শিবিরের গুপ্ত কৌশল’ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য রাশেদের - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
শিবিরের গুপ্ত কৌশল’ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য রাশেদের

শিবিরের গুপ্ত কৌশল’ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য রাশেদের

ছাত্রশিবিরের রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। তিনি দাবি করেছেন, জামায়াত-শিবিরের ‘গুপ্ত কৌশলের’ কারণেই দেশে ফ্যাসিবাদ দীর্ঘায়িত হয়েছিল। একইসঙ্গে তার অভিযোগ, গত ১৬ বছরে ছাত্রলীগের ভেতরে গুপ্তভাবে না থেকে যদি শিবির প্রকাশ্যে প্রতিরোধ গড়ে তুলত, তাহলে ছাত্রলীগ এত শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারত না এবং শেখ হাসিনাও এতদিন ক্ষমতায় থাকতে পারতেন না।

 

শুক্রবার (১৭ জুলাই) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন রাশেদ খান।

 

পোস্টে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে আয়োজিত ‘লীগ ধর’ শীর্ষক প্রতীকী ম্যারাথন কর্মসূচির প্রসঙ্গ টেনে লেখেন, ‘আজকে ঢাবিতে শিবির যে “লীগ ধর” নামে ম্যারাথন দৌড় দিয়ে প্রতীকীভাবে লীগকে পেটালো, ঠিক বিগত ১৬ বছর ছাত্রলীগের মধ্যে গুপ্ত না থেকে সত্যিই যদি লীগকে পেটাতো, তাহলে ছাত্রলীগ দানব হয়ে উঠতে পারত না। শেখ হাসিনাও এতদিন ক্ষমতায় থাকতে পারতেন না।’

 

পোস্টে রাশেদ খান আরও বলেন, ‘সত্যি বলতে, শিবিরের ম্যারাথন দৌড়ে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ৯০ শতাংশই একসময় ঠিক এভাবেই লীগের পেছনে দৌড়ঝাঁপ করেছে।’

 

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘জামায়াত-শিবিরের গুপ্ত কৌশলের কারণেই ফ্যাসিবাদ দীর্ঘায়িত হয়েছে। গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যদি লীগের পতন না হতো, তাহলে শিবির তাদের কৌশলের অংশ হিসেবে ছাত্রলীগের মধ্যেই থেকে যেত। আজ যাদের অনেককে শিবিরের কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে, তাদের অনেককেই তখন ছাত্রলীগের বড় বড় পদে দেখা যেত।’

 


নীলফামারীতে আদা ক্ষেত থেকে কবিরাজের মরদেহ উদ্ধার

মাইদুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার নীলফামারী : ১৮/জুলাই/২০২৬ নীলফামারী সদরের কচুকাটা ইউনিয়নের ডাঙ্গা পাড়া দোলার পাড় নামক স্থান থেকে কমর চন্দ্র রায় (৫০) নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে ওই এলাকার একটি আদা ক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন পুলিশ। নিহত কমল চন্দ্র কচুকাটা বন্দর পাড়া গ্রামের বীরেণ চন্দ্র রায়ের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কবিরাজ। নিহতের পরিবারের সূত্রে জানা যায়, নিহত কমল চন্দ্র শুক্রবার রাত ১০ টার দিকে বাড়ী থেকে বের হয়ে আর ফিরেনি। সকালে স্থানীয় লোকজন আদা ক্ষেতের নালায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে খবর তাদের খবর দেন। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করেন। নীলফামারী সদর থানার (ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মরদেহটি মাটিতে উপুড় হয়ে

সোয়া ছিল। নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত পড়েছিল। তদন্ত সাপেক্ষে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান।

নীলফামারীতে আদা ক্ষেত থেকে কবিরাজের মরদেহ উদ্ধার

ডিমলায় স্কয়ার ক্লিনিকের গাফিলতিতে প্রসূতির মৃত্যু, অভিযোগ দিয়েও মেলেনি প্রতিকার

মাইদুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার: নীলফামারির ডিমলা উপজেলায় একটি বেসরকারি ক্লিনিকের চিকিৎসা গাফিলতিতে মেয়ে রাবিবনা আক্তারের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তার বাবার রবিউল ইসলাম। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে, শনিবার

(১৮ জুলাই) নীলফামারী শহরের একটি সাংবাদিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। রবিউল ইসলাম বলেন, গত বছরের ৮ আগস্ট

প্রসবজনিত কারণে তার মেয়ে রাবিবনা আক্তার কে ডিমলা স্কয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসক আক্তারুজ্জামান সিজারিয়ান অপারেশন করেন। অপারেশনের পর প্রসূতি ও নবজাতকের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। বিশেষ করে রাবিবনা তীব্র পেট ব্যথা শুরু হলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের পরামর্শ ১১ আগস্ট তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তিনি বলেন,রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা পূর্ণরায় আরো অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন কিন্তু ওই সময় ডিমলা স্কোয়ার ক্লিনিক এর মালিক ও ব্যবস্থাপক বিভিন্নভাবে ভয়-ভীতি ও চাপ প্রয়োগ করেন। যে হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের জন্য নেওয়া হয়েছে, সেখানে অপারেশন না করার জন্য তারা প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন অভিযোগ করেন তিনি। এতে

অস্ত্রোপাচার করতে বিলম্ব হয়। রবিউল ইসলাম আরও বলেন, পরে গোপনে রংপুরের তালুকদার হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের করা হলে চিকিৎসকরা জানান, তার মেয়ের পেটের ‘নার’ এর একটি বড় অংশ পচে গিয়েছে। রাব্বিনার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।

তার দাবি, ডিমলা স্কয়ার ক্লিনিকের ভুল চিকিৎসার কারণে সিজারের সময় ‘নার’ পেঁচিয়ে যায়। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল রাব্বিনার আক্তারের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হলেও ওই ক্লিনিক এর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি আদৌ বরং

ইউএনও ব্যবস্থা নিতে উদাসীনতা দেখাচ্ছেন অভিযোগ করেন তিনি। রবিউল ইসলাম বলেন, যথাযথ চিকিৎসার অভাবে আমার মেয়ের ‘নার’ নষ্ট হয়ে গেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, যাতে ভবিষ্যতে আর কোন প্রস্তুতি চিকিৎসার গাফিলতির শিকার না হয়। বিষয়টি নিয়ে ক্লিনিক মালিক সফিয়ার রহমানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, এক বছর আগের ঘটনা আমার বিষয়টি সঠিক জানা নেই। আমার ক্লিনিক ও রংপুরের ক্লিনিকের রিপোর্ট কি আছে সেটা দেখতে হবে।

অপারেশনতো আমি করি নাই চিকিৎসক বলতে পারবে। জানতে চাইলে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইমরানুজ্জামান বলেন, আমি কি করতে পারি। এটা স্বাস্থ্য বিভাগের কাজ তারপরও বিষয়টি আমি দেখবো।

ডিমলায় স্কয়ার ক্লিনিকের গাফিলতিতে প্রসূতির মৃত্যু, অভিযোগ দিয়েও মেলেনি প্রতিকার

ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃ’ত্যু….

 

মোঃআশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ২ নম্বর চাড়োল ইউনিয়নের শাহবাজপুর গ্রামে বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে মোস্তাকিম (৩) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুর আনুমানিক ১২টা ৪৫ মিনিটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মোস্তাকিম ওই গ্রামের মজিবর রহমানের একমাত্র ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খেলাধুলার একপর্যায়ে সবার অজান্তে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায় মোস্তাকিম। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

শিশুটির অকাল মৃত্যুতে পরিবারে শোকের মাতম নেমে এসেছে। এ ঘটনায় শাহবাজপুর গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

বর্ষা মৌসুমে পুকুর, খাল-বিল ও অন্যান্য জলাশয়ে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশুদের নিরাপত্তায় অভিভাবকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, শিশুদের প্রতি সার্বক্ষণিক নজরদারি থাকলে এ ধরনের হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃ’ত্যু

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চরঈশ্বর ইউনিয়নে বেড়িবাঁধ ভেঙে তিনটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। কৃষিজমি, বসতভিটা, রাস্তাঘাট ও হাটবাজার তলিয়ে যাওয়ায় জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রাতের জোয়ারে পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

 

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার চরঈশ্বর ইউনিয়নের তালুকদার গ্রামের পাশের বেড়িবাঁধ ভেঙে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, দুপুরের পর আসা জোয়ারের প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে বেড়িবাঁধের একটি অংশ ধসে যায়। এরপর মুহূর্তের মধ্যেই চরঈশ্বর ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। অনেক স্থানে রাস্তার ওপর দিয়ে দুই থেকে তিন ফুট উচ্চতায় জোয়ারের পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

 

চরঈশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান জানান, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও অস্বাভাবিক জোয়ারের কারণে বেড়িবাঁধের বিভিন্ন অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছিল। শুক্রবার দুপুরের জোয়ারের সময় সেটি ভেঙে যায়। দিনের তুলনায় রাতের জোয়ারে পানির উচ্চতা আরও বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোগান্তি বেড়েছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।

 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, চরঈশ্বর ইউনিয়নের ওই অংশটি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই বেড়িবাঁধটি ভেঙে যায়।

 

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হয়েছে। তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে তিনি নিজে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন। পরিদর্শন শেষে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

হাতিয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে তিন গ্রাম প্লাবিত, অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি

ঝালকাঠির পশ্চিম চাঁদকাঠি এলাকার টিএন্ডটি সড়কে একটি ভাড়া বাসা থেকে হাত বাঁধা অবস্থায় মলিনা রায় (৫০) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ভবনের আরও দুটি ফ্ল্যাটে চুরি করে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটের ঘটনাও ঘটেছে।

 

শুক্রবার রাত ৮টার দিকে টিএন্ডটি সড়কের একটি তিনতলা ভবন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, নিহতের কানের নিচে রক্তাক্ত আঘাতের চিহ্ন ছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

নিহত মলিনা রায় ওই ভবনের নিচতলার ভাড়াটিয়া ও রতন রায়ের স্ত্রী। রতন রায় কর্মসূত্রে ঢাকায় থাকেন। শুক্রবার শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উপলক্ষে ভবনের অধিকাংশ বাসিন্দা ভিমরুলী ও কীর্তিপাশায় গেলে মলিনা রায় একাই বাসায় ছিলেন।

 

স্থানীয়রা জানান, রাত পৌনে ৮টার দিকে বাসিন্দারা ফিরে এসে নিচতলা থেকে তৃতীয় তলা পর্যন্ত বিভিন্ন ফ্ল্যাটের তালা ভাঙা দেখতে পান। পরে মলিনা রায়ের মেয়ে পূজা রায় ঘরে ঢুকে মাকে হাত-পা বাঁধা ও মাথায় বস্তা পরানো অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁর চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে মলিনা রায়কে উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

ভবনের মালিক তপন হালদার বলেন, সবাই রথযাত্রায় যাওয়ার সুযোগে দুর্বৃত্তরা নিচতলার ভাড়াটিয়ার বাসাসহ দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে তছনছ করে এবং মালামাল লুট করে।

 

তৃতীয় তলার ভাড়াটিয়া পল্লবী বড়াল জানান, ফিরে এসে দেখেন নিচতলার এক নারীকে হত্যা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর বাসা এবং বাড়ির মালিকের ফ্ল্যাট থেকেও নগদ টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট হয়েছে।

 

খবর পেয়ে ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মামুন আল ইসলাম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এস.এম. বায়জীদ ইবনে আকবর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

 

ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদ হাসান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চুরির সময় বাধা দেওয়ায় ওই নারীকে হত্যা করা হয়েছে।

 

মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

ঝালকাঠিতে হাত বাঁধা অবস্থায় গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, দুই ফ্ল্যাটে চুরি

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, বাগেরহাট অত্যন্ত অবহেলিত একটি জেলা, তাতে কোনো সন্দেহ নাই। স্বৈরাচারের আমলে এখানে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। বাতির নিচে অন্ধকারের মতো অনেকটা। ফ্যাসিবাদের ১৫ বা ১৭ বছর গোপালগঞ্জের মানুষ এসে বাগেরহাটকে শাসন করেছে। কিন্তু কিছুই দিয়ে যায়নি। আমরা এখন বাগেরহাটের জন্য আনতে চাই।

 

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাতে বাগেরহাট অফিসার্স ফোরামের আয়োজনে জেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আঞ্চলিক উন্নয়নবিষয়ক এক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ডেপুটি স্পিকার বলেন, উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে প্রশাসনের একটা সংযোগ প্রয়োজন। রাজনৈতিক নেতারা নীতিনির্ধারকের ভূমিকা পালন করে। এটাকে বাস্তবায়ন করতে হয় স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে। এ দুইয়ের যখন সমন্বয় হবে তখনই একটা সমাজ, রাষ্ট্র ও দেশ এগিয়ে যাবে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি প্রশাসনে যারা আছেন তারা যদি সরকারকে সহযোগিতা করেন, তাহলে আমরা বাগেরহাটসহ সারা দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ঘটাতে পারব প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে।

