বিশেষ প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের সাধুহাটি উজিরপুর গ্রামে গত মাসের ২০ এপ্রিল রাত আনুমানিক ৯ টার মৃত আদম শেখের ছেলে মো. ওলিয়ার শেখ (৫০) নিহত হয়। ওলিয়ার শেখ পেশায় কৃষক এবং তার চার মেয়ে দুই ছেলে রয়েছে। অলিয়ার শেখের মেয়ের বিয়ে নিয়ে পূর্ব শত্রুতা ও পথ দেওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। এই হত্যা কান্ডকে কেন্দ্র করে হত্যা মামলার প্রধান আসামি ইসহাক শেখ (৭০) এর সাধুহাটি গ্রামের বড় মেয়ের স্বামী ইউসুফ শেখ (৪৮) এর বাড়ি থেকে গরু লুটের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
হত্যা মামলার প্রধান আসামি ইসহাক শেখের বড় মেয়ে তাছলিমা বেগম (৪০) বলেন, রবিবার ৯ মে রাত আনুমানিক ৯টার সময় বাড়িতে আমি আর আমার মেয়ে আছিয়া থাকি। অলিয়ার হত্যাকান্ড ঘটার পর বাড়িতে কেউ না থাকার এই সুযোগে আমার বাড়ি হতে একটি পক্ষ একটি গাভি গরু, একটি বকনা গরু ও একটি ষাড় গরু সহ মোট তিনটি গরু লুট করে নিয়ে যায় এবং আমাদের বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে একপর্যায়ে জিম্মি করে রাখে। আমার মেয়ে আছিয়া (১২) এর সাথে খারাপ আচারণ করেন। আমাদের ঘরের ভিতরে গিয়ে বিভিন্ন জিনিসপত্র তছনছ করে রেখে আসে লুটতারাজ কারীরা।
যদুনন্দী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের মুন্সী লুটতারাজের ঘটনা সর্ম্পকে বলেন, লুটতারাজের ঘটনা আমি শুনেছি। যাদের বাড়িতে গরু লুটের ঘটনা ঘটেছে তারা গরীব মানুষ। সালথা থানার অফিসার ইনর্চাজ মো. আসিকুজ্জামান বলেন, যদুনন্দী ইউপি চেয়ারম্যান খায়ের মুন্সি আমাকে গরু লুটের ঘটনা সম্পর্কে ফোন দিয়ে জানিয়েছেন। এই বিষয়ে কেউ এখনো অভিযোগ দেয় নাই। অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply