নদী ও বেড়িবাধ ভাঙ্গনে চিংড়ি শিল্পে প্রতিবন্ধকতা।
মোঃ ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের সাতক্ষীরা জেলার হোয়াইট গোল ক্ষেত চিংড়ি বাংলাদেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। শ্যামনগর নদী ও বেড়িবাঁধ ভাঙ্গন বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে আতঙ্কজনক পরিস্থিতিতে ফেলে দেয় রাস্তা ,বসতবাড়ি ,জমিজমা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিচ্ছিন্ন মাছের ঘের প্রতিবছর নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। বিশেষ করে পানিতে ডুবে লক্ষ লক্ষ টাকার মাছের ঘেরর মাছ নদিতে চলে যাচ্ছে।সীমান্তবর্তী ইছামতী নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। সুন্দরবন বেষ্টিত মানুষের জনজীবন চরমভাবে বিপদগ্রস্ত মানুষের দুঃখ নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। নদী ও বেড়িবাঁধ ভাঙ্গনে সাতক্ষীরা জেলার বিশেষ করে শ্যামনগর উপজেলার কয়েকটি নিম্ন অঞ্চল গাবুরা, পদ্মপুকুর , বুড়িগোয়ালিনী ও মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের জনগোষ্ঠী নদী ভাঙ্গনের সাথে অবিরাম যুদ্ধরত । বেড়ীবাঁধ ভাঙ্গনের ফলে চরমভাবে চিংড়ি উৎপাদনে চরম দুঃসময় পার করছে ওই অঞ্চলের চিংড়ি ব্যবসায়ীরা।
নদী ভাঙ্গন বেড়িবাঁধ ভাঙ্গনের কবল হতে রক্ষা পেতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আর এ জন্য অবিলম্বে কার্যকর সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে সুন্দর পরিকল্পনা এবং তা বাস্তবায়ন করতে হবে।
তা না হলে চিংড়ি শিল্পে অর্থনীতিতে মারাত্মক বিপর্যয় নেমে আসবে।
Leave a Reply