ঈদের ছুটিতে ফাঁকা রাজধানী, দ্বিতীয় দিনেও ঘরমুখো মানুষের ভিড় - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
ঈদের ছুটিতে ফাঁকা রাজধানী, দ্বিতীয় দিনেও ঘরমুখো মানুষের ভিড়

ঈদের ছুটিতে ফাঁকা রাজধানী, দ্বিতীয় দিনেও ঘরমুখো মানুষের ভিড়

ঈদের ছুটির আমেজে রাজধানী ঢাকা এখন কোলাহলমুক্ত ও অনেকটাই ফাঁকা। এমন পরিস্থিতিতে ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (২৯ মে)-ও ঢাকাছাড়া মানুষের ভিড় দেখা গেছে বিভিন্ন বাস টার্মিনাল ও কাউন্টারে।

 

যারা কাজের ব্যস্ততা কিংবা ছুটির সীমাবদ্ধতার কারণে ঈদের আগে বাড়ি যেতে পারেননি, তারা এখন প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে গ্রামের পথে রওনা হচ্ছেন।

 

রাজধানীর বিভিন্ন বাস কাউন্টারে যাত্রীদের অপেক্ষা করতে দেখা যায়। যাত্রীরা জানান, সড়কে যানজট কম থাকায় স্বস্তিতে ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন তারা। কেউ কেউ আবার ঈদের প্রথম দিন ঢাকায় পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে দ্বিতীয় দিনে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করছেন।

 

এছাড়া নির্ধারিত বাসস্ট্যান্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন সড়কের মোড় থেকেও যাত্রীদের বাসে উঠতে দেখা গেছে।

 


সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। তবে এ সময়ে হামের নিশ্চিত সংক্রমণে কারো মৃত্যু হয়নি।

 

এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৯৪।

 

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ হিসাব সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত। হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ৯০। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫০৪ জন।

 

গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২ নিশ্চিত হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ১৩৬ জন।

 

একই সময়ে এক হাজার ২৯২ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এতে করে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৩৬২ জনে।

হামের উপসর্গে প্রাণ হারাল আরও ৬ শিশু

দেশের ব্যাংক খাতে গত তিন মাসে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ বেড়েছে। আর মার্চ শেষে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছাড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।

 

মঙ্গলবার (২ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

 

এছাড়া দেশে চলতি মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে তিন হাজার ৭৫৩ কোটি টাকা। নীতি সহায়তা ও নির্বাচনের আগে প্রার্থীরা ঋণ পুনঃতপশিল করে নেওয়ার পরেও খেলাপি ঋণ বাড়ার ঘটনা ঘটল।

 

মার্চ শেষে দেশে মোট খেলাপির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকায়। যা মোট বিতরণকৃত ঋণের ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ।

 

তিন মাসে খেলাপির হার বেড়েছে ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ। আর গত বছরের ডিসেম্বর শেষে খেলাপির হার ছিল ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ।

তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার কোটি টাকা

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ডেঙ্গু রোগীদের ফ্রি চিকিৎসা দেওয়া হবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে কঠোরভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

 

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে বেসরকারি হাসপাতাল এবং ডায়গনস্টিক সেন্টারের মালিকদের সাথে ডেঙ্গু প্রতিরোধ নিয়ে এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে ১০ শতাংশ শয্যা (বেড) ফাঁকা রাখা হবে। পাশাপাশি পরীক্ষায় ৮০ শতাংশ ছাড় পাবে রোগীরা। সেই সঙ্গে তাদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হবে। তবে খাবার ও ওষুধের খরচ রোগীকেই বহন করতে হবে।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মশার লার্ভা ধ্বংসের জন্য বিশেষ ওষুধ ব্যবহার করা হবে। এখন পর্যন্ত চারজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এটা একটা জাতীয় সমস্যা এটা মোকাবেলায় শুধু সরকার নয়, সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

 

ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগামী শনিবার থেকে সারাদেশে তিনমাসের সচেতনতা কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সঠিকভাবে যেন এই রোগের চিকিৎসা দিতে পারেন এজন্য চিকিৎসকদের ডেঙ্গু প্রোটোকলের উপর প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

 

একইসাথে সিটি কর্পোরেশন এলাকার প্রতিটি বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানে মশার প্রজনন যেন না হয় সে বিষয়ে কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে কাজ করা হবে।

ডেঙ্গুতে বেড ও চিকিৎসা ফ্রি, পরীক্ষার খরচে ৮০ শতাংশ ছাড়ের নির্দেশ

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের সর্বোচ্চ শাস্তি ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন মামলার বাদী ও ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।

 

মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ৯টার দিকে ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে মামলার প্রথম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আগে তিনি এ দাবি জানান।

 

এদিন আদালতে মামলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিবেন। এসব সাক্ষীর মধ্যে রয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রতিবেশীরা।

 

এদিকে সকাল পৌনে নয়টায় মামলার প্রধান আসামী সোহেল রানাকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জ থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়েছে। তাদের ঢাকা মহানগর আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে।

 

এর আগে সোমবার আদালত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা এবং মরদেহ গোপনের অভিযোগে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই দিন বিকেলে মামলার বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়।

 

গত ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নেয়। এর আগে একই দিনে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। এমামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

 

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মে দুপুরে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, একই ভবনের পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা ৩২ বছর বয়সী সোহেল রানা শিশুটিকে হত্যার পর মরদেহ বিকৃত করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে তিনি ফ্ল্যাটের গ্রিল কেটে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

ঘটনার দিনই রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

আদালতে এসে ন্যায়বিচার চাইলেন রামিসার বাবা

সিলেটে এবার হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক নার্সের মৃত্যু হয়েছে।

 

সোমবার (১ জুন, ২০২৬) শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২২ বছর বয়সী ওই নার্সের মৃত্যু হয়।

 

তিনি সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভপুর উপজেলার বাসিন্দা এবং সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মিডওয়াইফারি ইন্টার্ন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

 

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে তিনি হামের উপসর্গে অসুস্থ ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে প্রথমে তাকে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার আরও অবনতি হলে রোববার (৩১ মে) দুপুরে তাকে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)- তে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

 

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মিজানুর রহমান।

 

তিনি জানান, হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও ওই তরুণীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

 

এদিকে এঘটনায় স্বাস্থ্য বিভাগ ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও তার অকাল মুত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সংক্রান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

 

এ ব্যাপারে সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মাহবুবুল আলম বলেন, হামের উপসর্গ ছাড়াও ওই তরুণীর অন্যান্য জটিল সমস্যা ছিল। তবে এটি হচ্ছে হাম উপসর্গে সিলেট বিভাগের ২২ বছর বয়স্ক কারও মৃত্যুএর কারণ অনুসন্ধান করা হবে।

 

এদিকে সিলেটে হাম উপসর্গে আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় প্রায় দেড় বছরের শিশু ইরফান সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার বাসিন্দা। এনিয়ে সিলেট বিভাগে হামে ও উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১ জনে।

 

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে নতুন করে ল্যাব পরীক্ষায় কারও হাম শনাক্ত না হলেও এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৮ জন। সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. মাহবুবুল আলম।

 

বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মোট ২৫৬ জন রোগী।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারী থেকে ১ জুন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হামে ও উপসর্গে ৬১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে ৪ জনের হাম নিশ্চিত হলেও বাকীরা উপসর্গে মারা গেছেন।

 

এদিকে বিভাগে এখন পর্যন্ত ১৬৫ জন ল্যাব-নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৮৬ জন সুনামগঞ্জ জেলার, সিলেটের ৪২, হবিগঞ্জের ২১ ও মৌলভীবাজারের ১৬।

 

বর্তমানে সিলেট বিভাগে হাসপাতালে ভর্তি সন্দেহভাজন ২৫৬ রোগীর মধ্যে- সর্বোচ্চ ৮৩ জন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭৫, উইমেন্স মেডিকেল হাসপাতালে ২, লায়ন্স শিশু হাসপাতালে ৩, রাগীব রাবেয়া মেডিকেল হাসপাতালে ১৬, মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ৩, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ১৭, পার্কভিউ মেডিকেল হাসপাতালে ৪, শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ২২, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১৮ ও মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১০ জন শিশু ভর্তি রয়েছেন।

 

এবার হাম উপসর্গে নার্সের মৃত্যু: এক জেলায় হাসপাতালে ভর্তি ৭৮

ডেস্ক রিপোর্টঃ মোঃ ওমর ফারুক

 

কুমিল্লা জেলা পরিষদের ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ নিয়ে প্রশাসকের বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। রোববার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক থেকে লাইভে এসে ওই বরাদ্দের ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি। দীর্ঘ ৪৩ মিনিটের ভিডিওতে হাতেকলমে ১০ কোটি টাকার হিসাব দিয়েছেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

 

ফেসবুক লাইভে হাসনাত বলেছেন, ‘রাজস্ব বরাদ্দ ও এডিপি বরাদ্দের পার্থক্য না বুঝে একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দিয়েছেন। এসব অর্থ প্রকল্পে ব্যয় করা হয়েছে। ব্যক্তি হিসেবে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।’

 

তিনি বলেন, ‘এটি স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেওয়া বিশেষ বরাদ্দ, যেটা জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রশাসক রাজস্ব খাত আর বিশেষ বরাদ্দ সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে এ কথা বলতেন না। আর উনি এমনভাবে বলেছেন, মনে হচ্ছে টাকা আমরা নিজেরা পকেটে নিয়ে গেছি। অথচ দেবিদ্বারের বিভিন্ন কাজে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’

 

এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘এখানে তো লুকানোর কিছু নেই, সব কিছু ওয়েবসাইটে আছে। এটি চাইলে যে কেউ দেখতে পারে। আমি আগেও এসব বরাদ্দ নিয়ে লাইভে এসে হিসাব দিয়েছি।’

 

হাসনাত বলেন, ‘১০ কোটি টাকার কথা বলা হচ্ছে। আমি যখন নির্বাচিত হইনি-অর্থাৎ ২০২৪-২৫ সালে এডিপি সাধারণ, এডিপি বিশেষ এবং রাজস্ব নিজস্বসহ সব মিলিয়ে ৮ কোটি ৪২ লাখ টাকার প্রজেক্ট দেবিদ্বারে দেওয়া হয়েছে। এক টাকা কম না, এক টাকা বেশিও না। ১৪৮টি খাতে এসব প্রজেক্ট দেওয়া হয়েছে। একটা প্রজেক্টও পূর্ণাঙ্গ কমপ্লিট হয়নি। এগুলো আপনারা অনলাইনে গেলেই দেখতে পাবেন।’

 

তিনি বলেন, ‘অথচ জেলা প্রশাসক বললেন আমি ১০ কোটি টাকা নিয়ে গেছি। গত দুই দিন মিডিয়া ট্রায়াল চালানো হলো আমরা টাকা নিয়ে গিয়েছি, টাকার কথা মানুষের কাছে লুকিয়েছি। এটা তো লুকানোর কিছু নেই, সব কিছু ওয়েবসাইটে। ইটস ভেরি ওপেন, ব্রড ডেলাইট ওপেন।’

 

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের এই মুখ্য সংগঠক বলেন, ‘যারা প্রোপাগান্ডা করেছেন-আপনাদের যদি চর্মচক্ষু থাকে এবং একটু জ্ঞানবুদ্ধি থাকে শুধু ইন্টারনেটে সার্চ করলেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায়। কোন খাতে কয় টাকা এবং কোন প্রক্রিয়ায় গেছে- চাইলেই সব কিছু বের করা সম্ভব।’

 

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আমার এলাকার যতগুলা বরাদ্দ বাজেট এসেছে সম্প্রতি লাইভে সবগুলো বিস্তারিত তুলে ধরেছি। এমনটি আমার পেজ ‘জবাবদিহিতায়’য প্রতিনিয়ত আপডেট জানানো হয়। সবার বাসায় মোবাইল, ইন্টারনেট ও ফেসবুক আছে। সার্চ করলেই যে কেউ ডিটেইল দেখতে পারেন। এখন এটাকে যেভাবে ফ্রেমিং করা হলো এটা খুবই দুঃখজনক।’

কুমিল্লা জেলা পরিষদের ১০ কোটি টাকার হিসাব দিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পশ্চিমবঙ্গের সদ্য সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বিস্ফোরক বক্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোড়ন শুরু হয়েছে ভারত ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে।

 

