৩৭ ঘণ্টা পর পদ্মায় ভেসে উঠল ছাত্রদলের সেই নিখোঁজ নেতার মরদেহ - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
৩৭ ঘণ্টা পর পদ্মায় ভেসে উঠল ছাত্রদলের সেই নিখোঁজ নেতার মরদেহ

৩৭ ঘণ্টা পর পদ্মায় ভেসে উঠল ছাত্রদলের সেই নিখোঁজ নেতার মরদেহ

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে নৌকা ভ্রমণে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ৩৭ ঘণ্টা পর ঝিনাইদহের শৈলকুপা পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব রাকিবুজ্জামান রকির (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনের পদ্মা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

লক্ষ্মীকুণ্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খন্দকার শহিদুল ইসলাম এবং ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান রকির মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

এর আগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ৯টার দিকে ভেড়ামারার হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ৪ নম্বর পিলারের সঙ্গে ১৩০ জন যাত্রী বহনকারী একটি বাল্কহেডের ধাক্কা লাগে। এ সময় রাকিবুজ্জামান রকি, লিটন ও ওহাব নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন। পরে লিটন ও ওহাবকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও রকি নিখোঁজ ছিলেন।

 

নৌকা ভ্রমণে অংশ নেওয়া যাত্রীরা জানান, ঝিনাইদহের শৈলকুপার কাতলা গাড়িঘাট থেকে ১৩০ জন ভ্রমণকারী নিয়ে তারা ভেড়ামারা উপজেলার সোলাইমান শাহ মাজারে বেড়াতে আসেন। মাজার থেকে ফেরার পথে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের কাছে পৌঁছালে নদীর তীব্র স্রোতের ধাক্কায় বাল্কহেডটির পেছনের অংশ ব্রিজের ৪ নম্বর পিলারে আঘাত করে। এতে রকিসহ তিনজন নদীতে পড়ে যান।

 

খুলনা থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের পাঁচ সদস্যের ডুবুরি দলের প্রধান সাইদুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে নদীর স্রোত অত্যন্ত প্রবল ছিল। তীব্র স্রোতের কারণে উদ্ধার অভিযান পরিচালনায় তাদের বেশ বেগ পেতে হয়।

 

ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিরুল আরাফাতও রবিবার সকাল ১০টার দিকে রকির মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেন।


ভূল্লীতে শত্রুতার জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগে লক্ষাধীক টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

 

ঠাকুরগাঁও জেলার ভূল্লী উপজেলায় পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এতে পুকুরের মালিক মোঃ আব্দুল কাদেরের আনুমানিক তিন লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভূল্লী এলাকার বাসিন্দা মোঃ আব্দুল কাদেরের একটি পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করা হচ্ছিল। সম্প্রতি অজ্ঞাত ব্যক্তিরা পুকুরের পানিতে বিষ প্রয়োগ করে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এরপর পুকুরের পানিতে বিপুলসংখ্যক মাছ মরে ভেসে ওঠে। এতে মাছের বাজারমূল্য ও চাষের অন্যান্য খরচ মিলিয়ে তাঁর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

 

ক্ষতিগ্রস্ত পুকুরের মালিক মোঃ আব্দুল কাদের বলেন, পুকুরে মাছ চাষ করে তিনি আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার আশা করেছিলেন। কিন্তু বিষ প্রয়োগের কারণে মাছ মারা যাওয়ায় তিনি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

 

স্থানীয়রা জানান, পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের মতো ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের পাশাপাশি জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে পুকুরে বিষ প্রয়োগের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পুকুরের মালিক ও স্থানীয়রা।

ভূল্লীতে শত্রুতার জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগে লক্ষাধীক টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ।

শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর বাড়ির পাশের খালে মিললো শিশুর লাশ, আটক ৫

 

বিশেষ প্রতিনিধি: মামুন হাওলাদার

 

 

 

শরণখোলা নিখোঁজের তিন দিন পর উদ্ধার হয়েছে রাফি আকন (৯) নামে এক শিশু শিক্ষার্থীর মরদেহ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বাড়ির পাশের একটি খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায় এলাকাবাসী পরবর্তীতে থানায় খবর দিলে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। ময়না তদন্তের জন্য মরদেহটি বাগেরহাট মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

 

গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকাল থেকে নিখোঁজ ছিল শিশুটি। ঘটনাটি ঘটেছে শরণখোলা উপজেলার দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া গ্রামে। শিশুটি দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া গ্রামের জসিম আকন ও লাকি বেগম দম্পত্তির ছেলে। মা-বাবার বিচ্ছেদের পর বাবা ও দাদা-দাদীর কাছে থাকতো রাফি। সে স্থানীয় দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়তো।

 

 

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক নারীসহ সন্দেহভাজন পাঁচ জনকে আটক করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

 

শিশুর বাবা জসিম আকন অভিযোগ করে বলেন, রাফি নিখোঁজ হওয়ার পর বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করে না পেয়ে থানায় জিডি করা হয়। আমার ছেলে সাঁতার জানতো, খালে পড়ে মারা যাওয়ার কথা নয়। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ফেলে রাখা হয়েছে। আমার ছেলে হত্যায় জড়িতদের শাস্তি চাই।

 

 

শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ রোকেয়া খানম বলেন, ময়না তদন্তের জন্য মরদেহটি জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাঁচ জনকে আটক করা হয়েছে।

 

 

মেরেলগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদ খাঁন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেছেন, শিশুটির শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি হত্যাকাণ্ড। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ বেরিয়ে আসবে। সন্দেহভাজন আটকদের জিজ্ঞসাবাদ করা হবে।

শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর বাড়ির পাশের খালে মিললো শিশুর লাশ, আটক ৫

যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে, নীলফামারীতে স্বজনদের সংবাদ সম্মেলন

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলামঃ

 

যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ নাছরিন নাহারকে নির্যাতনের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও স্বজনদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে নীলফামারীতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।

 

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টায় নীলফামারী প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে নিহত নাছরিন নাহারের বাবা মো. আব্দুল জব্বার লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় নিহতের মা, ভাইসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

লিখিত বক্তব্যে আব্দুল জব্বার বলেন, নাছরিনের প্রথম স্বামী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পর ২০২২ সালের ১২ ডিসেম্বর নীলফামারীর ফকিরগঞ্জ লালপাড়ার মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুল মান্নানের সঙ্গে তার দ্বিতীয় বিয়ে হয়। বিয়ের সময় মেয়ের সুখ-শান্তির কথা বিবেচনা করে উপহারসামগ্রীর পাশাপাশি নগদ পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হয়।

 

তবে বিয়ের পর থেকেই মান্নানের প্রথম স্ত্রীর ছেলে ও তার স্বজনরা নাছরিনের ওপর যৌতুকের জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এর আগেও কয়েক দফা নির্যাতনের পর নাছরিনকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করা হয়। কিন্তু কিছুদিন পর আবারও নাছরিনের পরিবারের কাছে তিন লাখ টাকা যৌতুক দাবি করা হয়।

 

আব্দুল জব্বারের অভিযোগ, গত ২৬ আগস্ট তিন লাখ টাকা যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য নাছরিনকে বাবার বাড়িতে পাঠানোর চেষ্টা করেন তার স্বামী ও স্বজনরা। এতে নাছরিন রাজি না হলে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। একপর্যায়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে নাছরিনের মরদেহ ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে আসামিরা পালিয়ে যান বলে অভিযোগ পরিবারের।

 

পরিবারের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে খবর দেওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে নাছরিনের দাফন সম্পন্ন হয়।

 

এ ঘটনায় ২৭ আগস্ট নীলফামারী সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১১(ক) ধারায় জিআর-৩৩৯/২৬ নম্বর মামলা (জিআর-৩৩৯/২৬) দায়ের করা হয়েছে, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। তবে মামলার আসামিগণ এখনো পলাতক রয়েছেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ৬ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।

 

এ সময় নীলফামারী জেলার সকল প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে, নীলফামারীতে স্বজনদের সংবাদ সম্মেলন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় রাখা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর বিতর্কিত ছবি ভেঙে দিয়েছেন আবু তৈয়ব হাবিলদার নামে সাবেক এক শিক্ষার্থী। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংগ্রহশালায় গিয়ে ফ্রেম ভেঙে ছবিটি ছিঁড়ে ফেলেন তিনি।

 

আবু তৈয়ব ডাকসু নির্বাচনের আলোচিত ও বয়োজ্যেষ্ঠ ভিপি (সহ-সভাপতি) প্রার্থী ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০১-০২ শিক্ষাবর্ষের উর্দু বিভাগের ছাত্র। ছবিটি স্থাপনের পর থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

 

ছবি ভাঙার আগে আবু তৈয়ব হাবিলদার বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূত্রটা জিন্নাহ তৈরি করে দিয়েছে। কার্জন হলে ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে বলে যে, পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু হবে, বাংলা হবে না। আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছাত্র প্রতিবাদ করেছিলেন। তারা বলেছিলেন, জিন্নাহ সাহেব আপনার এই সিদ্ধান্ত আমরা মানি তিনি বলেন, ‘ভাষা আন্দোলনের মূল নায়ক হিসেবে প্রিন্সিপাল আবুল কাসেম ১১ মার্চ ১৯৪৮ শুরু করেছিলেন এবং উনার নেতৃত্বে হরতাল পালন হয়েছিল। সেখানে অনেক ছাত্র গ্রেপ্তার হয়েছিলেন, দুই হাজারের ওপরে। সেই জিন্নাহ ডাকসুতে স্থান পেতে পারে না।’

 

না।’

ডাকসুতে থাকা জিন্নাহর সেই ছবি ছিঁড়ে ফেললেন ছাত্রনেতা তৈয়ব হাবিলদার

সারাদেশে চিকিৎসার নামে প্রতারণা ও ভুয়া চিকিৎসকদের দৌরাত্ম্য দিন দিন বাড়ছে। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) আইন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের তদারকি এবং আদালতের রায়, সবকিছুকে পাশ কাটিয়েই চলছে এসব অনিয়ম। তবে বিএমডিসি ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের দাবি, লোকবল ঘাটতির কারণে ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে তারা ব্যবস্থা নিতে পারছে না।

 

অন্যদিকে জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের অভিযোগ, আইন ও সক্ষমতার পুরোটা ব্যবহার করছে না তদারকি প্রতিষ্ঠানগুলো। কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতা থাকলে ফৌজদারি অপরাধ করা এসব ভুয়া চিকিৎসকদের শেকড় সমূলে উৎপাটন করা সম্ভব।

 

যমুনা টেলিভিশনের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, দেশে প্রায় ১০ হাজার ভুয়া চিকিৎসক কোনো ধরনের শিক্ষাগত যোগ্যতা বা বিএমডিসির সনদ ছাড়াই দিনের পর দিন চিকিৎসার নামে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছেন।

দেশজুড়ে চিকিৎসার নামে প্রতারণা ও ভুয়া ডাক্তারদের দৌরাত্ম্য, নেই তদারকি

পঞ্চগড়ে গভীর রাতে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকসহ উভয় পক্ষের ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে।

 

জানা যায়, রোববার জেলা বিএনপি আয়োজিত একটি মতবিনিময় সভা ছিলো। সেখানে, বোদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ আসাদের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

 

পুলিশ জানায়, রাতে তেঁতুলিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি মিছিল বের করে পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের সমর্থকরা। মিছিলটি এমআর কলেজ মোড়ে পৌঁছালে, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদের সমর্থকদের সাথে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। ইট-পাটকেল ও লাঠির আঘাতে উভয়পক্ষের সদস্যরা আহত হন। পরে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় পুলিশ।

 

আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

পঞ্চগড়ে গভীর রাতে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভূল্লীতে শত্রুতার জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগে লক্ষাধীক টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

 

ঠাকুরগাঁও জেলার ভূল্লী উপজেলায় পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এতে পুকুরের মালিক মোঃ আব্দুল কাদেরের আনুমানিক তিন লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভূল্লী এলাকার বাসিন্দা মোঃ আব্দুল কাদেরের একটি পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করা হচ্ছিল। সম্প্রতি অজ্ঞাত ব্যক্তিরা পুকুরের পানিতে বিষ প্রয়োগ করে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এরপর পুকুরের পানিতে বিপুলসংখ্যক মাছ মরে ভেসে ওঠে। এতে মাছের বাজারমূল্য ও চাষের অন্যান্য খরচ মিলিয়ে তাঁর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

 

ক্ষতিগ্রস্ত পুকুরের মালিক মোঃ আব্দুল কাদের বলেন, পুকুরে মাছ চাষ করে তিনি আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার আশা করেছিলেন। কিন্তু বিষ প্রয়োগের কারণে মাছ মারা যাওয়ায় তিনি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

