
হাজার, কাউকে দিয়েছিল ১৭ হাজার টাকা। কোনো এতিমখানায় ১ হাজার কেজি (১ টন) চালের বিপরীতে দেওয়া হয়েছিল ৫শ থেকে ৬শ কেজি চাল। কিন্তু গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের ১-২ দিনের মধ্যেই যুবদল নেতা মনির হোসেন মোল্লা দায় স্বীকার ও ক্ষমা চেয়ে আরো ১০-১২ হাজার করে টাকা পৌঁছে দিতে বাধ্য হয়েছে। ভবিষ্যতে এতিমদের চাল নিয়ে যেন ছিনিমিনি খেলা না হয় সেজন্য তারা স্থানীয় সাংসদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে উপজেলার সাড়ে পাঁচানী হোসাইনীয়া এতিমখানার সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি নুরুল আমীন মাষ্টার জানান, তিনি ক্ষমতাসীন দলের বড় পদে থেকেও বিষয়টি যারা নিয়ন্ত্রণ করছেন তাদেরকে বিভিন্নভাবে অনুরোধ করে সুফল পাননি। কিন্তু সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেই সমস্যার সমাধান হয়েছে।
কলাকান্দা ইউনিয়নের সাতানী নেদায়ে ইসলাম আশেকী মানঞ্জুর হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি বাহাউদ্দিন বলেন, আমার এতিমখানার এতিমদের জন্য এ মাসের প্রথম সপ্তাহে সরকারি বরাদ্দকৃত ১ টন চালের পরিবর্তে দিয়েছিল ১৫ হাজার টাকা। তবে তখন আর কিছু দিবে না বললেও গতকাল আমাকে আরো ১৫ হাজার টাকা দিয়েছে। যাদের হস্তক্ষেপে আরো ১৫ হাজার টাকা পেলাম তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা। এই টাকায় এতিমদের অনেক উপকার হবে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত যুবদল নেতা মনির হোসেন মোল্লার সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। যদিও গত দুইদিনে উপজেলার ২০ এর অধিক এতিমখানায় গিয়ে দায় স্বীকার ও ক্ষমা চেয়ে টাকা দিয়ে আসার ভিডিও ফুটেজ গণমাধ্যমের কাছে রয়েছে।
এতিমখানায় চাল বিতরণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি এসব বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান।
চাল বিতরণ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও চাল বিতরণ কমিটির মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি করা হচ্ছে তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply