খামারে খাবার দিয়ে ঘুমাতে যান আমিনুর, সকালে উঠে দেখেন তিন শতাধিক মুরগির মৃত্যু। - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
খামারে খাবার দিয়ে ঘুমাতে যান আমিনুর, সকালে উঠে দেখেন তিন শতাধিক মুরগির মৃত্যু।

খামারে খাবার দিয়ে ঘুমাতে যান আমিনুর, সকালে উঠে দেখেন তিন শতাধিক মুরগির মৃত্যু।

খামারে খাবার দিয়ে ঘুমাতে যান আমিনুর, সকালে উঠে দেখেন তিন শতাধিক মুরগির মৃত্যু।

 

 

বিশেষ প্রতিনিধি,

মামুন হাওলাদার

 

বাগেরহাটের শরণখোলায় একটি মুরগির খামারে ঢুকে বনবিড়ালের (বাঘডাশ) আক্রমণে এক রাতেই প্রায় ৩০০টি ব্রয়লার মুরগির মৃত্যু হয়েছে। এতে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন খামারি।

 

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার খোন্তাকাটা গ্রামের প্রবাসী ফেরত আমিনুর সরদারের খামারে এই ঘটনাটি ঘটে।

 

ক্ষতিগ্রস্ত খামারি আমিনুর সরদার জানান, সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে তিনি নিজ বাড়িতে একটি ব্রয়লার মুরগির খামার গড়ে তোলেন। প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতেও খামারের প্রায় এক হাজার মুরগিকে নিয়ম অনুযায়ী খাবার ও পানি দিয়ে তিনি ঘুমাতে যান।

 

ধারণা করা হচ্ছে, শেষরাতের দিকে খাঁচা বা নেটের ফাঁকা অংশ দিয়ে একটি বনবিড়াল ভেতরে ঢোকে এবং মুরগিগুলোর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

বৃহস্পতিবার সকালে খামারে ঢুকে সারিবদ্ধভাবে ৩০০টি মুরগি মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তিনি।

মৃত প্রতিটি মুরগির শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড় ও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এক রাতের এই তাণ্ডবে তার অর্ধ লক্ষাধিক টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।


নওগাঁ ধামইরহাটে চাঞ্চল্যকর মুস্তাকিন হত্যা: মামলা দায়ের করার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই ৫ জন গ্রেপ্তার

 

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর ধামইরহাটে ২০০ টাকা মূল্যের মাছ ধরার জাল বন্ধক রাখাকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া তরুণ মুস্তাকিন (২০) হত্যা মামলার প্রধান পাঁচ আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সাথে ঘটনার সাথে জড়িত আলামত হিসেবে রক্তমাখা সাবল উদ্ধার করে পুলিশ।

 

মামলা রুজুর মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ধামইরহাট থানা পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বড় শিবপুর যদুপাড়া গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে ডিসিষ্ট৫ মোস্তাকিনের সাথে মাছ মারার তৌরা জাল ২০০ টাকা বন্ধক রাখা নিয়ে আসামিদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে আসামিরা মোস্তাকিনের নিজ বাড়ির খলিয়ানে ঢুকে তাকে এবং তার মাকে মারপিট করে গুরুতর৫ রক্তাক্ত জখম করে। পরবর্তীতে স্থানীয়রা উদ্ধার করে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মোস্তাকিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

ঘটনার পরপরই নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এর কঠোর নির্দেশনায় ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব মোঃ মিন্টু রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস টিম অভিযানে নামে। ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ ভোর ০৪:৩০ ঘটিকায় সাহাপুর আঙ্গুরাত কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত পাঁচ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।৫

 

গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন:

মো: রতন হোসেন (২২), পিতা: আব্দুল জলিল

মো: সাইদুল ইসলাম (২৪), পিতা: আব্দুল জলিল

আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত শিশু মোঃ হাসান (১৪), পিতা: আব্দুল জলিল

মোসাম্মৎ রোকেয়া বেগম (৫৫)

মোছাম্মত জাকিয়া বেগম (১৯)

গ্রেফতারের পর আসামি সাইদুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার নিজ বাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা সাবল উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে ধামইরহাট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নওগাঁ ধামইরহাটে চাঞ্চল্যকর মুস্তাকিন হত্যা: মামলা দায়ের করার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই ৫ জন গ্রেপ্তার 

