শীর্ষখবর - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে নাড়ির টানে বাড়ির উদ্দেশে বের হওয়া ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (২৫ মে) বিকেলে আশুলিয়ায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ও নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে প্রায় ১১ কিলোমিটার সড়কে যানজটের সৃষ্টি হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়ে ঘরমুখো মানুষরা।

 

ঈদের ছুটিতে একযোগে সবাই গ্রামের উদ্দেশে রাস্তায় নেমে এলে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে এবং যত্রতত্র গাড়ি থামিয়ে যাত্রী উঠনামা করানোয় এই যানজটের সৃষ্টি হয়।

 

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে বিকেলে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নবীনগর ও নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের নবীনগর থেকে বাইপাইল এবং জিরানী থেকে বাড়ইপাড়া পর্যন্ত সড়কে তীব্র যানজটের খবর পাওয়া গেছে।

 

এ সময় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের বাইপাইল পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয় এবং নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের জিরানী থেকে বাড়ইপাড়া পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার সড়কে যানজট সৃষ্টি হয়।

 

সাভার পরিবহনের যাত্রী মুন্না হোসেন বলেন, আমি গাবতলী থেকে বিকেল ৪টার দিকে রওনা হয়েছি চন্দ্রা যাওয়ার উদ্দেশে।

কিন্তু সাড়ে ৫টার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইলে এসে যানজটে বসে আছি বলে জানান তিনি।

 

সেলফী পরিবহনের চালক মো. মারুফ বলেন, দুপুরের পর থেকে সড়কে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। তাই বাসের চাপও বৃদ্ধি পেয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশমাইল এলাকায় মহাসড়কের ওপর যত্রতত্রভাবে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী উঠানামা করায় যানজটের শুরু হয়। সেখানে দীর্ঘক্ষণ আটকে থেকে নবীনগর পার হতেই আধাঘণ্টার ওপর সময় চলে গেছে।

 

এদিকে মহাসড়কের যানজটের প্রভাব পড়েছে আশাপাশের সংযোগ সড়কেও। এতে করে মানুষ প্রয়োজনীয় কাজেও যেতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করে। এ ছাড়া দীর্ঘক্ষণ যানজটে আটকে থেকে শিশু, বৃদ্ধসহ সাধারণ যাত্রীরা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে। ঈদযাত্রার প্রথম দিনেই এমন ভোগান্তিতে পড়ে হতাশ সাধারণ যাত্রীরা।

 

সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ শাহজাহান বলেন, বিভিন্ন স্থানে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠানোর কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে যানজট শুরু হয়ে বাইপাইল পর্যন্ত গেছে। তবে যানজট নিরসনে পুলিশ বিভিন্ন পয়েন্টে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

দুই মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি, থেমে থেমে চলছে গাড়ি

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে নাড়ির টানে বাড়ির উদ্দেশে বের হওয়া ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (২৫ মে) বিকেলে আশুলিয়ায় ঢাকা-আরিচা বিস্তারিত

বিচার বিভাগ নিয়ে বিএনপি আবারও আ. লীগের পথেই হাঁটছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি। তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে এনে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে।

 

সোমবার (২৫ মে) বিকেলে ঝিনাইদহ শহরের পায়রা চত্বরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর হামলা, এনসিপি ও ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি মামলা ও গ্রেফতারের বিষয়ে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

বিচার বিভাগের আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ৫ আগস্টের পরে আমরা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পথে ধাবিত হচ্ছিলাম। এখন বিচারকদের পোস্টিং, প্রমোশন কে নিয়ন্ত্রণ করে বিএনপি বিচারকদের স্বাধীনতা হরণ করেছে। সেটির মহড়া আমরা ঝিনাইদহে দেখতে পাচ্ছি। এই কর্মকাণ্ডকে আমরা যদি বিশ্লেষণ করি আমাদের মনে হয় না— বিচারকদের রায় বিচারালয়ে বসে হয়। আমাদের মনে হয়— ঢাকা থেকে সেটি রিমোট কন্ট্রোলে পরিচালিত হয়।

 

তিনি আরও বলেন, পুলিশ তো কোন দলের হওয়ার কথা ছিলো না। পুলিশ হওয়ার কথা বাংলাদেশের জনগণের। আইনগত বিষয় পুলিশ আইনগতভাবে সমাধান করবে। আমরা দেখলাম, আ.লীগ আমলে সরকার দলীয় আদেশের অপেক্ষায় থেকে পুলিশ যেভাবে পেটুয়া বাহিনীর কাজ করতো একইভাবে পুলিশ পেটুয়া বাহিনীরা ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছে।

 

পুলিশের একাংশ অসহায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুলিশকে পোস্টিং-প্রমোশন ও পদায়নের ভয় দেখিয়ে সরকার তাদেরকে আবারও লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করতে চাচ্ছে। পুলিশ ভাইদের কাছে আহ্বান জানাবো, আপনারা পেশায় মেধা, দক্ষতা ও ট্রেনিং এর মধ্য দিয়ে এসেছেন। আপনারা ৫ আগস্ট ও জুলাইয়ের কথা মনে রাখুন। বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে গিয়ে আ. লীগের দল দাস হয়ে পুলিশের যে পরিণতি হয়েছিল আমরা বিশ্বাস করি আপনারা পুলিশকে সেইদিকে ঠেলে দেবেন না।

বিচার বিভাগ নিয়ে বিএনপি আ. লীগের পথেই হাঁটছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ

বিচার বিভাগ নিয়ে বিএনপি আবারও আ. লীগের পথেই হাঁটছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি। তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে এনে বিস্তারিত

