এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের (খাতা চ্যালেঞ্জ) আবেদন শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) থেকে শুরু হওয়া এ আবেদন চলবে আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত।
এবার নতুন পদ্ধতিতে প্রতি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা ফি দিয়ে অনলাইনে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে হবে।
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক চিঠিতে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে। এরপর ড্রপডাউন মেনু থেকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করে ‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।
পরবর্তী ধাপে একটি মোবাইল নম্বর দিতে হবে। পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশের পর ওই নম্বরেই এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানানো হবে।
যেভাবে আবেদন করবেন
আবেদন প্রক্রিয়ায় প্রবেশের পর শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফল দেখা যাবে। যেসব বিষয়ে পুনর্নিরীক্ষণ করতে চান, সেগুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। প্রতিটি পত্রের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা।
কোনো বিষয়ের দুটি পত্র থাকলে এবং উভয় পত্রের ফল পুনর্নিরীক্ষণ করতে চাইলে দুটি পত্রের জন্যই আলাদাভাবে আবেদন করতে হবে।
যেভাবে ফি পরিশোধ করবেন
বিষয় নির্বাচন করার পর পরবর্তী স্ক্রিনে মোট ফি-এর পরিমাণ দেখানো হবে। এরপর বিকাশ, নগদ অথবা সোনালী সেবার মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে। ফি পরিশোধের বিস্তারিত নির্দেশনা পুনর্নিরীক্ষণ পোর্টালেই পাওয়া যাবে।
ফি পরিশোধের পর আবার আবেদন পোর্টালে ফিরে এসে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
পরে নতুন বিষয় যুক্ত করার সুযোগ
একবার ফি দিয়ে আবেদন জমা দেওয়ার পরও কোনো শিক্ষার্থী চাইলে একই প্রক্রিয়ায় নতুন কোনো বিষয় পুনর্নিরীক্ষণের জন্য যুক্ত করতে পারবেন। তবে নতুন করে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
অন্যদিকে, ফি পরিশোধের আগে আবেদন পরিবর্তন বা সংশোধন করতে চাইলে ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে যেসব বিষয়ের জন্য এখনো ফি দেওয়া হয়নি, সেগুলো প্রত্যাহার করা যাবে। এরপর নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে।
তবে একবার কোনো বিষয়ের ফি পরিশোধ হয়ে গেলে সেটি আর বাতিল করা যাবে না। কোনো অবস্থাতেই পরিশোধ করা ফি ফেরত দেওয়া হবে না।
আবেদন চলবে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত
শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। এবার কোনো ধরনের ম্যানুয়াল আবেদন গ্রহণ করা হবে না। তাই ফল মনমতো না এলে দেরি না করে নির্ধারিত অনলাইন পদ্ধতিতে খাতা চ্যালেঞ্জ বা ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের (খাতা চ্যালেঞ্জ) আবেদন শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) থেকে শুরু হওয়া এ আবেদন চলবে আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত। এবার নতুন পদ্ধতিতে প্রতি বিস্তারিত

ছেলের সঙ্গে একই বছরে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মা ও ছেলে দুজনেই জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
রাজশাহী নগরের রাজপাড়া থানা এলাকার সাদিয়া বেগম ও তার ছেলে তানভীর আহমেদের এমন সাফল্যে পরিবার ও এলাকাজুড়ে আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, সাদিয়া বেগমের বিয়ে হয়েছিল ১৯ বছর আগে। সংসারের দায়িত্বে প্রায় ১৭ বছর পড়াশোনা থেকে দূরে ছিলেন তিনি। তবে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ হারাননি। পরে আবার বই হাতে তুলে নিয়ে সংসার ও দুই সন্তানের দেখাশোনার পাশাপাশি পড়াশোনা শুরু করেন।
প্রায় দুই বছর আগে ছেলের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন সাদিয়া। পরিবারের সম্মতিতে প্রস্তুতি শুরু করেন। চলতি বছরের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় রাজপাড়া আদর্শ মহিলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ থেকে অংশ নিয়ে তিনি জিপিএ-৫ অর্জন করেন।
অন্যদিকে তার ছেলে তানভীর আহমেদ রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
সাদিয়া বলেন, ‘পড়াশোনার প্রতি ঝোঁক ছিল। কিন্তু বিয়ের পর নানা কারণে পড়ালেখা করতে পারিনি। হাল ছাড়িনি। বছর দুয়েক আগে সিদ্ধান্ত নিলাম ছেলের সঙ্গে পরীক্ষা দেব। পরিবারের সম্মতিতে প্রস্তুতি শুরু করি।’
ছেলে তানভীরও মায়ের সঙ্গে পরীক্ষা দেওয়ার অভিজ্ঞতাকে সৌভাগ্যের বিষয় হিসেবে দেখছে। সে বলেন, ‘মায়ের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে দুজনই জিপিএ-৫ পেয়েছি। মায়ের সঙ্গে পরীক্ষা দেওয়ার সৌভাগ্য কয়জনের হয়!’
তানভীর জানায়, মা তার পড়াশোনার নিয়মিত খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি নিজেও পড়াশোনা করতেন। অনেক সময় রাত জেগে তার পাশে বসে থাকতেন। নিজের সাফল্য বাবা-মাকে উৎসর্গ করে ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্নের কথাও জানিয়েছে সে।
মা-ছেলের এই সাফল্যে খুশি তাদের গৃহশিক্ষক আরিফুল ইসলামও। তিনি প্রায় চার বছর ধরে তানভীরকে ইংরেজি পড়ানোর পাশাপাশি সাদিয়ার পড়াশোনাতেও সহযোগিতা করেছেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সাদিয়ার স্বামী তোফাজ্জল হোসেন একজন সরকারি কর্মকর্তা। সংসার ও সন্তানদের দায়িত্ব সামলেও দীর্ঘ বিরতির পর নিজের পড়াশোনার স্বপ্ন পূরণ করেছেন সাদিয়া। একই পরীক্ষায় ছেলের সঙ্গে অংশ নিয়ে দুজনের জিপিএ-৫ অর্জন সেই অধ্যবসায়েরই অনন্য উদাহরণ।
ছেলের সঙ্গে একই বছরে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মা ও ছেলে দুজনেই জিপিএ-৫ পেয়েছেন। রাজশাহী নগরের রাজপাড়া থানা এলাকার সাদিয়া বেগম ও তার ছেলে তানভীর আহমেদের এমন সাফল্যে পরিবার বিস্তারিত

প্রকাশিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে সাতক্ষীরার চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। শতভাগ অকৃতকার্য এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও একটি নৈশ বিদ্যালয়। এর মধ্যে দেবহাটার একটি বিদ্যালয়ে ২০০১ সাল থেকে শিক্ষকরা বেতন-ভাতা না পাওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রমের বেহাল চিত্রও উঠে এসেছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও জেলা শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
শতভাগ অকৃতকার্য চারটি প্রতিষ্ঠান হলো আশাশুনি উপজেলার আশাশুনি গোদাড়া নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা সদরের সাতক্ষীরা নৈশ বিদ্যালয় (নাইট স্কুল), দেবহাটা উপজেলার বাবুরাবাদ ঢেবুখালী বিদ্যালয় এবং শ্যামনগর উপজেলার কৈখালি ইউনিয়নের সাহেবখালী সিদ্দিকগাজী বিদ্যালয়।
আশাশুনি গোদাড়া নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জেবুন্নেছা জানান, চলতি বছর বিদ্যালয়টির মানবিক বিভাগ থেকে চারজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। কিন্তু প্রকাশিত ফলাফলে তাদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
দেবহাটার বাবুরাবাদ ঢেবুখালী বিদ্যালয়ের চিত্র আরও নাজুক। প্রতিষ্ঠানটির অফিস সহকারী নূর হোসেন জানান, ২০০১ সাল থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কোনো বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না। ফলে শিক্ষকদের অনেকেই নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসেন না। কাগজে-কলমে আটজন শিক্ষক থাকলেও বাস্তবে তাদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। একজন শিক্ষিকা ও একজন ধর্মীয় শিক্ষক থাকলেও তারাও নিয়মিত সময় দেন না।
নূর হোসেন আক্ষেপ করে বলেন, ‘বলতে গেলে আমি অফিস সহকারী হিসেবে একাই স্কুলটি দেখে-শুনে টিকিয়ে রেখেছি। গত বছর বিদ্যালয়টির পাঁচজন পরীক্ষার্থীর মধ্যে চারজন পাস করেছিল। তবে এবার কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।’
সাতক্ষীরা নৈশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ফলাফলের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান বলেন, ফলাফলের সঠিক তথ্য এই মুহূর্তে তার জানা নেই। বোর্ড ও অনলাইনভিত্তিক নথি যাচাই করে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারবেন।
অন্যদিকে শ্যামনগরের কৈখালি ইউনিয়নের সাহেবখালী সিদ্দিকগাজী বিদ্যালয়টি শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার কারণ জানতে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষকের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের বলেন, যশোর শিক্ষা বোর্ড থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য পাঠানো হচ্ছে। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে অনুসন্ধান করা হবে। অনুসন্ধানে কারণ চিহ্নিত হওয়ার পর প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রকাশিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে সাতক্ষীরার চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। শতভাগ অকৃতকার্য এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও একটি নৈশ বিদ্যালয়। এর মধ্যে বিস্তারিত

বেসরকারি স্কুল-কলেজে প্রবেশ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির হাতেই দিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর ফলে এখন থেকে আর শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করতে পারবে না বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।
গত ৩ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এনটিআরসিএর সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আলিফ রুদাবাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভার কার্যবিবরণী থেকে জানা যায়, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান সভাকে অবহিত করেন, ২০০৫ সনের ১ নং আইন ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০৫’ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে প্রণীত ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রত্যয়ন বিধিমালা, ২০০৬’ অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের জন্য প্রার্থীদের যোগ্যতা নিরূপন ও এতদ্বিষয়ে প্রত্যয়নপত্র প্রদানের উদ্দেশ্যে প্রতি পঞ্জিকা বর্ষে অন্তত একবার পরীক্ষা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা রয়েছে।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) হতে সর্বশেষ ২০২৩ সালে নিয়োগ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সে প্রেক্ষিতে ১৯তম এনটিআরসিএ শিক্ষক (প্রবেশ পর্যায়) নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা প্রয়োজন।
সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলন জানান, ‘২০০৫ সাল হতে ২০১৫ সালের পূর্বে এনটিআরসিএ কেবলমাত্র নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতো। ২০১৫ সাল থেকে এনটিআরসিএর সক্ষমতার বাইরে গিয়ে নিয়োগ সুপারিশ করার পর থেকে বিভিন্ন জটিলতা, মামলা এবং অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়।’
তিনি আরও জানান, ‘বর্তমানে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার সুষ্ঠুভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা এবং একটি সুস্থ ও কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার নিমিত্তে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এনটিআরসিএর বর্তমান অচলাবস্থা নিরসনে পূর্বের ন্যায় এনটিআরসিএ কর্তৃক কেবলমাত্র নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং প্রত্যায়নপত্র শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানের স্ব স্ব ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডি কর্তৃক বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বর্তমান সমস্যার সমাধান করা যেতে।’ শিক্ষামন্ত্রীর অভিমতের সঙ্গে সভায় উপস্থিত সকলে এ বিষয়ে একমত পোষণ করেন।
কার্যবিবরণীতে সভার সিদ্ধান্তে লেখা হয়, ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০৫’ অনুযায়ী এখন থেকে এনটিআরসিএ কেবলমাত্র নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের কাজ করবে। ২০১৫ সালের পরিপত্র অনুযায়ী আর নিয়োগ সুপারিশ করবে না। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।’ শুধু তাই নয়, সভার সিদ্ধান্ত মতে, ‘১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৯৮৪২ জন তাদের পছন্দ অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বউদ্যোগে ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডির মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত হবেন। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পরিপত্র/প্রজ্ঞাপন সংশোধন/জারি করতে হবে।’
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, সভার কার্যবিবরণীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন থেকেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ হবে। এনটিআরসিএ আর নিয়োগ সুপারিশ করবে না। এজন্য প্রয়োজনীয় আইন সংশোধন করা হবে।’
জানা গেছে, ২০০৫ সালে এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথম এক দশক সংস্থাটি কেবল শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নিয়ে সনদ দিত। ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর সংস্থাটি নিবন্ধনধারী শিক্ষকদের সরাসরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুপারিশ দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করে। ফলে ঘুষ ছাড়া শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত হয়ে যায়। সুফল ভোগ করেন অসংখ্য মানুষ। এ পর্যন্ত সংস্থাটি ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৭১ জন শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করেছে।
