বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী

বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাবা, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মতো নিজের বেতনের একটি অংশ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও তাদের বেতনের একটি অংশ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

 

সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীতে বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল একটা মিটিং হয়েছে। একজন প্রধানমন্ত্রী, অনেক বড় প্রশ্ন…। একটা দেশের প্রশাসনিক প্রধান ব্যক্তি, উনি আমাদের মিটিংয়ে কী বলেছেন জানেন? খুব বিনয়ের সঙ্গে বলেছেন— মন্ত্রী মহোদয়গণ, আমি একটা কথা বলব আজকে, বিনয় করে বলা, আপনারা রাখতেও পারেন আমার কথাটা, না-ও রাখতে পারেন।’

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি কিন্তু হুবহু কোট করছি—রাখতেও পারেন আমার কথাটা না-ও রাখতে পারেন। তবে আমি অনেক চিন্তা-ভাবনা করে দেখেছি, আপনাদের আমার বলা উচিত, এখন আপনাদের ইচ্ছা! যেটা বলব, আমি এটা করছি। আমার আব্বা (সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান) প্রতি মাসে তার বেতন থেকে ১০ শতাংশ বেতন সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতেন গরিব-মিসকিন মানুষদের সহযোগিতা করার জন্য বা সরকারি কোনো প্রয়োজনে খরচ করার জন্য। আমি কিন্তু বেতন নিচ্ছি, না নিয়ে চলতে পারতেছি না।

 

আমার বেসিক বেতন ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা, ১০ শতাংশ হারে আমি ১১ হাজার ৫০০ টাকা প্রতি মাসে বেতন থেকে জমা দিচ্ছি। বেতন যখন অ্যাকাউন্টে আসে আমি তুলে একটা চেক দিয়ে দিই গভর্নমেন্টের অ্যাকাউন্টে। আমি আপনাদের অনুরোধ করব, আমার আব্বা কাজটা করতেন, আমি করছি; আপনারাও যদি মনে কিছু না নেন বা যদি আপনাদের পক্ষে সম্ভব হয় আপনারাও প্রতি মাসে ১০ শতাংশ আপনাদের বেতনের টাকাটা সরকারের ঘরে ফেরত দিয়ে দেবেন।’

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সবাই আলহামদুলিল্লাহ বলেছি। খুশি হয়েছি যে উনি আমাদের কাছে অ্যাপ্রোচটা।

 


সদকায়ে জারিয়া অর্জনের অন্যতম বড় মাধ্যম হলো শিক্ষকতা- এমনটাই মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, আপনারা মনে রাখবেন, আপনারা শুধু একটি পেশায় নেই—আপনারা শিক্ষকতা পেশায় আছেন। আমি নিজেও এই পেশার মানুষ। শিক্ষক হিসেবে আমি উপলব্ধি করি, শিক্ষকতা এমন একটি মহান পেশা, যার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি সদকায়ে জারিয়া অর্জনের সুযোগ রয়েছে।

 

সোমবার (৭ জুলাই) বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের ২১০ তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

 

মন্ত্রী বলেন, আপনারা এমন মানুষ গড়ে তুলবেন, যারা সমাজে অবদান রাখবে। আমি নিজে এর বাস্তব উদাহরণ দেখেছি। আগে যখন সচিব ছিলাম, তখন দেখেছি অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা তাঁদের শিক্ষকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করেছেন। কারণ, সেই শিক্ষকই একদিন তাঁদের গড়ে তুলেছিলেন। অর্থাৎ, শিক্ষকতা এমন একটি পেশা, যার মাধ্যমে মৃত্যুর পরও মানুষের কল্যাণের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। তাই এই পেশাকে ভালোবাসতে হবে।

 

নায়েমের উন্নয়নে অভিজ্ঞ এই মন্ত্রী বলেন, আজকের আলোচনায় আমি শুনলাম, এখানে নানা ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি আবার আপনাদের মাঝে আসতে পারি, তাহলে আজকের এই বৈঠকে আপনারা যেসব দুর্বলতা বা সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেছেন, সেগুলোর অগ্রগতি জানতে চাইব। আর যদি আসা সম্ভব না হয়, তাহলে আপনারা সেসব সুপারিশ লিখিত আকারে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেবেন। কারণ, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে এসব সুপারিশ বাস্তবায়ন করা আমাদের দায়িত্ব।