ঢাকায় কালশীতে বস্তিতে আগুন, পানির সংকটে ফায়ার সার্ভিস

রাজধানীর পল্লবীর কালশী এলাকার একটি বস্তিতে আগুন লেগেছে। সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে এই আগুন লাগার সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।   এর ১০ মিনিটের মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট বিস্তারিত

দেশে হাম ও এর আনুষঙ্গিক উপসর্গের প্রকোপ আশঙ্কাজনক রূপ ধারণ করেছে। মহামারি আকার ধারণ করা এই রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে আরও ১ হাজার ২২৪ জনের দেহে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।

 

সোমবার (২৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৫৪৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৮৭ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪৫৮ শিশু।

 

একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ৮ হাজার ৭১৯ শিশু। আর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ৬৪ হাজার ৯৪০ শিশু। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগের হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৩১ শিশুর ও আক্রান্ত ৩৬ হাজার ৭০৬ শিশু।

 

এই হিসাব গত ১৫ মার্চ সকাল ৮টা থেকে ২৫ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।

 

চিকিৎসকদের মতে, হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ। সঠিক সময়ে টিকা না নেওয়া এবং সচেতনতার অভাবে এই রোগের সংক্রমণ দ্রুত ছড়াচ্ছে। হঠাৎ তীব্র জ্বর, শরীরে লালচে র‍্যাশ বা দানা দানা ওঠা, কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে ইতোমধ্যে টিকাদান জোরদার এবং আক্রান্ত এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একই সাথে শিশুদের সুরক্ষায় অভিভাবকদের আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

দেশে হামের ভয়াবহ রূপ, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭ মৃত্যু

দেশে হাম ও এর আনুষঙ্গিক উপসর্গের প্রকোপ আশঙ্কাজনক রূপ ধারণ করেছে। মহামারি আকার ধারণ করা এই রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে বিস্তারিত

সাতক্ষীরা কালীগঞ্জে চরম বিদ্যুৎ সংকট

গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

 

প্রতিবেদনেঃ মোঃ ওমর ফারুক

Kaliganj Upazila উপজেলার তারালী, তেঁতুলিয়া, রাজাপুর, ঘুশুড়ি সহ বেশিরভাগ এলাকায় তীব্র বিদ্যুৎ সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে দিনের পর দিন ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ। দিন হোক কিংবা গভীর রাত— কোনো সময়ই ঠিকমতো বিদ্যুৎ থাকছে না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে রয়েছেন। গরমে রাতভর ঘুমাতে পারছেন না অনেকেই। বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহ, মোবাইল চার্জ, ফ্যান চালানো এমনকি নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজেও দেখা দিয়েছে চরম দুর্ভোগ।

শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট ও অনলাইনভিত্তিক কাজেও নেমে এসেছে স্থবিরতা। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন— কেন এই চরম বিদ্যুৎ সংকট? কেন বারবার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে মিলছে না নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা?

এলাকাবাসীর ক্ষোভ, শুধু উন্নয়নের গল্প আর আশ্বাসের বক্তব্য দিলেই হবে না, বাস্তবেও তার প্রতিফলন দেখতে চায় জনগণ। জনপ্রতিনিধিদের জনগণের দুর্ভোগ বুঝে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

কালীগঞ্জবাসীর প্রত্যাশা, দ্রুত এই বিদ্যুৎ সংকটের স্থায়ী সমাধান করে জনদুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

সাতক্ষীরা কালীগঞ্জে চরম বিদ্যুৎ সংকট

সাতক্ষীরা কালীগঞ্জে চরম বিদ্যুৎ সংকট গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ   প্রতিবেদনেঃ মোঃ ওমর ফারুক Kaliganj Upazila উপজেলার তারালী, তেঁতুলিয়া, রাজাপুর, ঘুশুড়ি সহ বেশিরভাগ এলাকায় তীব্র বিদ্যুৎ সংকটে জনজীবন বিস্তারিত

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন (WHRO) মালয়েশিয়া কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

 

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন (WHRO) মালয়েশিয়া শাখার উদ্যোগে “পরিচিতি, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অবহিতকরণ সভা-২০২৬” এবং অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় কুয়ালালামপুরের ভিআইপি পিঠা ঘরের হলরুমে।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের মালয়েশিয়া শাখার চেয়ারম্যান মোঃ মিনহাজ মন্ডল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান মহি উদ্দিন আমিন। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন সংগঠনের জেনারেল সেক্রেটারি মোঃ মারুফ সিকদার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অর্গানাইজিং সেক্রেটারি মোঃ মেহেদী হাসান।

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সংগঠনের জেনারেল সেক্রেটারি মোঃ আনিসুর রহমান, ড. আনোয়ারু জামান, তসলিমা হাসান হৃদয়, কাজী ফখরুল ইসলাম, লায়ন ইমরান চৌধুরী ইমু, লায়ন ইয়াসমিন শাহাদাত, যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিক, মালয়েশিয়া শাখার এডভাইজর মোঃ নাসির উদ্দিন, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ফারুক হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ শাহ আলম বিন সিরাজ, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ রাজু ইমাম আলি হানিফ, সিনিয়র জয়েন্ট সেক্রেটারি মোঃ হাসেম মোল্লা, জয়েন্ট সেক্রেটারি মোঃ আজিম হোসেন, জয়েন্ট সেক্রেটারি মোঃ শহীদ গাজী, জয়েন্ট অর্গানাইজিং সেক্রেটারি মোঃ জহিরুল ইসলাম জনি এবং অফিস সেক্রেটারি মোঃ রুবেল হোসেন।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন সেক্রেটারি অব হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার মোঃ আশরাফুল।

 