কলকাতার ঝর্ণা মঞ্চে মঙ্গলবার (২ জুন) বিজেপির বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি থেকে তিনি দাবি করেছেন, গত বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন ব্যক্তি মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গে পালিয়ে এসেছিল। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স তাদের গ্রেফতার করলেও পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে নিষেধ করা হয়।

 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দেশের স্বার্থে, নিরাপত্তার স্বার্থে এবং দুই দেশের সম্পর্কের স্বার্থে তিনি এতদিন এ বিষয়ে মুখ খোলেননি। তবে বর্তমানে যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে অনেক অপ্রকাশিত বিষয় সামনে আনার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, গ্রেফতারের পর বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে রাজ্য পুলিশ প্রশাসনকে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। তিনি বলেন, চাইলে তিনি অনেক আগেই বিষয়টি নিয়ে সরব হতে পারতেন, কিন্তু দেশের বৃহত্তর স্বার্থে তা করেননি।

 

তার বক্তব্যের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অংশ ছিল বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। মমতা বলেন, তিনি যদি এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে শুরু করেন, তাহলে বাংলাদেশেও বড় ধরনের রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। সেই কারণেই তিনি এখনও সংযত অবস্থান বজায় রেখেছেন।

 

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর মুখে এ ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ সীমান্ত নিরাপত্তা, আন্তঃরাষ্ট্র সম্পর্ক এবং গোয়েন্দা তৎপরতা সংক্রান্ত বিষয় সাধারণত প্রকাশ্য রাজনৈতিক মঞ্চে খুব কমই উঠে আসে। এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। সম্প্রতি সোনারপুরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই দলের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক লড়াই শুরু হয়েছে।

 

তৃণমূলের অভিযোগ, বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের পরিকল্পিতভাবে নিশানা করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিরোধী মতকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে। তার দাবি, দীর্ঘদিন ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করলেও এখন আর নীরব থাকার সুযোগ নেই। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, কয়েকদিন আগেই তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষার প্রশ্নে তিনি রাস্তায় নামবেন। সেই ঘোষণার ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবারের কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরাসরি রাজনৈতিক আক্রমণ শানান তিনি। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, মমতার এই বক্তব্য কেবল পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বাংলাদেশ প্রসঙ্গ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত দাবি সামনে আসায় বিষয়টি জাতীয় পর্যায়েও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসতে পারে। এদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই নির্দিষ্ট অভিযোগের বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পেছনে কী তথ্য রয়েছে এবং আগামী দিনে তিনি এ বিষয়ে আরও কোনও তথ্য প্রকাশ করেন কি না, তা নিয়ে।

 

কলকাতার রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। দীর্ঘদিন নীরব থাকার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন এখন এই প্রসঙ্গ সামনে আনলেন। সেই উত্তর খুঁজতেই ব্যস্ত রাজনৈতিক মহল।

শহীদ হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন মমতা

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

 

আজ মঙ্গলবার (২ জুন) জাতিসংঘের সদর দফতরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিসকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি।

 

জাতিসংঘের সদর দফতরে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এতে ১৯০ টি সদস্য রাষ্ট্র ভোট দেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান পেয়েছেন ৯৯ টি ভোট এবং সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস পেয়েছেন ৯১ টি ভোট। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাওয়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন-এর সভাপতিত্ব এবং অধিবেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন ড. খলিলুর রহমান।

 

এবারের নির্বাচনে ড. খলিলুর রহমানের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে দ্বিতীয়বারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি পদে বসলো বাংলাদেশ।

 

এর আগে, ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও রাজনীতিবিদ হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের পদত্যাগের দাবিতে নীলফামারীতে মানববন্ধন

 

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

০২/জুন/২০২৬: ইসলামী ব্যাংকের সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ খুরশিদ আলমের পদত্যাগের দাবীতে নীলফামারীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২ জুন ) দুপুর ১২টায় ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম নীলফামারী জেলা শাখার উদ্যোগে ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম নীলফামারী জেলা শাখার সদস্য সচিব আরিফ আল মামুনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক মোস্তাকিমুল ইসলাম, সদস্য মাওলানা নাজমুল হুদা, ময়নুল ইসলাম, এনামুল হক প্রমুখ। বক্তারা বলেন অবিলম্বে ইসলামী ব্যাংক থেকে ব্যাংক লুটেরা এস আলম গ্রুপের উত্তরসূরিদের অপসারণ করতে হবে এবং ফ্যাসিবাদদের দোসর খুরশিদ আলমের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ বাতিল করতে হবে। তা না হলে ইসলামী ব্যাংকের কোটি কোটি গ্রাহক রাজপথে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে। ইসলামী ব্যাংক নীলফামারী শাখা কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেয়।