 

নিজ জীবনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমরা অতীতের অনেক কিছুই ভুলে যেতে পারি না। ছাত্রজীবনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে আমি ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম এবং কাজ করেছি। আজ কাজ করছি প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে। আমি তাঁর চিন্তা-ভাবনা কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছি। তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন শিক্ষা খাতকে। তাঁর লক্ষ্য, এই মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একটি শিক্ষিত প্রজন্ম ও একটি সমৃদ্ধ জাতি গড়ে তোলা।

 

শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে ড. মিলন আরো বলেন, লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করবেন আপনারাই। তাই আমরা সবাই মিলে কাজ করব, যাতে সেই কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারি। আপনাদের কাছে যদি আরও কোনো দুর্বলতা বা সীমাবদ্ধতার বিষয় থাকে, অবশ্যই আমাদের জানাবেন।

সবচেয়ে বেশি সদকায়ে জারিয়া অর্জনের মাধ্যম হলো শিক্ষকতা: শিক্ষামন্ত্রী

দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) সামগ্রিক ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্প খাতের (বিসিক) অবদান ভবিষ্যতে অন্তত ৬০ শতাংশে নিতে চায় সরকার বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে পাঁচ দিনব্যাপী বিসিক বর্ষা মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

 

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের জিডিপিতে সামগ্রিক ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্পের অবদান ৩৪ শতাংশ। তবে, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার সাথে তুলনায় এই সংখ্যা মোটেও সন্তোষজনক নয়। তিনি জানান, ভবিষ্যতে জিডিপিতে বিসিক খাতের অবদান অন্তত ৬০ শতাংশে নিতে চায় সরকার।

 

তিনি আরও বলেন, দেশে বিসিকের ৮৪টি শিল্পপার্কের রফতানি আয় ৩০ হাজার কোটি টাকার মতো। তবে, অনেক শিল্পপার্ক তার পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ করতে পারছে না। এছাড়া বেশ কিছু শিল্পপার্ক নির্মাণে দীর্ঘসূত্রিতাও দেখা গেছে।

 

তিনি জানান, সরকার এ বিষয় নিয়ে জরিপ করছে। দ্রুতই কিভাবে এসব শিল্পপার্কের সক্ষমতা বাড়ানো যায় তা নিয়ে পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

 

এসময় বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়ন মানে দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর অর্থনীতিতে সংযোগ থাকা, নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হওয়া।

ভবিষ্যতে জিডিপিতে বিসিক খাতের অবদান ৬০ শতাংশে নিতে চায় সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

সরকারি কোনো অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রস্তুতকৃত ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ছবি তা ত্রিমাত্রিক কিংবা অন্য যে কোনো আঙ্গিকেরই হোক-না কেন, তা আর ব্যবহার করা যাবে না।

রোববার (৫ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এই নির্দেশনার কথা জানানো হয়েছে। পরিপত্রে বিষয়টি ‘অতীব গুরুত্বপূর্ণ’ উল্লেখ করে এটি অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজের সই করা পরিপত্রে বলা হয়, সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড প্রস্তুতের ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তুকে প্রাধান্য দিয়ে প্রয়োজনীয় ও সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করতে হবে। একই সঙ্গে ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডের নকশা এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য, বার্তা ও বিষয়বস্তু সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।

 

পরিপত্রটি এরইমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সব মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও সচিব, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা, সব বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও কার্যার্থে পাঠানো হয়েছে।

সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ

স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫৩ বছর পেরিয়ে গেলেও প্যাথলজি খাতের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

 

রোববার (৫ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আইক্যাথ-এলমিক ২০২৬’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্যাথলজি বা রোগনির্ণয় খাতের অবস্থাও আমাদের বেশ দুর্বল। এখনও স্বাস্থ্যখাতের অধিকাংশ সামগ্রী আমদানি নির্ভর। স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫৩ বছর পর আমাদের অর্থনীতির জন্য এটি কোনোভাবেই কাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নয়।

 