বেসরকারি স্কুল-কলেজে প্রবেশ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির হাতেই দিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর ফলে এখন থেকে আর শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করতে পারবে না বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন বিস্তারিত

২৭ মামলার আসামি ও সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের ‘গডফাদার’ আকাশ গ্রেপ্তার
মোঃ আশরাফুল ইসলাম
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযানে মোঃ মোস্তফা আলী ওরফে আকাশ (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, তিনি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের অন্যতম হোতা ও কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে প্রতারণা, অপহরণ, চাঁদাবাজি, মারামারি, চুরি, বিস্ফোরক দ্রব্য ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট ২৭টি মামলা রয়েছে।
রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঠাকুরগাঁও সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ঠাকুরগাঁও রোড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দল।
গ্রেপ্তার মোঃ মোস্তফা আলী ওরফে আকাশ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জগথা এলাকার মোঃ মোবারক আলীর ছেলে।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ডিবিতে তদন্তাধীন নকল স্বর্ণের মূর্তি দেখিয়ে প্রতারণার একটি মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন মোস্তফা আলী ওরফে আকাশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করার পর ঠাকুরগাঁও সদর থানা এলাকায় দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, আকাশের বিরুদ্ধে প্রতারণা, অপহরণ, চাঁদাবাজি, মারামারি, চুরি, বিস্ফোরক দ্রব্য ও মাদকসহ মোট ২৭টি মামলা রয়েছে। এছাড়া পীরগঞ্জ থানায় তার বিরুদ্ধে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের সাজা পরোয়ানা মুলতবি রয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, আকাশ দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা ও প্রতারণার সঙ্গে জড়িত। তিনি একসময় গাজীপুরে অবস্থান করে মাদক ব্যবসার একটি সিন্ডিকেট পরিচালনা করতেন বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে। পরবর্তীতে গোপনে হরিপুর ও রানীশংকৈল থানা এলাকাসহ নিজ এলাকা পীরগঞ্জে বিভিন্ন সময়ে অবস্থান করে মাদক, প্রতারণাসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন বলে জানা গেছে।
বিশেষ করে নকল স্বর্ণের মূর্তিসহ বিভিন্ন কৌশলে প্রতারণার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তার ভয়ে অনেক ভুক্তভোগী প্রকাশ্যে অভিযোগ করতেও সাহস পেতেন না বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ মোঃ গোলাম রসুল বলেন, অপরাধী যতই কৌশলী হোক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি এড়িয়ে অপরাধ করে পার পাওয়ার সুযোগ নেই। তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে অপরাধীদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মাদক ব্যবসা, প্রতারণা ও সংঘবদ্ধ অপরাধের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের অভিযান আরও জোরদার করা হবে। সাধারণ মানুষের জানমাল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা গোয়েন্দা শাখা সর্বদা তৎপর রয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মোঃ মোস্তফা আলী ওরফে আকাশকে সোমবার (১০ আগস্ট) বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
২৭ মামলার আসামি ও সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের ‘গডফাদার’ আকাশ গ্রেপ্তার মোঃ আশরাফুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযানে মোঃ মোস্তফা আলী ওরফে আকাশ বিস্তারিত

চাঁদাবাজির মামলায় জামায়াত নেতা ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম কারাগারে
সংবাদদাতা : ইয়াছিন মোড়ল
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে চাঁদাবাজি, হামলা ও কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের নেতা হাজী মো. নজরুল ইসলাম এবং তার সহযোগী বিশ্বজিৎ মণ্ডলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
সোমবার (১০ জুলাই) সকালে সাতক্ষীরার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইদুর রহমানের আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন তারা। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার বাদীপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর সিরাজুল ইসলাম এবং আইনজীবী শেখ আবদুল খালেক ও নির্মল জোয়াদ্দার। তারা আদালতে বলেন, আসামিরা সরকারি প্রকল্পের কাজে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত। তারা জামিনে বাইরে থাকলে সরকারি কাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবু বক্কর ও সৈয়দ ইফতেখার আলী।
