স্বৈরাচারের আমলে বাগেরহাটে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি: ডেপুটি স্পিকার - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
স্বৈরাচারের আমলে বাগেরহাটে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি: ডেপুটি স্পিকার

স্বৈরাচারের আমলে বাগেরহাটে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি: ডেপুটি স্পিকার

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, বাগেরহাট অত্যন্ত অবহেলিত একটি জেলা, তাতে কোনো সন্দেহ নাই। স্বৈরাচারের আমলে এখানে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। বাতির নিচে অন্ধকারের মতো অনেকটা। ফ্যাসিবাদের ১৫ বা ১৭ বছর গোপালগঞ্জের মানুষ এসে বাগেরহাটকে শাসন করেছে। কিন্তু কিছুই দিয়ে যায়নি। আমরা এখন বাগেরহাটের জন্য আনতে চাই।

 

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাতে বাগেরহাট অফিসার্স ফোরামের আয়োজনে জেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আঞ্চলিক উন্নয়নবিষয়ক এক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ডেপুটি স্পিকার বলেন, উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে প্রশাসনের একটা সংযোগ প্রয়োজন। রাজনৈতিক নেতারা নীতিনির্ধারকের ভূমিকা পালন করে। এটাকে বাস্তবায়ন করতে হয় স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে। এ দুইয়ের যখন সমন্বয় হবে তখনই একটা সমাজ, রাষ্ট্র ও দেশ এগিয়ে যাবে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি প্রশাসনে যারা আছেন তারা যদি সরকারকে সহযোগিতা করেন, তাহলে আমরা বাগেরহাটসহ সারা দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ঘটাতে পারব প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে।

 

বাগেরহাট অফিসার্স ফোরামের সভাপতি ড. মো. ফরিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. রফিকুস সালেহীন, বাগেরহাট অফিসার্স ফোরামের সম্পাদক ও যুগ্ম সচিব মো. জাকির হোসেন, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মাদ নাছের রিকাবদার, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন, সরকারি বিএল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম, সরকারি পিসি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. জাহাঙ্গীর আলী, বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এটিএম আকরাম হোসেন, তালিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন।


“শ্যামনগরে ৪০ লাখ টাকার কালভার্টেই ধ্বস! নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে পড়ল হাতল”

 

সংবাদদাতা: জিয়াউর রহমান জিয়া,

শ্যামনগর উপজেলা প্রতিনিধি,

দৈনিক আমাদের দেশ।

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্বাবধায়নে ৪০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যানিকেতন থেকে কল্যাণপুর অভিমুখী খালের উপর নির্মাণাধীন কালভার্টের কাজ শেষ হওয়ার আগেই হাতল ভেঙে পড়েছে। এঘটনায় স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং যথাযথ তদারকির অভাবেই এমন ঘটনা ঘটেছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মার্চ কালভার্টের নির্মাণকাজ শুরু হয়। কাজ চলমান অবস্থায় গতকাল রোববার সকালে কালভার্টের একটি হাতল ধ্বসে পড়েছে। বিষয়টি জানার পর উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ তড়িঘড়ি ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা অব্যহত রেখেছেন। স্থানীয়রা জানান, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহারের বিয়ষটি কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

 

এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ বলেন, হাতলের পাশে মাটি দেওয়ায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে কালভার্টের একটি হাতল ধ্বসে গেছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঠিকাদারকে পুনরায় কাজ করে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

ছবিঃ শ্যামনগরে নির্মানাধীন কালভার্টের হাতলে ধ্বসের স্থির চিত্র।

“শ্যামনগরে ৪০ লাখ টাকার কালভার্টেই ধ্বস! নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে পড়ল হাতল”

স্টাফ রিপোর্টার

তানিন পিয়াস চৌধুরী

তাং: ১৯/০৭/২৬ রবিবার।

 

হেডলাইন: নড়াইলের,পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে লোহাগড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য।

 

 

নড়াইলের,পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে লোহাগড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, লোহাগড়া (নড়াইল):

 

