রকিবুল হাসান তোতা, চুয়াডাঙ্গা
চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় গার্মেন্টস দোকানের সামনে মোটরসাইকেল রাখতে নিষেধ করায় গার্মেন্টস মালিক কে মারপিট ভাঙচুর ও লুটপটের ঘটনা ঘটেছে । গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে দর্শনা রেলবাজার কালার্স স্টাইল গার্মেন্টসের সামনে পথ আটকে মোটরসাইকেল রাখে দর্শনা পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র রবিউল হক সুমনের ভাতিজা আজমপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সাগর ( চয়না সাগর) এ সময় কালার্স স্টাইল গার্মেন্টসের মালিক দর্শনা ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের সালামত হোসেনের ছেলে রায়হান উদ্দিন রানা মোটরসাইকেল সাইডে রাখতে বললে, সাইডে না রেখা উত্তেজিত হয়ে দোকানের ভিতর ছুটে আসে একপর্যায় দোকান মালিক রানাকে ধাক্কা দেয় । এ সময় রানার ছোট ভাই সোহেল রানা তার ভাইকে মারতে দেখে ছুটে আসে এসময় উভয় মধ্যে হাতাহাতি হয়। এই বিষয়টি দর্শনা থানায় অভিযোগ করা হয় ও বাজার কমিটির নিকট অভিযোগ করা হয়।
উভয় পক্ষের বিচারের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয় সন্ধ্যা ৭টা । এর আগে দর্শনা পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও দর্শনা পৌরসভা প্যানেল মেয়র নিজের ভাতিজার অন্যায় আড়াল করতে কালার্স স্টাইল গার্মেন্টসের দোকানে এসে বিভিন্ন অকথ্য ভাষায় গালাগালিজসহ জীবন নাশের হুমকিদেয় ও ব্যবসা করতে দিবেনা বলে। হুমকি দিয়ে চলে যাওয়ার পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্যানেল মেয়র রবিউল হক সুমন তার ক্যাডার বাহিনী পাঠিয়ে কালার্স স্টাইল গার্মেন্টসে দোকান ভর্তি ক্রেতা থাকলেও তার কোনো তোয়াক্কা না করে হামলা ভাঙচুর লুটপাট করিয়েছে বলে জানান দোকান মালিক। এসময় ২০ থেকে ২৫ জনের ক্যাডার বাহিনী মালিকের ছোট ভাইকে দোকানের মধ্যে থেকে মারপিট করতে করতে উঠিয়ে নিয়ে যায়, যা ৪০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও থেকে প্রকাশ পাই।
ছোট ভাই কে মারতে দেখে ছুটে আসে বড় ভাই রানা সেসময় সুমনের ক্যাডার বাহিনী রানার উপরে হামলা পরে তাদেরকে উপস্থিত লোক জন উদ্ধার করে দামুড়হুদা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এসময় দোকান ভাঙচুর করে এবং ক্যাশ বাক্স থেকে আনুমানিক নগদ ১ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা লুট করেছে বলে জানান। এই বিষয়ে প্যানেল মেয়র রবিউল হক সুমনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি প্রথম দফার ঘটনার কথা জানি মিমাংসা করার কথা বলা হয়েছিল পরে আমার ভাতিজাসহ বেশ কিছু লোক জন গিয়ে যে ঘটনা ঘটিয়েছে আমি তার কিছুই জানি না ।
মামলার বিষয় জানতে চাইলে সাংবাদিকদের জানান আজমপুরের শফিকুল ইসলামের ছেলে সাগর ( চয়না সাগর) কেরু মিল পাড়ার মুজামের ছেলে যুবাইর, ইউনুসের ছেলে তরিকুল,আজমপুরের মহিউদ্দিনের ছেলে ইমন,মোহাম্মদ পুরের পান্নার ছেলে শাওন, নুর নবীর ছেলে রানা, আজাদের ছেলে শাহাদাত, আঃ রবের ছেলে রুমন প্যানেল মেয়র সুমনসহ হামলাকারিদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বিষয়টি দর্শনা থানার অফিসার্স ইনচার্জ মাহাবুব রহমান (কাজল) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে । এ সময় ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন দর্শনা থানার ওসি তদন্ত মাহাবুবুর রহমান।
Leave a Reply