
গ্রাম্য চিকিৎসকের ব্যক্তিগত ক্লিনিকে পাইলসের অপারেশন, টেবিলেই রোগীর মৃত্যু
সংবাদদাতা: ইয়াছিন মোড়ল
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নুরনগর ইউনিয়নে গ্রাম্য চিকিৎসক গোলাম মোস্তফার ব্যক্তিগত ক্লিনিকে পাইলসের অপারেশন করাতে গিয়ে আলমগীর হোসেন (৫০) নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আলমগীর হোসেন নুরনগর ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের মৃত মোবারক আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলমগীর হোসেন দীর্ঘদিন ধরে পাইলসের সমস্যায় ভুগছিলেন। শনিবার সকালে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য গ্রাম্য চিকিৎসক গোলাম মোস্তফার ব্যক্তিগত ক্লিনিকে গেলে তাকে পাইলসের অপারেশনের জন্য প্রস্তুত করা হয়। পরে অপারেশন চলাকালীন অপারেশন টেবিলেই তার মৃত্যু হয় বলে স্বজন ও স্থানীয়রা জানান।
স্থানীয়দের ধারণা, অ্যানেস্থেশিয়ার (অচেতন করার ওষুধ) পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা ভুল প্রয়োগের কারণে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
নিহতের চাচাতো ভাই মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, চিকিৎসক গোলাম মোস্তফার ভুল চিকিৎসার কারণেই আলমগীরের মৃত্যু হয়েছে বলে তারা মনে করছেন। অপারেশনের পর আলমগীরের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ফারজানা জানান, আলমগীর হোসেনকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে আনার সময় তিনি জীবিত ছিলেন না বলেও জানান ওই চিকিৎসক।
রোগীর মৃত্যুর খবর পেয়ে শ্যামনগর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
পুলিশ নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। পাশাপাশি শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে মৃত ব্যক্তির চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য ও প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন সংগ্রহের কার্যক্রমও পরিচালনা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা, রোগীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা বা ভুল হয়েছিল কি না—তা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।

বাবা হোর্হে মেসির মৃত্যুতে শোকাহত লিওনেল মেসি যখন পরিবারের পাশে থাকতে আর্জেন্টিনায়, তখন মাঠে নেমে বন্ধুর পাশে দাঁড়ালেন রদ্রিগো দে পল। নিজের জার্সির নিচে মেসির ১০ নম্বর জার্সি পরে খেলতে নেমেছিলেন ইন্টার মায়ামির এই আর্জেন্টাইন তারকা। গোল করেই সেই জার্সি প্রকাশ করেন এবং আবেগঘনভাবে মেসির প্রয়াত বাবাকে শ্রদ্ধা জানান।
শনিবারের দিনটি মেসি পরিবারের জন্য ছিল অত্যন্ত কঠিন। আর্জেন্টিনার রোজারিওতে ৬৮ বছর বয়সে মারা গেছেন মেসির বাবা হোর্হে মেসি। বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। বাবার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর ইন্টার মায়ামির কাছ থেকে ছুটি নিয়ে পরিবারের পাশে থাকতে রোজারিওতে ফিরে যান মেসি।
এ কারণে লিগস কাপের গ্রুপ পর্বে মনতেরের বিপক্ষে ম্যাচে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলতে পারেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। মেসির অনুপস্থিতিতে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব নিতে হয় অন্যদের। সেই দায়িত্বের অন্যতম একজন ছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু দে পল।
ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছিল ইন্টার মায়ামি। একপর্যায়ে বক্সের বাইরে থেকে বজ্রগতির এক শটে দারুণ গোল করে দলকে এগিয়ে দেন দে পল।
গোল করার পরই নিজের জার্সি খুলে ফেলেন তিনি। তখন প্রকাশ পায় আসল চমক। নিজের জার্সির নিচে তিনি পরে ছিলেন মেসির বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সি। গোল করার পর সেই জার্সি দেখিয়ে মেসি ও তাঁর পরিবারের প্রতি ভালোবাসা ও সমবেদনা জানান দে পল।
মেসির কঠিন সময়ে তাঁর পাশে থাকার এটি ছিল দে পলের আবেগঘন এক বার্তা। মাঠের বাইরেও দুজনের বন্ধুত্ব বেশ গভীর। আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে শুরু করে ইন্টার মায়ামি—দুই জায়গাতেই মেসির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে দে পলের।
