২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না এসএসসি পরীক্ষার ফল - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না এসএসসি পরীক্ষার ফল

২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না এসএসসি পরীক্ষার ফল

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশের সম্ভাব্য সময় থাকলেও তা হচ্ছে না। প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে ফল প্রকাশের নির্ধারিত সময়সূচিতে পরিবর্তন আসছে। তবে নতুন তারিখ এখনো নির্ধারণ না হলেও চলতি জুলাই মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করে শনিবার (১৮ জুলাই) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘২০ জুলাই ফল প্রকাশ সম্ভব হচ্ছে না। এইচএসসি নিয়ে নানান জটিলতার কারণে আমরা ফলাফল প্রস্তুত করতে পারিনি। আমরা মাসের শেষের দিকে ফলাফল প্রকাশ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

 

এ মাসেই ফলাফল প্রকাশ হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ২০ জুলাইয়ের মধ্যে সবকিছু প্রস্তুত করার নির্দেশনা ছিল। কিন্তু পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় আমাদের জন্য তা সম্ভব হয়নি। তবে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

 

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন একাধিকবার জানিয়েছিলেন, ২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। সম্প্রতি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। এদিকে, ফল প্রকাশের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটিকে নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সে অনুযায়ী কাজও চলছে। তবে সোমবার ফল প্রকাশ হচ্ছে না।

 

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এসএসসি ও সমমানের ফল প্রস্তুত করতে আমাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ২০ জুলাইকে লক্ষ্য করেই কাজ চলছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন জরুরি প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকায় ফল প্রস্তুতের কাজ পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব হয়নি। এজন্য ফল প্রকাশে কয়েকদিন দেরি হতে পারে।’

জানা গেছে, সাধারণত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হয়। এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। অন্যদিকে দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে।

 

চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী অংশ নিতে ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, দাখিল পরীক্ষার্থী ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।


শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এই বাংলাদেশ হতে হবে এডুকেশনাল হাব। সারাবিশ্ব থেকে শিক্ষার্থীরা এখানে পড়তে আসবে, সেই আদলে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হচ্ছে।

 

শনিবার (১৮ জুলাই) নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত মেধাবী। আমি নিজেও জানি, দেশের অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। এখনও দেখা যায়, বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাই ডিস্টিংশন অর্জন করে দেশের সুনাম বাড়াচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, তাহলে আমরা কেন বাংলাদেশকে একটি এডুকেশনাল হাব হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো না? যুক্তরাজ্য যদি শিক্ষা খাত থেকে বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করতে পারে, তাহলে আমরা কেন ১০০ বিলিয়ন ডলারের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারবো না? আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি ও সম্পদই তো আমাদের মেধাবী তরুণ প্রজন্ম।

 

কিছু মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খুব সুন্দর পোস্ট দেন উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একজন শিক্ষক, যার নামের আগে ‘ডক্টর’ লেখা আছে, তিনি আমাকে ‘পরীক্ষা মিলন’ বলে সম্বোধন করেছেন। আমি বলছি, হ্যাঁ, আমার নাম যদি ‘পরীক্ষা মিলন’ও হয়, তাতে সমস্যা কোথায়?

 

তিনি আরও বলেন, ডক্টর সাহেব, আপনি যে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন, সেটিও কি কোনো পরীক্ষা বা মূল্যায়ন ছাড়া করেছেন? আজকের উন্নত বিশ্বে শিক্ষাব্যবস্থায় নানা আধুনিক পদ্ধতি, যেমন প্রজেক্টভিত্তিক মূল্যায়ন চালু হয়েছে ঠিকই, কিন্তু সেখানে কি কোনো ধরনের মূল্যায়ন বা পরীক্ষা একেবারেই থাকে না?

