনে কিছু না নেন বা যদি আপনাদের পক্ষে সম্ভব হয় আপনারাও প্রতি মাসে ১০ শতাংশ আপনাদের বেতনের টাকাটা সরকারের ঘরে ফেরত দিয়ে দেবেন।’

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সবাই আলহামদুলিল্লাহ বলেছি। খুশি হয়েছি যে উনি আমাদের কাছে অ্যাপ্রোচটা।

 

বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত ৭ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে, প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। এ মামলায় একজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

 

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর ৩টায় জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ‘ট্রাইব্যুনাল-১’-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।

 

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন রাশেদুর রহমান ওরফে পাপ্পু, বিজু মিয়া, বাদশা মিয়া, জুয়েল মিয়া, আশরাফুল ইসলাম, জসিম ও আছমত।

 

অন্যদিকে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ইদ্রিস আলীকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক জানান, গত বছরের ২৫ মে রাতে বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষীয়া এলাকায় এক গৃহবধূকে অপহরণ করে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটায়। পরে ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে বকশীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

 

তিনি আরও জানান, মামলায় মোট ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। চিকিৎসা প্রতিবেদন, আলামত ও অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত ৭ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ড ও ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ইদ্রিস আলীকে খালাস দেওয়া হয়। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

 

 

জামালপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

টানা তিন দিনের ভারী বৃষ্টিতে সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার তিন্দু ও রেমাক্রী ইউনিয়নে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ঘুরতে যাওয়া প্রায় ১২০ জন পর্যটক আটকে পড়েছেন।

 

সোমবার (৬ জুলাই) নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে নৌযান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় তারা সেখানে অবস্থান করছেন। বর্তমানে সবাই নিরাপদে রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েক দিনের টানা বর্ষণে সাঙ্গু নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে থানচির বিভিন্ন পর্যটন স্পটে নৌপথে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত নতুন পর্যটকদের ওই সব এলাকায় ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নদীর পানি পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

তিনি বলেন, তিন্দু ইউনিয়নের নাফাখুম এলাকায় প্রায় ৭০ জন এবং রেমাক্রী ইউনিয়নে আরও প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন পর্যটক অবস্থান করছেন। নদীর পানির স্রোত ও উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় তারা যাতায়াত করতে পারছেন না। তবে সবাই সুস্থ ও নিরাপদে আছেন।

 

এ বিষয়ে থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কানন সরকার এশিয়া পোস্টকে বলেন, পর্যটক আটকে থাকার বিষয়টি আমাদের এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। যদি কেউ আটকে পড়ে থাকেন, তাহলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সহযোগিতা এবং প্রয়োজনীয় উদ্ধারকারী দলের মাধ্যমে তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে।

সাঙ্গু নদীতে তীব্র স্রোত, বান্দরবানে আটকা শতাধিক পর্যটক

চলমান বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। নরওয়ের কাছে হার শুধু ব্রাজিলের আরেকটি বিশ্বকাপ-বিদায় নয়, এটি ৩৬ বছরের মধ্যে তাদের সবচেয়ে হতাশাজনক বিশ্বকাপ অভিযান। ১৯৯০ সালের পর প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনালের আগেই থেমে গেল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের পথচলা।

 

ব্রাজিলের পথচলা থেমে যাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রিয় দলকে ঘিরে আবেগ প্রকাশ করেছেন অসংখ্য সমর্থক। দলটির সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার জুনিয়রকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ। তাকে জানিয়েছেন শ্রদ্ধাও।

 

সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ৯টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে নেইমারের একটি প্রতীকী ছবি শেয়ার করেন পলাশ। ছবিতে দেখা যায়, ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি পরা নেইমার অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছেড়ে হেঁটে যাচ্ছেন। তার সামনে পড়ে আছে একটি রাজমুকুট। ছবির নিচে লেখা, ‘থ্যাংক ইউ’।

 

ছবির ক্যাপশনে পলাশ লিখেছেন, ‘একটা যুগের সমাপ্তি, কিন্তু কিংবদন্তির গল্প কখনোই শেষ হয় না। বিদায়, নেইমার জুনিয়র!’পলাশের পোস্ট প্রকাশের পরপরই ফুটবলপ্রেমীরা মন্তব্যের ঘরে নিজেদের অনুভূতি জানাতে শুরু করেন। অনেকে নেইমারকে শুভকামনা জানান। কেউ ব্রাজিলের বিদায় নিয়ে হতাশাও প্রকাশ করেন।

নেইমারের বিদায়ে পলাশ কিংবদন্তির গল্প কখনও শেষ হয় না

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d