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ইতনা ইউনিয়নে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে আলিনুর ফকির (৩০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গত শনিবার (১৮ জুলাই) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের কুমড়ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।নিহত আলিনুর ফকির ওই এলাকার আব্দুল হাই ফকিরের ছেলে।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে একদল দুর্বৃত্ত ওত পেতে থেকে আলিনুর ফকিরের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ সময় আলিনুরের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসেন এবং তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পৌঁছে প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করে।এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন, “ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে। বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ইতিমধ্যেই বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ে,ন করা হয়েছে

 

নড়াইল থেকে

তানিন পিয়াস চৌধুরী

গন টেলিভিশন সংবাদ।

নড়াইলে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

ফরিদপুরে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অপারেশনের পর এক কলেজছাত্রীর মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকের ভুল অপারেশনের কারণেই ১৭ বছর বয়সী আয়েশা আফরিনের মৃত্যু হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ অভিযোগ অস্বীকার করে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানিয়েছে।

 

নিহত আয়েশা আফরিন (১৭) সদরপুর উপজেলার আকোটের চর ইউনিয়নের কৈলাশের ডাঙ্গী গ্রামের প্রবাসী লিটন মাতুব্বরের মেয়ে। তিনি ফরিদপুর সরকারি ইয়াসিন কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

 

স্বজনদের অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা নিয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে অবস্থিত আল জারা প্রাইভেট হাসপাতালে তাকে নেওয়া হয়। রাত ৯টার দিকে তাকে ভর্তি করা হয় এবং রাত সাড়ে ১০টার দিকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়।

 

পরিবারের দাবি, অপারেশনের পরপরই আয়েশার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পরে রাত ৩টার দিকে তাকে শহরের টেপাখোলা এলাকার রেজোয়ান মোল্লা হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

 

নিহতের মা আলেয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, “আমার মেয়েকে সুস্থ অবস্থায় অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অপারেশন করাতে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু চিকিৎসকের ভুলের কারণে আজ আমার মেয়েকে হারাতে হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই।”

 

স্বজনদের অভিযোগ, অপারেশনটি করেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. আতিকুল আহসান। ঘটনার পর থেকে তাকে হাসপাতালে পাওয়া যায়নি।

 

এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে এ সময় হাসপাতালের কোনো কর্মকর্তা ক্যামেরার সামনে বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

 

অভিযোগের বিষয়ে ডা. আতিকুল আহসানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে তাকে হাসপাতালে পাওয়া যাচ্ছে না।

 

এ ঘটনায় নিহতের স্বজনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয়দের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

 

এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে নিহতের স্বজনরা জানিয়েছেন, তারা এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

 

অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ফরিদপুরে ‘ভুল অপারেশনে’ কলেজছাত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ, চিকিৎসক পলাতক

নীলফামারীতে আদা ক্ষেত থেকে কবিরাজের মরদেহ উদ্ধার

মাইদুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার নীলফামারী : ১৮/জুলাই/২০২৬ নীলফামারী সদরের কচুকাটা ইউনিয়নের ডাঙ্গা পাড়া দোলার পাড় নামক স্থান থেকে কমর চন্দ্র রায় (৫০) নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে ওই এলাকার একটি আদা ক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন পুলিশ। নিহত কমল চন্দ্র কচুকাটা বন্দর পাড়া গ্রামের বীরেণ চন্দ্র রায়ের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কবিরাজ। নিহতের পরিবারের সূত্রে জানা যায়, নিহত কমল চন্দ্র শুক্রবার রাত ১০ টার দিকে বাড়ী থেকে বের হয়ে আর ফিরেনি। সকালে স্থানীয় লোকজন আদা ক্ষেতের নালায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে খবর তাদের খবর দেন। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করেন। নীলফামারী সদর থানার (ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মরদেহটি মাটিতে উপুড় হয়ে

সোয়া ছিল। নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত পড়েছিল। তদন্ত সাপেক্ষে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান।

নীলফামারীতে আদা ক্ষেত থেকে কবিরাজের মরদেহ উদ্ধার

ডিমলায় স্কয়ার ক্লিনিকের গাফিলতিতে প্রসূতির মৃত্যু, অভিযোগ দিয়েও মেলেনি প্রতিকার

মাইদুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার: নীলফামারির ডিমলা উপজেলায় একটি বেসরকারি ক্লিনিকের চিকিৎসা গাফিলতিতে মেয়ে রাবিবনা আক্তারের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তার বাবার রবিউল ইসলাম। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে, শনিবার

(১৮ জুলাই) নীলফামারী শহরের একটি সাংবাদিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। রবিউল ইসলাম বলেন, গত বছরের ৮ আগস্ট

প্রসবজনিত কারণে তার মেয়ে রাবিবনা আক্তার কে ডিমলা স্কয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসক আক্তারুজ্জামান সিজারিয়ান অপারেশন করেন। অপারেশনের পর প্রসূতি ও নবজাতকের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। বিশেষ করে রাবিবনা তীব্র পেট ব্যথা শুরু হলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের পরামর্শ ১১ আগস্ট তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তিনি বলেন,রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা পূর্ণরায় আরো অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন কিন্তু ওই সময় ডিমলা স্কোয়ার ক্লিনিক এর মালিক ও ব্যবস্থাপক বিভিন্নভাবে ভয়-ভীতি ও চাপ প্রয়োগ করেন। যে হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের জন্য নেওয়া হয়েছে, সেখানে অপারেশন না করার জন্য তারা প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন অভিযোগ করেন তিনি। এতে

অস্ত্রোপাচার করতে বিলম্ব হয়। রবিউল ইসলাম আরও বলেন, পরে গোপনে রংপুরের তালুকদার হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের করা হলে চিকিৎসকরা জানান, তার মেয়ের পেটের ‘নার’ এর একটি বড় অংশ পচে গিয়েছে। রাব্বিনার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।

তার দাবি, ডিমলা স্কয়ার ক্লিনিকের ভুল চিকিৎসার কারণে সিজারের সময় ‘নার’ পেঁচিয়ে যায়। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল রাব্বিনার আক্তারের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হলেও ওই ক্লিনিক এর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি আদৌ বরং

ইউএনও ব্যবস্থা নিতে উদাসীনতা দেখাচ্ছেন অভিযোগ করেন তিনি। রবিউল ইসলাম বলেন, যথাযথ চিকিৎসার অভাবে আমার মেয়ের ‘নার’ নষ্ট হয়ে গেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, যাতে ভবিষ্যতে আর কোন প্রস্তুতি চিকিৎসার গাফিলতির শিকার না হয়। বিষয়টি নিয়ে ক্লিনিক মালিক সফিয়ার রহমানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, এক বছর আগের ঘটনা আমার বিষয়টি সঠিক জানা নেই। আমার ক্লিনিক ও রংপুরের ক্লিনিকের রিপোর্ট কি আছে সেটা দেখতে হবে।

অপারেশনতো আমি করি নাই চিকিৎসক বলতে পারবে। জানতে চাইলে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইমরানুজ্জামান বলেন, আমি কি করতে পারি। এটা স্বাস্থ্য বিভাগের কাজ তারপরও বিষয়টি আমি দেখবো।

ডিমলায় স্কয়ার ক্লিনিকের গাফিলতিতে প্রসূতির মৃত্যু, অভিযোগ দিয়েও মেলেনি প্রতিকার

ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃ’ত্যু….

 

মোঃআশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ২ নম্বর চাড়োল ইউনিয়নের শাহবাজপুর গ্রামে বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে মোস্তাকিম (৩) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুর আনুমানিক ১২টা ৪৫ মিনিটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মোস্তাকিম ওই গ্রামের মজিবর রহমানের একমাত্র ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খেলাধুলার একপর্যায়ে সবার অজান্তে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায় মোস্তাকিম। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

শিশুটির অকাল মৃত্যুতে পরিবারে শোকের মাতম নেমে এসেছে। এ ঘটনায় শাহবাজপুর গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

বর্ষা মৌসুমে পুকুর, খাল-বিল ও অন্যান্য জলাশয়ে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশুদের নিরাপত্তায় অভিভাবকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, শিশুদের প্রতি সার্বক্ষণিক নজরদারি থাকলে এ ধরনের হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃ’ত্যু

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

“শ্যামনগরে ৪০ লাখ টাকার কালভার্টেই ধ্বস! নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে পড়ল হাতল”

 

সংবাদদাতা: জিয়াউর রহমান জিয়া,

শ্যামনগর উপজেলা প্রতিনিধি,

দৈনিক আমাদের দেশ।

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্বাবধায়নে ৪০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যানিকেতন থেকে কল্যাণপুর অভিমুখী খালের উপর নির্মাণাধীন কালভার্টের কাজ শেষ হওয়ার আগেই হাতল ভেঙে পড়েছে। এঘটনায় স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং যথাযথ তদারকির অভাবেই এমন ঘটনা ঘটেছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মার্চ কালভার্টের নির্মাণকাজ শুরু হয়। কাজ চলমান অবস্থায় গতকাল রোববার সকালে কালভার্টের একটি হাতল ধ্বসে পড়েছে। বিষয়টি জানার পর উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ তড়িঘড়ি ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা অব্যহত রেখেছেন। স্থানীয়রা জানান, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহারের বিয়ষটি কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

 

এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ বলেন, হাতলের পাশে মাটি দেওয়ায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে কালভার্টের একটি হাতল ধ্বসে গেছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঠিকাদারকে পুনরায় কাজ করে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

ছবিঃ শ্যামনগরে নির্মানাধীন কালভার্টের হাতলে ধ্বসের স্থির চিত্র।

“শ্যামনগরে ৪০ লাখ টাকার কালভার্টেই ধ্বস! নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে পড়ল হাতল”

স্টাফ রিপোর্টার

তানিন পিয়াস চৌধুরী

তাং: ১৯/০৭/২৬ রবিবার।

 

হেডলাইন: নড়াইলের,পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে লোহাগড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য।

 

 

নড়াইলের,পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে লোহাগড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, লোহাগড়া (নড়াইল):

 

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ইতনা ইউনিয়নে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে আলিনুর ফকির (৩০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গত শনিবার (১৮ জুলাই) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের কুমড়ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।নিহত আলিনুর ফকির ওই এলাকার আব্দুল হাই ফকিরের ছেলে।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে একদল দুর্বৃত্ত ওত পেতে থেকে আলিনুর ফকিরের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ সময় আলিনুরের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসেন এবং তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পৌঁছে প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করে।এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন, “ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে। বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ইতিমধ্যেই বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ে,ন করা হয়েছে

 

নড়াইল থেকে

তানিন পিয়াস চৌধুরী

গন টেলিভিশন সংবাদ।

নড়াইলে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৫ বছর পর শিশু ধর্ষণ মামলার রায় তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

 

 

ঠাকুরগাঁওয়ে ২০১১ সালে সংঘটিত এক শিশু ধর্ষণ মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। ঘটনার প্রায় ১৫ বছর পর দেওয়া এ রায়ে তিনজনকে প্রাকৃতিক মৃত্যু পর্যন্ত আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং অপর তিনজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ছয় আসামির প্রত্যেককে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আদালত আদেশে বলেছেন, আদায় করা অর্থ ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করতে হবে।

 

 

রোববার (১৯ জুলাই) ঠাকুরগাঁওয়ের শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আলী মনসুর বহুল প্রতীক্ষিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ২১ অক্টোবর বিকেলে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী তার এক বান্ধবীর বাড়িতে বেড়াতে যান। সন্ধ্যার দিকে বাড়ি ফেরার সময় ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় সড়কের পাশে একটি পেট্রোলপাম্পসংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন যুবক তাঁর গতিরোধ করে।

 

 

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, প্রথমে দুই যুবক কিশোরীর মুখ চেপে ধরে তাঁকে জোর করে পেট্রোলপাম্পের পেছনের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। পরে মোবাইল ফোনে আরও কয়েকজনকে ডেকে আনা হয়। সেখানে তিনজন পালাক্রমে কিশোরীকে ধর্ষণ করে এবং অপর তিনজন এ অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা করে।

 

 

একপর্যায়ে কিশোরীর চিৎকার শুনে পাশ দিয়ে যাওয়া এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে এলে আসামিরা পালিয়ে যায়। পরে ওই ব্যক্তি ভুক্তভোগীকে কাপড়ের ব্যবস্থা করে তাঁর পরিচিতদের কাছে পৌঁছে দেন। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