 

এসময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, পরীক্ষা গ্রহণ এবং দেওয়া বক্তব্য নিয়ে ট্রল করা হয়েছে। যারা ট্রল করেছে তারা কেউ পরীক্ষার্থী না। বিষয়গুলো নিয়ে কেউ কেউ বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ করে তিনি।

 

সারাবিশ্ব থেকে বাংলাদেশে শিক্ষার্থীরা পড়তে আসবে, সে আদলে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলছি

শনিবার (১৯ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের কুমারডাঙ্গা গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

 

নিহত আলিনুর ফকির কুমারডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল হাই ফকিরের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী ছিলেন।

 

পুলিশ ও নিহতের স্বজন সূত্রে জানা যায়, গত রমজান মাসে একই গ্রামের জাহাঙ্গীর শেখের ছেলে রাজিব শেখকে ১৮ হাজার টাকা ধার দেন আমিনুর ফকির। পাওনা টাকা মাস খানেকের মধ্যে দেয়ার কথা থাকলেও রাজিব নানা তালবাহানায় সময়ক্ষেপণ করেন। টাকা দেয়ার কথা বলে শনিবার রাতে তিনি লোহাগড়া উপজেলার কুমারডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ডাকে নেন আমিনুরকে।

আমিনুর তার ভাই আলিনুরকে নিয়ে সেখানে হাজির হন। পাওনা টাকা চাওয়ায় সেখানে দু’পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এ সময় রাজিব ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আলিনুর ও তার ভাই আমিনুরের ওপর হামলা করে। হামলায় আলিনুরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে দুই ভাইকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আলিনুরকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. স্মিথ মিয়া।

 

এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় সময় সংবাদকে বলেন, খবর পেয়ে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

পাওনা টাকা দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

বর্ষার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। আক্রান্তের তালিকায় এবার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে শিশু। প্রতি পাঁচজন রোগীর একজনই ১৫ বছরের কম বয়সী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই কার্যকরভাবে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আগস্ট-সেপ্টেম্বরেই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

 

বিশেষজ্ঞরা আরো বলছেন, গত ২৫ বছরেও ঢাকায় কার্যকরভাবে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। ঢাকার বাইরের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা আরো সীমিত হওয়ায় ভবিষ্যতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া খুবই কঠিন হবে।

 

এরই মধ্যে হাসপাতালের বেডে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। উদ্বেগের নতুন কারণ—শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৭৭০ জন। মারা গেছেন ৩২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ১৯ শতাংশই ১৫ বছরের কম বয়সী।

 

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, ঢাকা মেডিকেলে কলেজসহ রাজধানীর হাসপাতালগুলোয় নারী ও পুরুষ ওয়ার্ডে ডেঙ্গু পজিটিভ নিয়ে প্রতিদিনই ভর্তি হচ্ছেন নতুন রোগী।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, মোহাম্মদপুরের ১৩ বছর বয়সী মাদ্রাসা ছাত্র তৌহিদুল হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে। তার হাতে ক্যানুলা। শিশু তৌহিদুল বাবাকে প্রশ্ন করছে—কবে সে বাড়ি ফিরতে পারবে।

 

অপরদিকে, হাসপাতালে ভর্তি পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আকিব। তার ধারণা, সে গোসল করতে গিয়ে এডিস মশার কামড় খেয়ে আক্রান্ত হয়েছে। এই শিশু জানায়, তার আর হাসপাতালে থাকতে ভালো লাগছে না।

 

এদিকে, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নিয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসার পর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন হৃদয়। এই সময়ের মধ্যেই বাবাও হয়েছেন তিনি। এখন স্ত্রী, নবজাতক ও স্বজনদের নিয়ে হাসপাতালে সময় কাটছে তার।

 

রোগীর সংখ্যা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শিশু ও কর্মক্ষম মানুষের মধ্যে আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি। ১৬ থেকে ৫০ বছর বয়সী আক্রান্তের সংখ্যা ছয় হাজার ৭৯৯ জন। যা মোট রোগীর প্রায় ৭০ শতাংশ।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, কর্মস্থলে নিয়মিত যাতায়াত, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বিস্তারই সংক্রমণ বাড়ার অন্যতম কারণ।

 

ডেঙ্গুর এই পরিসংখ্যান শুধু সংখ্যার গল্প নয়। এর প্রতিটি সংখ্যার পেছনে রয়েছে একটি পরিবার, একটি কর্মজীবন কিংবা একটি শিশুর অসুস্থতার করুণ গল্প। তাই হাসপাতালের চিকিৎসার পাশাপাশি মশার উৎস ধ্বংস করাকেই এখন সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু সংক্রমণ, শিশুদের নিয়ে ভয় বিশেষজ্ঞদের

তথ্য বিকৃত করে ট্রল ও অপপ্রচার চালিয়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এ ধরনের অপতথ্য ও বিভ্রান্তি একটি সুন্দর ও শিক্ষিত জাতি গঠনের পথে বড় অন্তরায়।

 

শনিবার (১৮ জুলাই) নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার একটি আধুনিক, মানসম্মত ও যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। তবে এ প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী অপতথ্য ছড়িয়ে বিশেষ করে তরুণদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

 

তিনি বলেন, গুজব ও বিকৃত তথ্যের পরিবর্তে সত্য ও ইতিবাচক তথ্যের চর্চা বাড়াতে হবে। দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শক্তিশালী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

 

এর আগে শহরের বরুনকান্দি মোড় এলাকায় নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে নামফলক উন্মোচনের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, আধুনিক গ্রন্থাগার এবং কম্পিউটার ল্যাব পরিদর্শন করেন।

 

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল খালেক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য বিকৃত করে অপপ্রচার চালিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

দীর্ঘ পাঁচ বছর পর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ৬৮ সদস্যবিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৭ জুলাই কেন্দ্রীয় ছাত্রদল এ কমিটির অনুমোদন দেয়।

 

তবে কমিটি ঘোষণার পর থেকেই দুই যুগ্ম আহ্বায়ক তোফায়েল আহমেদ ও এ. এস. এম. সানোয়ার রাব্বী প্রমিসের ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নিয়ে ক্যাম্পাস জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।

 

জানা যায়, তোফায়েল আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আইন অনুষদ কমিটির সহ-সভাপতি এবং সানোয়ার রাব্বী প্রমিস একই কমিটির উপ-ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ওই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

 

তবে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ওই সময় আওয়ামী লীগের স্বর্ণযুগ ছিল। ক্যাম্পাস এবং হলের পরিস্থিতির কারণে কৌশলে বা পারিপার্শ্বিক কারণে তৎকালীন ছাত্রলীগের কিছু কর্মসূচিতে আমার উপস্থিতি বা সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। আমরা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান, ছাত্রত্ব চলে গেলে আমাদের জীবন অন্ধকার হয়ে যেতো।

তিনি বলেন, জোর-জবরদস্তি করে মাঝে মাঝে তারা আমাদের প্রোগ্রামে ডেকে নিতো, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভালো করেই জানেন। তবে আমি যে ২০২২, ২০২৪ সাল বা এর আগেও ওপেন ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এবং ভিডিও বার্তা দিয়ে ছাত্রদলের রাজনীতি করেছি, তার সমস্ত ডকুমেন্ট আমার কাছে আছে।

 

অন্যদিকে ছাত্রলীগের সাথে সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি অস্বীকার করে সানোয়ার রাব্বী জানান, ২০২২ সালের ছাত্রলীগের সেই কমিটিতে আমাদের আইন অনুষদ থেকে অনেকেরই নাম না জানিয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আমি কখনোই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম না। এমনকি আমার কোন ছবিও কেউ দেখাতে পারবে না।

 

তিনি বলেন, অযাচিতভাবে আমার নাম অন্তর্ভুক্ত করার কারণে বিভাগেও বিষয়টি জানাই। পরবর্তীতে জুলাই আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেই। জাতীয়তাবাদী আদর্শের কারণেই ছাত্রদলে যোগ দিয়েছি এবং কাজ করে যাবো।

 

‎এ বিষয়ে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখেছি, তারা জুলাই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলো। পাশাপাশি অতীতে ছাত্রদলের বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তাদের দেখা গেছে।

 

এছাড়া বাধ্যতামূলক ছাত্রলীগ করতে হতো বলে অনেকের অনিচ্ছায় কিংবা না জানিয়ে কমিটিতে রাখা হয়। এসব বিষয় সংশ্লিষ্টরা যাচাই করেই তাকে দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

 

তবে পরবর্তীতে যদি তাদের ছাত্রলীগের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততার তথ্য বা অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছাত্রলীগের দুই সাবেক নেতা এখন ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, ব্যাখ্যায় বললেন ‘কৌশলের কারণে ছিলাম

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে চুরির অভিযোগে আটক এক যুবককে পুলিশের কাছে না দিয়ে ব্যতিক্রমী উপায়ে ‘শাস্তি’ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের উপস্থিতিতে তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করিয়ে তওবা করানোর পর ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

 

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ফকির আস্তানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার বাসিন্দা রেজাউল করিমের (৩৫) বিরুদ্ধে একটি মোবাইল ফোনসহ প্রায় ৫০ হাজার টাকার মালামাল চুরির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের পর স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে আটক করেন।

 

পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে তাকে নিজের ভুল স্বীকার করে তওবা করতে বলা হয়। একই সঙ্গে তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করানো হয়। ভবিষ্যতে চুরি বা অন্য কোনো অপরাধে জড়াবেন না—এ মর্মে তার কাছ থেকে অঙ্গীকারও নেওয়া হয়। পরে স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফিরোজ আহাম্মদ খান বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটলেও অভিযুক্তকে শনাক্ত করা যাচ্ছিল না। শুক্রবার মোবাইল ফোনসহ প্রায় ৫০ হাজার টাকার মালামাল চুরির চেষ্টা করলে স্থানীয়রা রেজাউল করিমকে হাতেনাতে আটক করেন। আমাদের উদ্দেশ্য তাকে অপমান করা নয়, বরং সংশোধনের সুযোগ করে দেওয়া। তাই তার কাছ থেকে তওবা করিয়ে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করানো হয়েছে।’

 

এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে আমাদের কেউ অবহিত করেননি। তবে চুরির অভিযোগে কাউকে আটক করা হলে তাকে অবশ্যই পুলিশের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই।’

পুলিশে নয়, ১০০ রাকাত নামাজ পড়িয়ে দিলেন ‘শাস্তি’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

স্টাফ রিপোর্টার

তানিন পিয়াস চৌধুরী

তাং: ১৯/০৭/২৬ রবিবার।

 

হেডলাইন: নড়াইলের,পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে লোহাগড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য।

 

 

নড়াইলের,পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে লোহাগড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, লোহাগড়া (নড়াইল):

 

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ইতনা ইউনিয়নে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে আলিনুর ফকির (৩০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গত শনিবার (১৮ জুলাই) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের কুমড়ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।নিহত আলিনুর ফকির ওই এলাকার আব্দুল হাই ফকিরের ছেলে।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে একদল দুর্বৃত্ত ওত পেতে থেকে আলিনুর ফকিরের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ সময় আলিনুরের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসেন এবং তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পৌঁছে প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করে।এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন, “ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে। বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ইতিমধ্যেই বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ে,ন করা হয়েছে

 

নড়াইল থেকে

তানিন পিয়াস চৌধুরী

গন টেলিভিশন সংবাদ।

নড়াইলে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৫ বছর পর শিশু ধর্ষণ মামলার রায় তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

 

 

ঠাকুরগাঁওয়ে ২০১১ সালে সংঘটিত এক শিশু ধর্ষণ মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। ঘটনার প্রায় ১৫ বছর পর দেওয়া এ রায়ে তিনজনকে প্রাকৃতিক মৃত্যু পর্যন্ত আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং অপর তিনজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ছয় আসামির প্রত্যেককে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আদালত আদেশে বলেছেন, আদায় করা অর্থ ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করতে হবে।

 

 

রোববার (১৯ জুলাই) ঠাকুরগাঁওয়ের শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আলী মনসুর বহুল প্রতীক্ষিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ২১ অক্টোবর বিকেলে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী তার এক বান্ধবীর বাড়িতে বেড়াতে যান। সন্ধ্যার দিকে বাড়ি ফেরার সময় ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় সড়কের পাশে একটি পেট্রোলপাম্পসংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন যুবক তাঁর গতিরোধ করে।

 

 

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, প্রথমে দুই যুবক কিশোরীর মুখ চেপে ধরে তাঁকে জোর করে পেট্রোলপাম্পের পেছনের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। পরে মোবাইল ফোনে আরও কয়েকজনকে ডেকে আনা হয়। সেখানে তিনজন পালাক্রমে কিশোরীকে ধর্ষণ করে এবং অপর তিনজন এ অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা করে।

 

 

একপর্যায়ে কিশোরীর চিৎকার শুনে পাশ দিয়ে যাওয়া এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে এলে আসামিরা পালিয়ে যায়। পরে ওই ব্যক্তি ভুক্তভোগীকে কাপড়ের ব্যবস্থা করে তাঁর পরিচিতদের কাছে পৌঁছে দেন। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

 

 

ঘটনার তিন দিন পর, ২০১১ সালের ২৫ অক্টোবর ভুক্তভোগীর বাবা ঠাকুরগাঁও সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে মামলার বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ সময় ধরে সাক্ষ্যগ্রহণ, আলামত উপস্থাপন এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত এ রায় দেন।

 

 