এর আগে উচ্চ আদালত থেকে হাজী মো. নজরুল ইসলাম ও বিশ্বজিৎ মণ্ডল ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় সোমবার তারা সাতক্ষীরা আদালতে হাজির হয়ে পুনরায় জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
গত ২৫ মে রাতে শ্যামনগর থানায় মামলাটি করেন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান আর-রাদ করপোরেশনের আইন কর্মকর্তা মো. জাল উদ্দিন।
মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে বুড়িগোয়ালিনী ইউপি চেয়ারম্যান ও শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ ও শুরা সদস্য হাজী মো. নজরুল ইসলামকে। মামলায় তার ছেলে আব্দুর রহমান, স্থানীয় বিশ্বজিৎ মণ্ডলসহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়।
এজাহারে বলা হয়, শ্যামনগরের পূর্ব দুর্গাবাটি এলাকায় জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ নির্মাণ করছে ডিএল-উন্নয়ন (জেভি) ও ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডের পক্ষে আর-রাদ করপোরেশন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের আগস্ট থেকে প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের কাছে চাঁদা দাবি এবং নির্মাণকাজ বন্ধের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। চাঁদা না দেওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল থেকে প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে যায়।
এজাহারে আরও বলা হয়, ১৯ মে রাতে প্রকল্প এলাকায় গিয়ে হাজী মো. নজরুল ইসলাম ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। একই সঙ্গে কাজ চালিয়ে গেলে প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
এরপর ২৩ মে দুপুরে হাজী মো. নজরুল ইসলাম, তার ছেলে আব্দুর রহমানসহ কয়েকজন প্রকল্প এলাকায় গিয়ে প্রকৌশলী জাহিদ হাসানকে মারধর করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। তাকে বাধা দিতে গিয়ে কিউরিং ম্যান ফেরদৌসও মারধরের শিকার হন।
এ সময় প্রকৌশলী জাহিদ হাসানের একটি অ্যাপল স্মার্টওয়াচ ও মানিব্যাগ নিয়ে যাওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পুরো ঘটনা প্রকল্প এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন মামলার বাদী।
হামলায় আহত প্রকৌশলী জাহিদ হাসান ও ফেরদৌসকে পরে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
তবে মামলার প্রধান আসামি হাজী মো. নজরুল ইসলাম শুরু থেকেই তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তার দাবি, তাকে জড়িয়ে করা অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
হামলার সময় তিনি ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট অধিবেশনে ছিলেন বলেও দাবি করেছেন হাজী মো. নজরুল ইসলাম।
চাঁদাবাজির মামলায় জামায়াত নেতা ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম কারাগারে সংবাদদাতা : ইয়াছিন মোড়ল সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে চাঁদাবাজি, হামলা ও বিস্তারিত

বিভাগীয় শহর খুলনায় বিদ্যুতের তীব্র সংকট, দিনের অর্ধেক সময়ও থাকছে না বিদ্যুৎ
লোডশেডিংয়ে চরম দুর্ভোগে নগরবাসী, দুশ্চিন্তায় অনলাইনভিত্তিক কর্মজীবীরা
খুলনা প্রতিনিধি:
বিভাগীয় শহর খুলনায় বিদ্যুতের তীব্র লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। দিনের দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে ঘন ঘন ও দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দিনের বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ফলে বাসাবাড়ির স্বাভাবিক কাজকর্ম থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায়ও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন অনলাইনভিত্তিক কর্মজীবীরা। ফ্রিল্যান্সার, ভিডিও এডিটর, গ্রাফিক ডিজাইনার, অনলাইন উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের রিমোট কর্মীরা বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেটের ওপর নির্ভর করে কাজ করেন। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় অনেকেই সময়মতো কাজ জমা দিতে পারছেন না। গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন মিটিং ও কাজের সময় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় তৈরি হচ্ছে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা।
একজন অনলাইনভিত্তিক কর্মজীবী বলেন, “আমাদের কাজের বড় একটি অংশ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হয়। বিদ্যুৎ চলে গেলে ব্যাকআপ থাকলেও দীর্ঘ সময় কাজ চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এতে কাজের সময়সূচি ও আয়ের ওপর প্রভাব পড়ছে।”
এদিকে শিক্ষার্থীরাও পড়াশোনা নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন। বিশেষ করে রাতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে দোকানপাট, ছোট ব্যবসা ও বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানেও বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব পড়ছে।
নগরবাসীর দাবি, লোডশেডিংয়ের সময়সূচি ও বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিস্থিতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে স্পষ্ট তথ্য জানানো হোক। পাশাপাশি দ্রুত বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি করে দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিং বন্ধের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হোক।
বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে খুলনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগীয় শহরে জনজীবন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন নগরবাসী।
বিভাগীয় শহর খুলনায় বিদ্যুতের তীব্র সংকট, দিনের অর্ধেক সময়ও থাকছে না বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ে চরম দুর্ভোগে নগরবাসী, দুশ্চিন্তায় অনলাইনভিত্তিক কর্মজীবীরা খুলনা প্রতিনিধি: বিভাগীয় শহর খুলনায় বিদ্যুতের তীব্র লোডশেডিংয়ে চরম বিস্তারিত

সৌদিতে সোফা কারখানার আগুনে নিহতদের মধ্যে নওগাঁ- আত্রাইয়ের ১৩ জন
মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের বরাতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় রাত দেড়টায় বলেছে, ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঘটনাস্থলে ১৬ জন মারা যাওয়ার তথ্য দিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা। আগুনে পুড়ে যাওয়ায় মৃতদেহ শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সৌদি আরবের রিয়াদে একটি সোফা কারখানায় আগুনে দগ্ধ হয়ে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ১০ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে স্হানীয় প্রশাসন। পাশের নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার আরও তিন প্রবাসী নিহত হয়েছেন।
রোববার স্হানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে রিয়াদের শিফা থানাধীন মুসা সানাইয়া শিল্প এলাকায় এ আগুন লাগে।
রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের বরাতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় রাত দেড়টায় বলেছে, ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডে ঘটনাস্থলে ১৬ জন মারা যাওয়ার তথ্য দিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা। আগুনে পুড়ে যাওয়ায় মৃতদেহ শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলামের পাঠানো বার্তায় বলা হয়, “স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস এখনো উদ্ধার কাজ পরিচালনা করছে। অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়ায় মৃতদেহসমূহ শনাক্ত করা দুরূহ হয়ে পড়েছে।”
দূতাবাসের কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ করার তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, “নিহতদের নাম পরিচয় শনাক্তে তারা স্থানীয় সৌদি কর্তৃপক্ষের সাথে নিবিড় যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে।”
এর আগে নিহতদের স্বজনদের বরাতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রিতিনিধিরা বলছেন, রোববার দুপুরের দিকে ওই সোফা কারখানায় আগুন লাগে। এতে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়। বাংলাদেশি ছাড়াও অন্য দেশের নাগরিক আছে কিনা সেটা অবশ্য স্বজনরা বলতে পারেননি।
রাত ১টার দিকে সৌদি দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম) মুহাম্মদ রেজায়ে রাব্বীর বরাতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল বলেছিলেন, সৌদির কারখানায় মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা তখনও তারা নিশ্চিত হতে পারেননি। প্রকৃত সংখ্যা পাওয়া গেলে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।
শরীফুল বলেন, শ্রম কাউন্সেলরসহ দূতাবাসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে রয়েছেন।
