চীনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক চলছে - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
চীনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক চলছে

চীনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক চলছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এর মধ্যকার বৈঠক শুরু হয়েছে। বেইজিংয়ের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল ৫টায় ঐতিহাসিক গ্রেট হলে তারা বৈঠকে বসেছেন।

 

বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতাবিষয়ক ১৫টি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা জানা গেছে।

 

এছাড়া, আগামীকাল শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে গ্রেট হলে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন বাংলাদেশের সরকার প্রধান।


চীনা ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিনিয়োগকারীদের সুবিধার জন্য চীনে বিনিয়োগ কার্যালয় চালুর ঘোষণাও দেন তিনি।

 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই হোটেলে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধানমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।

 

এ সময় সরকারপ্রধান জানান, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে বিনিয়োগকারীরা যেন তাদের কাজকর্ম পরিচালনা করতে পারে, সেই ব্যবস্থা করে দেবে তার সরকার।

 

এই সম্মেলনে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে চীনা ব্যবসায়ীদের সামনে বিশেষ প্রেজেন্টেশন দেন বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। সম্মেলনে চীনের ১২৫ জন ব্যবসায়ী অংশগ্রহণ করেন।

 

চীনা ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত, ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত এবং চীনের সঙ্গে আরও গভীর শিল্প অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহী। চীনা কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে তাদের ভ্যালুচেইন সম্প্রসারণের আহ্বানও জানান তিনি।

 

তারেক রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক পুঁজি সংক্রান্ত কার্যপ্রণালী ঢেলে সাজাতে সরকার ১৮০ দিনের একটি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এর মাধ্যমে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস, সরকারি সেবার ডিজিটালাইজেশন, নীতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিতকরণ এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান, চীনে বিনিয়োগ কার্যালয় চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

চীন সফররত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি।

 

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল ৫টায় চীনের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তাদের এ সাক্ষাৎ হয়। সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এ সময় আলোইস জভিংগি অভিনন্দন জানান।

 

অন্যদিকে, তারেক রহমান জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের মতো অন্যান্য ডেল্টা রাষ্ট্র এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর সহায়তায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামকে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

 

প্রধানমন্ত্রী এ সময় উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখননের মাধ্যমে পানির প্রবাহ পুনরুদ্ধার, বন্যার ঝুঁকি হ্রাস এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বাংলাদেশের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

 

তিনি আরও জানান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে উৎসাহ প্রদানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে কর-সুবিধা প্রদান করেছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

 

আলোইস জভিংগি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগকে বৈশ্বিক পরিসরে কাজে লাগানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন উদ্যোগ আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ সৃষ্টি করবে।

 

তিনি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

 

সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিতব্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান আলোইস জভিংগি।

তারেক রহমানের সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

কলকাতায় মোশাররফ করিমকে হেনস্তা

আরো কয়েকজন এসে মোশাররফ করিমকে নিরাপদে সরিয়ে দেন।

 

রিফাত রশিদ তার স্ট্যাটাসে লেখেন, কলকাতায় আমাদের জুলাইয়ের সহযোদ্ধা ও বাংলাদেশের সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিনেতা মোশাররফ করিমের উপর কলকাতায় নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের ক্যাডাররা হামলা চালিয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, ভারত সরকারকে স্পষ্ট বলতে চাই, আমাদের সময়ের শ্রেষ্ঠ নাট্যব্যক্তিত্ব আপনার টেরিটরিতে সস্ত্রীক হামলার শিকার হয়েছে, যারা অপরাধী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। অন্যথায় এটা দুইদেশের কালচারাল অঙ্গনে ভয়ংকর প্রবলেম ক্রিয়েট করবে। এটা সামাল দিতে পারবেন না আপনারা। কলকাতার সাথে নাটক, সিনেমা, ওয়েব সিরিজের যৌথ প্রজেক্ট বয়কটের ডাক দেওয়ার আগে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিন।

কলকাতায় মোশাররফ করিমকে হেনস্তা

রাশিয়ার সেনাবাহিনীর হয়ে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে গিয়ে ড্রোন হামলায় জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৫ জুন) সকালে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন। তবে নিহত দুইজন ১৭ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছিলেন বলে জানিয়েছে তাদের পরিবার।

 

নিহতরা হলেন উপজেলার চর গুজামানিকা গ্রামের মাফল মিয়া (২৪) এবং রায়েরছড়া গ্রামের মো. আরিফ মিয়া (৩০)।

 

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উন্নত জীবনের আশায় গত এপ্রিল মাসে এক দালালের মাধ্যমে রাশিয়ায় যান মাফল ও আরিফ। সেখানে রাজমিস্ত্রির কাজের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও পৌঁছানোর পর তাদের সেই কাজে নিয়োগ না দিয়ে রুশ সেনাবাহিনীতে যুক্ত করা হয়। পরে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে অংশ নিতে গিয়ে পৃথক স্থানে ড্রোন হামলার শিকার হয়ে তারা নিহত হন।

 

পরিবারের দাবি, প্রথমদিকে তাদের মৃত্যুর খবর গোপন রাখা হয়েছিল। পরে রাশিয়ায় অবস্থানরত এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারেন স্বজনরা। মৃত্যুর সংবাদ এলাকায় পৌঁছালে দুই পরিবারের বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে আসে এবং স্বজন-প্রতিবেশীদের ভিড় বাড়তে থাকে।

 

নিহত মাফল মিয়ার বড় বোন কণিকা আক্তার বলেন, অভাবের সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরানোর আশায় আমার ভাই রাশিয়ায় গিয়েছিল। রাজমিস্ত্রির কাজের কথা বলে তাকে নেওয়া হলেও পরে জানায়, তাকে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে দেওয়া হয়েছে। এরপর যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়। এখন আমরা শুধু তার মরদেহ দেশে ফেরত চাই।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মোশারফ হোসেন জানান, আরিফ মিয়া আগে আনসার বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। ভালো আয়ের আশায় চাকরি ছেড়ে রাশিয়ায় গেলেও দালালদের প্রতারণার শিকার হন। প্রতিশ্রুত কাজের পরিবর্তে তাকে রুশ সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে যুদ্ধে অংশ নিতে গিয়ে তিনি প্রাণ হারান।

 

এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন চৌধুরী বলেন, বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো আমাদের জানানো হয়নি। খবরটি সত্য হলে নিহতদের পরিবারকে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে গিয়ে ড্রোন হামলায় বাংলাদেশি ২ যুবক নিহত

 

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার দত্তগ্রাম সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে মুজিবুর রহমান নামের এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।

 

আজ শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের দত্তগ্রাম সীমান্তের নিশ্চিন্তপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

 

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

 

শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়নের (৪৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ জানান, সীমান্ত এলাকায় গুলির ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবে

 

লন্ডন থেকে আজিজুল আম্বিয়া,

 

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

 

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

 

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

 

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

 

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ, আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, মৌলানা হেলাল আহমদ, জিলু খান , আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

 

 

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নীলফামারীতে জমি বিরোধে হামলার অভিযোগ, আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

মাইদুল ইসলাম; (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

সদর উপজেলার চাপড়া সুকানপুকুর এলাকায় জমি- জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলা,

হয়রানিমূলক মামলা ও অপপ্রচারের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার

(২৫ জুন) বিকেলে চাপরা শুকানপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মুক্তা খাতুন। এছাড়াও নাসরিন বেগম, বড় ভাই আবু তালেব সহ আরো অনেকে বক্তব্য দেন। লিখিত বক্তব্যে মুক্তা খাতুন অভিযোগ করেন, তার শ্বশুর মজিদুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী তহমিনা বেগমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক ও সম্পত্তিগত বিরত চলে আসছে। সম্প্রতি তালাকের পর তহমিনা বেগম তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন। তিনি আরও বলেন, গত ১৭ জুন তহমিনা বেগম ও তার সহযোগীরা মজিদুল ইসলামের

ভিটাবাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালান। খেতে মজিদুল ইসলাম ও তার ছেলে ওবায়দুল ইসলাম আহত হন। পরে তাদের নীলফামারী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে গুরুতর আহত ওবায়দুল ইসলামকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। মুক্তা খাতুন দাবি করেন, এ ঘটনায় তহমিনা বেগম ও রবিউল ইসলামসহ কয়েকজনকে আসামি করে নীলফামারী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এখনো আসামিদের গ্রেফতার না করায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, মামলার প্রধান আসামি রবিউল ইসলাম সম্প্রতি একটি সংবাদ সম্মেলন করে প্রকৃত ঘটনা আড়াল এবং তাদের পরিবারের সামাজিক মর্যাদা ক্ষণ্য করার চেষ্টা করেছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবী জানান বক্তারা।

নীলফামারীতে জমি বিরোধে হামলার অভিযোগ, আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরার জলাশয়ে বিলুপ্তপ্রায় শাপলা ফুল: হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য

মোঃ তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

একসময় সাতক্ষীরার সকল উপজেলার বিল, খাল, পুকুর ও জলাশয়গুলোতে শাপলা ফুলের বাহার ছিল চোখে পড়ার মতো। বর্ষা এলেই ফুটে উঠতো সাদা, লাল ও বেগুনি রঙের শাপলা, যা শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য নয়, গ্রামীণ জীবনের এক আবেগময় অংশ হিসেবেই পরিগণিত ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে আশাশুনির সেই অপরূপ দৃশ্য ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তন, অপরিকল্পিত আধুনিকায়ন, জলাশয় ভরাট, রাসায়নিক বর্জ্য এবং অতিমাত্রায় কীটনাশক ব্যবহারের ফলে আজ বিলুপ্তির পথে প্রাকৃতিক জলজ উদ্ভিদ শাপলা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একসময় গ্রামের শিশুরা সকাল সকাল শাপলা তুলতে পুকুরে যেত। মায়েরা রান্নার উপকরণ হিসেবে শাপলার ডাটা সংগ্রহ করতেন। শাপলার শিকড় (ঢ্যাঁড়শের মতো অংশ) ছিল গ্রামীণ পুষ্টিকর খাদ্য, যা পেটের নানা রোগের ওষুধ হিসেবেও ব্যবহৃত হতো।

বিশেষ করে প্রতিটি গ্রামে পুকুরঘাট, বিল বা খালের ধারে বসে শাপলা ফোটা দেখার যে অপার আনন্দ ছিল তা আজ শহুরে যান্ত্রিকতার ভিড়ে চাপা পড়ে যাচ্ছে। কলারোয়া, তালা, দেবহাটা, কালিগঞ্জ, শ্যামনগর ও আশাশুনিসহ অনেক এলাকায় এখন আর আগের মতো শাপলা দেখা যায় না। উপজেলা কৃষি ও পরিবেশ সচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, শাপলা শুধু একটি ফুল নয় এটি একটি জীববৈচিত্র্যবান এলাকার পরিচায়ক।

এটি জলাশয়ের স্বাস্থ্যবিধান রক্ষা করে এবং ছোট মাছের আশ্রয়স্থল হিসেবেও কাজ করে। ফলে শাপলা বিলুপ্ত হওয়া মানে শুধু ফুল হারানো নয়, একটি জীববৈচিত্র্যগত ভারসাম্যের বিপর্যয়ও। ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম এ কাশেম বলেন, শিক্ষার্থী ও তরুণদের প্রকৃতি চেনাতে হলে, গ্রামীণ সৌন্দর্য টিকিয়ে রাখতে হলে স্থানীয় জলজ উদ্ভিদ সংরক্ষণে পদক্ষেপ নিতে হবে। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে বিল ও খাল পুনরুদ্ধার, রাসায়নিক দূষণ রোধ এবং শাপলা সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি। পরিবেশবান্ধব সাতক্ষীরা গড়তে হলে প্রকৃতির এই নিঃশব্দ ধ্বংস ঠেকাতে কার্যকর নীতিমালা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

সাতক্ষীরার জলাশয়ে বিলুপ্তপ্রায় শাপলা ফুল: হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মা ও বোনসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মেঝো বোন কলেজছাত্রী ইকরা আক্তারকেও কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

 

এদিকে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক যুবক গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন।

 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রায়পুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের গোডাউন রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টাকালে উত্তেজিত জনতার ইটপাটকেলে পুলিশে ৬-৭ জন পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে ঘটনার কারণ জানাতে পারেনি কেউ।

 

নিহতরা হলেন- মা শাহিনুর বেগম (৩৮), বড় মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সায়মা আক্তার (২১) ও ছোট মেয়ে শিফা আক্তার (৯)। নিহত সায়মা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও আহত ইকরা রায়পুর কাজী ফারুকী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। তাদের পিতা কামাল হোসেন ২০১৯ সালে কেরোয়া গ্রামে রাস্তায় পড়ে থাকা তারে বিদ্যুৎস্পর্শে মারা যান।

 

গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত যুবক নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচরের বাসিন্দা কার্তিক মজুমদারের ছেলে অন্তর মজুমদার। নিহতদের রায়পুর ও সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

 

এদিকে আহত মেঝো মেয়ে কলেজছাত্রী ইকরা আক্তারকে (১৭) আশংকাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে শাহীনুর তার সন্তানদের নিয়ে ঘটনাস্থলে একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। তারা দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ঘটনাস্থলে ভাড়া থাকেন। কয়েক বছর আগে তার স্বামী মো. কামাল বিদ্যুৎস্পর্শে মারা যান। এরপর থেকে ৩ মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে শাহীনুর ওই বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।

 

বৃহস্পতিবার সকালে তিন মেয়েসহ শাহীনুরকে বাসায় ঢুকে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে ওই যুবক। এ সময় ঘটনাস্থলেই মা ও ছোট মেয়ে মারা যান। অপর আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পর বড় মেয়ে সায়মাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ইকরা নামের একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়।

 

এদিকে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে ঘাতক যুবককে গণপিটুনি দেয় এলাকাবাসী। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তির পর তার মৃত্যু হয় বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক।

 

পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাদের ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার আবু তারেক।

 

রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বাহারুল আলম বলেন, হাসপাতালে ৫ জনকে আহত অবস্থায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে দুই মেয়ে ও তাদের মা মারা গেছেন। এছাড়া তার এক মেয়েকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তাদের সবার শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারাল অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। অভিযুক্ত একজনকে গণপিটুনি দিয়ে আহত করা হয়। তার মাথায় ধারাল অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।

 

সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুর সার্কেল) মো. আব্দুর রাশেদ বলেন, তিনজন নিহত হয়েছেন। তাদের লাশ হাসপাতালে রয়েছে। একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়। এছাড়া অভিযুক্ত যুবককে গণপিটুনি দিয়েছে জনতা। তাকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হলে তিনি পথে মারা যান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে উত্তেজিতরা ইটপাটকেল ছুড়লে ৭ জন সদস্য আহত হয়।

 

পুলিশ সুপার আবু তারেক ৪ জন নিহতের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এখনো ঘটনার কারণ জানা যায়নি। তবে তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি।

মা-বোনসহ ঢাবি ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে ঘাতকের মৃত্যু

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, যারা বিগত ২০ বছর ধরে গ্রামের শিক্ষা ফাঁকি দিয়ে শহরে এসেছে, তাদের আবারও গ্রামে পাঠানো হবে।

 

‎বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে খুলনা বিভাগীয় অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, জুলাই মাস থেকে দেশের সব স্কুলে মিড ডে মিল চালু হবে, সেখানে কোনো অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

তিনি আরও বলেন, ৬০ হাজার শিক্ষক সংকট নিয়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা চলছে। এভাবে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। তাই পর্যায়ক্রমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

 

এহসানুল হক মিলন বলেন, আগে পরীক্ষার্থীরা খাতা চ্যালেঞ্জ করলে শুধুমাত্র নম্বরপত্র যোগ করা হতো। তাই আইন পরিবর্তন করে খাতা চেক করার সুযোগ রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

গ্রামের শিক্ষা ফাঁকি দিয়ে শহরে আগতদের আবারও গ্রামে পাঠানো হবে

শ্রীপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত: লক্ষ্যমাত্রা ২১,৭২৫ শিশু

মুজাহিদ শেখ, শ্রীপুর (মাগুরা):

 

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্যোগে আগামী ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করার লক্ষ্যে এক ওরিয়েন্টেশন ও অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫ জুন (বৃহস্পতিবার) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এই সভার আয়োজন করা হয়।

 

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আশরাফুজ্জামান লিটনের সভাপতিত্বে সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অলি মিয়া। এছাড়া সভায় হাসপাতালের অন্যান্য কর্মকর্তা, চিকিৎসক, মাঠকর্মী এবং স্থানীয় সংবাদকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

সভাপতির বক্তব্যে ডা. মো. আশরাফুজ্জামান লিটন জানান, আগামী ২৮শে জুন শ্রীপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মোট ১৯৩টি কেন্দ্রে একযোগে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ১৯২টি নিয়মিত ইপিআই আ/রি-কেন্দ্র এবং ১টি বিশেষ অতিরিক্ত কেন্দ্র রয়েছে। ক্যাম্পেইনে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী ২,৪৭৫ জন শিশুকে একটি করে নীল রঙের এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১৯,২৫০ জন শিশুকে একটি করে লাল রঙের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, উপজেলায় সর্বমোট ২১,৭২৫ জন শিশুকে এই ক্যাম্পেইনের আওতায় আনা হবে।

 

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ১৭৪ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই উপজেলার মোট ১,৮৪,৭৭৯ জন জনসংখ্যার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই ক্যাম্পেইনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফলভাবে সম্পন্ন করতে ২৩ জন মাঠকর্মী (এইচ.এ), ২৩ জন এফডব্লিউএ, ১৯ জন সিএইচসিপি এবং ২৪ জন প্রথম সারির তত্ত্বাবধায়ক মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও কেন্দ্রগুলোতে সার্বিক সহায়তার জন্য মোট ৩৮৬ জন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবেন। দুর্গম বা প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের সুবিধার্থে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের নির্ধারিত স্থানে অতিরিক্ত ক্যাপসুলের বিশেষ বুথ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

 

সভায় অতিথি শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ অলি মিয়া বলেন, “শিশুদের অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল অপরিহার্য। এই জাতীয় কর্মসূচিকে সফল করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।” তিনি প্রতিটি অভিভাবককে তাদের শিশুদের নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানান।

 

উল্লেখ্য, এই ক্যাম্পেইনের প্রস্তুতি হিসেবে ইতোমধ্যে ২৩ জুন মাইক্রোপ্লান প্রণয়ন এবং ২৫ জুন উপজেলা অ্যাডভোকেসী মিটিং ও সিএস অফিসে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রেরণ সম্পন্ন হয়েছে। ২১ ও ২২ জুন দুই দিনব্যাপী ওয়ার্ড পর্যায়ের স্বেচ্ছাসেবকদের ওরিয়েন্টেশনও সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।

শ্রীপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত: লক্ষ্যমাত্রা ২১,৭২৫ শিশু

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একই পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে মেজো বোনকেও। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে রায়পুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের গোডাউন রোড এলাকার ভাড়া বাসায় ঘটনাটি ঘটে।

 

নিহতরা হলেন- সায়মা আক্তার (২১), তার তা শাহিনুর বেগম (৩৮) এবং ছোট বোন শিফা আক্তার (৯)। এ ঘটনায় আহত মেজো মেয়ে কলেজছাত্রী ইকরা আক্তারকে (১৭) আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়।

 

এদিকে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে অজ্ঞাত এক যুবককে পিটুনি দেওয়া হয়েছে। তাকেও উন্নত চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টাকালে উত্তেজিত জনতার ইটপাটকেলে পুলিশে ৬-৭ জন সদস্য আহত হয়েছেন।

 

নিহতদের বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। তারা দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ঘটনাস্থলে ভাড়া থাকেন। নিহত সায়মা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও আহত ইকরা রায়পুর কাজী ফারুকী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে শাহীনুর তার সন্তানদের নিয়ে ঘটনাস্থলে ভাড়া বাসায় থাকেন। কয়েক বছর আগে তার স্বামী মো. কামাল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। এরপর থেকে ৩ মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে শাহীনুর ওই বাসায় বসবাস করে আসছেন। সকালে তিন মেয়েসহ শাহীনুরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়রা ঘাতক যুবককে গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বাহারুল আলম বলেন, হাসপাতালে ৫ জনকে আহত অবস্থায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে দুই মেয়ে ও তাদের মা মারা গেছেন। তার এক মেয়েকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তাদের সবার শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারাল অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত একজনকে গণপিটুনি দিয়ে আহত করা হয়। তার মাথায় ধারাল অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।

 

বিষয়টি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুর সার্কেল) মো. আব্দুর রাশেদ। তিনি বলেন বলেন, ৩ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে। একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়। এছাড়া অভিযুক্ত যুবককে গণপিটুনি দিয়েছে জনতা। তাকেও সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে উত্তেজিতরা ইটপাটকেল ছুড়লে আমাদের ৬-৭ জন সদস্য আহত হয়।

মাসহ দুই মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা, আশঙ্কাজনক মেজো মেয়েও

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামে যুবক মুকুল মালিক হত্যা মামলায় ৩ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ঝিনাইদহের অতিরিক্ত দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক গৌতম কুমার ঘোষ এ রায় ঘোষণা করেন।

 

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার ডাওকি গ্রামের মুকুল মল্লিকের স্ত্রী ফিরোজা খাতুন, হরিণাকুন্ডু উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের মিঠু মিয়ার ছেলে বিল্লাল হোসেন ও মনোয়ার হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেন (পলাতক)।

 

অপরদিকে, একই মামলার আসামি ফারুক হোসেন ও মাসুদ রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে।

 

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৩ আগস্ট রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ফিরোজা খাতুনের সঙ্গে মুকুল মালিকের বিরোধ হয়। ওই রাতেই মুকুল বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরে ১৩ আগস্ট গোপীনাথপুর গ্রামের বাঘমারা মাঠের একটি ধানক্ষেতের গর্ত থেকে মাটিচাপা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুর রশিদ বিশ্বাস বাদী হয়ে হরিণাকুন্ডু থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত ৩ আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