পাশাপাশি, স্বাস্থ্যসেবাকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে প্রযুক্তি, গবেষণা ও দেশীয় উদ্ভাবনের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

 

তিনি জানান, সংসদের বাজেট অধিবেশনে স্বাস্থ্যখাতের অব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সরকার যে কোন নতুন উদ্ভাবনের জন্য সব ধরনের সহযোগিতা ও প্রণোদনা প্রদানে আগ্রহী।

 

এছাড়া, স্বাস্থ্যখাতে কোন ধরনের অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

৫৩ বছরেও প্যাথলজি খাতের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, ফরিদপুরবাসীর ভাগ্য উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে জরুরি হলো ফরিদপুরকে বিভাগ ঘোষণা এবং পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে এক জনসভায় এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ইনশাআল্লাহ, আপনাদের সহযোগিতায় ফরিদপুর বিভাগ হবে এবং সিটি করপোরেশনও হবে।

 

শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে ফরিদপুর শহরের থানা রোডের ব্যাংক এশিয়া মোড়ে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

 

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ হবে। এটি একনেকে পাস হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন। দেশের পানির সমস্যা সমাধানে পদ্মা ব্যারেজের পাশাপাশি তিস্তা ব্যারেজও বাস্তবায়ন করা হবে।

 

নিজের নির্বাচনী এলাকা সালথা ও নগরকান্দার কৃষকদের দুর্দশার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে অনেক কৃষক উৎপাদিত পেঁয়াজ ফেলে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। এ সমস্যা সমাধানে কৃষি মন্ত্রণালয় পেঁয়াজ সংরক্ষণের একটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

 

জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবির বিষয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, ফরিদপুর একটি গুরুত্বপূর্ণ গেটওয়ে। এখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজন রয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন। অবশ্যই ফরিদপুরে বিশ্ববিদ্যালয় হবে।

ফরিদপুর বিভাগ হবে, সিটি করপোরেশনও হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের যথাযথ মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব। তাদের হত্যাকারীদের বিচার এ দেশের মাটিতেই হবে।

 

শনিবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত জুলাই জাতীয় সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন।

 

শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ এবং আহতদের অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাদের পরিবার ও যোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান, স্বীকৃতি ও জীবনমান নিশ্চিতকরণ, পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসন ও সহায়তা প্রদানে সরকার কাজ করছে।

 

জুলাই শহীদদের হত্যাকারীদের বিচার এ দেশের মাটিতেই হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমি প্রথমেই বলেছি, রাষ্ট্র-দেশ তার যথাসাধ্য দিয়ে আপনাদের মূল্যায়নের চেষ্টা করবে, আপনাদের আত্মত্যাগকে মূল্যায়ন করবে। কিন্তু একই সঙ্গে আপনাদের আত্মত্যাগকে যে রকম মূল্যায়ন করবে, আপনাদের বিরুদ্ধে যে অন্যায় হয়েছে, যেভাবে আপনার আপনজনকে হত্যা করা হয়েছে, অবশ্যই তার জন্য দায়ীদের বিচার হবে এই দেশের আইনে।’

 

পাশাপাশি বিচারের নামে কারও প্রতি যেন অবিচার না হয়, সে বিষয়ে সচেতন থাকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কারণ, যে আপনজনকে আপনি হারিয়েছেন, সে যদি দেখতে পারে তার প্রতি যে অন্যায় হয়েছে সেই অন্যায়ের বিচার করতে গিয়ে আমরা অবিচার করে ফেলেছি; নিশ্চয়ই সেই মানুষটি ওপার থেকে শান্তি পাবে না। সে জন্য অবশ্যই আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে আইন অনুযায়ী আইনের যে সকল নিয়ম, সবগুলো বজায় রেখে, দরকার হলে আমরা একটু সময় নেব। কিন্তু যে অন্যায়কারী, যে হত্যাকারী তার যাতে সঠিক বিচার হয়।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘এই অনুষ্ঠান চলাকালে আমি বারবার ভাবছিলাম এই মুহূর্তে যদি আমি আমার মাকে জিজ্ঞেস করতে পারতাম, আপনার ওপর যে অবিচার ও অন্যায় হয়েছে, আপনি কি চান আমি এসবের প্রতিশোধ নিই? আমার বিশ্বাস মা বলতেন, এই মুহূর্তে তোমার কাজ সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। আমি জানি, আমার ভাইকে জিজ্ঞেস করলে তিনিও আমাকে একই উত্তর দিতেন।’

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জানি, এখানে মা উপস্থিত আছেন। উনি দেখেছেন কীভাবে সন্তানকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এখানে ভাই উপস্থিত আছেন, সে দেখেছে কীভাবে তার ভাইকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।’ ‘আপনাদের এই কষ্টের বিপরীতে শুধু একটি কথাই আমি বলতে চাই, আপনাদের যে কষ্ট, সেই কষ্টটি আমিও বুঝি, অনুভব করতে পারি।’

 

তারেক রহমান আরও বলেন, ‘স্বৈরাচারের সময় থেকে শুরু করে ৫ আগস্ট জুলাই আন্দোলনে অনেকেই, বহু, হাজারো লাখো মানুষ শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। সেই নির্যাতনের যে কষ্ট আপনাদের এখনো ভোগ করে বেড়াতে হচ্ছে; সে রকম শারীরিক কষ্ট, মানসিক কষ্ট প্রতিটি কষ্ট আমাকেও ভোগ করতে, বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। এ কারণে আপনাদের সেই কষ্ট সেটি মানসিক হোক, সেটি শারীরিক হোক, আমি কিছুটা হলেও অনুভব করতে সক্ষম।’

 

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, গৃহায়ণমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সভাপতি আবু হুরায়রা, কওমি ছাত্র ফোরামের সভাপতি মাওলানা জামিল সিদ্দিকী, আয়োজক সংগঠন ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র সভাপতি আমিনুল ইসলাম ইমন, সাধারণ সম্পাদক আল মিরাজ, জুলাই-২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটির সভাপতি গোলাম রহমান ও সাধারণ সম্পাদক রবিউল আওয়াল বক্তব্য দেন

জুলাইয়ে শহীদ-আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

স্টাফ রিপোর্টার

তানিন পিয়াস চৌধুরী

তাং:০৬/০৭/২৬ সোমবার।

 

হেডলাইন: নড়াইল নড়াগাতি থানার পহরডাঙ্গা হাটে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন ৫০ বছরের সাহেব মোল্যা নামের এক ব্যক্তি।

 

 

নড়াইলের কালিয়া থেকে গরুর হাটে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন সাহেব মোল্যা নামের এক ব্যক্তি। যোগাযোগের নাম্বার01751320424

 

আজ ৫ই জুলাই সকালে, নড়াইলের নড়াগাতী থানার কলাবাড়ীয়া গ্রামের আনুমানিক ৫৩ বছর বয়সী সাহেব মোল্যা একটি গরু নিয়ে পহরডাঙ্গা হাটের উদ্দেশ্যে বের হন।

 

কিন্তু এরপর আর তিনি বাড়ি ফিরে আসেননি। ওনার কাছে কোনো মোবাইল ফোনও নেই। আত্মীয়-স্বজনসহ সব জায়গায় খুঁজেও ওনার কোনো সন্ধান মেলেনি।

 

কোনো সহৃদয় ব্যক্তি ওনার সন্ধান পেয়ে থাকলে, স্ক্রিনে দেওয়া নম্বরে দ্রুত যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

 

যোগাযোগ: এনামুল মোল্যা (ছেলে) 01751320424

 

একটি পরিবার ওনার ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনছে। দয়া করে ভি

 

পোস্ট টি,বেশি বেশি শেয়ার করে ওনাকে পরিবারের কাছে ফিরতে সাহা,য্য করুন।

 

নড়াইল নড়াগাতি থেকে

তানিন পিয়াস চৌধুরী

গন টেলিভিশন সংবাদ।

নড়াইল নড়াগাতি থানার পহরডাঙ্গা হাটে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন ৫০ বছরের সাহেব মোল্যা নামের এক ব্যক্তি

নীলফামারীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

পুরষ্কার, ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

নীলফামারী প্রতিনিধি: উন্নত গ্রাম, সমৃদ্ধ দেশ-গড়ব সবার বাংলাদেশ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নীলফামারীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) জেলা প্রশাসক ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি),

নীলফামারীর যৌথ উদ্যোগে দিবস টি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য রেলি, আলোচনা সভা, সফল ঋণগ্রহীতাদের সম্মাননা, ঋণের চেক এবং গাছের চারা বিতরণ করা হয়। দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি রেলি বের হয় শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নুসহাত তাসনিম আওনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজামান। স্বাগত বক্তব্য দেন বিআরডিবির জেলা উপ-পরিচালক নূর হোসেন মিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মাইদুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার

(প্রশাসন ও অর্থ) ফজলুর রহমান মহসিন। বক্তব্য দেন নীলফামারী প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আনোয়ারুল আলম প্রধান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুর আলম, উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান আবুল হোসেন শাহ এবং উপকারভোগী আইনাল হক ও সুলতানা বেগম। অনুষ্ঠানে শতাধিক সদস্যের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে বিআরডিবির ঋণের মাধ্যমে

স্বাবলম্বী হওয়ায় আইনাল হক ও সুলতানা বেগমকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য আইনাল হকের হাতে এক লাখ টাকার ঋণের চেক তুলে দেন প্রধান অতিথি। এর আগে তিনি ১০ হাজার টাকার ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজামান বলেন, সরকারের পল্লী উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রামীণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের অর্থ সামাজিক অগ্রগতিকে আরও বেগবান করেছে। টেকসই উন্নয়নে সরকারী উদ্যোগের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণও জরুরী। এটি জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশযোগ্য মান বজায় রেখে সম্পাদনা করা হয়েছে।

নীলফামারীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত পুরষ্কার, ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ

বিশ্বকাপ ফুটবল-২০২৬ থেকে প্রিয় দল ব্রাজিলের বিদায় সহ্য করতে না পেরে আলমগীর হোসেন (৩৫) না‌মে এক সমর্থক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত থাকলেও চিকিৎসকেরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। তিনি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আলমগীর।

 

সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে অনুষ্ঠিত ব্রাজিল ও নরওয়ের মধ্যকার বিশ্বকাপ ম্যাচটি নিজ বাড়িতে বন্ধুবান্ধব ও অন্যান্য ব্রাজিল সমর্থকদের সঙ্গে দেখছিলেন আলমগীর। শুরু থেকেই তিনি দারুণ উৎসাহ-উদ্দীপনায় খেলা উপভোগ করছিলেন তিনি। তবে ব্রাজিল পিছিয়ে পড়ার পর থেকেই তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। খেলা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হলে তিনি প্রবল মানসিক আঘাত পান। কিছুক্ষণের মধ্যেই বুকে তীব্র ব্যথা, অস্বস্তি ও শ্বাসকষ্ট অনুভব করে মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন।

 

পরে তার স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক তাকে কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি করে পর্যবেক্ষণে রাখেন।

 

আলমগীরের পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ব্রাজিল ফুটবল দলের নিবেদিতপ্রাণ সমর্থক। বিশ্বকাপ এলেই বন্ধুদের নিয়ে খেলা দেখতেন এবং দলের জয়-পরাজয়কে খুব আবেগের সঙ্গে গ্রহণ করতেন। এবারের বিদায় তিনি মানসিকভাবে মেনে নিতে পারেননি।

 

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. নিসর্গ মেরাজ চৌধুরী বলেন, অতিরিক্ত আবেগ, মানসিক চাপ বা হঠাৎ তীব্র উত্তেজনা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই হৃদরোগ বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে। খেলাধুলা বিনোদনের বিষয় হলেও তা নিয়ে অতিরিক্ত মানসিক চাপ নেয়া উচিত নয়।

 

তিনি আরও বলেন, আলমগীর হোসেন বর্তমানে শঙ্কামুক্ত রয়েছেন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে এবং সুস্থতা নিশ্চিত করতে তাকে আরও কয়েকদিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

 

ব্রাজিলের হার সইতে না পেরে কুড়িগ্রামে সমর্থকের হার্ট অ্যাটাক

সদকায়ে জারিয়া অর্জনের অন্যতম বড় মাধ্যম হলো শিক্ষকতা- এমনটাই মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, আপনারা মনে রাখবেন, আপনারা শুধু একটি পেশায় নেই—আপনারা শিক্ষকতা পেশায় আছেন। আমি নিজেও এই পেশার মানুষ। শিক্ষক হিসেবে আমি উপলব্ধি করি, শিক্ষকতা এমন একটি মহান পেশা, যার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি সদকায়ে জারিয়া অর্জনের সুযোগ রয়েছে।