আতিকুর রহমান আশিক

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

 

এ দাবিতে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানার কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করেন। কিন্তু এ মহাসড়কে চলাচলকারী সেলফী পরিবহনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং এবং বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগ রয়েছে। এতে যাত্রী ও অন্যান্য সড়ক ব্যবহারকারীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হচ্ছে।

স্মারকলিপিদাতারা সেলফী পরিবহনের গত কয়েক বছরের দুর্ঘটনার রেকর্ড, সংশ্লিষ্ট মামলা, গাড়ির ফিটনেস, রুট পারমিট, চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং প্রশিক্ষণের বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখার দাবি জানান।

সচেতন নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক খন্দকার তুহিন হোসেন বলেন, তদন্তে কোনো ধরনের অনিয়ম, বেপরোয়া গাড়ি চালানো কিংবা ফিটনেস ও রুট পারমিট সংক্রান্ত অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট পরিবহন কর্তৃপক্ষ ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, সেলফী পরিবহনের চালকরা নিয়মিতভাবে ট্রাফিক আইন ও সড়ক নিরাপত্তা বিধিমালা মেনে চলছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাগুলোতে ট্রাফিক পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি এবং অভিযান জোরদারের দাবি জানানো হয়।

 

কোনো পরিবহন কর্তৃপক্ষ বা চালকের অবহেলার কারণে দুর্ঘটনা ঘটলে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানানো হয়। জননিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সেলফী পরিবহনের রুট পারমিট বাতিল রাখার দাবি জানান স্মারকলিপিদাতারা।

পাশাপাশি ভবিষ্যতে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে চলাচলকারী সব গণপরিবহনের ফিটনেস, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স, রুট পারমিট ও গতিসীমা নিয়মিতভাবে যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়।

 

এ ছাড়া সেলফী পরিবহনের প্রকৃত কতটি গাড়ির রুট পারমিট রয়েছে এবং অনুমোদনের বাইরে কতটি গাড়ি বাস্তবে মহাসড়কে চলাচল করছে, তা তদন্ত করে নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

স্মারকলিপিদাতারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা কোনো স্বাভাবিক ঘটনা নয়। প্রতিটি দুর্ঘটনার সঙ্গে মানুষের জীবন, একটি পরিবারের স্বপ্ন এবং রাষ্ট্রের সম্পদ জড়িয়ে থাকে। তাই যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে চলাচলকারী সব পরিবহনের বিরুদ্ধে কার্যকর নজরদারি ও আইন প্রয়োগ জরুরি।

 

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক সচেতন সমাজের আহ্বায়ক খন্দকার তুহিন হোসেন, সদস্য পীযূষ ফাইটার, মো. চঞ্চল, রুবেল হোসেন, সাকিব আল হাসানসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা-আরিচাসেলফী পরিবহনের বিরুদ্ধে বেপরোয়া ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি চালানো এবং যাত্রী নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অভিযোগ তুলে প্রতিষ্ঠানটির রুট পারমিট বাতিলের দাবি

শ্যামনগরে ১৩ ইটভাটার মধ্যে ১০টির নেই পরিবেশগত ছাড়পত্।

‎ইয়াছিন মোড়ল- (শ্যামনগর সাতক্ষীরা)

‎সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় পরিবেশ অধিদপ্তরের আওতাধীন মোট ১৩টি ইটভাটা রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৩টি ইটভাটার পরিবেশগত ছাড়পত্র/নবায়ন ২০২৫ পর্যন্ত রয়েছে, আর বাকি ১০টি ইটভাটা অবৈধ, নেই পরিবেশগত ছাড়পত্র/নবায়ন। পরিবেশ অধিদপ্তর, সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

‎পরিবেশ ছাড়পত্রবিহীন এসব অধিকাংশ অবৈধ ইটভাটার কোনো সরকারি অনুমোদন বা লাইসেন্সও নেই। সম্প্রতি উচ্চ আদালত এক আদেশে দেশের সব অবৈধ ইটভাট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। তারপরও অবৈধ ইটভাটা বন্ধে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে এসব অবৈধ ইটভাটা পুরোদমে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। জনবসতিপূর্ণ এলাকা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশেই গড়ে তোলা এ সকল অবৈধ ইটভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ায় মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ক্লাস করে থাকে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