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এডভাইজর মোঃ নয়ন, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সোহেল খন্দকার, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ খোকন মিয়া, জয়েন্ট অর্গানাইজিং সেক্রেটারি মোঃ সাইফুল ইসলাম, জয়েন্ট অর্গানাইজিং সেক্রেটারি মোঃ শামিম উল্লাহ, ডেপুটি অফিস সেক্রেটারি মোঃ তনু সরদার, ডেপুটি অফিস সেক্রেটারি মোঃ মুজিবর রহমান, সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সেক্রেটারি মোঃ হাশেম আলি শেখ, স্পোর্টস এডিটর মোঃ মোমিন মিয়া, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ এডিটর মোঃ ইলিয়াস, সেক্রেটারি ফর ইকোনমিক অ্যান্ড প্ল্যানিং অ্যাফেয়ার্স মোঃ আব্দুর হান্নান, সেক্রেটারি ফর ইউথ অ্যান্ড স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স মোঃ মাসুদ কবির, সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এডিটর মোঃ হাবিবুল হোসেন, সেক্রেটারি ফর লেবার অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার আক্কাস রহমান সাগরসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

 

এক্সিকিউটিভ মেম্বারদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ দেলোয়ার গাজী, মোঃ সুমন মুন্সী, মোঃ তরিকুল ইসলাম, মোঃ রমজান আলী, মোঃ জসিম উদ্দিন, মোঃ এরশাদ, মোঃ আবু হোসেন ও মোঃ জিয়া উদ্দিন সিকদারসহ অসংখ্য প্রবাসী বাংলাদেশি।

 

অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশনের চেয়ারম্যান, জেনারেল সেক্রেটারি ও দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, প্রবাসীদের কল্যাণ এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন (WHRO) মালয়েশিয়া কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন (WHRO) মালয়েশিয়া কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত   মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন (WHRO) মালয়েশিয়া শাখার উদ্যোগে “পরিচিতি, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অবহিতকরণ সভা-২০২৬” এবং অভিষেক বিস্তারিত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের মেয়েকে নিয়ে আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার অভিযোগে রাসেল মাহমুদ নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৩ মে) রাতে রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়ার শফিপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটির পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব।

 

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মেয়েকে নিয়ে একটি বিতর্কিত পোস্ট দেন রাসেল মাহমুদ। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন মহলে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে এলে ‎ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

 

‎এদিকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে শনিবার বিকেলে রাসেল মাহমুদ তার ফেসবুক পোস্টটি মুছে ফেলেন। একইসঙ্গে একটি ভিডিও বার্তায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, সমালোচনা করতে গিয়ে তিনি অসংযত ভাষা ব্যবহার করেছেন। এজন্য তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পরিবারের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার আশ্বাস দেন।

 

‎ক্ষমা চেয়ে দেওয়া পোস্টে রাসেল নিজেকে বিএনপি পরিবারের সদস্য ও ছাত্রদলের কর্মী বলে উল্লেখ করেন। ভিডিও বক্তব্যেও তিনি অতীতে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা জানান।

 

‎এ বিষয়ে বাঙ্গালহালিয়া ছাত্রদলের সভাপতি জুনায়েদ বলেন, রাসেল মাহমুদ ২০১৮-১৯ সালে বাঙ্গালহালিয়া কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। এছাড়া তার বাবা রাজস্থলী উপজেলা কৃষকদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

‎কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, পুলিশ সুপারের নির্দেশ মোতাবেক আমরা অভিযুক্তকে গতকাল রাতে গ্রেপ্তার করেছি। আজকে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মেয়েকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, সাবেক ছাত্রদল নেতা আটক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের মেয়েকে নিয়ে আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার অভিযোগে রাসেল মাহমুদ নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (২৩ মে) রাতে রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়ার বিস্তারিত

সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল সাকিফকে পদ থেকে বহিষ্কার করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ।

 

রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যায় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

বহিষ্কৃত আব্দুল্লাহ আল সাকিফ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

 

এতে আরো বলা হয়, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন। একই সঙ্গে সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ছাত্রদল অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির অবস্থান স্পষ্ট করেছে।’

 

প্রসঙ্গত, গতকাল শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেটসংলগ্ন এলাকায় নিজ ভাড়া বাসায় এক বান্ধবীসহ আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়দের কাছে আটক হন আব্দুল্লাহ আল সাকিফ।

 

এ ঘটনার পর ক্যাম্পাসজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

বান্ধবীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক, বহিষ্কার ছাত্রদল নেতা

সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল সাকিফকে পদ থেকে বহিষ্কার করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ।   রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যায় ছাত্রদলের দপ্তর বিস্তারিত

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে নাড়ির টানে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। প্রতিবছর ঈদযাত্রা বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে জনসমুদ্র, ট্রেনের ছাদে উপচে পড়া ভিড় আর মহাসড়কে মাইলের পর মাইল স্থবির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহনের সারি। তবে এবারের কোরবানির ঈদের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।

 

চিরচেনা সেই ভোগান্তি আর তীব্র যানজটের পরিবর্তে এবার এক অভূতপূর্ব স্বস্তি ও শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে রাজধানী ছাড়ছেন মানুষ। সড়ক, রেল কিংবা নৌপথ-সবখানেই এবার বইছে স্বস্তির সুবাতাস। সব মিলিয়ে পথে পথে যেন চলছে নির্বিঘ্নে বাড়ি ফেরার উৎসব।

 

রোববার (২৪ মে) সকাল থেকেই ঢাকার প্রধান রেল প্রবেশদ্বার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে এবং কোরবানির উৎসবে শামিল হতে স্টেশনে ভিড় জমান হাজারো যাত্রী।

 

তবে এই উপচেপড়া ভিড়েও ছিল না কোনো বিশৃঙ্খলা বা চিরচেনা ভোগান্তি। দু-একটি ট্রেন সামান্য বিলম্বে ছাড়লেও যাত্রীদের চোখে-মুখে ক্লান্তির চেয়ে বাড়ি ফেরার আনন্দই ছিল প্রধান।

 

এবারের ঈদযাত্রার সবচেয়ে বড় ও ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে ট্রেনের ছাদে। অতীতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের ছাদে চড়ে বাড়ি ফেরার যে বিপজ্জনক প্রবণতা দেখা যেত, এবার তা কঠোরভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

 

ট্রেনের ছাদে যেন কেউ উঠতে না পারে, সেজন্য রেল কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত কর্মী ও নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করেছে। নিরাপত্তারক্ষীদের ট্রেনের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্ত পর্যন্ত সতর্ক পাহারা দিতে দেখা গেছে।

 

স্টেশনে অপেক্ষমাণ বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, গত ঈদে বাড়ি ফিরতে পারিনি। তবে এবার কোরবানি দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিবার নিয়ে বাড়ির পথে রওনা হয়েছি। স্টেশনে এসে দেখলাম আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ ব্যবস্থাপনা রয়েছে।

 

সরকারের পক্ষ থেকেও ট্রেন ব্যবস্থাপনা আগের চেয়ে অনেক ভালো হয়েছে। বিশেষ করে ট্রেনের ছাদে কেউ যেন উঠতে না পারে, সে জন্য রেল কর্তৃপক্ষের নজরদারি সত্যিই প্রশংসনীয়।

 

এদিকে রোববার সকালে কমলাপুর রেলস্টেশনের সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শনে আসেন রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি স্টেশনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ঘুরে দেখেন এবং সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে খোঁজখবর নেন।

 

পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের রেলমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের ঈদযাত্রাকে আরও সহজ করতে সোমবার থেকে রেলের বহরে যুক্ত হচ্ছে আরও ৫ জোড়া বিশেষ ট্রেন। এই বিশেষ ট্রেনগুলো চালু হলে যাত্রীদের যাতায়াত আরও বেশি স্বস্তিদায়ক ও নির্বিঘ্ন হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

 

রেলপথের পাশাপাশি রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনাল এবং লঞ্চঘাটগুলোতেও যাত্রীদের উপচে পড়া চাপ লক্ষ্য করা গেছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পর্যাপ্ত যানবাহন ও বিশেষ ট্রেনের সুব্যবস্থা থাকায় এবারের যাত্রাপথ বিগত বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি স্বাভাবিক।

 

সবচেয়ে বড় স্বস্তির খবর এসেছে দেশের মহাসড়কগুলো থেকে। বিগত বছরগুলোতে যেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থেকে যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হতো, এবার সেখানে বড় কোনো যানজটের খবর মেলেনি। ফলে নির্বিঘ্নে ও সঠিক সময়েই দূরপাল্লার গাড়িগুলো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে।

 

বিগত কয়েক বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতার পর এবারের এই সুশৃঙ্খল ঈদযাত্রা সাধারণ মানুষের পথের ক্লান্তি দূর করে মনে এনে দিয়েছে ঈদের প্রকৃত আনন্দ।

 

ঘরমুখো যাত্রীরা সন্তোষ প্রকাশ করে বলছেন, দীর্ঘ যানজট ও ভোগান্তি না থাকায় এবার পরিবার-পরিজন নিয়ে স্বস্তিতে বাড়ি ফেরা সম্ভব হচ্ছে। সব পথ যেন এখন মিশে যাচ্ছে নাড়ির টানে, প্রিয়জনদের হাসিমুখের ঠিকানায়।

ঈদযাত্রায় বাড়ি ফেরার আনন্দ

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে নাড়ির টানে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। প্রতিবছর ঈদযাত্রা বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে জনসমুদ্র, ট্রেনের ছাদে উপচে পড়া ভিড় আর মহাসড়কে মাইলের পর মাইল বিস্তারিত

হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে সোমবার (২৫ মে)। এদিন ভোর থেকে মিনায় অবস্থানের মাধ্যমে শুরু হতে যাচ্ছে পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। হাজীরা তাদের গমন সহজ ও নিরাপদ করার জন্য সৌদি সরকারের নির্দেশনা মেনে রোববার রাতেই মিনার উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন।

 

শরিয়তের বিধান অনুসারে, হাজীরা ৮ জিলহজ মিনায় অবস্থান করে ফজর হতে এশা পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন। মিনায় রাত্রিযাপন শেষে ৯ জিলহজ (মঙ্গলবার) আরাফাতের উদ্দেশে রওনা হবেন তারা। সেখানে এ বছর হজের খুতবা দেবেন মসজিদে নববীর প্রধান ইমাম ও খতিব শায়েখ আলি বিন আবদুল রহমান আল-হুদাইফি।

 

খুতবার পর হাজিরা একসঙ্গে যোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন। সূর্যাস্ত পর্যন্ত এখানেই অবস্থান করবেন হাজীরা। শরিয়তের বিধানানুসারে আরাফাতে অবস্থান করাই হজ।

 

৯ জিলহজ সূর্যাস্তের পর মুজদালিফার উদ্দেশে রওয়ানা দিবেন হাজীরা। সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ শেষে উন্মুক্ত আকাশের নিচে রাত্রিযাপন করবেন। পরদিন ১০ জিলহজ সূর্যোদয়ের আগে মুজদালিফা থেকে মিনায় যাবেন হাজীরা এবং শুধু বড় জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবেন। এরপর মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় পশু কোরবানি দেবেন ও মাথা মুণ্ডন কিংবা চুল ছোটো করবেন।

 

১১ ও ১২ জিলহজ হজের বাকি আনুষ্ঠানিকতা শেষে ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের পূর্বে মিনা ত্যাগ করবেন হাজীরা।

 

চলতি বছরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৬ লাখ থেকে ১৮ লাখ মুসলমান হজ পালন করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর বাংলাদেশ থেকে এ বছর সাড়ে ৭৮ হাজার মানুষ হজ পালন করতে সৌদি আরব গেছেন।

হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে সোমবার

হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে সোমবার (২৫ মে)। এদিন ভোর থেকে মিনায় অবস্থানের মাধ্যমে শুরু হতে যাচ্ছে পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। হাজীরা তাদের গমন সহজ ও নিরাপদ করার জন্য সৌদি সরকারের বিস্তারিত

পিরোজপুরের নেছারাবাদে প্রবাসীর বাড়িতে চুরির সময় স্থানীয়দের হাতে নাঈম (২৫) নামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতা আটক হয়েছেন। আটকের আগে ওই যুবকের ছুরিকাঘাতে প্রবাসীর স্ত্রী, মেয়ে ও এক প্রতিবেশীসহ তিনজন আহত হন।

 

আহতদের উদ্ধার করে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে স্বরূপকাঠী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

 

আটক নাঈম একই এলাকার মো. রফিক মিয়ার ছেলে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, নাঈম নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের বাড়ির পাশে থাকা একটি সুপারি গাছ বেয়ে উঠে নাঈম ঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় ঘরে থাকা ইলিয়াস হোসেনের স্ত্রী নাজমা আক্তার তাকে দেখে ফেলেন। নাজমা মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানানোর চেষ্টা করলে নাঈম তাকে বাধা দেন। একপর্যায়ে হাতে থাকা ছুরি দিয়ে নাজমাকে আঘাত করা হয়। নাজমার চিৎকার শুনে তার মেয়ে এগিয়ে এলে তাকেও আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে নুহিন মিয়া তাদের উদ্ধারে এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করে আহত করা হয়। আহতদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে নাঈমকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নাজমা আক্তার বলেন, ঘরে কাজ করার সময় হঠাৎ দেখি নাঈম সুপারি গাছ বেয়ে ঘরে ঢুকেছে। আমি মোবাইলে ফোন করতে গেলে সে বাধা দেয়। পরে চিৎকার করলে ছুরি দিয়ে আমাকে আঘাত করে। আমার মেয়ে ও প্রতিবেশী নুহিন এগিয়ে এলে তাদেরও আহত করা হয়।

 

নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান জানান, পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে দস্যুতার সময় স্থানীয়রা নাঈম নামে এক যুবককে আটক করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে দস্যুতার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

চুরি করতে গিয়ে ছু/রি/কাঘাতে প্রবাসীর স্ত্রী-মেয়েকে জখম, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আটক

টানা তিন দফা উত্থানের পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

 

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

নতুন দর অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।

 

এর আগে, সবশেষ গত ১৩ আগস্ট সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেদিন ভরিতে ১ হাজার ১৩৩ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

 

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ২৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

 

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১০৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৫১ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৫১ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার

টানা তিন দফা বাড়ার পর দেশে স্বর্ণের দামে পতন

গাজীপুর জজ কোর্টের সামনে সরকারি আইনজীবী (এজিপি) অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন ও অ্যাডভোকেট মাহীন হাসান শুভর ওপর হামলার ঘটনায় আদালতে মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিজেদের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

 

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) গাজীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির লাইব্রেরি কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান তারা।

 

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৯ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পাশে জজ কোর্টের সামনের সড়কে অতর্কিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র ও হেলমেট দিয়ে অ্যাডভোকেট রুহুল আমিনকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথা ও চোখ লক্ষ্য করে আঘাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়। এতে রুহুল আমিন ও মাহীন হাসান শুভ আহত হন। পরে তাদের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

 

ভুক্তভোগীরা জানান, হামলার পর আইনজীবী ও স্থানীয় লোকজন কয়েকজন অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। তবে অজ্ঞাত কারণে পুলিশ তাদের ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ করেন তারা।

 

পরে চিকিৎসা শেষে অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। মামলাটি ১০২১/২০২৬ নম্বরে রুজু করা হয়। পরে আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা আদালতের জারি করা পরোয়ানা দ্রুত কার্যকর করে অভিযুক্তদের গ্রেফতার ও আদালতে সোপর্দ করার দাবি জানান। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী, মামলার বাদী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।

 

তারা বলেন, মামলা দায়ের করায় আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের জীবননাশের হুমকি দিচ্ছেন। এ অবস্থায় ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

 

আইনজীবীরা বলেন, হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে আইনজীবীসহ সাধারণ নাগরিকদের ওপর এ ধরনের হামলার ঘটনা আরও বাড়তে পারে। বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা রেখে তারা সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন (এজিপি), গাজীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম, অ্যাডভোকেট মোজাম্মেল, অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান রাসেল, অ্যাডভোকেট আল আমিন ইসলাম আশিক, অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ, অ্যাডভোকেট ওলিউল ইসলাম টুটুল, অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেন ও অ্যাডভোকেট মাহীন হাসান শুভ।

আইনজীবীর ওপর হামলার ঘটনায় পরোয়ানা, নিরাপত্তা চাইলেন ভুক্তভোগীরা

শেরপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের মামলায় মো. সোহাগ মিয়া (২৯) নামে এক পুলিশ সদস্যকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকালে আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন সোহাগ মিয়া। শুনানি শেষে শেরপুর সদর সিআর আমলি আদালতের বিচারক ও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান মাহমুদ মিলন তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. জিয়াউর রহমান। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সোহাগ মিয়াকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি বর্তমানে বান্দরবান জেলা পুলিশ লাইন্সে কর্মরত।

 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর শেরপুর সদর উপজেলার সূর্য্যদী মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত আবুল হাসেনের ছেলে পুলিশ কনস্টেবল সোহাগ মিয়ার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী বয়ড়া পরাণপুর গ্রামের মো. আজাদ মিয়ার মেয়ে মোছা. লাকী আক্তারের বিয়ে হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে দুটি সন্তানের জন্ম হয়।

 

লাকী আক্তারের অভিযোগ, বিয়ের সময় মোটা অঙ্কের যৌতুক দেওয়ার পরও সোহাগ মিয়া আরও যৌতুকের জন্য তাকে নির্যাতন করতেন। গত ২৪ জুন ৫ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে লাকী আক্তারকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন সোহাগ মিয়া।

 

এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৯ জুন স্বামীর বিরুদ্ধে শেরপুরের আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০২৫-এর ১১(গ) ধারায় মামলা করেন লাকী আক্তার। ওই মামলায় বৃহস্পতিবার সোহাগ মিয়া আদালতে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. জিয়াউর রহমান বলেন, যৌতুক মামলায় পুলিশ কনস্টেবল সোহাগ মিয়াকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

স্ত্রী নির্যাতনের মামলায় পুলিশ সদস্য কারাগারে

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা বিধানসহ ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ডিএমপি সদর দপ্তরে জুলাই মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ

 

জুলাই-২০২৬ মাসে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অপরাধ বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হয়েছে মিরপুর বিভাগ। মূল্যায়নে শ্রেষ্ঠ থানার স্বীকৃতি অর্জন করেছে মিরপুর থানা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তরা-পশ্চিম থানা এবং তৃতীয় স্থান বাড্ডা থানা।

 

অপরদিকে, সহকারী পুলিশ কমিশনারদের মধ্যে ডেমরা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. শামীম হোসেন প্রথম স্থান অর্জন করেছেন। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. আবদুল্লাহ আল মামুন পিপিএম।

 

শ্রেষ্ঠ এসআই প্রথম স্থান অর্জন করেছেন পল্লবী থানার এসআই মো. সাইফুল ইসলাম। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন ভাটারা থানার এসআই দেবাশীষ মন্ডল এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন পল্টন মডেল থানার এসআই অমিত কুমার বিশ্বাস। এএসআইদের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন যাত্রাবাড়ী থানার এএসআই নাজমুল ইসলাম এবং দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে মোহাম্মদপুর থানার এএসআই নাদের আলী।

 

গোয়েন্দা বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হয়েছে গোয়েন্দা-ওয়ারী বিভাগ। শ্রেষ্ঠ টিম লিডার নির্বাচিত হয়েছেন গোয়েন্দা-ওয়ারী বিভাগের ওয়ারী জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ফজলুল করিম পিপিএম-সেবা।

 

আরও পড়ুন: সরকারি বেতন ১০০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের অপেক্ষা

 

ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হয়েছে ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগ। শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক সার্জেন্টদের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে মিরপুর-ট্রাফিক জোনের সার্জেন্ট মো. সামসুদ্দীন সরকার এবং দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে যাত্রাবাড়ী-ট্রাফিক জোনের সার্জেন্ট মো. শাহরিয়ার খান।

 

অপরাধ পর্যালোচনা সভায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস্, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট), অতিরিক্ত দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মো. মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রটেকশন অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি) মো. আবুল বাশার তালুকদার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি),অতিরিক্ত দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশনস্) মোহাম্মদ ওসমান গণি, পিপিএম।

 

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মোহাম্মদ শামসুল হক, যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারগণ, সহকারী পুলিশ কমিশনারগণ, ডিএমপির সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ ও বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ভালো কাজের স্বীকৃতিতে ডিএমপির কর্মকর্তাদের পুরস্কার

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুবার্ষিকী: রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচিত এক অধ্যায়ের স্মরণ

আজ ১৪ আগস্ট। ২০২৩ সালের এই দিনে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমির ও বহুল আলোচিত ধর্মীয় বক্তা আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।

তাঁর মৃত্যু বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, ধর্মীয় বক্তা হিসেবে জনপ্রিয়তা এবং ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিচার—সব মিলিয়ে সাঈদী ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম আলোচিত ও বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব।

শেষ সময়ের চিকিৎসা

২০২৩ সালের ১৩ আগস্ট কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে প্রথমে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়।

পরদিন ১৪ আগস্ট রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অনুসারী ও সমর্থকদের মধ্যে শোকের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

রাজনৈতিক ও ধর্মীয় জীবনে সাঈদী

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ধর্মীয় বক্তা হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে তাঁর ওয়াজ ও ধর্মীয় বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি একটি বড় শ্রোতাগোষ্ঠীর কাছে পরিচিত হয়ে ওঠেন।

এর পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তী সময়ে দলটির নায়েবে আমিরের দায়িত্বে ছিলেন।

ধর্মীয় বক্তা ও রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবন বাংলাদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিসরে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছিল।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা ও বিচার

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়।

২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেন। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, নির্যাতন, লুটপাট ও ধর্ষণসহ বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচার হয়।

পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে তিনি আপিল করেন। ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তাঁর মৃত্যুদণ্ড পরিবর্তন করে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন।

এই বিচার ও রায়কে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে ব্যাপক রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া, বিক্ষোভ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে। একই সঙ্গে সাঈদীকে ঘিরে দেশজুড়ে তৈরি হয় তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক মতবিভাজন।

মৃত্যুর পর প্রতিক্রিয়া

সাঈদীর মৃত্যুর সংবাদ প্রকাশের পর তাঁর অনুসারী ও সমর্থকদের মধ্যে শোকের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। বিভিন্ন স্থানে তাঁকে স্মরণ করে দোয়া ও অন্যান্য কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অন্যদিকে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডিত হওয়ার বিষয়টি সামনে এনে বিভিন্ন মহল থেকে ভিন্ন প্রতিক্রিয়াও জানানো হয়।

ফলে তাঁর মৃত্যুর পরও তাঁকে ঘিরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা অব্যাহত থাকে।

মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ

আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর জীবন ছিল একই সঙ্গে ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও বিচারিক ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। ধর্মীয় বক্তা হিসেবে তাঁর জনপ্রিয়তা যেমন ব্যাপক ছিল, তেমনি তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাকে ঘিরে ছিল তীব্র বিতর্ক।

আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর অনুসারীরা তাঁকে শ্রদ্ধা ও দোয়ার মাধ্যমে স্মরণ করছেন। একই সঙ্গে তাঁর জীবন ও রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা হচ্ছে।

ইতিহাসের কোনো আলোচিত ব্যক্তিত্বকে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আবেগের পাশাপাশি আদালতের নথি, ঐতিহাসিক তথ্য ও যাচাইযোগ্য সূত্রকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। সাঈদীর জীবন ও রাজনৈতিক অধ্যায়ও বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের এমনই একটি আলোচিত অধ্যায়, যা নিয়ে আজও বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে।

আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুবার্ষিকী: আলোচিত এক অধ্যায়ের স্মরণ

স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার দায়ে স্ত্রীকে ১০ দিনের কারাদন্ড

 

আতিকুর রহমান আশিক , মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

 

মানিকগঞ্জে স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা যৌতুক মামলা দায়ের করার দায়ে লাভলী আক্তার নামে এক নারীকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় স্বামী আরিফুল ইসলাম রতনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের বিরুদ্ধে আদালতে এ রায় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে বলে মনে করছেন আইনজীবীরা।

 

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক দোলন বিশ্বাস এ রায় দেন।

 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে স্বামী আরিফুল ইসলাম রতনের বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮-এর ৩ ধারায় মামলা করেন স্ত্রী লাভলী আক্তার। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২২ সালের ১৫ এপ্রিল আরিফুল পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে তাকে মারধর করেন। পরে আরও একটি ঘটনায় যৌতুক দাবির অভিযোগ আনা হয়।

তবে অভিযোগে উল্লেখিত দুই ঘটনার সময়ই আরিফুল ইসলাম বিদেশে ছিলেন। তিনি ২০২১ সালের ৮ এপ্রিল চাকরির উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যান এবং দেশে ফেরেন ২০২৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি।

 

গত ২৭ জুলাই সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আরিফুল ইসলাম রতনকে বেকসুর খালাস দেন আদালত। পরে মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় বাদীর বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮-এর ৬ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আসামিপক্ষের আইনজীবী আদালতে পিটিশন দাখিল করেন।

 

এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে আদালত বাদী লাভলী আক্তারকে যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮-এর ৬ ধারায় ১০ দিনের কারাদণ্ড দেন।

 

আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন কোহিনুর বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত আসামিকে খালাস দেন। পরে মিথ্যা মামলা দায়েরের বিষয়টি বিবেচনায় যৌতুক নিরোধ আইনের ৬ ধারায় বাদীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আদালতে আবেদন করা হয়। বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে আদালত বাদীকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

 

বাদী পক্ষের আইনজীবী সমাপ্তি আক্তার বলেন, ১০ দিনের সাজা হওয়ায় আপিলের শর্তে জামিনের আবেদন করা হয়। পরে আদালত এক মাসের মধ্যে আপিল করার শর্তে এক হাজার টাকা বন্ডের লাভলী আক্তারের জামিন মঞ্জুর করেন।

 

মানিকগঞ্জ জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহাবুবুল ইসলাম বলেন, মিথ্যা মামলা করে কাউকে হয়রানি করলে মামলার বাদীকেও যে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে, এই রায় তার একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। এ ধরনের রায় হলে সমাজে ঢালাওভাবে মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রবণতা অনেকাংশে কমে আসতে পারে।

স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার দায়ে স্ত্রীকে ১০ দিনের কারাদন্ড 

গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরী বোর্ড ঘোষণার দাবিতে মাননীয় শ্রম মন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি পেশ করা হবে

গার্মেন্টস শ্রমিক ও শিল্প রক্ষা জাতীয় মঞ্চ

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

১৩ আগষ্ট ২০২৬’ তারিখ সকাল ১১ টায় গার্মেন্টস শ্রমিক ও শিল্প রক্ষা জাতীয় মঞ্চের উদ্যোগে বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আগামী ১৬ আগষ্ট গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরী বোর্ড ঘোষণার দাবিতে মাননীয় শ্রম মন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি পেশ করা হবে বলে ঘোষণা করা হয়।

 

সংবাদ সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন মঞ্চের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসাইন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মঞ্চের সদস্য সচিব শ্রমিক নেতা রফিকুল ইসলাম সুজন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মঞ্চের কেন্দ্রীয় নেতা জনাব মোঃ সফিকুল ইসলাম, কামরুন নাহার, তপন সাহা, কামরুজ্জামান ফিরোজ, আবু কালাম, মিজানুর রহমান শিকদার, সাজিয়া রহমান, মাহমুদা হোসেন মিলি প্রমূখ।

 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সরকার পে-স্কেল ঘোষণার মধ্য দিয়ে শ্রমিক কর্মচারীদের মধ্যে চরম বৈষম্যে সৃষ্টি করেছেন। বর্তমান শাসন ব্যবস্থায় আমলাতন্ত্র কতখানি শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে তার প্রমাণ হচ্ছে পে-স্কেল। ঘোষিত পে-স্কেলে একজন সচিব এর বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা অপর দিকে একজন অফিস সহকারী (পিয়ন) তার বেতন ধরা হয়েছে ৪১ হাজার টাকা। অথচ যারা উৎপাদন করে সেই শ্রমিক বিশেষকরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরী হচ্ছে ১২ হাজার ৫ শত টাকা। এর মধ্য দিয়ে সরকার সমাজে প্রবল বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। এই বৈষম্য দুর করতে শ্রমিকের জন্য জাতীয় নিম্নতম মজুরী ৩০ হাজার টাকা এবং গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য অবিলম্বে নিম্নতম মজুরী বোর্ড ঘোষণা করে শ্রমিকদের বাঁচার মত মজুরী ঘোষণা করতে হবে। বর্তমান উর্দ্ধমূখী বাজার ব্যবস্থায় গার্মেন্টস শ্রমিকরা যে মজুরী পান তা দিয়ে তাদের জীবন চলেনা। ফলে শিল্পের শ্রমক অসন্তষ লেগেই রয়েছে। শিল্পের উৎপাদনের সুষ্ঠ পরিবেশ ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরী বৃদ্ধির বিকল্প নাই। সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, বিগত ২০২৩ সালের ঘোষিত মজুরী আগামী নভেম্বরে শেষ হয়ে যাবে। ডিসেম্বর ২০২৬ সাল থেকে নতুন মজুরী কার্যকর হওয়ার কথা। এখন মাত্র চার মাস সময় আছে সরকার কাল বিলম্ব না করে দ্রুত সময়ের মধ্যে ন্যূনতম মজুরী বোর্ড ঘোষণা করতে হবে এবং বোর্ডের গার্মেন্টস শ্রমিক সংগঠনের মধ্য থেকে নির্বাচিত করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখিত দাবিতে আগামী ১৬ আগষ্ট মাননীয় শ্রমমন্ত্রী মহোদয়ের নিকট স্মারকলিপি পেশ করা হবে। একই সাথে উক্ত স্মারকলিপি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট সকল মহলকে অবগতির জন্য পাঠানো হবে।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরী বোর্ড ঘোষণার দাবিতে মাননীয় শ্রম মন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি পেশ করা হবে

গাইবান্ধায় অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার, সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধায় র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাবের উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ বিষয়ক সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে সিপিসি-৩ গাইবান্ধা র‌্যাব-১৩ ক্যাম্পের আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমির হলরুমে এই সচেতনতা মুলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিপিসি-৩ ও র‌্যাব-১৩ এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার মোহাম্মদ রেজাউল হকের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন ও গাইবান্ধা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মাজহারুল মান্নান । এছাড়াও বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থী, রেড ক্রিসেন্ট ও রোভার স্কাউটসের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। দেড় ঘন্টাব্যাপী মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, মাদক কেবল একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, বরং একটি পরিবার ও সমাজকে ভেতর থেকে পঙ্গু করে দেয়।

 

মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষক ও জনপ্রতিনিধি সহ সকল পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগে বিপদগামী মাদকাসক্ত তরুণদের আলোর পথে ফিরিয়ে আনার গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

 

অপরদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করে জানানো হয়, সরকারের নির্দেশনায় মাদক ও অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনাসহ মাদক ও সামাজিক অপরাধ নির্মুলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরা হয়।

 

সভা শেষে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহনকরা শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলার সামগ্রী বিতরন করা হয়।

গাইবান্ধায় অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার, সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

শাড়ি নিয়ে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় আত্মসমর্পন করে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। আজবৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান তিশা। শুনানি নিয়ে আদালত জামিনের আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক।গত ১২ জুলাই তিশাকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়েছিল।

 

জামিন পেয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তানজিন তিশা বললেন, ২৭ হাজার টাকার একটা শাড়ি নাকি আত্মসাৎ করেছি। আমার ১৫ বছরের একটা ক্যারিয়ার। এটা কারোর কাছে কাম্য নয়, একটা শাড়ির জন্য আদালতে আসবো। আইনকে শ্রদ্ধা করি বলেই আদালতে এসেছি। তবে মামলায় অনেকগুলো মিথ্যা কথা বলা হয়েছে। আমি শাড়ি আত্মসাৎ বা প্রতারণা এমন কিছুই করিনি।

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, একটা কথা বলতে চাই, মামলার বাদী একজন নারী। তিনি নিজের স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা (মামলা) করেছে। অনেক ধরনের হুমকি দিয়েছে। আগামীতে সবকিছু তুলে ধরব। আমার নামে যে মামলা করেছে তাকে চিনি না।

 

এদিন তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন৷ এরপর তার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। পরে জামিন পেয়ে তিনি আদালত প্রাঙ্গন ছাড়েন। এসময় উৎসুক জনতা তাকে দেখতে ভীড় জমান।

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে প্রায় ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নিয়ে সেটির প্রচারণা ও মূল্য পরিশোধের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন তানজিন তিশা। এ ঘটনায় ২০২৫ সালে অনলাইন ফ্যাশন পেজের এডমিন আমিনুল ইসলাম প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। ওই সময় আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে ডিবি পুলিশকে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে তানজিল তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদন জমা দেন পুলিশ। সেই প্রতিবেদনের আদালত আমলে গ্রহণ করে গত ১২ জুলাই তিশাকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়।

আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন তানজিন তিশা

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