
নরসিংদীর বেলাবোতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহ-সভাপতি এহসান উল্লাহ পিয়ালকে (৩২) গ্রেফতার করেছে বেলাবো থানা পুলিশ।
রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে বেলাবো বাজারের সোনালী ব্যাংকসংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত এহসান উল্লাহ পিয়াল নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলার সল্লাবাদ ইউনিয়নের নিলক্ষীয়া নামাপাড়া গ্রামের মৃত জহিরুল হক (ওরফে উল্লাহ) ও মোসা. খাদিজা বেগমের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বেলাবো থানায় দায়ের করা ১৬ নম্বর মামলায় পিয়ালকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
বেলাবো থানার ওসি এসএম আমানউল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নির্দিষ্ট মামলায় পিয়ালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে নির্ধারিত সময়ে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

কালিগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অপরাধীকে দল-মত না দেখে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ
এস. এম. নাসির উদ্দীন, কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা, উন্নয়ন সমন্বয় ও এনজিও বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) মিলন সাহা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির উপদেষ্টা ও সাতক্ষীরা-৩ (কালিগঞ্জ-আশাশুনি) আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, কোনো অবস্থাতেই আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে—এমন কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। দল-মতকে প্রাধান্য না দিয়ে অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। সরকারি বরাদ্দের কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। এসব কাজে কোনো ধরনের অন্যায় ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না।
সভায় উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মইনুল ইসলাম খান, কালিগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক সুশান্ত ঘোষ, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আব্দুল ওহাব সিদ্দিক, সেক্রেটারি সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রউফ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ডা. শেখ শফিকুল ইসলাম বাবু এবং কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু।
এছাড়া বক্তব্য দেন কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীন, নলতা ইউপি চেয়ারম্যান মো. আজিজুর রহমান, ধলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান গাজী শওকাত হোসেন, বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোস্তফা আখেরুজ্জামান পল্টু, হাজী তোফিল উদ্দিন মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা শফিউল্লাহ এবং কালিগঞ্জ বিজিবি খানজিয়া ক্যাম্পের সুবেদার সাদেক।
সভায় কালিগঞ্জ উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত পৃথক তিনটি হত্যাকাণ্ড, মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান বৃদ্ধি, সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালানের কারণে যুবসমাজের বিপথগামিতা এবং বিভিন্ন মোড়ে কেরাম বোর্ড খেলা বন্ধসহ আইন-শৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়।
সমাপনী বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা বলেন, উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির টেকসই উন্নয়ন এবং অপরাধ দমনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। মদ, জুয়া, জমি দখল ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সভায় উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সংশ্লিষ্ট সদস্য, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসক-জনবল সংকটে ঝুঁকছে ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অবকাঠামো যন্ত্রপাতি আছে, নেই পর্যাপ্ত জনব , বন্ধু অপারেশন থিয়েটার, জটিল রোগী যাচ্ছে জেলা সদর ও রংপুরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
স্টাফ রিপোর্টার
মাইদুল ইসলাম:
২৫/আগস্ট/২৬ইংঃ নীলফামারী প্রান্তিক উপজেলার ডিমলায় প্রায়
সাড়ে তিন লাখ মানুষের একমাত্র সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র ৫০ শয্যার
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। চিকিৎসা সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকারি উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক অবকাঠামো, রয়েছে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম কিন্তু চিকিৎসক ও জনবল সংকটে ব্যহত হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির স্বাভাবিক কার্যক্রম। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়েছে অপারেশন থিয়েটার। ফলে দুর্ঘটনায় আহত রুগী, জটিল রোগে আক্রান্ত মানুষ কিংবা প্রসূতি মায়েদের সিজারিয়ানসহ প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের জন্য ছুটতে হচ্ছে জেলা সদর কিংবা রংপুর মেডিকেল হাসপাতালে। হাসপাতালের চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে প্রতিদিনই ভোগান্তিরতে পরছে প্রত্যন্ত এলাকার সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে দরিদ্র ও
