শ্যামনগর সংখ্যালঘুর দোহায় দিয়ে ভূমিহীন দের উপর অত্যাচার ও ভূমিহীনদের বসতভিটা জায়গা দখলের চেষ্ট। - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
শ্যামনগর সংখ্যালঘুর দোহায় দিয়ে ভূমিহীন দের উপর অত্যাচার ও ভূমিহীনদের বসতভিটা জায়গা দখলের চেষ্ট।

শ্যামনগর সংখ্যালঘুর দোহায় দিয়ে ভূমিহীন দের উপর অত্যাচার ও ভূমিহীনদের বসতভিটা জায়গা দখলের চেষ্ট।

জামিনুর শ্যামনগর থেকে।

শ্যামনগর উপজেলার সদরে কাঁচড়াকাঠি নন্দী গ্রামে কয়েকটা গরীব অসহায় ভূমিহীন পরিবার দীর্ঘদিনের বসাবসকৃত সরকারী ১ নং খাস খতিয়ানভূক্ত সম্পওি অন্যায় ভাবে সম্পূর্ণ গায়ের জোরে জবর দখলের চেষ্টা সহ তাদের বসত ভিটা থেকে উৎখাত / বিতারিত এবং উচ্ছেদ করার পাইতারা করার আভিযোগ।

প্রতিদনের ন্যায় সোমবার সবাই যখন রোজা রেখে ইফতার সেরে বাড়ির পরিবার পরিজন নিয়ে টুকিটাকি কাজ করছিলো ঠিক সেই মুহূর্তে কিশোরী মোহন মন্ডল,উৎপল মন্ডল,হিমাংশু মন্ডল,প্রদীপ কুমার মন্ডল, নেতৃত্বে ১০/১২ জন একটি সংঘবদ্ধ চক্র বাড়ির সামনে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে এবং কাজে বাধা প্রদান করে বলে বাবা দাদার সম্পত্তি পাইছেন ও ঘরবাড়ি ভেঙে এখান থেকে বিতাড়িত করবে বলে বারবার হুমকি-ধামকি দিতে থাকে।

বসবাস কৃতরা হলেন সাখাওয়াত হোসেন(৫৫)পিং মৃতঃ খালেক মোল্লা,আঃগফফার(৬৫)পিং মৃতঃ গহর আলি,সামছুর রহমান (ধুলো) ৫৭)পিং মৃতঃ মাদা,ফুলি বিবি(৪২)স্বামী আসাদ শেখ,হালিমা খাতুন(55)জং শফিকুল মোল্লা,রেশমা(২৬),নাজমা(৪০),মজিদা(৩৫),হামিদা(৫৬),নাজমা (২৬),সুফিয়া(৪৫)
ভূমিহীনরা একসাথে হয় বলে দাদা আমরা সারাদিন রোজা ছিলাম আপনারা এমন করছেন কেন? প্রায় সময় এরকম গালিগালাজ করেন, জমির কিন্তু আমাদের ডিসিআর রয়েছে সরকার আমাদের দিয়েছে আপনারা বিরক্তি করেন কেন আমাদের কেন এভাবে তাড়াতে চান একপর্যায়ে অনেক লোকজন জড়ো হলে তারা বলেন সংখ্যালঘুদের সাথে পাঙ্গা নেওয়া ভাল হবে না বলে চলে যায়।পরে রাতে পুলিশ ডেকে এনে বলে তাদের জায়গা দখল হয়ে যাচ্ছে পুলিশের এসআই ছানি সকলকে বলেন আগামীকাল থানায কাগজপত্র নিয়ে আসবেন!
পরের দিন ভূমিহীন গন তাদের কোর্টের রায় সহ ডিসি আর দেখাতে পারলেও দলবদ্ধ চক্রটি থানায় হাজির হলেও দেখাতে পারেনি কোন কাগজপত্র।

সম্পত্তিটা ডি.এস খতিয়ানে সর্ব সাধারণের ব্যবহার্য খাল ছিল পরবর্তীতে তারা জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে তাদের নামে রেকর্ড করে নেওয়ার পর বাকি খাজনার দায়ে সরকার পক্ষ নিলাম খরিদ করেন এবং বিএস জরিপে(হাল)সরকারের নামে ১ নাম্বার খাস খতিয়ানে রেকর্ড প্রকাশিত হলে পরবর্তীতে ভূমিহীনদের মাঝে ১৩/১৪ জনের নামে বন্দোবস্ত দিয়ে সহকারি কমিশনার (ভূমি) শ্যামনগর, কানুনগো, সার্ভেয়ার ও ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার উপস্থিতিতে মাপ জরিপের মাধ্যমে সকলকে স্ব-স্ব দখল বুঝিয়ে দেন লিখিত দখলনামা দিয়ে দেন সে অবধি থেকে তারা শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করছে। সংঘবদ্ধ চক্রটি সাধারণত ভূমিদস্যুর নেয়ায় ২০০৯ সালে শ্যামনগর সরকারি জজ আদালতে ৭৩/০৯মোকদ্দমা রুজু করেন সরকারের বিরুদ্ধে উক্ত মোকদ্দমা ২৯/০৫/২০১৬তারিখে বিজ্ঞ আদালতে তা খারিজ করে দেন,২০১৮ সালে এসে গোপনে অসাধুপায় অবলম্বন করে ৭৩/০৯ নং মামলাটি পুনরায় চালু করেন। এদিকে ভূমিহীনদের কে হয়রানি করার জন্য ডিসিআর গ্রহীতাদের নামে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আদালতে ডিসিআর বাতিলের জন্য ১৮/২০১৮নং মামলা করেন।যাহা ২৮/০৫/২০১৯তারিখে দোতরফা সূত্রে আপিল আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং ডিসিআর বহাল রেখে আবার ডিসিআর দেওয়ার আদেশ দেন।পরবর্তীতে ১৫/০৯/২০২০ তারিখে ২৮/৫/২০১৯ তারিখের আদেশ শ্যামনগর সহকারী জজ আদালতে ৭৩/০৯ নং মকোদ্দময় স্থগিত করেন সংঘদ্ধ চক্রটি।এসব করার পর তাদের অত্যাচারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় ভূমিহীন রা উপায়ন্তর না দেখে জেলা জজ আদালতের স্মরনাপন্ন হলে বিজ্ঞ আদালাত ১৫/৯/২০ তারিখের আদেশ বাতিল করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আদালতের ১৮/১৮ নং মামলার ২৮/৫/১৯ তারিখের আদেশ বহাল রাখেন এবং পুনরায় আবার বন্দোরবস্তা দেয় সরকার।

ইতোমধ্যে তারা বিভিন্ন মিথ্যা মামলা হামলায় ওই ভূমিহীনদের জড়িয়ে দিয়েছে, সর্ব শেষ ২০ ডিসেম্বর ২০ তারিখে ভূমিহীনদের ঘরবাড়ি ভাংচুর সহ অগ্নিসংযোগ করে উল্টো মিথ্যে মামলা করে হয়রানি করে।তারা এতটাই প্রভাবশালী হওয়ার কারনে তাদের বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারেনি একটা সংবাদ সম্মেলন ছাড়া।
উৎপল মণ্ডল বাদী হয়ে ১৭১২ নং মামলা ২০১৮ সালে ADM কোর্ট যা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা সরোজমিনে তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়ে দেন দখল ভূমিহীনদের পক্ষে।পরে আবার ১১২৩/১৯ নং মামলায় ও তাই করেন। আবার এদিকে ওই চক্রটি এতটা সুবিধাভোগী যে, সরকারি সম্পত্তি মালিকানা দাবি করে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করছে অন্যদিকে বাংলা ১৪২৪ সালে হিমাংসু এবং প্রদিপ ও হিমাংশু ১৪২৫ সালে আবার ডিসিআর নেওয়ার জন্য আবেদন করে। কিন্তু তারা ভূমিহীন না হওয়ায় তাদেরকে ডিসিআর দেওয়া হয়নি। এমতাবস্থায় সংঘবদ্ধ চক্রটি আরো আক্রমনাত্নক ও হিংস্র প্রকৃতির হয়ে উঠতে থাকে। যা পরবর্তীতে জাল কাগজপত্র বানিয়ে সরকারি সম্পত্তি মালিকানা দাবি করে।
সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করে উক্ত সম্পত্তি দখল করে নিতে থাকে।

ইতোমধ্যে জানা যায় যে ভূরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাহেব গ্রাম বাসিন্দাদের সুবিধা চিন্তা করে জনসাধারণের পানি নিকাশন জন্য সরকারী জায়গা দিয়ে খাল খনন করার উদ্যেগ নিলে ঐ ভূমি দখলকারী চক্রটি উক্ত চেয়ারম্যান মেম্বার সহ মোট ১০ জনকে বিবাদী করে শ্যামনগর সরকারী জজ আদালতে ৪৭/২০২১ নাং মামলা রুজু করে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চায় যা বর্তমানে চলোমান এবং খাল খনন বন্ধ করে দিয়েছে।

এই ভূমি দস্যুদের টার্গেট হলো খাসখাল,খাস সম্পওি ও দূর্বল অসহায় গরীব ভূমিহীন ব্যক্তিগন যাতে সহজে তাদের ঘায়েল করতে পারে। ঐ চক্রটি চালাক ও ধুর্ত প্রভাবশালী যার কারণে যে কোন কিছুতেই সংখ্যালঘুর দোহায় দিয়ে থাকে দখলবাজি করে থাকে স্থানীয় সূএ জানাযায় অন্যের জমি নিজদের নামে রেকর্ড নিয়ে তাদেরকে দখলুচ্যুত করে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে।তাদের এই জাল জালিয়াতি করা খুব সহজ বিষয় কারণ ওদের মধ্যে অধিকাংশ পেশায় কেউ মহুরি আবার কেউ আমিন যেমন কিশোরী মোহন মন্ডল মহুরি শ্যামনগর সেটেলমেন্ট থাকে বাড়িতে নিজেদের উকিল ও রয়েছে গ্রামের গরীব পরিবার গুলো অনেক ভয় পায় এই চক্রটির।

এই বিষয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য জি এম আল- আমিন বলেন আমি এই ভূমিহীন পরিবার এর পক্ষে কথা বলায় আমাকেও মিথ্যা মামলায় হয়রানি করছে।


 

মেহেদী হাসান:

শ্যামনগরে Hutch Bangladesh এর উদ্যোগে এক বিশেষ সেমিনার এর আয়োজন  সম্পন্ন হয়েছে।

১০ই অক্টোবর রোজ শুক্রবার বিকাল ৩ ঘটিকায় ঐতিহ্যবাহী নকিপুর জমিদার বাড়ি মাঠ প্রাঙ্গণে Hutch Bangladesh এর উদ্যোগে, এলাকার সাধারণ কৃষকদের বোরো ধানসহ অন্যান্য ফসল চাষাবাদের জন্য এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

 

উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগরের কৃতি সন্তান, খুলনা কৃষ ইনস্টিটিউট দৌলতপুরের অধ্যক্ষ কৃষিবিদ জনাব এস এম ফেরদৌস হোসেন। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথী ছিলেন বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব মোঃ জামাল ফারুক।উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব শেখ সাখাওয়াত হোসেন উপজেলা কৃষি অফিসার ফকিরহাট। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্যামনগরের সুযোগ্য কৃষি অফিসার জনাব নাজমুল হুদা এবং উক্ত অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশ, শ্যামনগর উপজেলা শাখার অন্যতম নেতা জনাব হাজী আশরাফুজ্জামান। উক্ত অনুষ্ঠান সাফল্যমন্ডিত করার জন্য সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন শ্যামনগরের কৃতি সন্তান, প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন কৃতি ছাত্র শেখ সিরাজুল ইসলাম মিলন।অনুষ্ঠানটিতে আরো উপস্থিত ছিলেন, শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি, প্রভাষক সামিউল ইমাম আজম মনির, নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাবু কৃষ্ণান্দ মুখার্জী, বিশিষ্ট ক্রিড়া সংগঠক এ মাজিজুল হক, বাবু রনজিত দেবনাথ, শেখ মেহেদী হাসান, এস এম তরিকুল ইসলাম সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে, বক্তারা বলেন এলাকার একমাত্র মিষ্টি পানির খালটি সাধারণ কৃষকদের বোরো মৌসুমে সেচের জন্য একমাত্র উপায়। কিন্তু কিছু প্রভাবশালী স্বার্থন্বেষী মানুষ তাদের ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থের নিমিত্তে এই খালটি নেট পাটা দিয়ে লোনা পানির প্রবাহ নিশ্চিত করে খালটিতে চিংড়ি চাষ অব্যাহত রেখেছে। যাহার ফলে ৬০০-৭০০ জমিতে বোরো ধান চাষে আগ্রহী কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনুষ্ঠানে সাধারণ কৃষকদের দাবি অনতিবিলম্বে খালটি অবমুক্ত করা সহ খালটিতে মিষ্টি পানির প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। না হলে,দেশের কৃষি খাত মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

শ্যামনগরে Hutch Bangladesh এর উদ্যোগে সেমিনার অনুষ্ঠিত  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d