 

বাগেরহাট অফিসার্স ফোরামের সভাপতি ড. মো. ফরিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. রফিকুস সালেহীন, বাগেরহাট অফিসার্স ফোরামের সম্পাদক ও যুগ্ম সচিব মো. জাকির হোসেন, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মাদ নাছের রিকাবদার, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন, সরকারি বিএল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম, সরকারি পিসি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. জাহাঙ্গীর আলী, বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এটিএম আকরাম হোসেন, তালিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন।

স্বৈরাচারের আমলে বাগেরহাটে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি: ডেপুটি স্পিকার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নীলফামারীতে আদা ক্ষেত থেকে কবিরাজের মরদেহ উদ্ধার

মাইদুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার নীলফামারী : ১৮/জুলাই/২০২৬ নীলফামারী সদরের কচুকাটা ইউনিয়নের ডাঙ্গা পাড়া দোলার পাড় নামক স্থান থেকে কমর চন্দ্র রায় (৫০) নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে ওই এলাকার একটি আদা ক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন পুলিশ। নিহত কমল চন্দ্র কচুকাটা বন্দর পাড়া গ্রামের বীরেণ চন্দ্র রায়ের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কবিরাজ। নিহতের পরিবারের সূত্রে জানা যায়, নিহত কমল চন্দ্র শুক্রবার রাত ১০ টার দিকে বাড়ী থেকে বের হয়ে আর ফিরেনি। সকালে স্থানীয় লোকজন আদা ক্ষেতের নালায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে খবর তাদের খবর দেন। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করেন। নীলফামারী সদর থানার (ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মরদেহটি মাটিতে উপুড় হয়ে

সোয়া ছিল। নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত পড়েছিল। তদন্ত সাপেক্ষে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান।

নীলফামারীতে আদা ক্ষেত থেকে কবিরাজের মরদেহ উদ্ধার

ডিমলায় স্কয়ার ক্লিনিকের গাফিলতিতে প্রসূতির মৃত্যু, অভিযোগ দিয়েও মেলেনি প্রতিকার

মাইদুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার: নীলফামারির ডিমলা উপজেলায় একটি বেসরকারি ক্লিনিকের চিকিৎসা গাফিলতিতে মেয়ে রাবিবনা আক্তারের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তার বাবার রবিউল ইসলাম। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে, শনিবার

(১৮ জুলাই) নীলফামারী শহরের একটি সাংবাদিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। রবিউল ইসলাম বলেন, গত বছরের ৮ আগস্ট

প্রসবজনিত কারণে তার মেয়ে রাবিবনা আক্তার কে ডিমলা স্কয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসক আক্তারুজ্জামান সিজারিয়ান অপারেশন করেন। অপারেশনের পর প্রসূতি ও নবজাতকের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। বিশেষ করে রাবিবনা তীব্র পেট ব্যথা শুরু হলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের পরামর্শ ১১ আগস্ট তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তিনি বলেন,রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা পূর্ণরায় আরো অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন কিন্তু ওই সময় ডিমলা স্কোয়ার ক্লিনিক এর মালিক ও ব্যবস্থাপক বিভিন্নভাবে ভয়-ভীতি ও চাপ প্রয়োগ করেন। যে হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের জন্য নেওয়া হয়েছে, সেখানে অপারেশন না করার জন্য তারা প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন অভিযোগ করেন তিনি। এতে

অস্ত্রোপাচার করতে বিলম্ব হয়। রবিউল ইসলাম আরও বলেন, পরে গোপনে রংপুরের তালুকদার হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের করা হলে চিকিৎসকরা জানান, তার মেয়ের পেটের ‘নার’ এর একটি বড় অংশ পচে গিয়েছে। রাব্বিনার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।

তার দাবি, ডিমলা স্কয়ার ক্লিনিকের ভুল চিকিৎসার কারণে সিজারের সময় ‘নার’ পেঁচিয়ে যায়। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল রাব্বিনার আক্তারের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হলেও ওই ক্লিনিক এর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি আদৌ বরং