দুর্ঘটনার বিষয়ে নিহতের স্বজনদের বরাতে নাটোরের খাজুরা ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বলেন, সৌদি আরবের সময় দুপুর ২টার দিকে সোফা কারখানায় সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। তাদের একজন চুল কাটাতে বাইরে গিয়েছিলেন। তিনি ফিরে এসে আগুন দেখে চিৎকার করলে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিস ও প্রশাসনে খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের পরে ১৭ জনের মরদেহ শোয়া অবস্থায় উদ্ধার করে।
এদিকে রাত সোয়া ১টার দিকে আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাতজনের মৃত্যুর বিষয়টি জানা গিয়েছিল। পরে ১০ জনের মৃত্যুর বিষয়টি জানা যায়। এখনও উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তবে এই মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
নওগাঁ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, এখনও পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যুর বিষয়টি জানা গেছে। ইউএনও খোঁজ নিতে বের হয়েছেন।
আত্রাইয়ের ইউএনও বলেন, নিহতদের মধ্যে উপজেলার গন্ডগোহালী গ্রামের চারজন, বিষা গ্রামের দুজন এবং পারকাসুন্দা গ্রামের একজনের মৃত্যুর খবর প্রথমে পাওয়া যায়। পরে আরও মৃত্যুর খবর আসে।
আত্রাই উপজেলার নিহতদের প্রাথমিক ভাবে তালিকা পাওয়া যায়।
১. মো. জালাল — পিতা: মৃত তমেজ উদ্দিন — গ্রাম: পারকাসুন্দা, পাঁচুপুর ইউনিয়ন।
২. মো. সুমন হোসেন — পিতা: বাদল — গ্রাম: ডুবাই, বিশা ইউনিয়ন।
৩. মো. হাসিবুল হাসান শুভ — পিতা: চঞ্চল — গ্রাম: ডুবাই, বিশা ইউনিয়ন।
৪. মো. মোহন প্রামাণিক — পিতা: গুফফার প্রামাণিক — গ্রাম: গন্ডগোহালী, কালিকাপুর ইউনিয়ন।
৫. মো. সুমুন প্রামাণিক — পিতা: গুফফার প্রামাণিক — গ্রাম: গন্ডগোহালী, কালিকাপুর ইউনিয়ন।
৬. মো. রুবেল হোসেন — পিতা: জান্নার — গ্রাম: গন্ডগোহালী, কালিকাপুর ইউনিয়ন।
৭. মো. কলিউদ্দিন প্রামাণিক — পিতা: ফজলু — গ্রাম: গন্ডগোহালী, কালিকাপুর ইউনিয়ন।
৮. মো. সাগর হোসেন — পিতার নাম: উল্লেখ নেই — গ্রাম: সাধনগর, বিশা ইউনিয়ন।
৯. মো. ফরিদ শেখ — পিতা: ময়েন শেখ — গ্রাম: উদনপৈ, শাহগোলা ইউনিয়ন।
১০. মো. মজিদুল ইসলাম — পিতা: মজনু মিয়া — গ্রাম: মাদবপুর, বিশা ইউনিয়ন।
১১.সোহেল রানা,পিতা- অজ্ঞাত, সাং ডুবাই, বিশা ইউনিয়ন।
১২।মো.মিনহাজ, পিতা- অজ্ঞাত, সাং মধ্যেবোয়ালিয়া, পাচুপুর ইউনিয়ন।
১৩।মো. মহিদুল ইসলাম, পিতা- অজ্ঞাত,সাং খরসতী, বিশা ইউনিয়ন।
উপজেলাজুড়ে এমন মৃত্যুর খবরে গ্রামে গ্রামে শোকবিহ্বল হয়ে পড়েছেন সবাই। নিহতের গ্রামের বাড়িতে শোকাতুর হয়ে পড়েছেন স্বজনরা।
অপরদিকে ওই সোফা কারখানায় লাগা আগুনে নিহতদের মধ্যে নাটোরের নলডাঙ্গার খাজুরা এলাকার তিন বাসিন্দা থাকার তথ্য দিয়েছেন খাজুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসেন।
নিহতদের স্বজনদের বরাতে তিনি এ খবর দেন।
নিহতরা হলেন- খাজুরা শ্রীপুরপাড়া এলাকার গোলাম রাব্বানীর ছেলে সাব্বির হোসেন সোহাগ, দিঘীর পাড় এলাকার জাকের হোসেনের ছেলে শামীম হোসেন এবং মহিষডাঙ্গা এলাকার আসলাম আলীর ছেলে রবিউল আওয়াল হৃদয়।
ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, “একসাথে এতগুলো প্রবাসী ভাইয়ের চিরতরে হারিয়ে যাওয়া খুবই শোকের ও বেদনার।”
এই দিকে ক্ষতিপূরণ দেবে বলছে মন্ত্রণালয়
এ দুর্ঘটনার খবর জানার পর থেকে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জরিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা শুরু করে। তাদের মাধ্যমে দুর্ঘটনাস্থল ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে।
নিহত প্রবাসীদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
পাশাপাশি নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার তথ্যও দেন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ নির্দেশ দিয়েছেন বলে তুলে ধরেন তিনি।
নিহত ও আহতদের পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সরকারি সহায়তা দেওয়ার কথাও বলেছেন মন্ত্রী।
প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক।
নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোক বার্তায় তিনি বলেন, “জীবিকার তাগিদে সুদূর সৌদি আরবে কর্মরত আমাদের এই প্রবাসী ভাইদের এমন অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। দেশের অর্থনীতিতে তাদের অবদান অপরিসীম। তাদের এই আকস্মিক প্রয়াণে আমি গভীর শোকাহত এবং নিহতের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি।”
রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসও এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা।
নওগাঁর জেলা প্রশাসক বলেন, সৌদি আরবে কর্মরত এই প্রবাসীদের এমন মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। দেশের অর্থনীতিতে তাদের অবদান অপরিসীম। তাদের এই আকস্মিক প্রয়াণে তিনি গভীর শোকাহত। নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি তিনি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।
মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
মোবাইল নং- ০১৭২৪২৫৫৭০৬
তারিখঃ ১০-৮-২০২৬
সৌদিতে সোফা কারখানার আগুনে নিহতদের মধ্যে নওগাঁ- আত্রাইয়ের ১৩ জন মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল বিশেষ প্রতিনিধিঃ রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের বরাতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় রাত দেড়টায় বলেছে, ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঘটনাস্থলে বিস্তারিত

নীলফামারীতে জেলা পুলিশের কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা ও পেশাদারিত্বের উপর গুরুত্বআরোপ
স্টাফ রিপোর্টার
মাইদুল ইসলাম
পুলিশ সদস্যের শৃঙ্খলা, পরিছছ্চ্ছন্নতা, পোশাকের সঠিক ব্যবহার ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে নীলফামারী জেলা পুলিশের উদ্যোগে কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৯ আগস্ট) সকাল ৯ টায় নীলফামারী পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে অনুষ্ঠিত এ কিট প্যারেডে জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের অফিসার ও ফোর্স সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। কিড প্যারেডে অভিবাদন গ্রহণ ও পুলিশ সদস্যের কিট সামগ্রী পরিদর্শন করেন নীলফামারীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
(প্রশাসক ও অর্থ) মোহসিন। এই সময় তিনি পুলিশ সদস্যদের ব্যবহৃত কিট সামগ্রীর মান, যথাযথ ব্যবহার ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের জিএস মার্ক প্রদান করা হয়। এছাড়াও যেসব পুলিশ সদস্যের কিট সামগ্রী পাওনা রয়েছে, তাদের সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে প্রয়োজনীয় কিট সামগ্রী সংগ্রহ করার নির্দেশ দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। কিট পরিদর্শন শেষে পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার কোন বিকল্প নেই। ড্রেস রুলস যথাযথভাবে মেনে পোশাক পরিধান, নিয়মিত পিটি-প্যারেডে অংশগ্রহণ, স্বাস্থ্য সচেতনতা,
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং খেলাধুলার মাধ্যমে শারীরিক দক্ষতা ধরে রাখার উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। একই সঙ্গে জনগণের সেবায় আরও আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহসিন। কিট প্যারেডে সরকারি পুলিশ সুপার (প্রবিঃ) জ্যোতির্ময় ঘোষ, সহকারী পুলিশ সুপার (প্রবিঃ) মোঃ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ খান, আরআই, পুলিশ লাইন্স নীলফামারী সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পথ মর্যাদার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নীলফামারীতে জেলা পুলিশের কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা ও পেশাদারিত্বের উপর গুরুত্বআরোপ স্টাফ রিপোর্টার মাইদুল ইসলাম পুলিশ সদস্যের শৃঙ্খলা, পরিছছ্চ্ছন্নতা, পোশাকের সঠিক ব্যবহার ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে নীলফামারী জেলা বিস্তারিত

ভূল্লী দারাজগাঁওয়ে বিয়ের দাবিতে এসএসসি পরীক্ষার্থী সুমাইয়ার অনশন
মোঃ আশরাফুল ইসলাম
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লী উপজেলার দেবীপুর ইউনিয়নে দারাজগাঁও খাঁনবাড়ী গ্রামে সাকিব নামে এক যুবকের বাড়ীতে বিয়ের দাবিতে সুমাইয়া নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী অনশন করতেছে।
রবিবার দুপুর থেকে প্রেমিক সাকিবের বাড়ীতে বিয়ের দাবিতে অনশন করেন সুমাইয়া।
প্রেমিক সাকিব দেবীপুর ইউনিয়নের দারাজগাঁও খাঁনবাড়ী এলাকার বাসিন্দা ধুকরু মোহাম্মদ এর ছেলে।
জানা যায়, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিকা সুমাইয়ার সাথে দীর্ঘদিন থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন সাকিব।
এই সুযোগে প্রেমিকা সুমাইয়াকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে নিয়ে যাইতো সাকিব।
হঠাৎ করে যোগাযোগ বন্ধ করে দিলে আজ তার বাড়ীতে বিয়ের দাবিতে অনশন করেন সুমাইয়া।
এ সময় তাকে মারধর করে বাড়ী থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন সাকিবের পরিবারের সদস্যরা।
ভূল্লী দারাজগাঁওয়ে বিয়ের দাবিতে এসএসসি পরীক্ষার্থী সুমাইয়ার অনশন মোঃ আশরাফুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লী উপজেলার দেবীপুর ইউনিয়নে দারাজগাঁও খাঁনবাড়ী গ্রামে সাকিব নামে এক যুবকের বাড়ীতে বিয়ের দাবিতে বিস্তারিত