রায়ে আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(৩) ধারায় আসামি মো. আনিছ ওরফে রানা, মো. সাইফুল ইসলাম ও মো. দুলালকে দোষী সাব্যস্ত করে প্রাকৃতিক মৃত্যু পর্যন্ত আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাঁদের প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

 

এছাড়া অপর তিন আসামি মো. আনিছুর, মো. খতিবুর ওরফে খতু এবং মো. লালুকে একই আইনের ৯(৩)/৩০ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাঁদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

 

রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ ধারার সুবিধা পাবেন না। অর্থাৎ বিচারাধীন অবস্থায় হাজতে কাটানো সময় তাঁদের দণ্ডের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে না। পাশাপাশি তাঁরা জেল কোড অনুযায়ী কোনো ধরনের সাজা মওকুফ বা রেমিশনের সুবিধাও পাবেন না।

 

 

অন্যদিকে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি আইন অনুযায়ী বিচারাধীন অবস্থায় কারাভোগের সময় ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ ধারার সুবিধা পাবেন।

আদালত আরও নির্দেশ দেন, দণ্ডিতদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থ ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে গণ্য হবে। যদি দণ্ডিতরা অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হন, তাহলে তাঁদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ আদায় করতে হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায় কার্যকরের অংশ হিসেবে আদালত পাঁচ দণ্ডিত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. আনিছ ওরফে রানা পলাতক থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আদালত উল্লেখ করেন, তিনি গ্রেপ্তার বা আত্মসমর্পণের পর থেকে তাঁর সাজা কার্যকর হবে।

 

 

২০১১ সালে সংঘটিত এ ঘটনাটি সে সময় ঠাকুরগাঁও জেলায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ঘোষিত এ রায়ে মামলার ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সম্পন্ন হলো।

 

 

রায় ঘোষণার পর সরকার পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ বদরুল চৌধুরী বলেন, “আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও উপস্থাপিত তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে এ রায় দিয়েছেন। দীর্ঘদিন পর হলেও ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার পেয়েছেন। এ রায় নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে।”

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৫ বছর পর শিশু ধর্ষণ মামলার রায় তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। স্পেনের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগের রাতে সতীর্থ, কোচিং স্টাফ এবং দলের নেপথ্যে কাজ করা সদস্যদের সঙ্গে তোলা একটি দলীয় ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই দল এমন এক ইতিহাস গড়েছে, যা কখনো মুছে ফেলা যাবে না।

 

নিউ জার্সিতে ফাইনালের আগে তোলা ছবিতে ২৬ সদস্যের খেলোয়াড়দলের পাশাপাশি কোচিং স্টাফ, চিকিৎসক, সরঞ্জামকর্মী, রাঁধুনি, কর্মকর্তাসহ আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ক্লদিও তাপিয়াও উপস্থিত ছিলেন। ফাইনালের আগে এটিই ছিল পুরো দলের শেষ আনুষ্ঠানিক দলীয় ছবি।

 

ছবির ক্যাপশনে মেসি লেখেন, গত কয়েক বছরের সবচেয়ে মূল্যবান অর্জন শুধু শিরোপা নয়, বরং সতীর্থদের সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত, একসঙ্গে লড়াই করা, কঠিন সময় পেরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো এবং প্রতিটি যাত্রাকে উপভোগ করা।

 

তিনি দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আগামীকাল যা-ই ঘটুক না কেন, এই দল এমন এক ইতিহাস লিখেছে, যা আমরা কখনো ভুলব না এবং কেউ মুছতেও পারবে না।’ একই সঙ্গে তিনি সমর্থকদেরও আর্জেন্টিনার পাশে থাকার আহ্বান জানান।

 

স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটি হবে মেসির ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল। ২০১৪ সালে জার্মানির কাছে পরাজয়ের পর ২০২২ সালে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পান তিনি। এবার ৩৯ বছর বয়সে সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচে টানা দ্বিতীয়বারের মতো আর্জেন্টিনাকে শিরোপা এনে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে তার সামনে।

 

চলতি বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার ফাইনালে ওঠার পথে বড় ভূমিকা রেখেছেন মেসি। এখন পর্যন্ত তিনি করেছেন ৮ গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪টি গোল। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল না পেলেও আর্জেন্টিনার দুই গোলেই ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

 

বাংলাদেশ সময় রোববার রাত ১টায় নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার লক্ষ্য চতুর্থ বিশ্বকাপ শিরোপা এবং ১৯৬২ সালের ব্রাজিলের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুইবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি গড়া। অন্যদিকে, স্পেন চাইছে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ট্রফি জিততে।