 

রায়ে আদালত দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের পূর্বে ভোগ করা হাজতবাসের সময় দণ্ডের সঙ্গে সমন্বয়ের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে খালাসপ্রাপ্ত আসামিদের জামিননামার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

ঝিনাইদহে মুকুল হত্যা মামলায় ৩ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফেনী জেলা কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব ওমর ফারুককে একটি ফেসবুক পোস্টের জেরে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) রাতে দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ফেনী জেলা কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের গুরুতর অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এ অবস্থায় কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ এস এম. সুজাউদ্দিনের কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

তবে নোটিশে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সুনির্দিষ্ট কোনো বিবরণ উল্লেখ করা হয়নি।

 

এর আগে ওমর ফারুক নিজের ফেসবুক আইডিতে ফেনী জেলা এনসিপির নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনামূলক একটি পোস্ট করেন। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমাদের জেলা এনসিপিতে অযোগ্য একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যার কোনো সংগঠন চালানোর অভিজ্ঞতা নাই, নাই কোনো মুরোদ, আছে শুধু একটা পদ, যার নাম আহ্বায়ক। দয়া করে কমিটির এসব অযোগ্য, কোরামবাজ লোকজনকে কমিটি থেকে বাদ দিয়ে যোগ্য সংগঠকদের মাধ্যমে কমিটি দেওয়া হোক।’

 

একই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে দলের যুগ্ম সদস্যসচিব সালেহ উদ্দিন সিফাতকে উল্লেখ করে তিনি আরও লেখেন, ‘ভাই, দয়া করে আপনি উনাকে নিঃশর্তভাবে আর কোনো সাপোর্ট দিয়েন না। উনি আপনার নাম বিক্রি করেই ফেনী জেলা এনসিপিকে অস্থিতিশীল করে যাচ্ছে। নির্বাচনকালীন আহ্বায়কের একক সিদ্ধান্তে দাগনভূঞা কেন্দ্রিক একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিয়ে দাগনভূঞায় এনসিপি এখন পর্যন্ত কোণঠাসা। বর্তমানে উনি জেলা এনসিপিকে যা করে রাখছে, এই অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়াতেই এক বছরের বেশি সময় লাগবে। আপনাকে বিষয়গুলো নিয়ে ইনবক্স করেছি, এএসএম সুজাউদ্দিন ভাইকেও বলেছি। দুঃখজনকভাবে আপনারা সিন করেও কোনো পদক্ষেপ নেননি। এরপরও সিফাত ভাই ফেনীতে এসে বিষয়গুলোর সমাধান না করে উল্টো তাদের সঙ্গে বসার অর্থ হচ্ছে আমাদের উপেক্ষা করা, ফেনী জেলা এনসিপির কণ্ঠকে তুচ্ছ করে দেখা। আপনাদের এসব পদক্ষেপ-অপদক্ষেপ ফেনী জেলা এনসিপির জন্য অশনিসংকেত।’

 

উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ ডিসেম্বর দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে ফেনী জেলা এনসিপির ৬৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। ওই কমিটিতে জাহিদুল ইসলাম সৈকতকে আহ্বায়ক এবং শাহ ওয়ালী উল্লাহ মানিককে সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পান।

ফেসবুক পোস্ট ঘিরে এনসিপির নেতাকে শোকজ

মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করে শিগগিরই তা জাতীয় সংসদে পাস করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। একইসঙ্গে মাদক সংক্রান্ত মামলা জট দূর করতে আলাদা ট্রাইব্যুনালও গঠন হবে বলে জানান তিনি।

 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

 

 

দেশের প্রায় ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঢাকাসহ তিনটি বিভাগীয় শহরে মাদক নিরাময় কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ের মাদক নিরাময় কেন্দ্রগুলোকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করে যাচ্ছে সরকার। যাতে করে মাদক নির্মূলে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হয়।

 

আরও পড়ুন: দেশে স্বর্ণের দামে ফের পতন, ভরিতে কমলো কত?

 

সরকার মাদক নিরাময়ে ৭৩টি প্রতিষ্ঠানকে এবার ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা দিয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

এসময় সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, আইন সংশোধনের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অস্ত্র প্রদান, থানায় আসামী হস্তান্তরের আগে রাখার জন্য হাজতখানাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

শিগগিরই মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d