মোঃ শহিদুল ইসলাম, (টাঙ্গাইল) বিশেষ প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলার যমুনা নদীতে নৌকা ডুবির ঘটনায় এক ব্যাক্তি নিখোঁজ হয়েছেন। এই ঘটনায় নৌকায় থাকা ১২ জনের মধ্যে ১১ জন জীবিত ফিরলেও একজনের সন্ধান এখনো মিলেনি।
বুধবার (২৮- জুলাই) সকাল ৯ টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতু সংলগ্ন ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের পলশিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ঐ নিখোঁজ ব্যাক্তি ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের পাথাইলকান্দী গ্রামের আব্দুল সালামের ছেলে মোঃ মোতালেব সরকার (২৬)।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে ১২ জন বন্ধু একত্রে ছোট্ট ডিঙি নৌকা নিয়ে নদীতে শখ করে মাছ ধরতে গিয়েছিল। সে সময় নৌকার ইঞ্জিলচালিত (মেশিন) চালু করার পর পরই বঙ্গবন্ধু রেল সেতু কাজে ব্যবহৃত বড় জাহাজের সাথে ধাক্কায় নৌকাটি ডুবে যায়। এ সময় ১১ জন বড় জাহাজের টায়ার ধরে জাহাজে উঠে আসে তারা; আর নিখোঁজ ব্যাক্তির মোবাইলটি নৌকায় পড়ে যায়। অতঃপর মোবাইলটি উদ্ধার করতে গিয়ে সে নিখোঁজ হয়ে যায়।
এ ঘটনায় জীবিত ফিরে আসা নিখোঁজ মোতালেবের বন্ধু নিজামুদ্দিন বলেন, নৌকার মেশিন সবেমাত্র চালু করেছে। তখনি হঠাৎ করে নদীতে পানি গোল চক্ররের সৃষ্টি হলে মেশিনটি অস্বাভাবিক শব্দ হয়ে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর নৌকাটি জাহাজের ধাক্কা লেগে মুহুর্তেই ডুবে যায়। আমরা জীবিত ১১ জন দ্রুত জাহাজে উঠলেও মোতালেব না উঠে মোবাইল উদ্ধার করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। এরপর দ্রুত জরুরি সেবা ৯৯৯-এ সহযোগিতা চেয়ে ফোন করলে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এসে নিখোঁজ মোতালেবকে খুঁজতে থাকেন।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের লিডার আবু বক্কর বলেন, সকাল ৯ টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোনের মাধ্যমে আমরা জানতে পাই জেলার ভূঞাপুর উপজেলার পলশিয়া গ্রামের বঙ্গবন্ধু সেতু সংলগ্ন একটি ইঞ্জিল চালিত নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে কয়েক সদস্যের ডুবুরি ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে উদ্ধার কাজ শুরু করেছি। তবে দুপুর পর্যন্ত খুঁজেও নিখোঁজ ব্যাক্তির সন্ধান পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, এই উদ্ধার কার্যক্রম অব্যহত থাকবে।
Leave a Reply