(ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ
শখের বসেই ঘুড়ি বানান ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের কাকিলাখোলা গ্রামের মোসারফ হোসেন(৫০)। শখের বসে ঘুড়ি বানালেও অনেকের শখ পুরণ করতে তাদের ঘুড়ি বানিয়ে অর্থ আয় করেন তিনি। একজন কৃষক হলেও সৌখিন মনের মানুষ মোসারফ মাঠের কাজ শেষে অবসরে ঘুরি বানান। নিজে উড়ান, যদি কেউ ঘুড়ি বানিয়ে দিতে বলেন তাহলে তাকে ঘুরি বানিয়ে দেন মোসারফ, কখনো টাকা চেয়ে নেন না তবে পরিশ্রম অনুযায়ী পারিশ্রমিক দেয় সবাই। শখের বসে ঘুড়ি বানালেও অনেক সময় অর্থ উপার্জনের ব্যবস্থা হয় এখান থেকে। ঘুড়ি বানিয়ে নিজের শখ পুরণ করে অন্যের শখ পুরণ করেন মোসারফ।
শখের বসে ঘুড়ি বানিয়ে এখন আয় করেন সালথার মোসারফ হোসেন
শখের বসে ঘুড়ি বানিয়ে এখন আয় করেন সালথার মোসারফ হোসেন
সরেজমিনে কাকিলাখোলা গ্রামের মোসারফ হোসেনের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় তিনি ঘুড়ি বানাচ্ছেন, এসময় জানা যায়, তিনি ছোট বেলা থেকেই ঘুড়ি বানান। বর্তমানে ডেপুস, কওর, চিল, ফেউচে (ফিঙে), প্রজাপ্রতি, পত্তম, বিমান, জেল ঘুড়িসহ বিভিন্ন প্রকার ঘুড়ি বানাতে পারেন। ঘুড়ি বানাতে ছনদা, বাশ, সুতা, সুই, গুটি সুতা, পলিথিন, কাপর, টেপ, কাগজ, আটাসহ আরও অনেক উপকরণের দরকার হয়। মূলত বসন্ত ও গ্রীষ্ম ঋতুতে ঘুড়ি উড়ানো হয়। স্থানীয়ভাবে ঘুড়ি কে ঘুড্ডি বলা হয়, আর ঘুড়ি উড়াতে মন চায়না এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর।
মোসারফ হোসেন বলেন, কৃষি কাজ করার পাশাপাশি শখের বসে ঘুড়ি বানাই, অবসর সময়ে ঘুড়ি উড়াই, যদি কেউ ঘুড়ি বানিয়ে দিতে বলে আমি বানিয়ে দেই, পারিশ্রমিক যা দেয় তাই নেই। আগের দিনে আকাশে অনেক ঘুড়ি উড়লেও বর্তমানে তেমন সৌখিন মানুষ পাওয়া যায় নাহ, হাতে গোনা কিছু মানুষ ঘুড়ি উড়ায়
Leave a Reply