 

সোমবার (৭ জুলাই) বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের ২১০ তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

 

মন্ত্রী বলেন, আপনারা এমন মানুষ গড়ে তুলবেন, যারা সমাজে অবদান রাখবে। আমি নিজে এর বাস্তব উদাহরণ দেখেছি। আগে যখন সচিব ছিলাম, তখন দেখেছি অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা তাঁদের শিক্ষকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করেছেন। কারণ, সেই শিক্ষকই একদিন তাঁদের গড়ে তুলেছিলেন। অর্থাৎ, শিক্ষকতা এমন একটি পেশা, যার মাধ্যমে মৃত্যুর পরও মানুষের কল্যাণের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। তাই এই পেশাকে ভালোবাসতে হবে।

 

নায়েমের উন্নয়নে অভিজ্ঞ এই মন্ত্রী বলেন, আজকের আলোচনায় আমি শুনলাম, এখানে নানা ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি আবার আপনাদের মাঝে আসতে পারি, তাহলে আজকের এই বৈঠকে আপনারা যেসব দুর্বলতা বা সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেছেন, সেগুলোর অগ্রগতি জানতে চাইব। আর যদি আসা সম্ভব না হয়, তাহলে আপনারা সেসব সুপারিশ লিখিত আকারে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেবেন। কারণ, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে এসব সুপারিশ বাস্তবায়ন করা আমাদের দায়িত্ব।

 

নিজ জীবনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমরা অতীতের অনেক কিছুই ভুলে যেতে পারি না। ছাত্রজীবনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে আমি ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম এবং কাজ করেছি। আজ কাজ করছি প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে। আমি তাঁর চিন্তা-ভাবনা কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছি। তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন শিক্ষা খাতকে। তাঁর লক্ষ্য, এই মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একটি শিক্ষিত প্রজন্ম ও একটি সমৃদ্ধ জাতি গড়ে তোলা।

 

শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে ড. মিলন আরো বলেন, লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করবেন আপনারাই। তাই আমরা সবাই মিলে কাজ করব, যাতে সেই কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারি। আপনাদের কাছে যদি আরও কোনো দুর্বলতা বা সীমাবদ্ধতার বিষয় থাকে, অবশ্যই আমাদের জানাবেন।

সবচেয়ে বেশি সদকায়ে জারিয়া অর্জনের মাধ্যম হলো শিক্ষকতা: শিক্ষামন্ত্রী

বিশ্বকাপ ফুটবল-২০২৬ থেকে প্রিয় দলের বিদায় ও প্রতিপক্ষ দলের সমর্থকদের উপহাস (ট্রল) সইতে না রতন (২১) নামে এক ব্রাজিল সমর্থক আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের ঘোড়াইঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

জানা গেছে, নিহত রতন ওই এলাকার হোসেন মিস্ত্রির ছেলে। তিনি পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন। তার মাত্র দুই মাস বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে ব্রাজিল ও নরওয়ে ফুটবল দলের মধ্যকার খেলায় প্রিয় দল ব্রাজিলের পরাজয় তিনি মানসিকভাবে মেনে নিতে পারছিলেন না। তার ওপর সকালের দিকে প্রতিপক্ষ ফুটবল দলের সমর্থকদের অনবরত নেতিবাচক ট্রল ও উপহাসের শিকার হন তিনি। পরাজয়ের কষ্ট এবং প্রতিপক্ষের বিদ্রূপ সইতে না পেরে তীব্র মানসিক যন্ত্রণায় ভেঙে পড়েন এই যুবক। পরে নিজের শোবার ঘরে গিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।

 

রতনের বাবা হোসেন মিস্ত্রি বলেন, রাতে খেলা দেখে ছেলে ঘুমিয়ে পড়েছিল। বেলা ১১টার দিকেও ঘরের ভেতর থেকে তার কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় আমাদের সন্দেহ হয়। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে দেখি ঘরের আড়ার সঙ্গে রশিতে ঝুলছে রতন। পরবর্তীতে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুমারখালী থানার ওসি (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে নিহতের পরিবার নিশ্চিত করেছে যে রতন ব্রাজিলের কট্টর সমর্থক ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, দল হেরে যাওয়ার গ্লানি ও ট্রল সইতে না পেরেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।

 

পুলিশ আরও জানায়, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ বা দাবি না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ দাফনের জন্য স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ট্রল সইতে না পেরে ব্রাজিল সমর্থকের আত্মহত্যা!