ফাইনালের আগে মেসির আবেগঘন বার্তা

ফরিদপুরে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অপারেশনের পর এক কলেজছাত্রীর মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকের ভুল অপারেশনের কারণেই ১৭ বছর বয়সী আয়েশা আফরিনের মৃত্যু হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ অভিযোগ অস্বীকার করে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানিয়েছে।

 

নিহত আয়েশা আফরিন (১৭) সদরপুর উপজেলার আকোটের চর ইউনিয়নের কৈলাশের ডাঙ্গী গ্রামের প্রবাসী লিটন মাতুব্বরের মেয়ে। তিনি ফরিদপুর সরকারি ইয়াসিন কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

 

স্বজনদের অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা নিয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে অবস্থিত আল জারা প্রাইভেট হাসপাতালে তাকে নেওয়া হয়। রাত ৯টার দিকে তাকে ভর্তি করা হয় এবং রাত সাড়ে ১০টার দিকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়।

 

পরিবারের দাবি, অপারেশনের পরপরই আয়েশার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পরে রাত ৩টার দিকে তাকে শহরের টেপাখোলা এলাকার রেজোয়ান মোল্লা হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

 

নিহতের মা আলেয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, “আমার মেয়েকে সুস্থ অবস্থায় অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অপারেশন করাতে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু চিকিৎসকের ভুলের কারণে আজ আমার মেয়েকে হারাতে হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই।”

 

স্বজনদের অভিযোগ, অপারেশনটি করেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. আতিকুল আহসান। ঘটনার পর থেকে তাকে হাসপাতালে পাওয়া যায়নি।

 

এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে এ সময় হাসপাতালের কোনো কর্মকর্তা ক্যামেরার সামনে বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

 

অভিযোগের বিষয়ে ডা. আতিকুল আহসানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে তাকে হাসপাতালে পাওয়া যাচ্ছে না।

 

এ ঘটনায় নিহতের স্বজনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয়দের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

 

এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে নিহতের স্বজনরা জানিয়েছেন, তারা এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

 

অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ফরিদপুরে ‘ভুল অপারেশনে’ কলেজছাত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ, চিকিৎসক পলাতক

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এই বাংলাদেশ হতে হবে এডুকেশনাল হাব। সারাবিশ্ব থেকে শিক্ষার্থীরা এখানে পড়তে আসবে, সেই আদলে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হচ্ছে।

 

শনিবার (১৮ জুলাই) নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত মেধাবী। আমি নিজেও জানি, দেশের অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। এখনও দেখা যায়, বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাই ডিস্টিংশন অর্জন করে দেশের সুনাম বাড়াচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, তাহলে আমরা কেন বাংলাদেশকে একটি এডুকেশনাল হাব হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো না? যুক্তরাজ্য যদি শিক্ষা খাত থেকে বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করতে পারে, তাহলে আমরা কেন ১০০ বিলিয়ন ডলারের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারবো না? আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি ও সম্পদই তো আমাদের মেধাবী তরুণ প্রজন্ম।

 

কিছু মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খুব সুন্দর পোস্ট দেন উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একজন শিক্ষক, যার নামের আগে ‘ডক্টর’ লেখা আছে, তিনি আমাকে ‘পরীক্ষা মিলন’ বলে সম্বোধন করেছেন। আমি বলছি, হ্যাঁ, আমার নাম যদি ‘পরীক্ষা মিলন’ও হয়, তাতে সমস্যা কোথায়?

 

তিনি আরও বলেন, ডক্টর সাহেব, আপনি যে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন, সেটিও কি কোনো পরীক্ষা বা মূল্যায়ন ছাড়া করেছেন? আজকের উন্নত বিশ্বে শিক্ষাব্যবস্থায় নানা আধুনিক পদ্ধতি, যেমন প্রজেক্টভিত্তিক মূল্যায়ন চালু হয়েছে ঠিকই, কিন্তু সেখানে কি কোনো ধরনের মূল্যায়ন বা পরীক্ষা একেবারেই থাকে না?