মেসি, লুইস সুয়ারেজ ও জার্মান বেরতেরামে না থাকায় মনতেরের বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির জন্য ম্যাচটি আরও কঠিন হয়ে উঠেছিল। সেই পরিস্থিতিতে ৩২ বছর বয়সী দে পল সামনে থেকে দায়িত্ব নেন। গোল করে দলকে যেমন এগিয়ে দেন, তেমনি বন্ধুর পরিবারের কঠিন সময়েও পাশে থাকার বার্তা দেন।
মেসির জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মানুষ হোর্হে মেসির মৃত্যুর পর ফুটবল বিশ্বের অনেকেই শোক প্রকাশ করেছেন। দে পলের এই শ্রদ্ধা যেন সেই শোকের মধ্যেই বন্ধুত্বের আরেকটি গভীর উদাহরণ হয়ে থাকল।
মেসি যখন রোজারিওতে বাবাকে শেষ বিদায় জানাতে পরিবারের সঙ্গে, তখন তাঁর হয়ে মাঠে লড়লেন দে পল। আর গোলের পর মেসির ১০ নম্বর জার্সি দেখিয়ে জানিয়ে দিলেন—কঠিন সময়ে বন্ধুকে তিনি একা হতে দেবেন না।

ওসির কান্ড। ভেঙ্গে গেল শিক্ষিকার সংসার? তদন্ত নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন
স্টাফ রিপোর্টার
জেলা নীলফামারী
(০৮/আগস্ট/২৬ইং)
বিবাহ বিচ্ছেদের কাগজ আজও হাতে পানি স্ত্রী। অথচ রংপুরের তারাগঞ্জ থানার ওসি একদল ফোর্স নিয়ে গিয়ে তালাক হয়ে গেছে জানিয়ে সেই স্ত্রীকে স্বামীর বাড়ি হতে জোড়পূর্বক বের করে দিয়েছিলেন। এমন বাস্তবতার ঘটনাটি ঘটেছে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায়। ভুক্তভোগী সেই নারী পুলিশের ওসির বিরুদ্ধে পুলিশের
মহাপরিদর্শক (আইজিপি)
ও রংপুর রেঞ্জের ডিআইজির নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন সচেতন মহল বলেছেন। দাম্পত্য জীবনে থানার ওসির এমন আচরণ কোনভাবে কাম্য নয়। এখানে তিনি একপক্ষ অবলম্বন করে হয়তো আর্থিক ফায়দা লুটে ওই নারীর দাম্পত্য জীবনকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছেন। অভিযোগে জানা যায়, নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কাশীরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের কিসমত ডাঙ্গি হেডপাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত মাহাতাব উদ্দিন সরকারের মেয়ে একটি স্কুলের শিক্ষিকা মমতা বেগমের সঙ্গে পারিবারিকভাবে ২০২৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি বিয়ে হয়ে রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের আব্দুস সাত্তার ভম্বলের ছেলে আতিকুল ইসলামের সঙ্গে। বিয়ের পর তাদের দাম্পত্য জীবন সুখের ছিল। শিক্ষিকার স্বামী আতিকুল ঢাকায় একটি বেসরকারি ব্যাংকে চাকরি করেন। শিক্ষিকা মমতা স্বামীর তারাগঞ্জ বাড়ি হতেই যাতায়াতের মাধ্যমে স্কুলে চাকরি করতেন। স্বামীর বাড়ির বসত ঘর মেরামত ও নতুন করে তিনি (মমতা) সাজিয়ে তুলেন কিন্তু হঠাৎ করে গত ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মমতার শ্বশুরবাড়ির লোকজন মমতাকে জানায়, তোমার স্বামী আতিকুল তোমাকে তালাক দিয়েছে তুমি শ্বশুর বাড়ি হতে বের হয়ে যাও। তালাক কিসের কারনে হল আমি তো কিছুই জানিনা বা তালাকের কোন নোটিশ হাতে পেলাম না। তাহলে তালাক হয় কেমন করে এমন প্রশ্ন তুললে মমতাকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিশেষ করে মেজ ভাসুর ও তার ভাসুরের স্ত্রী শারীরিক নির্যাতন করতে থাকে। এমনকি স্বামীর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করতে গিয়েও মমতা ব্যর্থ হয়। বাধ্য হয় মমতা তারাগঞ্জ থানার তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম এ ফারুক এর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে সহযোগিতা চায়। কিন্তু ওসি সহযোগিতা না করে মমতাকে শ্বশুরবাড়ি হতে বের হয়ে যেতে বলেন। মমতা শশুর বাড়িতে নির্যাতন সহ্য করে অবস্থান করেন। এ অবস্থায় পরের দিন ( ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ) বিকালে তারাগঞ্জ থানার উক্ত ওসি একদল ফোর্স নিয়ে মমতার শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে হাজির হয়ে মমতাকে বাড়ি ছাড়া নির্দেশ দেন। মমতা রাজি না হলে ওসি জানায় তালাক হয়ে গেছে আপনি বাড়ি ছাড়েন। এখানেও মমতা প্রতিবাদ করে জানান কিভাবে তালাক হয় আমি কোন তালাকের নোটিশ পাইনি। আমার স্বামীকে নিয়ে আসেন আমি তার মুখে জানতে চাই। ওসি কোন কথার কর্ণপাত না করে মহিলা পুলিশের সহযোগিতায় রাত সাড়ে ৮ টার দিকে মমতাকে জোরপূর্বক শ্বশুরবাড়ির হতে বের করে তারা থানায় নিয়ে আসেন এ সময় ওসি মমতা বেগমের মোবাইল ফোনটিও কেড়ে নেন। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে মমতার আত্মীয়-স্বজনকে ডেকে এনে মমতাকে তার বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। অভিযোগ উঠেছে তালাকের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই তারাগঞ্জ থানার তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ওই শিক্ষিকাকে স্বামীর বাড়ি থেকে বের করে আনলেন কি করে। পরে এ ঘটনায় রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে অভিযোগ করা হলে তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী ও কয়েকজন সাক্ষী। ভুক্তভোগী শিক্ষিকা মোছাঃ মমতা বেগমের দাবি, তারাগঞ্জ থানার তৎকালিন ওসি পুলিশ নিয়ে তার স্বামীর বাড়িতে যান সেখানে তাকে বলা হয়,”তোমার স্বামী তোমাকে তালাক দিয়েছে, তুমি এই বাড়ি থেকে বের হয়ে যাও। না হলে তোমাকে গ্রেফতার করা হবে।”এরপর মহিলা পুলিশ দিয়ে তাকে বাড়ি থেকে জোরপূর্বক বের করে থানায় নেওয়া হয়। যাওয়ার সময় তার মোবাইল ফোনও নিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। মমতা বেগমের ভাষ্য, তিনি ওসিকে বারবার জানান যে তিনি কোন তালাকনামার নোটিশের কপি পান নি এবং তার সামনেও স্বামী তাকে তালাক দেননি। তিনি আরো বলেন, প্রচলিত আইন অনুযায়ী তালাক কার্যকর হওয়ার আগ পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময় স্বামীর বাড়িতে থাকার অধিকার রয়েছে। এরপরও তাকে জোরপূর্বক বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করা হয়। সরজমিন অনুসন্ধানে গেলে ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ মশিউর রহমান বলেন, পুলিশ শিক্ষিকাকে ভয় দেখিয়ে থানায় নিয়ে যায়। পরে তার পরিবারের সদস্যদের ডেকে লিখিত নিয়ে তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। যা সেই ওসি অন্যায় ভাবে করেছে। তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর এসআই মাসুদ আলমপুর ইউনিয়নের বিএনপি নেতা মোঃ মশিউর রহমানকে তাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার জন্য পাঠানো হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। মমতা জানাই, ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত তার স্বামীর বাড়ির শয়ন কক্ষটি তালাবদ্ধ ছিল। তিনি দুইদিন এক রাত বারান্দায় বসে ছিলেন। নিজের কক্ষের তালা খুলে দেওয়ার জন্য ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন এবং থানার তৎকালীন ওসির কাছে ফোন করে সহযোগিতা চাইলেও কেউ তাকে সহযোগিতা করেনি বলে মমতা অভিযোগ করেন। মমতার অভিযোগ, পহেলা অক্টোবর ২০২৫ তারিখে তারাগঞ্জ থানার তৎকালীন ওসি নিজে পুলিশ সদস্যদের একটি বহর নিয়ে তার শ্বশুর বাড়িতে যান এবং তাকে জোরপূর্বক সেখান থেকে বের করে নিয়ে আসেন। মমতা বেগমের অভিযোগ, তার পক্ষে যেসব সাক্ষী ছিলেন, তদন্তের সময় তাদেরকে ডাকা হয়নি। ফলে ঘটনার প্রকৃত তথ্য তদন্তে উঠে আসেনি। একই গ্রামের বাসিন্দা আরজিনা বেগম বলেন, মহিলা পুলিশ দিয়েই শিক্ষিকাকে বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন বলেন,”মেয়েটি বলছিল, সে কোন তালাকের কাগজ পায়নি এবং স্বামী তার সামনে তালাক দেয়নি। অন্যদিকে ছেলের দাবি ছিল, সে তালাক দিয়েছে। এ অবস্থায় আমার করার তেমন কিছুই ছিল না।”তবে শিক্ষিকা মমতা বেগম অভিযোগ করেন, ওই ইউপি সদস্য এবং তার স্বামীর মেজ ভাই ও ভাবি সহ পরিবারের কয়েকজন সদস্যের পরামর্শেই তাকে নির্যাতন করা হয় এবং পুলিশ এসে তাকে থেকে জোরপূর্বক বের করে দেয়। এ বিষয়ে মমতা বেগমের বড় ভাসুর আখতারুল এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “ওসি নিয়ে গেছে। এ বিষয়ে আমরা কোন কথা বলতে চাই না।” এ ঘটনা রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মমতা বেগম। অভিযোগের পর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তবে তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তার অভিযোগ, তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থলে না গিয়ে অফিসে বসেই সাক্ষ্য গ্রহণ করেছে। সাক্ষীদের আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ না করে একসঙ্গে বসিয়ে বক্তব্য নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ মশিউর রহমান ও অভিযোগ করেন, তার বক্তব্য যথাযথভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়নি। তিনি বলেন,”আমার জীবনেও এ ধরনের সাক্ষ্য গ্রহণেও দেখিনি ওসির দোষ ঢাকতে চারজনকে একসঙ্গে বসিয়ে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। আমি যা বলেছি, তা পুরোপুরি তদন্ত কমিটি লিপিবদ্ধ করেনি। শিক্ষিকা মমতা স্বামীর বাড়ি ছেড়ে যেতে চাইনি। অথচ তারা মেয়েটিকে নির্যাতন করে উল্টো মিথ্যা অজুহাত দেয় মেয়েটা আত্মহত্যা করবে। তিনি আরো বলেন,”যদি পুলিশ ঐদিন মেয়েটিকে (মমতা বেগম) বাড়ি থেকে জোর করে বের করে নিয়ে না যেত তাহলে হয়তো তার সংসারটা টিকে যেতো। এখানে ওসির সঙ্গে মমতার স্বামীর মেজ ভাই ও তার ফুটচাল করে। এ বিষয়ে তারাগঞ্জ থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম এ ফারুক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,”মমতা যে অভিযোগ করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাকে জানায়, হে আত্মহত্যা করতে চাইছে। এজন্য আমি তাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেই। তাকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়” অন্যদিকে স্কুল শিক্ষিকা মমতা বেগমের স্বামী মোঃ আতিকুল ইসলাম (আতিক) বলেন,”আমি মমতা বেগমকে তালাক দিয়েছি। তিনি এ বিষয়ে আর কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ ব্যাপারে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি আমিনুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি বলেন ওই ওসিকে তারাগঞ্জ থানা হতে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে তদন্ত করা হয়েছিল। তদন্ত কমিটি ওসিকে নির্দোষ হিসাবে প্রতিবেদন দেয়। তবে শিক্ষিকা মমতা বেগম তদন্ত প্রতিবেদনে প্রত্যাখ্যান করে পুনরায় তদন্তের জন্য আবেদন করেছেন। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। এদিকে এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকাজুড়ে নানা আলোচনা চলছে। আইনজীবীদের মতে পারিবারিক বিরোধ ও তালাক সংক্রান্ত বিষয়ে পুলিশের ভূমিকা অবশ্যই আইনের সীমার মধ্যে থাকতে হবে। কোন পক্ষের আইনগত অধিকার ক্ষুন্ন হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া জরুরী বিষয়ে তারাগঞ্জ থানার সাবেক ও সি এম এ ফারুকের ভূমিকা নিরপেক্ষ ছিল না। এদিকে শিক্ষিকার তালাকের নোটিশ নিয়ে রহস্য দেখা দিয়েছে। সৈয়দপুর উপজেলার ষ
কাশীরামবেলপুকুর সাব পোস্ট অফিসে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, একটি রেজিস্ট্রি চিঠি মমতা বেগমের নামে এসেছিল কিন্তু চিঠিটি মমতা বেগম গ্রহণ না করায় তা প্রাপকের নিকট ফেরত পাঠানো হয় এই চিঠির বিষয়টি তদন্ত করতে মমতা বেগম রংপুর বিভাগীয় পোস্টমাস্টার জেনারেলের নিকট আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে একটি তদন্ত টিম গঠন করে তা তদন্ত করা হয়। তদন্ত করেন নীলফামারী সৈয়দপুর উপবিভাগ পোস্ট অফিস পরিদর্শক মোঃ মঞ্জুর রহমান। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয় উক্ত পোস্ট অফিসের ডাক পিয়ন চিঠির প্রাপক মমতার বেগমের সাথে দেখা না করেই নোটিশ লিখে দেন প্রাপক চিঠি গ্রহণ করেননি। এতে প্রমাণিত হয় মমতা বেগমের শ্বশুরবাড়ির লোকজন পোস্ট অফিসের ডাক পিয়নের সাথে আঁতাত করে তালাকের চিঠি বিলি করাননি। যাতে করে ৯০ দিন অতিবাহিত হলে তারা কার্যকর হয়ে যাবে। এ ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী উক্ত ডাক পিয়ন কে চাকুরি হতে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। মমতা বেগম জানান, তিনি আজ পর্যন্ত তালাকের নোটিশ হাতে পাননি। অথচ তারাগঞ্জ থানার তৎকালীন ও সীতাকে তালাক হয়েছে জানিয়ে হেনস্তা করে শ্বশুরবাড়ি হতে বের করে আনেন। মমতা বেগম সেই ওসির কঠোর শাস্তি দাবী করেন।

গাইবান্ধায় বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ,সরজমিনে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন
শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি
গাইবান্ধার ৩ উপজেলার বন্যা কবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। আজ শনিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নৌ পথে সরেজমিনে সদরের চিথুলিয়া- দিগড় , ফুলছড়ির জিগাবাড়ী ও উড়িয়া এবং সুন্দরগঞ্জের শ্রীপুর ও লাল-চামার এলাকার বন্যা ও নদীভাঙন কবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি।
এরপর ফুলছড়িতে নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন কালে দক্ষিণ কাবিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত পথসভায় স্থানীয়দের উদ্দেশ্য তিনি বক্তব্য রাখেন।
বক্তব্যতে তিনি অতীতের ফ্যাসিষ্ট সরকার কে দায়ী করে বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার এ এলাকায় নদীভাঙন রোধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। নদী ভাঙ্গন রোধের নামে শুধু লুটপাট চালিয়েছে। ফলে এ অঞ্চলের মানুষের বাড়িঘর, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে।
তিনি বলেন, নদী ভাঙ্গন যেখানেই হবে সেখানেই জরুরী ভিত্তিতে জিও ব্যাগ দেওয়া হবে। গাইবান্ধার বন্যা কবলিত এলাকা গুলোতে একটিতে এক হাজার কোটি ও অপর আরেকটিতে আটশো কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে এই জেলায় নদী ভাঙ্গন থাকবে না।
তিনি আরো বলেন, আগামী চার বছরের ভিতরে পানি সম্পদ মন্ত্রনায় ৯৬ টি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে গাইবান্ধায় দুটি বৃহৎ প্রকল্প রয়েছে । যা অতিদ্রুত টেন্ডারের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।
এছাড়া জরুরি ভিত্তিতে আটান্নটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে তাৎক্ষণিকভাবে জিও ব্যাগ দিয়ে ভাঙ্গন রোধ করার জন্য। সেই সাথে আগামী দু এক দিনের ভিতরে জিও ব্যাগ দিয়ে আপদ কালীন নদী ভাঙ্গন রোধ করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী। পাশাপাশি সরকারের নানা উন্নয়নমুলক কর্মকান্ড ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ফুলছড়ি-সাঘাটা-৫ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল ওয়ারেছ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিদ্রোহ কুমার কুন্ড, জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মাহমুদুন নবী টিটুল। এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাগন ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

গাইবান্ধায় ৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ডিবি পুলিশ
শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি
গাইবান্ধায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে রায়হান (২৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে গাইবান্ধা সদর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পুরাতন বাজারের পানপট্টি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ জানায়, গাইবান্ধার পুলিশ সুপারের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। এ সময় পুরাতন বাজারের পানপট্টিতে রানা মিয়ার পানের দোকানের সামনের গলি থেকে আমিনুল ইসলাম ওরফে রায়হানকে আটক করা হয়। পরে তার পরিহিত থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্টের ডান পকেট থেকে সাদা পলিথিনে মোড়ানো হালকা কমলা রঙের ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আমিনুল ইসলাম ওরফে রায়হান গাইবান্ধা সদর উপজেলার সবুজপাড়া এলাকার মো. আব্দুর রহমান ওরফে ইদ্রিস আলীর ছেলে।
পুলিশ আরও জানায়, উদ্ধার করা ইয়াবাগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গাইবান্ধা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ১০(ক) অনুযায়ী মামলা হয়েছে। মামলা নম্বর-২০, তারিখ-৭ আগস্ট ২০২৬।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ঘটনায় এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