 

স্থানীয়রা জানান, পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের মতো ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের পাশাপাশি জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে পুকুরে বিষ প্রয়োগের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পুকুরের মালিক ও স্থানীয়রা।

ভূল্লীতে শত্রুতার জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগে লক্ষাধীক টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ।

শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর বাড়ির পাশের খালে মিললো শিশুর লাশ, আটক ৫

 

বিশেষ প্রতিনিধি: মামুন হাওলাদার

 

 

 

শরণখোলা নিখোঁজের তিন দিন পর উদ্ধার হয়েছে রাফি আকন (৯) নামে এক শিশু শিক্ষার্থীর মরদেহ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বাড়ির পাশের একটি খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায় এলাকাবাসী পরবর্তীতে থানায় খবর দিলে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। ময়না তদন্তের জন্য মরদেহটি বাগেরহাট মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

 

গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকাল থেকে নিখোঁজ ছিল শিশুটি। ঘটনাটি ঘটেছে শরণখোলা উপজেলার দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া গ্রামে। শিশুটি দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া গ্রামের জসিম আকন ও লাকি বেগম দম্পত্তির ছেলে। মা-বাবার বিচ্ছেদের পর বাবা ও দাদা-দাদীর কাছে থাকতো রাফি। সে স্থানীয় দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়তো।

 

 

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক নারীসহ সন্দেহভাজন পাঁচ জনকে আটক করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

 

শিশুর বাবা জসিম আকন অভিযোগ করে বলেন, রাফি নিখোঁজ হওয়ার পর বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করে না পেয়ে থানায় জিডি করা হয়। আমার ছেলে সাঁতার জানতো, খালে পড়ে মারা যাওয়ার কথা নয়। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ফেলে রাখা হয়েছে। আমার ছেলে হত্যায় জড়িতদের শাস্তি চাই।

 

 

শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ রোকেয়া খানম বলেন, ময়না তদন্তের জন্য মরদেহটি জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাঁচ জনকে আটক করা হয়েছে।

 

 

মেরেলগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদ খাঁন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেছেন, শিশুটির শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি হত্যাকাণ্ড। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ বেরিয়ে আসবে। সন্দেহভাজন আটকদের জিজ্ঞসাবাদ করা হবে।

শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর বাড়ির পাশের খালে মিললো শিশুর লাশ, আটক ৫

যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে, নীলফামারীতে স্বজনদের সংবাদ সম্মেলন

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলামঃ

 

যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ নাছরিন নাহারকে নির্যাতনের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও স্বজনদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে নীলফামারীতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।

 

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টায় নীলফামারী প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে নিহত নাছরিন নাহারের বাবা মো. আব্দুল জব্বার লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় নিহতের মা, ভাইসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

লিখিত বক্তব্যে আব্দুল জব্বার বলেন, নাছরিনের প্রথম স্বামী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পর ২০২২ সালের ১২ ডিসেম্বর নীলফামারীর ফকিরগঞ্জ লালপাড়ার মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুল মান্নানের সঙ্গে তার দ্বিতীয় বিয়ে হয়। বিয়ের সময় মেয়ের সুখ-শান্তির কথা বিবেচনা করে উপহারসামগ্রীর পাশাপাশি নগদ পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হয়।

 

তবে বিয়ের পর থেকেই মান্নানের প্রথম স্ত্রীর ছেলে ও তার স্বজনরা নাছরিনের ওপর যৌতুকের জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এর আগেও কয়েক দফা নির্যাতনের পর নাছরিনকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করা হয়। কিন্তু কিছুদিন পর আবারও নাছরিনের পরিবারের কাছে তিন লাখ টাকা যৌতুক দাবি করা হয়।

 

আব্দুল জব্বারের অভিযোগ, গত ২৬ আগস্ট তিন লাখ টাকা যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য নাছরিনকে বাবার বাড়িতে পাঠানোর চেষ্টা করেন তার স্বামী ও স্বজনরা। এতে নাছরিন রাজি না হলে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। একপর্যায়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে নাছরিনের মরদেহ ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে আসামিরা পালিয়ে যান বলে অভিযোগ পরিবারের।

 

পরিবারের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে খবর দেওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে নাছরিনের দাফন সম্পন্ন হয়।

 