 

এসময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, পরীক্ষা গ্রহণ এবং দেওয়া বক্তব্য নিয়ে ট্রল করা হয়েছে। যারা ট্রল করেছে তারা কেউ পরীক্ষার্থী না। বিষয়গুলো নিয়ে কেউ কেউ বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ করে তিনি।

 

সারাবিশ্ব থেকে বাংলাদেশে শিক্ষার্থীরা পড়তে আসবে, সে আদলে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলছি

আসন্ন সাভার পৌর নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ লায়ন মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন সাভার পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৯নং ওয়ার্ডে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে ব্যাপকভাবে এগিয়ে রয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ সাভার পৌর যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি , সাভার পৌর ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,লায়ন মোহাম্মদ মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)। ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তার সততা, নিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি বর্তমানে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন।

 

স্থানীয় ভোটার ও সাধারণ জনগণের সাথে কথা বলে জানা গেছে, লায়ন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু দীর্ঘদিন ধরে ৯নং ওয়ার্ডের অবহেলিত মানুষের পাশে থেকে সুখ-দুঃখে কাজ করে যাচ্ছেন। যেকোনো দুর্যোগে তিনি অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে সবার আগে এগিয়ে এসেছেন।

 

এলাকাবাসীর মতে, সাভার পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, মাদকমুক্ত ও আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে লায়ন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জুর কোনো বিকল্প নেই। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার এবং তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। তার এই পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও পরোপকারী মানসিকতার কারণে ওয়ার্ডের তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে প্রবীণদের মধ্যেও তাকে নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।

 

নিজের প্রার্থিতা ও জনপ্রিয়তার বিষয়ে লায়ন মোহাম্মদ মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু) বলেন, “আমি পদের লোভে নয়, বরং ৯নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের সেবা করতেই কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছি। দীর্ঘদিন ধরে এই ওয়ার্ডের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আগামী দিনে যদি জনগণ আমাকে সুযোগ দেয়, তবে ৯নং ওয়ার্ডকে সাভার পৌরসভার মধ্যে একটি রোল মডেল ও আধুনিক ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলবো।”

 

নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ওয়ার্ডের মোড়ে মোড়ে, চায়ের দোকানে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লায়ন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জুর পক্ষে সমর্থন ও জোয়ার ততই বাড়ছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, একটি পরিচ্ছন্ন ও সুশাসিত ওয়ার্ড গঠনে সাধারণ মানুষ এবার ব্যালটের মাধ্যমে সঠিক নেতাকেই বেছে নেবেন, অত্র ওয়ার্ডের সাধারণ জনগণ।

আসন্ন সাভার পৌর নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ লায়ন মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)

শনিবার (১৯ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের কুমারডাঙ্গা গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

 

নিহত আলিনুর ফকির কুমারডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল হাই ফকিরের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী ছিলেন।

 

পুলিশ ও নিহতের স্বজন সূত্রে জানা যায়, গত রমজান মাসে একই গ্রামের জাহাঙ্গীর শেখের ছেলে রাজিব শেখকে ১৮ হাজার টাকা ধার দেন আমিনুর ফকির। পাওনা টাকা মাস খানেকের মধ্যে দেয়ার কথা থাকলেও রাজিব নানা তালবাহানায় সময়ক্ষেপণ করেন। টাকা দেয়ার কথা বলে শনিবার রাতে তিনি লোহাগড়া উপজেলার কুমারডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ডাকে নেন আমিনুরকে।

আমিনুর তার ভাই আলিনুরকে নিয়ে সেখানে হাজির হন। পাওনা টাকা চাওয়ায় সেখানে দু’পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এ সময় রাজিব ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আলিনুর ও তার ভাই আমিনুরের ওপর হামলা করে। হামলায় আলিনুরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে দুই ভাইকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আলিনুরকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. স্মিথ মিয়া।

 

এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় সময় সংবাদকে বলেন, খবর পেয়ে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

পাওনা টাকা দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জোড়া গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় এককভাবে শীর্ষে উঠে গেছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। ফলে ব্যক্তিগত এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিততে এখন মেসির সামনে অপেক্ষা করছে কঠিন সমীকরণ।

 

বর্তমানে টুর্নামেন্টে এমবাপ্পের গোল ১০টি, সঙ্গে রয়েছে ৪টি অ্যাসিস্ট। অন্যদিকে, মেসির ঝুলিতে রয়েছে ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট। অর্থাৎ গোলসংখ্যায় দুই গোল পিছিয়ে থেকেই ফাইনালে মাঠে নামবেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

 