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় আসমা আক্তার (৫) নামে এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে তার জেঠাতো ভাই শাহাদাত হোসেনকে (২৬) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। একই সাথে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

 

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে জেলার বিশেষ শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আকতার এ রায় ঘোষণা করেন।

 

দণ্ডপ্রাপ্ত শাহাদাত উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির বাবুল হোসেনের ছেলে এবং নিহতের জেঠাতো ভাই।

 

নারীও শিশু দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি সেলিম শাহী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদেশে আরও বলা হয়েছে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখতে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

 

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় আসমা। ঘটনার নয় দিন পর বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংকি থেকে আসামির তথ্যের ভিত্তিতে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ভিকটিমের জেঠাতো ভাই শাহাদাতকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলাকালে শাহাদাত আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানায়, ধর্ষণের পর ঘটনা প্রকাশ হয়ে পড়ার আশঙ্কায় সে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে এবং মরদেহ সেপটিক ট্যাংকিতে ফেলে রাখে।

 

এরপর ৬ এপ্রিল নিহত শিশুর বাবা মাওলানা শাহজাহান বাদী হয়ে চাটখিল সদর থানায় শাহাদাতকে একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও জরিমানা করেন।

আসমা ধর্ষণ-হত্যা: চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাবা, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মতো নিজের বেতনের একটি অংশ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও তাদের বেতনের একটি অংশ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

 

সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীতে বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল একটা মিটিং হয়েছে। একজন প্রধানমন্ত্রী, অনেক বড় প্রশ্ন…। একটা দেশের প্রশাসনিক প্রধান ব্যক্তি, উনি আমাদের মিটিংয়ে কী বলেছেন জানেন? খুব বিনয়ের সঙ্গে বলেছেন— মন্ত্রী মহোদয়গণ, আমি একটা কথা বলব আজকে, বিনয় করে বলা, আপনারা রাখতেও পারেন আমার কথাটা, না-ও রাখতে পারেন।’

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি কিন্তু হুবহু কোট করছি—রাখতেও পারেন আমার কথাটা না-ও রাখতে পারেন। তবে আমি অনেক চিন্তা-ভাবনা করে দেখেছি, আপনাদের আমার বলা উচিত, এখন আপনাদের ইচ্ছা! যেটা বলব, আমি এটা করছি। আমার আব্বা (সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান) প্রতি মাসে তার বেতন থেকে ১০ শতাংশ বেতন সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতেন গরিব-মিসকিন মানুষদের সহযোগিতা করার জন্য বা সরকারি কোনো প্রয়োজনে খরচ করার জন্য। আমি কিন্তু বেতন নিচ্ছি, না নিয়ে চলতে পারতেছি না।

 

আমার বেসিক বেতন ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা, ১০ শতাংশ হারে আমি ১১ হাজার ৫০০ টাকা প্রতি মাসে বেতন থেকে জমা দিচ্ছি। বেতন যখন অ্যাকাউন্টে আসে আমি তুলে একটা চেক দিয়ে দিই গভর্নমেন্টের অ্যাকাউন্টে। আমি আপনাদের অনুরোধ করব, আমার আব্বা কাজটা করতেন, আমি করছি; আপনারাও যদি মনে কিছু না নেন বা যদি আপনাদের পক্ষে সম্ভব হয় আপনারাও প্রতি মাসে ১০ শতাংশ আপনাদের বেতনের টাকাটা সরকারের ঘরে ফেরত দিয়ে দেবেন।’

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সবাই আলহামদুলিল্লাহ বলেছি। খুশি হয়েছি যে উনি আমাদের কাছে অ্যাপ্রোচটা।

 

বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত ৭ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে, প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। এ মামলায় একজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

 

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর ৩টায় জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ‘ট্রাইব্যুনাল-১’-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।

 

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন রাশেদুর রহমান ওরফে পাপ্পু, বিজু মিয়া, বাদশা মিয়া, জুয়েল মিয়া, আশরাফুল ইসলাম, জসিম ও আছমত।

 

অন্যদিকে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ইদ্রিস আলীকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক জানান, গত বছরের ২৫ মে রাতে বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষীয়া এলাকায় এক গৃহবধূকে অপহরণ করে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটায়। পরে ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে বকশীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

 

তিনি আরও জানান, মামলায় মোট ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। চিকিৎসা প্রতিবেদন, আলামত ও অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত ৭ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ড ও ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ইদ্রিস আলীকে খালাস দেওয়া হয়। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

 

 

জামালপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

টানা তিন দিনের ভারী বৃষ্টিতে সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার তিন্দু ও রেমাক্রী ইউনিয়নে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ঘুরতে যাওয়া প্রায় ১২০ জন পর্যটক আটকে পড়েছেন।

 

সোমবার (৬ জুলাই) নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে নৌযান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় তারা সেখানে অবস্থান করছেন। বর্তমানে সবাই নিরাপদে রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েক দিনের টানা বর্ষণে সাঙ্গু নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে থানচির বিভিন্ন পর্যটন স্পটে নৌপথে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত নতুন পর্যটকদের ওই সব এলাকায় ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নদীর পানি পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

তিনি বলেন, তিন্দু ইউনিয়নের নাফাখুম এলাকায় প্রায় ৭০ জন এবং রেমাক্রী ইউনিয়নে আরও প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন পর্যটক অবস্থান করছেন। নদীর পানির স্রোত ও উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় তারা যাতায়াত করতে পারছেন না। তবে সবাই সুস্থ ও নিরাপদে আছেন।

 

এ বিষয়ে থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কানন সরকার এশিয়া পোস্টকে বলেন, পর্যটক আটকে থাকার বিষয়টি আমাদের এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। যদি কেউ আটকে পড়ে থাকেন, তাহলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সহযোগিতা এবং প্রয়োজনীয় উদ্ধারকারী দলের মাধ্যমে তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে।

সাঙ্গু নদীতে তীব্র স্রোত, বান্দরবানে আটকা শতাধিক পর্যটক

চলমান বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। নরওয়ের কাছে হার শুধু ব্রাজিলের আরেকটি বিশ্বকাপ-বিদায় নয়, এটি ৩৬ বছরের মধ্যে তাদের সবচেয়ে হতাশাজনক বিশ্বকাপ অভিযান। ১৯৯০ সালের পর প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনালের আগেই থেমে গেল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের পথচলা।

 

ব্রাজিলের পথচলা থেমে যাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রিয় দলকে ঘিরে আবেগ প্রকাশ করেছেন অসংখ্য সমর্থক। দলটির সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার জুনিয়রকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ। তাকে জানিয়েছেন শ্রদ্ধাও।

 

সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ৯টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে নেইমারের একটি প্রতীকী ছবি শেয়ার করেন পলাশ। ছবিতে দেখা যায়, ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি পরা নেইমার অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছেড়ে হেঁটে যাচ্ছেন। তার সামনে পড়ে আছে একটি রাজমুকুট। ছবির নিচে লেখা, ‘থ্যাংক ইউ’।

 

ছবির ক্যাপশনে পলাশ লিখেছেন, ‘একটা যুগের সমাপ্তি, কিন্তু কিংবদন্তির গল্প কখনোই শেষ হয় না। বিদায়, নেইমার জুনিয়র!’পলাশের পোস্ট প্রকাশের পরপরই ফুটবলপ্রেমীরা মন্তব্যের ঘরে নিজেদের অনুভূতি জানাতে শুরু করেন। অনেকে নেইমারকে শুভকামনা জানান। কেউ ব্রাজিলের বিদায় নিয়ে হতাশাও প্রকাশ করেন।

নেইমারের বিদায়ে পলাশ কিংবদন্তির গল্প কখনও শেষ হয় না

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d