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের পদত্যাগের দাবিতে নীলফামারীতে মানববন্ধন

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। তবে এ সময়ে হামের নিশ্চিত সংক্রমণে কারো মৃত্যু হয়নি।

 

এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৯৪।

 

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ হিসাব সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত। হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ৯০। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫০৪ জন।

 

গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২ নিশ্চিত হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ১৩৬ জন।

 

একই সময়ে এক হাজার ২৯২ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এতে করে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৩৬২ জনে।

হামের উপসর্গে প্রাণ হারাল আরও ৬ শিশু

দেশের ব্যাংক খাতে গত তিন মাসে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ বেড়েছে। আর মার্চ শেষে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছাড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।

 

মঙ্গলবার (২ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

 

এছাড়া দেশে চলতি মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে তিন হাজার ৭৫৩ কোটি টাকা। নীতি সহায়তা ও নির্বাচনের আগে প্রার্থীরা ঋণ পুনঃতপশিল করে নেওয়ার পরেও খেলাপি ঋণ বাড়ার ঘটনা ঘটল।

 

মার্চ শেষে দেশে মোট খেলাপির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকায়। যা মোট বিতরণকৃত ঋণের ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ।

 

তিন মাসে খেলাপির হার বেড়েছে ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ। আর গত বছরের ডিসেম্বর শেষে খেলাপির হার ছিল ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ।

তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার কোটি টাকা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ পুশইন বা পুশব্যাকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ অবস্থান নিয়েছে। তবে বৈধ প্রক্রিয়ায় পরিচয় যাচাই শেষে কোনো বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠানোর বিষয় হলে তা আইনানুগভাবে বিবেচনা করা হবে।

 

মঙ্গলবার (২ জুন) সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

 

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক পর্যায়ের আসন্ন বৈঠকে সীমান্তসংক্রান্ত সব বিষয় উত্থাপন করা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

এসময় সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বর্ডার কিলিং’ বলতে সাধারণত সীমান্ত বা শূন্যরেখায় এক দেশের বাহিনীর হাতে অন্য দেশের নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনাকে বোঝায়। কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে অন্য দেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে সেখানে আইন ভঙ্গ করলে সংশ্লিষ্ট দেশ তাদের নিজস্ব আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারে।

 

সংবাদ সম্মেলনে জঙ্গল সলিমপুরের সন্ত্রাসীদের নির্মূলে সরকারের কোনো বিশেষ পরিকল্পনা আছে কিনা? এমন প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা আমাদের পরিকল্পনাটা এখনই ফাঁস করতে চাই না। কারণ এগুলো তথ্য ফাঁস হয়ে গেলে আমাদের রেসকিউ অভিযান ও অপারেশনে অসুবিধা হয়।

সীমান্তে অবৈধ পুশইন-পুশব্যাকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া হয়েছে

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন হতে পারে: শিক্ষামন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ডেঙ্গু রোগীদের ফ্রি চিকিৎসা দেওয়া হবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে কঠোরভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

 

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে বেসরকারি হাসপাতাল এবং ডায়গনস্টিক সেন্টারের মালিকদের সাথে ডেঙ্গু প্রতিরোধ নিয়ে এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে ১০ শতাংশ শয্যা (বেড) ফাঁকা রাখা হবে। পাশাপাশি পরীক্ষায় ৮০ শতাংশ ছাড় পাবে রোগীরা। সেই সঙ্গে তাদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হবে। তবে খাবার ও ওষুধের খরচ রোগীকেই বহন করতে হবে।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মশার লার্ভা ধ্বংসের জন্য বিশেষ ওষুধ ব্যবহার করা হবে। এখন পর্যন্ত চারজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এটা একটা জাতীয় সমস্যা এটা মোকাবেলায় শুধু সরকার নয়, সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

 

ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগামী শনিবার থেকে সারাদেশে তিনমাসের সচেতনতা কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সঠিকভাবে যেন এই রোগের চিকিৎসা দিতে পারেন এজন্য চিকিৎসকদের ডেঙ্গু প্রোটোকলের উপর প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

 

একইসাথে সিটি কর্পোরেশন এলাকার প্রতিটি বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানে মশার প্রজনন যেন না হয় সে বিষয়ে কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে কাজ করা হবে।

ডেঙ্গুতে বেড ও চিকিৎসা ফ্রি, পরীক্ষার খরচে ৮০ শতাংশ ছাড়ের নির্দেশ

ফেনীতে এক বাবার আবেদন: মেয়ের নিরাপত্তায় বৈধ শটগান চাই

 

 

প্রতিনিধি:রহিম আলী জাবেদ

 

ফেনীর সোনাগাজীতে কন্যা সন্তানের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বৈধভাবে একটি শটগানের লাইসেন্স ও অস্ত্র বরাদ্দ চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন এক ব্যক্তি। সম্প্রতি

 

আবেদনপত্রটির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

 

আবেদনকারী তানজিরুল ইসলাম সজীব উপজেলার চরদরবেশ ইউনিয়নের বাসিন্দা। গত ৩১ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠানো আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে তার সাত বছর বয়সী

 

একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। দেশের বর্তমান সামাজিক পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষাপটে সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন।

 

আবেদনে তিনি বলেন, একজন দায়িত্বশীল বাবা হিসেবে পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আত্মরক্ষার স্বার্থে একটি বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। এ কারণে দেশের প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করে একটি শটগানের লাইসেন্স ও অস্ত্র বরাদ্দের আবেদন জানিয়েছেন।

 

এতে আরও বলা হয়, অস্ত্রের অপব্যবহার রোধে তিনি সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবেন এবং সংশ্লিষ্ট সব আইন ও শর্ত মেনে চলবেন।

 

এদিকে আবেদনপত্রটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই এটিকে একজন পিতার সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে কেউ কেউ মনে করছেন, ব্যক্তিগত অস্ত্রের পরিবর্তে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আইনের শাসন আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

 

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পেতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই শেষে আইন অনুযায়ী যোগ্য বিবেচিত ব্যক্তিদের লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

ফেনীতে এক বাবার আবেদন: মেয়ের নিরাপত্তায় বৈধ শটগান চাই

ফেনীতে হেযবুত তাওহীদের কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান উজালিয়ার বাসিন্দারা

 

প্রতিনিধি:

 

ফেনী পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের উজালিয়া এলাকায় সম্প্রতি বিতর্কিত সংগঠন হেযবুত তাওহীদের কার্যক্রম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে উদ্বেগ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় আলেম-উলামা ও সচেতন মহল অভিযোগ করেছেন, সংগঠনটির বক্তব্য ও কার্যক্রম ইসলামের মূলধারার আকীদা-বিশ্বাসের সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ ই মে ফেনী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে উগ্রবাদী সংগঠন হেযবুত তাওহীদ একটি কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, সেখান থেকেই মুলত কর্মীরা এলাকায় এসে বিভিন্ন সভা, লিফলেট বিতরণ ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এ নিয়ে সাধারণ মুসল্লি, মাদরাসা শিক্ষক ও ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

 

এলাকার কয়েকজন মুসল্লি জানান, তাদের কিছু বক্তব্য সাধারণ মানুষের ঈমান-আকীদার মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। আমরা চাই প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখুক।

 

স্থানীয় মসজিদের ইমাম বলেন, বাংলাদেশের মুসলমানরা যুগ যুগ ধরে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক আকীদা অনুসরণ করে আসছে। বিভ্রান্তিকর মতবাদ ছড়িয়ে সমাজে ফেতনা সৃষ্টি করা কোনোভাবেই কাম্য নয়।”

 

এ বিষয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী ও ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গ প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, এলাকায় যেন বিতর্কিত এই হেযবুত তাওহীদ নামক সংগঠন বিভ্রান্তিকর কোন কার্যক্রম পরিচালনা না করে সেদিকে নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।

ফেনীতে হেযবুত তাওহীদের কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান উজালিয়ার বাসিন্দারা

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d