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে এমবাপ্পে দুটি গোল করে নিজের গোলসংখ্যা ১০-এ উন্নীত করেন। সেই সঙ্গে সব বিশ্বকাপ মিলিয়ে তার মোট গোল দাঁড়ায় ২২টি, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার নতুন রেকর্ড।

 

এ অবস্থায় গোল্ডেন বুট জিততে হলে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে মেসিকে অন্তত দুটি গোল করতে হবে, যাতে তিনি এমবাপ্পের সমান ১০ গোলে পৌঁছাতে পারেন। তবে গোলসংখ্যা সমান হলেও বিজয়ী নির্ধারণে অ্যাসিস্ট ও অন্যান্য টাইব্রেকার বিবেচনায় আসতে পারে। বর্তমানে দুইজনেরই অ্যাসিস্ট সমান ৪টি। তাই শুধু সমতায় ফিরলেই হবে না, প্রয়োজনে টাইব্রেকারেও এগিয়ে থাকতে হবে মেসিকে।

 

ফাইনালই হবে মেসির শেষ সুযোগ। স্পেনের বিপক্ষে তিনি গোল করতে পারলে শুধু আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ের সম্ভাবনাই বাড়বে না, ব্যক্তিগতভাবে গোল্ডেন বুট জয়ের লড়াইয়েও টিকে থাকবেন। ফলে বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচে শিরোপার পাশাপাশি ব্যক্তিগত এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের দিকেও থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের বাড়তি নজর।

গোল্ডেন বুট জিততে মেসির সামনে যে কঠিন সমীকরণ

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

 

রোববার (২০ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শিরোপার লড়াইয়ে মাঠে নামবে দুই দল।

 

সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।

 

পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে অপরাজিত থাকা আর্জেন্টিনা ফাইনালেও পরীক্ষিত কৌশলেই খেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্কালোনি বরাবরের মতো ৪-৪-২ ফরমেশনেই দল সাজানোর সম্ভাবনা বেশি। গোলপোস্টে থাকবেন নির্ভরযোগ্য এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। চার সদস্যের রক্ষণভাগে দেখা যেতে পারে নাহুয়েল মলিনা, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও নিকোলাস তালিয়াফিকোকে।

 

মাঝমাঠে রদ্রিগো দে পল, এনজো ফার্নান্দেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের ওপর থাকবে খেলার নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার দায়িত্ব। এই চার ফুটবলারের সমন্বয়ই আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডকে শক্তিশালী করে তুলেছে পুরো টুর্নামেন্টে।

 

আক্রমণভাগে অধিনায়ক লিওনেল মেসির সঙ্গী হিসেবে থাকবেন হুলিয়ান আলভারেজ। চলতি বিশ্বকাপে মেসি ইতোমধ্যে ৮ গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট করেছেন। অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করে ফাইনালে ওঠার পথে বড় অবদান রেখেছেন আলভারেজও।

 

স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ– গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ডিফেন্ডার: নাহুয়েল মলিনা, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস তালিয়াফিকো। মিডফিল্ডার: রদ্রিগো দে পল, এনজো ফার্নান্দেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ

 

ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ

নীলফামারীতে আদা ক্ষেত থেকে কবিরাজের মরদেহ উদ্ধার

মাইদুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার নীলফামারী : ১৮/জুলাই/২০২৬ নীলফামারী সদরের কচুকাটা ইউনিয়নের ডাঙ্গা পাড়া দোলার পাড় নামক স্থান থেকে কমর চন্দ্র রায় (৫০) নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে ওই এলাকার একটি আদা ক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন পুলিশ। নিহত কমল চন্দ্র কচুকাটা বন্দর পাড়া গ্রামের বীরেণ চন্দ্র রায়ের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কবিরাজ। নিহতের পরিবারের সূত্রে জানা যায়, নিহত কমল চন্দ্র শুক্রবার রাত ১০ টার দিকে বাড়ী থেকে বের হয়ে আর ফিরেনি। সকালে স্থানীয় লোকজন আদা ক্ষেতের নালায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে খবর তাদের খবর দেন। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করেন। নীলফামারী সদর থানার (ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মরদেহটি মাটিতে উপুড় হয়ে

সোয়া ছিল। নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত পড়েছিল। তদন্ত সাপেক্ষে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান।

নীলফামারীতে আদা ক্ষেত থেকে কবিরাজের মরদেহ উদ্ধার

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d