ইউএনও ব্যবস্থা নিতে উদাসীনতা দেখাচ্ছেন অভিযোগ করেন তিনি। রবিউল ইসলাম বলেন, যথাযথ চিকিৎসার অভাবে আমার মেয়ের ‘নার’ নষ্ট হয়ে গেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, যাতে ভবিষ্যতে আর কোন প্রস্তুতি চিকিৎসার গাফিলতির শিকার না হয়। বিষয়টি নিয়ে ক্লিনিক মালিক সফিয়ার রহমানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, এক বছর আগের ঘটনা আমার বিষয়টি সঠিক জানা নেই। আমার ক্লিনিক ও রংপুরের ক্লিনিকের রিপোর্ট কি আছে সেটা দেখতে হবে।

অপারেশনতো আমি করি নাই চিকিৎসক বলতে পারবে। জানতে চাইলে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইমরানুজ্জামান বলেন, আমি কি করতে পারি। এটা স্বাস্থ্য বিভাগের কাজ তারপরও বিষয়টি আমি দেখবো।

ডিমলায় স্কয়ার ক্লিনিকের গাফিলতিতে প্রসূতির মৃত্যু, অভিযোগ দিয়েও মেলেনি প্রতিকার

বর্ষার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। আক্রান্তের তালিকায় এবার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে শিশু। প্রতি পাঁচজন রোগীর একজনই ১৫ বছরের কম বয়সী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই কার্যকরভাবে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আগস্ট-সেপ্টেম্বরেই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

 

বিশেষজ্ঞরা আরো বলছেন, গত ২৫ বছরেও ঢাকায় কার্যকরভাবে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। ঢাকার বাইরের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা আরো সীমিত হওয়ায় ভবিষ্যতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া খুবই কঠিন হবে।

 

এরই মধ্যে হাসপাতালের বেডে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। উদ্বেগের নতুন কারণ—শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৭৭০ জন। মারা গেছেন ৩২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ১৯ শতাংশই ১৫ বছরের কম বয়সী।

 

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, ঢাকা মেডিকেলে কলেজসহ রাজধানীর হাসপাতালগুলোয় নারী ও পুরুষ ওয়ার্ডে ডেঙ্গু পজিটিভ নিয়ে প্রতিদিনই ভর্তি হচ্ছেন নতুন রোগী।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, মোহাম্মদপুরের ১৩ বছর বয়সী মাদ্রাসা ছাত্র তৌহিদুল হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে। তার হাতে ক্যানুলা। শিশু তৌহিদুল বাবাকে প্রশ্ন করছে—কবে সে বাড়ি ফিরতে পারবে।

 

অপরদিকে, হাসপাতালে ভর্তি পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আকিব। তার ধারণা, সে গোসল করতে গিয়ে এডিস মশার কামড় খেয়ে আক্রান্ত হয়েছে। এই শিশু জানায়, তার আর হাসপাতালে থাকতে ভালো লাগছে না।

 

এদিকে, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নিয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসার পর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন হৃদয়। এই সময়ের মধ্যেই বাবাও হয়েছেন তিনি। এখন স্ত্রী, নবজাতক ও স্বজনদের নিয়ে হাসপাতালে সময় কাটছে তার।

 

রোগীর সংখ্যা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শিশু ও কর্মক্ষম মানুষের মধ্যে আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি। ১৬ থেকে ৫০ বছর বয়সী আক্রান্তের সংখ্যা ছয় হাজার ৭৯৯ জন। যা মোট রোগীর প্রায় ৭০ শতাংশ।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, কর্মস্থলে নিয়মিত যাতায়াত, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বিস্তারই সংক্রমণ বাড়ার অন্যতম কারণ।

 

ডেঙ্গুর এই পরিসংখ্যান শুধু সংখ্যার গল্প নয়। এর প্রতিটি সংখ্যার পেছনে রয়েছে একটি পরিবার, একটি কর্মজীবন কিংবা একটি শিশুর অসুস্থতার করুণ গল্প। তাই হাসপাতালের চিকিৎসার পাশাপাশি মশার উৎস ধ্বংস করাকেই এখন সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু সংক্রমণ, শিশুদের নিয়ে ভয় বিশেষজ্ঞদের

তথ্য বিকৃত করে ট্রল ও অপপ্রচার চালিয়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এ ধরনের অপতথ্য ও বিভ্রান্তি একটি সুন্দর ও শিক্ষিত জাতি গঠনের পথে বড় অন্তরায়।

 

শনিবার (১৮ জুলাই) নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার একটি আধুনিক, মানসম্মত ও যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। তবে এ প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী অপতথ্য ছড়িয়ে বিশেষ করে তরুণদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

 

তিনি বলেন, গুজব ও বিকৃত তথ্যের পরিবর্তে সত্য ও ইতিবাচক তথ্যের চর্চা বাড়াতে হবে। দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শক্তিশালী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

 

এর আগে শহরের বরুনকান্দি মোড় এলাকায় নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে নামফলক উন্মোচনের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, আধুনিক গ্রন্থাগার এবং কম্পিউটার ল্যাব পরিদর্শন করেন।

 

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল খালেক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য বিকৃত করে অপপ্রচার চালিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের লড়াই শুধু দুই দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এই ম্যাচ বিশেষ এক আবেগ তৈরি করেছে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনির পরিবারেও। কারণ তার জীবনের বড় একটি অধ্যায় জড়িয়ে আছে স্পেনের সঙ্গে। স্ত্রী স্প্যানিশ, দুই সন্তানের জন্মও স্পেনে। ফলে শিরোপা নির্ধারণী এই ম্যাচে পরিবারের একাংশের সমর্থন থাকবে স্পেনের পক্ষে, আর অন্য অংশ থাকবে আর্জেন্টিনার পাশে।

 

ফাইনালের আগে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে স্কালোনি জানান, স্ত্রী ও দুই ছেলে অবশ্যই আর্জেন্টিনাকেই সমর্থন করবে। তার ভাষায়, জাতীয় দলের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কতটা চাপ, পরিশ্রম ও আবেগের মধ্য দিয়ে যেতে হয়, সেটা তার স্ত্রী খুব ভালো করেই বোঝেন। সন্তানরাও সেই বাস্তবতার সঙ্গে পরিচিত।

 

২০০৮ সালে ইতালির লাৎসিও ছেড়ে স্প্যানিশ ক্লাব মায়োর্কায় যোগ দেওয়ার পর এলিসা মন্তেরোর সঙ্গে পরিচয় হয় স্কালোনির। পরে তাদের সংসার গড়ে ওঠে। ২০১২ সালে বড় ছেলে ইয়ান এবং ২০১৬ সালে ছোট ছেলে নোয়ার জন্ম হয় মায়োর্কাতেই। জন্মসূত্রে স্প্যানিশ নাগরিক হলেও, দুই সন্তান বাবার দেশ আর্জেন্টিনারই সমর্থক।

 

২০২২ বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ কোপা আমেরিকা জয়ের পর আর্জেন্টিনার উদ্‌যাপনে স্কালোনির দুই ছেলেকে আকাশি-সাদা জার্সি পরে খেলোয়াড়দের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে দেখা গিয়েছিল। সেই স্মৃতিই ইঙ্গিত দেয়, ফাইনালেও তাদের পছন্দের দল কোনটি।

 

তবে স্কালোনির শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের অবস্থান ভিন্ন। তাদের সবার বসবাস স্পেনের মায়োর্কায়। তাই স্বাভাবিকভাবেই তারা স্পেনের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের অপেক্ষায় থাকবেন।

 

এ প্রসঙ্গে স্কালোনি বলেন, মায়োর্কায় থাকা আত্মীয়দের জন্য পরিস্থিতি সহজ নয়। একদিকে নিজের দেশের প্রতি সমর্থন, অন্যদিকে পরিবারের সম্পর্ক—দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য খুঁজে নেওয়াটাই তাঁদের জন্য সবচেয়ে কঠিন।

 

মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ফাইনালে আর্জেন্টিনার সামনে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগ। অন্যদিকে ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বসেরার মুকুট ফিরে পেতে মাঠে নামবে স্পেন। ফলে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি স্কালোনির পরিবারের আবেগও হয়ে উঠেছে এই ফাইনালের এক অনন্য গল্প।

ফাইনালের আগে স্কালোনির নিজ ঘরেই দ্বন্দ্ব!

বিগত ১৭ বছরে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের ওপর আরোপিত বিভিন্ন কালো আইন সংস্কারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসব আইন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এসব তথ্য জানিয়েছেন।

 

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বললেন, ‘গণমাধ্যম পূর্ণ স্বাধীনতা নিয়ে চলছে। তবে কিছু মোবাইল সাংবাদিক অপসাংবাদিকতা করছে। সাম্প্রতিক আন্দোলনকে যারা উস্কে দিয়েছে। যারা এমনটা করছে, তাদের বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। আজ শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে এ সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়।

 

এতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের অন্য সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।

 

চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার নতুন মেয়াদের কার্যক্রম শুরু করে। সেই ধারাবাহিকতায় সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে আজ এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

সংবাদপত্রের কালো আইন সংস্কারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃ’ত্যু….

 

মোঃআশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ২ নম্বর চাড়োল ইউনিয়নের শাহবাজপুর গ্রামে বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে মোস্তাকিম (৩) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুর আনুমানিক ১২টা ৪৫ মিনিটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মোস্তাকিম ওই গ্রামের মজিবর রহমানের একমাত্র ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খেলাধুলার একপর্যায়ে সবার অজান্তে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায় মোস্তাকিম। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

শিশুটির অকাল মৃত্যুতে পরিবারে শোকের মাতম নেমে এসেছে। এ ঘটনায় শাহবাজপুর গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

বর্ষা মৌসুমে পুকুর, খাল-বিল ও অন্যান্য জলাশয়ে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশুদের নিরাপত্তায় অভিভাবকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, শিশুদের প্রতি সার্বক্ষণিক নজরদারি থাকলে এ ধরনের হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃ’ত্যু

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চরঈশ্বর ইউনিয়নে বেড়িবাঁধ ভেঙে তিনটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। কৃষিজমি, বসতভিটা, রাস্তাঘাট ও হাটবাজার তলিয়ে যাওয়ায় জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রাতের জোয়ারে পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

 

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার চরঈশ্বর ইউনিয়নের তালুকদার গ্রামের পাশের বেড়িবাঁধ ভেঙে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, দুপুরের পর আসা জোয়ারের প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে বেড়িবাঁধের একটি অংশ ধসে যায়। এরপর মুহূর্তের মধ্যেই চরঈশ্বর ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। অনেক স্থানে রাস্তার ওপর দিয়ে দুই থেকে তিন ফুট উচ্চতায় জোয়ারের পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

 

চরঈশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান জানান, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও অস্বাভাবিক জোয়ারের কারণে বেড়িবাঁধের বিভিন্ন অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছিল। শুক্রবার দুপুরের জোয়ারের সময় সেটি ভেঙে যায়। দিনের তুলনায় রাতের জোয়ারে পানির উচ্চতা আরও বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোগান্তি বেড়েছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।

 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, চরঈশ্বর ইউনিয়নের ওই অংশটি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই বেড়িবাঁধটি ভেঙে যায়।

 

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হয়েছে। তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে তিনি নিজে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন। পরিদর্শন শেষে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

হাতিয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে তিন গ্রাম প্লাবিত, অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি

দীর্ঘ পাঁচ বছর পর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ৬৮ সদস্যবিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৭ জুলাই কেন্দ্রীয় ছাত্রদল এ কমিটির অনুমোদন দেয়।

 

তবে কমিটি ঘোষণার পর থেকেই দুই যুগ্ম আহ্বায়ক তোফায়েল আহমেদ ও এ. এস. এম. সানোয়ার রাব্বী প্রমিসের ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নিয়ে ক্যাম্পাস জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।

 

জানা যায়, তোফায়েল আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আইন অনুষদ কমিটির সহ-সভাপতি এবং সানোয়ার রাব্বী প্রমিস একই কমিটির উপ-ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ওই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

 

তবে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ওই সময় আওয়ামী লীগের স্বর্ণযুগ ছিল। ক্যাম্পাস এবং হলের পরিস্থিতির কারণে কৌশলে বা পারিপার্শ্বিক কারণে তৎকালীন ছাত্রলীগের কিছু কর্মসূচিতে আমার উপস্থিতি বা সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। আমরা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান, ছাত্রত্ব চলে গেলে আমাদের জীবন অন্ধকার হয়ে যেতো।