 

 

ঘটনার তিন দিন পর, ২০১১ সালের ২৫ অক্টোবর ভুক্তভোগীর বাবা ঠাকুরগাঁও সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে মামলার বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ সময় ধরে সাক্ষ্যগ্রহণ, আলামত উপস্থাপন এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত এ রায় দেন।

 

 

রায়ে আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(৩) ধারায় আসামি মো. আনিছ ওরফে রানা, মো. সাইফুল ইসলাম ও মো. দুলালকে দোষী সাব্যস্ত করে প্রাকৃতিক মৃত্যু পর্যন্ত আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাঁদের প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

 

এছাড়া অপর তিন আসামি মো. আনিছুর, মো. খতিবুর ওরফে খতু এবং মো. লালুকে একই আইনের ৯(৩)/৩০ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাঁদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

 

রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ ধারার সুবিধা পাবেন না। অর্থাৎ বিচারাধীন অবস্থায় হাজতে কাটানো সময় তাঁদের দণ্ডের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে না। পাশাপাশি তাঁরা জেল কোড অনুযায়ী কোনো ধরনের সাজা মওকুফ বা রেমিশনের সুবিধাও পাবেন না।

 

 

অন্যদিকে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি আইন অনুযায়ী বিচারাধীন অবস্থায় কারাভোগের সময় ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ ধারার সুবিধা পাবেন।

আদালত আরও নির্দেশ দেন, দণ্ডিতদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থ ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে গণ্য হবে। যদি দণ্ডিতরা অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হন, তাহলে তাঁদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ আদায় করতে হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায় কার্যকরের অংশ হিসেবে আদালত পাঁচ দণ্ডিত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. আনিছ ওরফে রানা পলাতক থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আদালত উল্লেখ করেন, তিনি গ্রেপ্তার বা আত্মসমর্পণের পর থেকে তাঁর সাজা কার্যকর হবে।

 

 

২০১১ সালে সংঘটিত এ ঘটনাটি সে সময় ঠাকুরগাঁও জেলায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ঘোষিত এ রায়ে মামলার ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সম্পন্ন হলো।

 

 

রায় ঘোষণার পর সরকার পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ বদরুল চৌধুরী বলেন, “আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও উপস্থাপিত তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে এ রায় দিয়েছেন। দীর্ঘদিন পর হলেও ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার পেয়েছেন। এ রায় নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে।”

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৫ বছর পর শিশু ধর্ষণ মামলার রায় তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। স্পেনের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগের রাতে সতীর্থ, কোচিং স্টাফ এবং দলের নেপথ্যে কাজ করা সদস্যদের সঙ্গে তোলা একটি দলীয় ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই দল এমন এক ইতিহাস গড়েছে, যা কখনো মুছে ফেলা যাবে না।

 

নিউ জার্সিতে ফাইনালের আগে তোলা ছবিতে ২৬ সদস্যের খেলোয়াড়দলের পাশাপাশি কোচিং স্টাফ, চিকিৎসক, সরঞ্জামকর্মী, রাঁধুনি, কর্মকর্তাসহ আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ক্লদিও তাপিয়াও উপস্থিত ছিলেন। ফাইনালের আগে এটিই ছিল পুরো দলের শেষ আনুষ্ঠানিক দলীয় ছবি।

 

ছবির ক্যাপশনে মেসি লেখেন, গত কয়েক বছরের সবচেয়ে মূল্যবান অর্জন শুধু শিরোপা নয়, বরং সতীর্থদের সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত, একসঙ্গে লড়াই করা, কঠিন সময় পেরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো এবং প্রতিটি যাত্রাকে উপভোগ করা।

 

তিনি দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আগামীকাল যা-ই ঘটুক না কেন, এই দল এমন এক ইতিহাস লিখেছে, যা আমরা কখনো ভুলব না এবং কেউ মুছতেও পারবে না।’ একই সঙ্গে তিনি সমর্থকদেরও আর্জেন্টিনার পাশে থাকার আহ্বান জানান।

 

স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটি হবে মেসির ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল। ২০১৪ সালে জার্মানির কাছে পরাজয়ের পর ২০২২ সালে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পান তিনি। এবার ৩৯ বছর বয়সে সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচে টানা দ্বিতীয়বারের মতো আর্জেন্টিনাকে শিরোপা এনে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে তার সামনে।

 

চলতি বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার ফাইনালে ওঠার পথে বড় ভূমিকা রেখেছেন মেসি। এখন পর্যন্ত তিনি করেছেন ৮ গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪টি গোল। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল না পেলেও আর্জেন্টিনার দুই গোলেই ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

 

বাংলাদেশ সময় রোববার রাত ১টায় নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার লক্ষ্য চতুর্থ বিশ্বকাপ শিরোপা এবং ১৯৬২ সালের ব্রাজিলের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুইবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি গড়া। অন্যদিকে, স্পেন চাইছে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ট্রফি জিততে।

ফাইনালের আগে মেসির আবেগঘন বার্তা

ফরিদপুরে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অপারেশনের পর এক কলেজছাত্রীর মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকের ভুল অপারেশনের কারণেই ১৭ বছর বয়সী আয়েশা আফরিনের মৃত্যু হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ অভিযোগ অস্বীকার করে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানিয়েছে।

 

নিহত আয়েশা আফরিন (১৭) সদরপুর উপজেলার আকোটের চর ইউনিয়নের কৈলাশের ডাঙ্গী গ্রামের প্রবাসী লিটন মাতুব্বরের মেয়ে। তিনি ফরিদপুর সরকারি ইয়াসিন কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

 

স্বজনদের অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা নিয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে অবস্থিত আল জারা প্রাইভেট হাসপাতালে তাকে নেওয়া হয়। রাত ৯টার দিকে তাকে ভর্তি করা হয় এবং রাত সাড়ে ১০টার দিকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়।

 

পরিবারের দাবি, অপারেশনের পরপরই আয়েশার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পরে রাত ৩টার দিকে তাকে শহরের টেপাখোলা এলাকার রেজোয়ান মোল্লা হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

 

নিহতের মা আলেয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, “আমার মেয়েকে সুস্থ অবস্থায় অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অপারেশন করাতে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু চিকিৎসকের ভুলের কারণে আজ আমার মেয়েকে হারাতে হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই।”

 

স্বজনদের অভিযোগ, অপারেশনটি করেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. আতিকুল আহসান। ঘটনার পর থেকে তাকে হাসপাতালে পাওয়া যায়নি।

 

এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে এ সময় হাসপাতালের কোনো কর্মকর্তা ক্যামেরার সামনে বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

 

অভিযোগের বিষয়ে ডা. আতিকুল আহসানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে তাকে হাসপাতালে পাওয়া যাচ্ছে না।

 

এ ঘটনায় নিহতের স্বজনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয়দের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

 

এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে নিহতের স্বজনরা জানিয়েছেন, তারা এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

 

অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ফরিদপুরে ‘ভুল অপারেশনে’ কলেজছাত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ, চিকিৎসক পলাতক

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এই বাংলাদেশ হতে হবে এডুকেশনাল হাব। সারাবিশ্ব থেকে শিক্ষার্থীরা এখানে পড়তে আসবে, সেই আদলে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হচ্ছে।

 

শনিবার (১৮ জুলাই) নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত মেধাবী। আমি নিজেও জানি, দেশের অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। এখনও দেখা যায়, বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাই ডিস্টিংশন অর্জন করে দেশের সুনাম বাড়াচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, তাহলে আমরা কেন বাংলাদেশকে একটি এডুকেশনাল হাব হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো না? যুক্তরাজ্য যদি শিক্ষা খাত থেকে বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করতে পারে, তাহলে আমরা কেন ১০০ বিলিয়ন ডলারের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারবো না? আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি ও সম্পদই তো আমাদের মেধাবী তরুণ প্রজন্ম।

 

কিছু মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খুব সুন্দর পোস্ট দেন উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একজন শিক্ষক, যার নামের আগে ‘ডক্টর’ লেখা আছে, তিনি আমাকে ‘পরীক্ষা মিলন’ বলে সম্বোধন করেছেন। আমি বলছি, হ্যাঁ, আমার নাম যদি ‘পরীক্ষা মিলন’ও হয়, তাতে সমস্যা কোথায়?