নিম্নআয়ের রোগীদের চিকিৎসার জন্য দূরের হাসপাতালে যেতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ খরচ করে। এতে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার উপর নির্ভরশীল মানুষের দুর্ভোগ আরো বাড়ছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৫০ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ২৬০ টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন প্রয়োজনের তুলনায় কমসংখ্যক জনবল। শূন্য রয়েছে ৯৩ টি পদ। এর মধ্যে চিকিৎসকের ৩৩ টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে ১৮ টি পদই শূন্য । দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার পদটিও খালি রয়েছে। আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) পদ থাকলেও বর্তমানে ওই পদে কোন চিকিৎসক নেই। ফলে একজন মেডিকেল অফিসার কে ভারপ্রাপ্ত আরএমও হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। চিকিৎসক সংকটের কারণে বহির্বিভাগে রোগীদের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আবার প্রয়োজনীয় বিশেষ চিকিৎসক ও অন্যান্য সুবিধা না থাকায় অনেক রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি সংকট তৈরি হয়েছে অস্ত্রোপচার সেবায়। হাসপাতালে অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি থাকার পরও জনবল সংকটে দীর্ঘদিন ধরে অপারেশন থিয়েটার কার্যত বন্ধ। ফলে জরুরী অস্ত্রোপচারে প্রয়োজন এমন রোগীদের জেলা সদর হাসপাতাল কিংবা বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হচ্ছে। ডিমলা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার প্রত্যাশা থাকলেও প্রয়োজনীয় সেবা না পাওয়ায় তাদের অনেকেই অর্থ খরচ করে বাইরের ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হচ্ছে। এতে যাতায়ত , পরীক্ষা-নিরীক্ষা ঔষধ ও চিকিৎসার খরচ মিলিয়ে ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে সিজারিয়ান অপারেশনের প্রয়োজন হওয়ায় দরিদ্র পরিবারের প্রসূতি নারীদের জন্য পরিস্থিতি আরো কঠিন হয়ে উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতি থাকার পরেও শুধু জনবল সংকটে সেবা বন্ধ থাকা অত্যন্ত হতাশাজনক। স্থানীয়দের দাবি দ্রুত চিকিৎসকসহ শুন্য পদগুলো পূরণ করে অপারেশন থিয়েটার চালু করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম শুধু বহির্বিভাগে রোগী দেখা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়। জরুরী চিকিৎসা, প্রসূতি সেবা, অস্ত্রোপচারসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবায নিশ্চিত করতে হলে অনুমোদিত পথ অনুযায়ী চিকিৎসক ও অন্যান্য জনবল থাকা জরুরি। বিশেষ করে ডিমলা উপজেলার মত বড় জনসংখ্যার একটি উপজেলার জন্য জনবল সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে এর সরাসরি প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের উপর। হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, জনবল সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। শূন্য পথ গুলো পূরণ হলে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা আরো কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এদিকে, ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বর্তমান পরিস্থিতি সরকারি স্বাস্থ্য অবকাঠামোর একটি বড় বাস্তবতাকেই সামনে এনেছে – ভবন আছে, যন্ত্রপাতি আছে, কিন্তু সেগুলো পরিচালনার মত পর্যাপ্ত জনবল নেই। ফলে সরকারি বিনিয়োগে গড়ে ওঠা অবকাঠামোর পূর্ণ সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে লাখো মানুষ। স্থানীয়দের প্রশ্ন, চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে যদি প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও জনবলই না থাকে, তাহলে কোটি কোটি টাকা ব্যয় নির্মিত অবকাঠামো ও কেনা আধুনিক যন্ত্রপাতি কতটা কাজে আসছে? ডিমলার মানুষের এই প্রশ্ন উত্তর খুঁজতে দ্রুত শূন্য পদ পুরন, অপারেশন থিয়েটার চালু এবং প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সেবা নিশ্চিত করার দাবি এখন জোরালো হচ্ছে।

নওগাঁয় ৩৮ কেজি কষ্টিপাথরের মূর্তিসহ সাজেদুল নামে একজন আটক
মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল
বিশেষ প্রতিনিধি
নওগাঁয় টাস্কফোর্সের অভিযানে ৩৮ কেজি ওজনের কষ্টিপাথরের তারা দেবী মূর্তিসহ মো. সাজেদুল ইসলাম (৫২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার করা মূর্তিটির আনুমানিক সিজার মূল্য ৩৮ লাখ ১০ হাজার টাকা।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে নওগাঁ সদর উপজেলার বাইপাস এলাকার সাদিয়া মার্কেটে এ অভিযান চালানো হয়।