তিনি বলেন, জোর-জবরদস্তি করে মাঝে মাঝে তারা আমাদের প্রোগ্রামে ডেকে নিতো, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভালো করেই জানেন। তবে আমি যে ২০২২, ২০২৪ সাল বা এর আগেও ওপেন ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এবং ভিডিও বার্তা দিয়ে ছাত্রদলের রাজনীতি করেছি, তার সমস্ত ডকুমেন্ট আমার কাছে আছে।

 

অন্যদিকে ছাত্রলীগের সাথে সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি অস্বীকার করে সানোয়ার রাব্বী জানান, ২০২২ সালের ছাত্রলীগের সেই কমিটিতে আমাদের আইন অনুষদ থেকে অনেকেরই নাম না জানিয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আমি কখনোই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম না। এমনকি আমার কোন ছবিও কেউ দেখাতে পারবে না।

 

তিনি বলেন, অযাচিতভাবে আমার নাম অন্তর্ভুক্ত করার কারণে বিভাগেও বিষয়টি জানাই। পরবর্তীতে জুলাই আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেই। জাতীয়তাবাদী আদর্শের কারণেই ছাত্রদলে যোগ দিয়েছি এবং কাজ করে যাবো।

 

‎এ বিষয়ে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখেছি, তারা জুলাই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলো। পাশাপাশি অতীতে ছাত্রদলের বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তাদের দেখা গেছে।

 

এছাড়া বাধ্যতামূলক ছাত্রলীগ করতে হতো বলে অনেকের অনিচ্ছায় কিংবা না জানিয়ে কমিটিতে রাখা হয়। এসব বিষয় সংশ্লিষ্টরা যাচাই করেই তাকে দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

 

তবে পরবর্তীতে যদি তাদের ছাত্রলীগের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততার তথ্য বা অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছাত্রলীগের দুই সাবেক নেতা এখন ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, ব্যাখ্যায় বললেন ‘কৌশলের কারণে ছিলাম

ঝালকাঠির পশ্চিম চাঁদকাঠি এলাকার টিএন্ডটি সড়কে একটি ভাড়া বাসা থেকে হাত বাঁধা অবস্থায় মলিনা রায় (৫০) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ভবনের আরও দুটি ফ্ল্যাটে চুরি করে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটের ঘটনাও ঘটেছে।

 

শুক্রবার রাত ৮টার দিকে টিএন্ডটি সড়কের একটি তিনতলা ভবন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, নিহতের কানের নিচে রক্তাক্ত আঘাতের চিহ্ন ছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

নিহত মলিনা রায় ওই ভবনের নিচতলার ভাড়াটিয়া ও রতন রায়ের স্ত্রী। রতন রায় কর্মসূত্রে ঢাকায় থাকেন। শুক্রবার শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উপলক্ষে ভবনের অধিকাংশ বাসিন্দা ভিমরুলী ও কীর্তিপাশায় গেলে মলিনা রায় একাই বাসায় ছিলেন।

 

স্থানীয়রা জানান, রাত পৌনে ৮টার দিকে বাসিন্দারা ফিরে এসে নিচতলা থেকে তৃতীয় তলা পর্যন্ত বিভিন্ন ফ্ল্যাটের তালা ভাঙা দেখতে পান। পরে মলিনা রায়ের মেয়ে পূজা রায় ঘরে ঢুকে মাকে হাত-পা বাঁধা ও মাথায় বস্তা পরানো অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁর চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে মলিনা রায়কে উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

ভবনের মালিক তপন হালদার বলেন, সবাই রথযাত্রায় যাওয়ার সুযোগে দুর্বৃত্তরা নিচতলার ভাড়াটিয়ার বাসাসহ দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে তছনছ করে এবং মালামাল লুট করে।

 

তৃতীয় তলার ভাড়াটিয়া পল্লবী বড়াল জানান, ফিরে এসে দেখেন নিচতলার এক নারীকে হত্যা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর বাসা এবং বাড়ির মালিকের ফ্ল্যাট থেকেও নগদ টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট হয়েছে।

 

খবর পেয়ে ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মামুন আল ইসলাম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এস.এম. বায়জীদ ইবনে আকবর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

 

ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদ হাসান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চুরির সময় বাধা দেওয়ায় ওই নারীকে হত্যা করা হয়েছে।

 

মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

ঝালকাঠিতে হাত বাঁধা অবস্থায় গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, দুই ফ্ল্যাটে চুরি

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d