এ ঘটনায় ২৭ আগস্ট নীলফামারী সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১১(ক) ধারায় জিআর-৩৩৯/২৬ নম্বর মামলা (জিআর-৩৩৯/২৬) দায়ের করা হয়েছে, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। তবে মামলার আসামিগণ এখনো পলাতক রয়েছেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ৬ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।

 

এ সময় নীলফামারী জেলার সকল প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে, নীলফামারীতে স্বজনদের সংবাদ সম্মেলন

ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে ২৬০ ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ২৬০ পিস ইয়াবাসহ এক নারী ও দুই পুরুষকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার কাচোর ইউনিয়নের কাটিহার বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) সূত্রে জানা গেছে, রোববার দিবাগত রাতে ডিবির একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাণীশংকৈল থানাধীন ৫ নম্বর কাচোর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাটিহার বাজার এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।

 

অভিযানটি কাটিহার বাজারস্থ জনৈক আনসারুল ইসলামের বসতবাড়িতে পরিচালনা করা হয়। এ সময় মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মোছা. লিলি আক্তার (৪২), মো. নয়ন আলী (২৮) ও মো. রওশন জামিল (২৬)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে মোট ২৬০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

 

গ্রেপ্তার মোছা. লিলি আক্তার ও মো. নয়ন আলী কাটিহার এলাকার বাসিন্দা। লিলি আক্তারের পিতার নাম মৃত মোহাম্মদ আনসারুল ইসলাম এবং নয়ন আলীর পিতার নাম মো. আনসারুল ইসলাম। অপর গ্রেপ্তার মো. রওশন জামিলের পিতার নাম মো. আব্বাস ওরফে ডাবলু। তিনি রাণীশংকৈল উপজেলার রাজোর এলাকার বাসিন্দা।

 

ডিবি পুলিশ জানায়, মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ইয়াবা উদ্ধারের পাশাপাশি মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

ঠাকুরগাঁও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম রসুল বলেন, মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক ব্যবসা, সরবরাহ ও সংরক্ষণের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।

 

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে রাণীশংকৈল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তারদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

ডিবি পুলিশ আরও জানায়, ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধ এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে ২৬০ ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার

মালয়েশিয়ার মিনি ঢাকা কোতারায়া থেকে ৩৫৪ জন বাংলাদেশিকে আটক করেছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ।

মো:নুরুল ইসলাম সুজন কুয়ালালামপুর মালয়েশিয়া।।

 

২৫০০ জন বিদেশিকে তল্লাশি করে ৪৭২ জনকে আটক করেছে মালশশিয়া ইমিগ্রেশন ভিভাগ।তাদের মধ্যে ৩৬৪ জনই বাংলাদেশি।

 

 

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের ব্যস্ত লেবুহ পুডু ও জালান সিলাংয়ের কোতারায়া বাংলা মার্কেট এলাকায় এই মেগা অভিযানে চালানো হয়।

 

বিদেশি নাগরিকদের উপস্থিতি ও সন্দেহজনক অবৈধ ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড নিয়ে পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় সময় বেলা ১১টার দিকে শুরু হয় মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের ‘সমন্বিত মেগা আইন প্রয়োগ অভিযান’।

 

কয়েক ঘণ্টার অভিযানে ১৮ থেকে ৬২ বছর বয়সী ৪৭২ বিদেশিকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৪৩৯ পুরুষ ও ৩৩ নারী।

 

আটকদের জাতীয়তা বিশ্লেষণেও বাংলাদেশিদের আধিক্য স্পষ্ট। ৩৬৪ বাংলাদেশির পর মিয়ানমারের ৫৭, ফিলিপাইনের ৯, নেপালের ৮, ইন্দোনেশিয়ার ৭, পাকিস্তানের ৭, ভারতের ৬, চীনের ৩, জিম্বাবুয়ে ও সৌদি আরবের একজন করে নাগরিক আটক হয়েছেন।

 

শনাক্তকৃত অপরাধগুলোর মধ্যে ছিল বৈধ পরিচয়পত্র না থাকা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করা এবং অভিবাসন আইনের অধীনে অন্যান্য বিভিন্ন অপরাধ।

 

অভিযানে অংশ নেন ৩৩৭ কর্মকর্তা ও সদস্য। এর মধ্যে অভিবাসন বিভাগের ২১৮ জন। বাকি ১১৯ জন ছিলেন কুয়ালালামপুর সিটি হল, অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় মন্ত্রণালয়, জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সদস্য।

 

অভিবাসন বিভাগের পরিচালক হামশা ইঞ্জাউ বলেন, সপ্তাহান্তে বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিপুলসংখ্যক বিদেশি কুয়ালালামপুরে আসেন। তাদের অনেকের বৈধ ভ্রমণ নথি ও কাজের অনুমতি রয়েছে। তবে এবারের অভিযানে তল্লাশি করা ২ হাজার ৫০০ বিদেশির মধ্যে ৪৭২ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

 

আটক সবাইকে পরবর্তী তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থার জন্য বুকিত জলিল ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।

মালয়েশিয়ার মিনি ঢাকা কোতারায়া থেকে ৩৫৪ জন বাংলাদেশিকে আটক করেছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় রাখা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর বিতর্কিত ছবি ভেঙে দিয়েছেন আবু তৈয়ব হাবিলদার নামে সাবেক এক শিক্ষার্থী। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংগ্রহশালায় গিয়ে ফ্রেম ভেঙে ছবিটি ছিঁড়ে ফেলেন তিনি।

 

আবু তৈয়ব ডাকসু নির্বাচনের আলোচিত ও বয়োজ্যেষ্ঠ ভিপি (সহ-সভাপতি) প্রার্থী ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০১-০২ শিক্ষাবর্ষের উর্দু বিভাগের ছাত্র। ছবিটি স্থাপনের পর থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

 

ছবি ভাঙার আগে আবু তৈয়ব হাবিলদার বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূত্রটা জিন্নাহ তৈরি করে দিয়েছে। কার্জন হলে ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে বলে যে, পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু হবে, বাংলা হবে না। আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছাত্র প্রতিবাদ করেছিলেন। তারা বলেছিলেন, জিন্নাহ সাহেব আপনার এই সিদ্ধান্ত আমরা মানি তিনি বলেন, ‘ভাষা আন্দোলনের মূল নায়ক হিসেবে প্রিন্সিপাল আবুল কাসেম ১১ মার্চ ১৯৪৮ শুরু করেছিলেন এবং উনার নেতৃত্বে হরতাল পালন হয়েছিল। সেখানে অনেক ছাত্র গ্রেপ্তার হয়েছিলেন, দুই হাজারের ওপরে। সেই জিন্নাহ ডাকসুতে স্থান পেতে পারে না।’

 

না।’

ডাকসুতে থাকা জিন্নাহর সেই ছবি ছিঁড়ে ফেললেন ছাত্রনেতা তৈয়ব হাবিলদার

সারাদেশে চিকিৎসার নামে প্রতারণা ও ভুয়া চিকিৎসকদের দৌরাত্ম্য দিন দিন বাড়ছে। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) আইন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের তদারকি এবং আদালতের রায়, সবকিছুকে পাশ কাটিয়েই চলছে এসব অনিয়ম। তবে বিএমডিসি ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের দাবি, লোকবল ঘাটতির কারণে ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে তারা ব্যবস্থা নিতে পারছে না।

 

অন্যদিকে জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের অভিযোগ, আইন ও সক্ষমতার পুরোটা ব্যবহার করছে না তদারকি প্রতিষ্ঠানগুলো। কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতা থাকলে ফৌজদারি অপরাধ করা এসব ভুয়া চিকিৎসকদের শেকড় সমূলে উৎপাটন করা সম্ভব।

 

যমুনা টেলিভিশনের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, দেশে প্রায় ১০ হাজার ভুয়া চিকিৎসক কোনো ধরনের শিক্ষাগত যোগ্যতা বা বিএমডিসির সনদ ছাড়াই দিনের পর দিন চিকিৎসার নামে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছেন।

দেশজুড়ে চিকিৎসার নামে প্রতারণা ও ভুয়া ডাক্তারদের দৌরাত্ম্য, নেই তদারকি

পঞ্চগড়ে গভীর রাতে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকসহ উভয় পক্ষের ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে।

 

জানা যায়, রোববার জেলা বিএনপি আয়োজিত একটি মতবিনিময় সভা ছিলো। সেখানে, বোদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ আসাদের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

 

পুলিশ জানায়, রাতে তেঁতুলিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি মিছিল বের করে পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের সমর্থকরা। মিছিলটি এমআর কলেজ মোড়ে পৌঁছালে, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদের সমর্থকদের সাথে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। ইট-পাটকেল ও লাঠির আঘাতে উভয়পক্ষের সদস্যরা আহত হন। পরে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় পুলিশ।

 

আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

পঞ্চগড়ে গভীর রাতে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবদল নেতার ফোন না ধরায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-ঢাকা রেলপথে চলাচলকারী তিতাস কমিউটার ট্রেনের ম্যানেজার ও বুকিং ক্লার্ককে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে।

 

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

 

ভুক্তভোগীরা হলেন, তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকেট কাউন্টার ম্যানেজার মহিউদ্দিন আহমেদ সজীব ও বুকিং ক্লার্ক মো. কাউসার হোসেন।

 

ভূক্তভোগীদের অভিযোগ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা সানি দীর্ঘদিন ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে তিতাস কমিউটার ট্রেনের এজেন্টশীপ নেওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন। কিন্তু ট্রেনের ইজারাদার প্রতিষ্ঠান তাতে সাড়া দিচ্ছে না। সকালে যুবদল নেতা সানি বুকিং ক্লার্ক মো. কাউসার হোসেনকে ফোন করে তার পরিচিত এক ব্যক্তিকে দুটি টিকেট দেওয়ার কথা বলেন।

 

পরে বুকিং ক্লার্ক কাউসার স্টাফ রুম থেকে টিকিট কাউন্টারে আসার পথে স্টেশন এলাকায় অজ্ঞাত কয়েকজন ব্ল্যাকার টিকিটের জন্য তাকে মারধর ও হেনস্তা করে। এর কিছুক্ষণ পর আবারও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বেশ কয়েকবার ওই বুকিং সহকারীকে ফোন দেয়। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি। এতে যুবদল নেতা নাজমুল হুদা সানি রেলওয়ে স্টেশনে এসে তিতাস কমিউটার ট্রেনের কাউন্টারে গিয়ে ক্ষুব্ধ হয়।

 

তারা আরও অভিযোগ করেন, এক পর্যায়ে কাউন্টারে থাকা বুকিং সহকারী ও ম্যানেজারকে চড় থাপ্পড় মারেন। এ ঘটনার পর কাউন্টারের লোকজন নিরাপত্তহীনতায় সার্বিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। প্রায় দেড় ঘন্টা পর কাউন্টারের কার্যক্রম ফের শুরু হয়। এতে তিতাস কমিউটার ট্রেনের যাত্রীরা টিকেটের জন্য দুর্ভোগে পড়েন।

 

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক মো. শাহ আলম মিয়া বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভূক্তভোগীরা ফাঁড়িতে এসেছেন। লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী হামলাকারীদের সনাক্ত করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

 

তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা সানি মুঠোফোনে জানান, মূলত তিতাস কমিউটার ট্রেনের কাউন্টারের লোকজন অতিরিক্ত দামে কালোবাজারিদের কাছে টিকেট বিক্রি করছিল। স্টেশনে থাকা একজনের মাধ্যমে জানতে পেরে বিষয়টির খোঁজ খবর নিতে স্টেশনে গিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। কিন্তু কাউকে মারধর করা হয়নি, অভিযোগটি ভিত্তিহীন।

যুবদল নেতার ফোন না ধরায় ট্রেনের টিকিট কাউন্টার স্টাফকে মারধরের অভিযোগ

আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে শিল্প কারখানায় চাহিদামাফিক বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সরবরাহের আশ্বাস মিলেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

 

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ২০টি ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে এমনটা জানান সংগঠনের নেতারা।

 

এফবিসিসিআই প্রশাসক ফজলুল হক বলেন, ব্যবসায়িক সংগঠনগুলো সরকারের ওপর আস্থা রাখতে চায়। একইসঙ্গে, সরকারের পক্ষ থেকে যেসব পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা চায়।

 

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, ২০২৮ সালের আগে নতুন আরেকটি এফএসআরসি চালু নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। এটি এবং আগের দুটি সহ সরকারের মোট ৫টি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। আরও বলেন, এর পাশাপাশি স্থলভাগে এলএনজি টার্মিনালের পরিকল্পনাও করছে সরকার।

কাল থেকে কারখানায় চাহিদানুযায়ী মিলবে গ্যাস-বিদ্যুৎ, ব্যবসায়ীদের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d