আটক সাজেদুল ইসলাম নওগাঁ সদর উপজেলার চকগোবিন্দ গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে। বিবিসি ভোটার মালিক।
নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি) জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির একটি বিশেষ টহলদল ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ মো. রাশেদের নেতৃত্বে পুলিশসহ সমন্বিত টাস্কফোর্স সাদিয়া মার্কেট এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় একটি ফার্নিচারের দোকানে তল্লাশি চালিয়ে সাজেদুল ইসলামকে আটক করা হয়।
পরে তার কাছ থেকে ৩৮ দশমিক ১০০ কেজি ওজনের কষ্টিপাথরের একটি তারা দেবী মূর্তি উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি জানায়, উদ্ধার করা মূর্তিটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে প্রতীয়মান হওয়ায় যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে।
আটক সাজেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে নওগাঁ সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল
বিশেষ প্রতিনিধি
মোবাইল নং ০১৭২৪২৫৫৭০৬
তারিখঃ ২৫-৮-২০২৬

সাতক্ষীরায় পাওনা ফেরত ও সম্পত্তি বিক্রি বন্ধের দাবি, ডিসির কাছে বুশরা আমানত কারীদের আবেদন
এস. এম. নাসির উদ্দীন, কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বুশরা গ্রুপের প্রায় ১০ হাজার আমানতকারীর পাওনা অর্থ ফেরত দিতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রতিষ্ঠানটির কালিগঞ্জ শাখা অফিস সিলগালা করে সম্পত্তি বিক্রি বন্ধের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী আমানতকারীরা।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১২টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কাছে কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহার মাধ্যমে এ আবেদন করা হয়। আবেদনে বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ শরিফুল ইসলাম এবং নির্বাহী পরিচালক ইকবাল কবির পলাশকে বিবাদী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়, বুশরা গ্রুপের বুশরা কেন্দ্রীয় সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেড এবং বুশরা ইসলামী মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের অধীনে আমানতকারীরা দীর্ঘদিন ধরে অর্থ জমা রেখে আসছেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রচলিত নিয়ম ও শর্তের প্রতি আস্থা রেখে তারা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ আমানত হিসেবে রাখেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রয়োজনের সময় আমানত উত্তোলনের প্রতিশ্রুতি থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে অনেক আমানতকারী তাদের জমাকৃত অর্থ ফেরত পাচ্ছেন না। কেউ এক বছর, কেউ দুই বছর কিংবা তারও বেশি সময় আগে মূল আমানতের টাকা উত্তোলনের জন্য আবেদন করলেও টাকা পরিশোধ করা হয়নি বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আমানতকারীদের মধ্যে মো. হাসানুজ্জামান, মো. আব্দুল মান্নান, এস এম রেদওয়ানুল ফেরদাউস রনি, মমতাজ বেগমসহ কয়েকশ গ্রাহকের অভিযোগ, টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করতে গেলে তাদের বিভিন্ন ধরনের হয়রানি ও দীর্ঘসূত্রতার শিকার হতে হচ্ছে। এতে অনেক আমানতকারী ও তাদের পরিবার চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে পড়েছেন বলে আবেদনে দাবি করা হয়।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হিসেবে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বুশরা গ্রুপের কালিগঞ্জ শাখা অফিসের সম্পত্তি বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। আমানতকারীদের আশঙ্কা, সম্পত্তি বিক্রি হয়ে গেলে ভবিষ্যতে তাদের পাওনা অর্থ আদায় আরও জটিল ও অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে।
এ কারণে আমানতকারীরা জেলা প্রশাসকের কাছে বিষয়টি দ্রুত প্রশাসনিক নজরদারির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বুশরা গ্রুপের আমানতকারীদের পাওনা অর্থ ফেরত প্রদানের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিষয়টির তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কালিগঞ্জ শাখা অফিসের সম্পত্তি বিক্রি, হস্তান্তর বা অন্য কোনোভাবে যাতে সম্পত্তি নিয়ে লেনদেন করা না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
আবেদনের সঙ্গে কালিগঞ্জ শাখা অফিসের সম্পত্তির বিবরণও সংযুক্ত করা হয়েছে। সেখানে দলিল নম্বর ১৯৯৬/২০২০, মৌজা বাজারগ্রাম, সি.এস. খতিয়ান ০৫, এস.এ. খতিয়ান ১১ এবং দাগ নম্বর ৩৪০/৩৪২ উল্লেখ করা হয়েছে। জমির পরিমাণ প্রায় ০.২৯৭২ একর বলে আবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
আবেদনের অনুলিপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কালিগঞ্জ; সহকারী কমিশনার (ভূমি), কালিগঞ্জ; সাব-রেজিস্ট্রার, রেজিস্ট্রি অফিস, কালিগঞ্জ এবং দলিল লেখক সমিতির সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের কাছেও দেওয়া হয়েছে।
ডিসি সাতক্ষীরাকে স্মারকলিপি দেওয়ার সময় ৩ আসনের এমপি হাফেজ মুহাম্মদ রবিউল বাশারের কাছে বুশরা গ্রুপের আমানতকারীরা অভিযোগ করেন। এ সময় তিনি বলেন, “বিষয়টি আমি দেখব, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব।”
আবেদনকারীদের দাবি, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে আমানতকারীদের স্বার্থ ও জনস্বার্থ বিবেচনায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির বিক্রয় বা হস্তান্তর বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন তারা।
তবে বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ শরিফুল ইসলাম ও নির্বাহী পরিচালক ইকবাল কবির পলাশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাদের বক্তব্য পরবর্তীতে পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের বিভিন্ন নদী ও বাঁধের অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। পরিদর্শনকালে তিনি চলমান নদীতীর প্রতিরক্ষা প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ও মান যাচাইয়ের পাশাপাশি সাম্প্রতিক ‘ফ্ল্যাশ ফ্লাডে’ ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দেন।
আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় প্রতিমন্ত্রী মৌলভীবাজার জেলার কুশিয়ারা নদীর উভয় তীরে চলমান নদীতীর প্রতিরক্ষা প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি প্রকল্পের অগ্রগতি, কাজের মান এবং নদীভাঙন প্রতিরোধে গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত অবহিত হন।
প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যথাযথ মান বজায় রেখে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন।
পরে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালিগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ পরিদর্শন করেন তিনি। সাম্প্রতিক ফ্ল্যাশ ফ্লাডে ক্ষতিগ্রস্ত খোয়াই নদী রক্ষা বাঁধের বিভিন্ন অংশ সরেজমিনে ঘুরে দেখে প্রতিমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামতের নির্দেশ দেন।
একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ক্ষয়ক্ষতি রোধে এবং খোয়াই নদী রক্ষা বাঁধের স্থায়ী ও টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে দ্রুত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর জরুরি নির্দেশনা মোতাবেক ফ্ল্যাশ ফ্লাডে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ দেখতে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এসেছি। নদী ও বাঁধের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় হুইপ জি কে গউছ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক, হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক, সংশ্লিষ্ট চিফ ইঞ্জিনিয়ার, সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ারসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের জরুরি মেরামত দ্রুত সম্পন্ন করার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর নদী ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন

ঢাকা কলেজের আবাসিক ছাত্রাবাসে মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের সিট না দিয়ে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সিট দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতারাও সিট বরাদ্দের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
গতকাল সোমবার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকা কলেজের ওয়েবসাইটে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে আবাসিক ছাত্রাবাসের সিট বরাদ্দের তালিকা প্রকাশ করা হয়। তালিকা প্রকাশের পরই অনেক শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের অভিযোগ, নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি, ভালো ফলাফল এবং ভাইভায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত সিট বরাদ্দের তালিকায় তাদের নাম রাখা হয়নি।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আবাসিক সিট বরাদ্দের ক্ষেত্রে মেধা, নিয়মিত উপস্থিতি ও আর্থিক অসচ্ছলতাকে গুরুত্ব দেয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে রাজনৈতিক পরিচয়কে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রদলের সঙ্গে সম্পৃক্ত কয়েকজন শিক্ষার্থী সিট পেয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তারা। ফলে দীর্ঘদিন ধরে আবাসিক সিটের প্রত্যাশায় থাকা অনেক অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থী বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি উঠেছে।
মারুফ মিয়া নামের এক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া এক পোস্টে লেখেন, এই রকম একটা অন্যায় করার আগে ডিপার্টমেন্টের প্রধানের বুক কেঁপে উঠলো না? আমার আর্থিক অবস্থা জানার পর ও কেন সিট দিলো না?
মনোবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩-২৪ সেশনের শাহিন আলম নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, আমি ডিপার্টমেন্টে ভাইভা দিয়েছি এবং সেখানে উত্তীর্ণও হয়েছি। পরবর্তীতে আবাসিক হলে সিট পাওয়া শিক্ষার্থীদের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল, সেখানে আমার নামও ছিল। কিন্তু হঠাৎ আজ দেখলাম, সেই তালিকা থেকে আমার নাম বাদ দেয়া হয়েছে। অথচ আমার জায়গায় যাকে সিট দেয়া হয়েছে, তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। যে ভাইভাতেও অংশ নেয়নি। এমন আরেকজনকে সিট দেয়া হয়েছে, যে ক্লাসে অনিয়মিত হওয়ায় ইতোমধ্যে ডিসকলেজিয়েট। রাজনৈতিক পরিচয় থাকাতেই কেবল সিট পেয়েছে।
এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের ৪ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক তাজবিউল হাসান তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া এক পোস্টে লেখেন, সিট না পাওয়া শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে লেখেন, নিজেকে সেভাবে তৈরি কর যাতে করে রাতের আঁধারে সিট বরাদ্দের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে গোপনে বসে নিজেদের মতো করে হলে সিট নিতে পারো অথবা ভবিষ্যতে কারো জন্য দিতে পারো।
এ বিষয়ে ঢাকা কলেজ শাখা শিবিরের সেক্রেটারি সাইমুন ইসলাম সানি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া এক পোস্টে লেখেন, নতুন করে সিট পাওয়া ১১০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রদল করেন না- এমন একজন শিক্ষার্থী কি সিট পেয়েছেন? কলেজ প্রশাসনের এই তামাশা সাধারণ শিক্ষার্থীরা মনে রাখবে। যে প্রশাসন শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে পারে না, তারা শিক্ষার্থীদের অভিভাবক হওয়ার নৈতিক যোগ্যতাও হারিয়েছে। মেরুদণ্ডহীন এই প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা করাটা সবচেয়ে বড় ভুল।
তিনি আরও বলেন, ছাত্রলীগের দাসত্বের অধ্যায় শেষ হতে না হতেই, এই নির্লজ্জ ও অথর্ব প্রশাসন নতুন করে আরেকটি ছাত্রসংগঠনকে মনিব হিসেবে মেনে নিয়েছে। শুধু ক্ষমতার মুখ বদলেছে, কিন্তু প্রশাসনের চরিত্র বদলায়নি।
যাদের প্রাপ্য অধিকার কেড়ে নেয়া হলো, যেসব অসহায় ও হকদার শিক্ষার্থীকে বঞ্চিত করা হলো- তাদের আর্তনাদ একদিন ফিরেও আসতে পারে। মনে রাখবেন, অন্যের সন্তানের ন্যায্য অধিকার নষ্ট করে কেউ চিরদিন নিশ্চিন্ত থাকতে পারে না। আপনাদেরও সন্তান আছে; একদিন নিজের সন্তানের বঞ্চনা দেখে যেন হা-হুতাশ করতে না হয়। হাজার হাজার অসহায়-মেধাবী ছাত্রের হক যারা নষ্ট করলো, আজ হোক, কাল হোক তাদের অথবা তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে আল্লাহ এর প্রতিদান দিবেই।
ছাত্র অধিকার পরিষদ ঢাকা কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া এক পোস্টে লেখেন, ঢাকা কলেজ প্রশাসন এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে- শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি, পরীক্ষার ফলাফল ও পরিবারের আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে হলে সিট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র, সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শুরুর দিকে বিভাগ থেকে ভাইভার মাধ্যমে যাদের নাম সুপারিশ করা হয়েছিল, পরবর্তী সময়ে কোনো কারণ ছাড়াই তাদের নাম কেটে দেয়া হয়েছে। এখানে মেধার বিন্দুমাত্র মূল্যায়ন করা হয়নি।
প্রশাসনের কাছে আমার স্পষ্ট প্রশ্ন- কোন অদৃশ্য শক্তির ইশারায়, কিংবা কোন মন্ত্রীর ফোন কল ও রেফারেন্সে আপনারা তালিকা থেকে মেধাবীদের নাম কাটতে বাধ্য হলেন? এই স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের জবাবদিহিতা কিন্তু আপনাদের রেডি রাখতে হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস বলেন, আমাদের ঢাকা কলেজের আবাসিক ছাত্রাবাসে সিটের সংখ্যা সীমিত। এই সীমিত সিটের বিপরীতে একাধিক শিক্ষার্থী আবেদন করেছে। ফলে সিট দিতে আমাদের সমস্যা হয়েছে।
আর নাম কেটে দেয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, এরকম যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে সেই সিটের বিষয়গুলো পুনর্বিবেচনা করা হবে।
এদিকে হলে সিট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ তুলে আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ২টায় বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে একদল শিক্ষার্থী।


Leave a Reply