 

তিনি আরও বলেন, ডক্টর সাহেব, আপনি যে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন, সেটিও কি কোনো পরীক্ষা বা মূল্যায়ন ছাড়া করেছেন? আজকের উন্নত বিশ্বে শিক্ষাব্যবস্থায় নানা আধুনিক পদ্ধতি, যেমন প্রজেক্টভিত্তিক মূল্যায়ন চালু হয়েছে ঠিকই, কিন্তু সেখানে কি কোনো ধরনের মূল্যায়ন বা পরীক্ষা একেবারেই থাকে না?

 

এসময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, পরীক্ষা গ্রহণ এবং দেওয়া বক্তব্য নিয়ে ট্রল করা হয়েছে। যারা ট্রল করেছে তারা কেউ পরীক্ষার্থী না। বিষয়গুলো নিয়ে কেউ কেউ বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ করে তিনি।

 

সারাবিশ্ব থেকে বাংলাদেশে শিক্ষার্থীরা পড়তে আসবে, সে আদলে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলছি

আসন্ন সাভার পৌর নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ লায়ন মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন সাভার পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৯নং ওয়ার্ডে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে ব্যাপকভাবে এগিয়ে রয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ সাভার পৌর যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি , সাভার পৌর ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,লায়ন মোহাম্মদ মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)। ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তার সততা, নিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি বর্তমানে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন।

 

স্থানীয় ভোটার ও সাধারণ জনগণের সাথে কথা বলে জানা গেছে, লায়ন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু দীর্ঘদিন ধরে ৯নং ওয়ার্ডের অবহেলিত মানুষের পাশে থেকে সুখ-দুঃখে কাজ করে যাচ্ছেন। যেকোনো দুর্যোগে তিনি অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে সবার আগে এগিয়ে এসেছেন।

 

এলাকাবাসীর মতে, সাভার পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, মাদকমুক্ত ও আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে লায়ন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জুর কোনো বিকল্প নেই। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার এবং তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। তার এই পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও পরোপকারী মানসিকতার কারণে ওয়ার্ডের তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে প্রবীণদের মধ্যেও তাকে নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।

 

নিজের প্রার্থিতা ও জনপ্রিয়তার বিষয়ে লায়ন মোহাম্মদ মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু) বলেন, “আমি পদের লোভে নয়, বরং ৯নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের সেবা করতেই কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছি। দীর্ঘদিন ধরে এই ওয়ার্ডের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আগামী দিনে যদি জনগণ আমাকে সুযোগ দেয়, তবে ৯নং ওয়ার্ডকে সাভার পৌরসভার মধ্যে একটি রোল মডেল ও আধুনিক ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলবো।”

 

নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ওয়ার্ডের মোড়ে মোড়ে, চায়ের দোকানে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লায়ন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জুর পক্ষে সমর্থন ও জোয়ার ততই বাড়ছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, একটি পরিচ্ছন্ন ও সুশাসিত ওয়ার্ড গঠনে সাধারণ মানুষ এবার ব্যালটের মাধ্যমে সঠিক নেতাকেই বেছে নেবেন, অত্র ওয়ার্ডের সাধারণ জনগণ।

আসন্ন সাভার পৌর নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ লায়ন মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)

শনিবার (১৯ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের কুমারডাঙ্গা গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

 

নিহত আলিনুর ফকির কুমারডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল হাই ফকিরের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী ছিলেন।

 

পুলিশ ও নিহতের স্বজন সূত্রে জানা যায়, গত রমজান মাসে একই গ্রামের জাহাঙ্গীর শেখের ছেলে রাজিব শেখকে ১৮ হাজার টাকা ধার দেন আমিনুর ফকির। পাওনা টাকা মাস খানেকের মধ্যে দেয়ার কথা থাকলেও রাজিব নানা তালবাহানায় সময়ক্ষেপণ করেন। টাকা দেয়ার কথা বলে শনিবার রাতে তিনি লোহাগড়া উপজেলার কুমারডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ডাকে নেন আমিনুরকে।

আমিনুর তার ভাই আলিনুরকে নিয়ে সেখানে হাজির হন। পাওনা টাকা চাওয়ায় সেখানে দু’পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এ সময় রাজিব ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আলিনুর ও তার ভাই আমিনুরের ওপর হামলা করে। হামলায় আলিনুরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে দুই ভাইকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আলিনুরকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. স্মিথ মিয়া।

 

এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় সময় সংবাদকে বলেন, খবর পেয়ে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

পাওনা টাকা দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জোড়া গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় এককভাবে শীর্ষে উঠে গেছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। ফলে ব্যক্তিগত এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিততে এখন মেসির সামনে অপেক্ষা করছে কঠিন সমীকরণ।

 

বর্তমানে টুর্নামেন্টে এমবাপ্পের গোল ১০টি, সঙ্গে রয়েছে ৪টি অ্যাসিস্ট। অন্যদিকে, মেসির ঝুলিতে রয়েছে ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট। অর্থাৎ গোলসংখ্যায় দুই গোল পিছিয়ে থেকেই ফাইনালে মাঠে নামবেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

 

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে এমবাপ্পে দুটি গোল করে নিজের গোলসংখ্যা ১০-এ উন্নীত করেন। সেই সঙ্গে সব বিশ্বকাপ মিলিয়ে তার মোট গোল দাঁড়ায় ২২টি, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার নতুন রেকর্ড।

 

এ অবস্থায় গোল্ডেন বুট জিততে হলে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে মেসিকে অন্তত দুটি গোল করতে হবে, যাতে তিনি এমবাপ্পের সমান ১০ গোলে পৌঁছাতে পারেন। তবে গোলসংখ্যা সমান হলেও বিজয়ী নির্ধারণে অ্যাসিস্ট ও অন্যান্য টাইব্রেকার বিবেচনায় আসতে পারে। বর্তমানে দুইজনেরই অ্যাসিস্ট সমান ৪টি। তাই শুধু সমতায় ফিরলেই হবে না, প্রয়োজনে টাইব্রেকারেও এগিয়ে থাকতে হবে মেসিকে।

 

ফাইনালই হবে মেসির শেষ সুযোগ। স্পেনের বিপক্ষে তিনি গোল করতে পারলে শুধু আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ের সম্ভাবনাই বাড়বে না, ব্যক্তিগতভাবে গোল্ডেন বুট জয়ের লড়াইয়েও টিকে থাকবেন। ফলে বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচে শিরোপার পাশাপাশি ব্যক্তিগত এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের দিকেও থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের বাড়তি নজর।

গোল্ডেন বুট জিততে মেসির সামনে যে কঠিন সমীকরণ

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

 

রোববার (২০ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শিরোপার লড়াইয়ে মাঠে নামবে দুই দল।

 

সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।

 

পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে অপরাজিত থাকা আর্জেন্টিনা ফাইনালেও পরীক্ষিত কৌশলেই খেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্কালোনি বরাবরের মতো ৪-৪-২ ফরমেশনেই দল সাজানোর সম্ভাবনা বেশি। গোলপোস্টে থাকবেন নির্ভরযোগ্য এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। চার সদস্যের রক্ষণভাগে দেখা যেতে পারে নাহুয়েল মলিনা, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও নিকোলাস তালিয়াফিকোকে।

 

মাঝমাঠে রদ্রিগো দে পল, এনজো ফার্নান্দেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের ওপর থাকবে খেলার নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার দায়িত্ব। এই চার ফুটবলারের সমন্বয়ই আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডকে শক্তিশালী করে তুলেছে পুরো টুর্নামেন্টে।

 

আক্রমণভাগে অধিনায়ক লিওনেল মেসির সঙ্গী হিসেবে থাকবেন হুলিয়ান আলভারেজ। চলতি বিশ্বকাপে মেসি ইতোমধ্যে ৮ গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট করেছেন। অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করে ফাইনালে ওঠার পথে বড় অবদান রেখেছেন আলভারেজও।

 

স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ– গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ডিফেন্ডার: নাহুয়েল মলিনা, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস তালিয়াফিকো। মিডফিল্ডার: রদ্রিগো দে পল, এনজো ফার্নান্দেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ

 

ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d