ভোরে ছেলেকে মাদ্রাসায় যাওয়ার জন্য গাড়িতে তুলে দিয়েছিলেন বাবা। কে জানত, সেটিই হবে ছেলের শেষ যাত্রা। কয়েক ঘণ্টা পর সড়ক দুর্ঘটনায় ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে ছুটে আসতে হবে বাবাকে। দুপুরে সিলেটের শেরপুর হাইওয়ে থানায় ছেলের লাশ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। কিছুক্ষণ পরপর জ্ঞান হারাচ্ছিলেন বাবা-মা দুজনই।
নিহত আরমান হোসেন রাহিম (১৫) কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। তার বাবা রফিকুল ইসলাম সিলেটে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। দুই ছেলের মধ্যে রাহিম বড়। ছোটবেলা থেকেই ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি আগ্রহ ছিল তার। শাহপরান (রহ.) মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে দুই বছর আগে কোরআনের হাফিজ হন তিনি।
রাহিম সিলেটে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন। পরে গত বছর তাকে ঢাকার একটি মাদ্রাসায় সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। মাদ্রাসায় যাওয়ার জন্য শুক্রবার ভোরে বাবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ইউনিক পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন তিনি। কিন্তু ঢাকায় আর পৌঁছানো হয়নি রাহিমের।
শুক্রবার সকালে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগর উপজেলার কাশিকাপন এলাকায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে রাহিমসহ অন্তত নয়জন নিহত হন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাহিমের বাবা সিলেট থেকে শেরপুর হাইওয়ে থানায় ছুটে যান। তার মা কুমিল্লা থেকে সেখানে আসেন।
দুপুরে থানায় ছেলের লাশ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন রফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী। বারবার জ্ঞান হারাচ্ছিলেন তারা। সেখানে উপস্থিত লোকজন তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।
রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার দুই ছেলের মধ্যে রাহিম বড়। সে শাহপরান মাদ্রাসা থেকে হাফিজি শেষ করে। ঢাকার একটি মাদ্রাসায় সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত। ভোরে তাকে গাড়িতে তুলে দিলাম, সেটাই শেষ যাত্রা হবে ভাবিনি।’
রাহিমের স্বজনেরা জানান, পড়াশোনার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষাতেও তার আগ্রহ ছিল। পরিবারের আশা ছিল, পড়াশোনা শেষ করে তিনি ভালো কিছু করবেন। কিন্তু একটি সড়ক দুর্ঘটনা মুহূর্তেই সেই স্বপ্ন শেষ করে দিয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে শীর্ষ অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
মোঃ আশরাফুল ইসলাম
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
ঠাকুরগাঁওয়ে বিশেষ অভিযানে কথিত শীর্ষ অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসায়ী মোহাম্মদ খোরশেদ আলী (৩০)কে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।
বুধবার ৬আগষ্ট ঠাকুরগাঁও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-এর একটি চৌকস দল সদর উপজেলার ১০ নম্বর জামালপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মালিগাঁও (কাশিডাঙ্গা) এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করে।
গ্রেফতারকৃত খোরশেদ আলী মালিগাঁও (কাশিডাঙ্গা) গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন ও মোছা. মাজেদা বেগমের ছেলে।
ডিবি পুলিশের দাবি, প্রাথমিক তদন্তে গ্রেফতারকৃতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে ৩৮টি অনলাইন ক্যাসিনো অ্যাপ পাওয়া গেছে। তিনি ডিজিটাল ইলেকট্রনিক ডিভাইস, মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে সাইবার স্পেসে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) জানায়, “আমরা শুধু মাদক নির্মূলে নয়, অনলাইন ক্যাসিনোসহ সব ধরনের সাইবার অপরাধ দমনে সর্বদা সোচ্চার। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান আরও জোরদারভাবে চলমান থাকবে।”
গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


Leave a Reply