‎উপজেলার রামজীবনপুর দাখিল মাদ্রাসার

‎শিক্ষার্থীরা জানান, চলতি মৌসুমে ক্লাসের সময় ইটভাটার কালো ধোঁয়া সরাসরি তাদের নাক দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে। চোখে বালু ও ধোঁয়া ঢুকে যায়। ফলে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। চোখেও সমস্যা হয়। ইটভাটার ট্রাক ও ভেকুসহ বিভিন্ন মেশিনের শব্দে ক্লাসের সময় তারা শিক্ষকদের কথা শুনতে পারে না।

‎এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের নজরদারি না থাকায় অবৈধ এসব ভাটায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে কাঠ, সোয়াবিনের গাঁথ, তুষকাঠ ও টায়ার বিষাক্ত কালি  জ্বালানিতে  ব্যবহার করা হয়। অভিযোগ ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দাদের।

‎উপজেলার মৎস্য আড়ৎ এবং বাজারের নিকটবর্তী বসবাসকারী কয়েকজন ব্যক্তি বলেন, আমাদের ৩০ বছরের বসতভিটা এখানে। আগে একটি ভাটা ছিল। এখন চারপাশে চারটি ইটভাটা। ধুলাবালি আর ধোয়ায় ঘরবাড়ি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ঘরের ভেতর ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে বাস করছি। ইটভাটার ধোঁয়া ও বালুকণার কারণে বাড়িতে কোন গাছ-গাছালি বা খেতে ফসল ফলানো যাচ্ছে না।

‎পরিবেশ অধিদপ্তরের নথিতেই যখন শ্যামনগরের ১০টি ইটভাটার হালনাগাদ পরিবেশগত ছাড়পত্র/নবায়ন নেই, অবৈধ ভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে,  তখন এসব ইটভাটার মধ্যে যেগুলো এখনও চালু রয়েছে—সেগুলোর কার্যক্রম কীভাবে চলছে, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।

‎উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ জিয়াউর রহমান বলেন, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় পরিচালিত ইট ভাটা থেকে নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়ায় ব্রংকাইটিস, শ্বাসকষ্টসহ শ্বসনতন্ত্রের বিভিন্ন রোগের প্রকোপ স্বাভাবিক ভাবেই বেড়ে যায়। এতে বৃদ্ধ এবং শিশুদের মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকে। ফলে এ বিষয়ে আমাদের সচেতন হতে হবে।

‎বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে থাকা  ইটের ভাটা গুলো সরিয়ে নিলে  শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমে যাবে।

‎এ ব্যাপারে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুজ্জাহান কনকের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি, ফোন রিসিভ করেননি তিনি ।

শ্যামনগরে ১৩ ইটভাটার মধ্যে ১০টির নেই পরিবেশগত ছাড়পত্র

বাড়ইপাড়া শাখার শ্রমিক ইউনিয়নের কমিটি গঠন, সভাপতি হুমায়ুন কবির, সম্পাদক রফিকুল।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার,

ক্রাইম রিপোর্টার, গাজীপুর।

 

গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের বাড়ইপাড়া শাখার ১৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

তিন বছরের জন্য গঠিত এই কমিটিতে সভাপতি হুমায়ূন কবির ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামকে নির্বাচিত করা হয়।

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার কালিয়াকৈর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয়ে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এ নতুন কমিটি ঘোষণা করেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক, হুমায়ুন কবীর খান। এই কমিটির অন্যরা হলেন- কার্যকরী সভাপতি নুরুল ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল উদ্দিন, সহ-সভাপতি-১ লেহাজ উদ্দিন, সহ-সভাপতি-২ রমজান আলী, যুগ্ম সম্পাদক ফারুক হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান উদ্দিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল হালিম, দপ্তর সম্পাদক আজহার উল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক তাহের হোসেন, সড়ক সম্পাদক আব্দুল আজিজ শরীফ, সহ-সড়ক সম্পাদক শ্রী সুব্রত চন্দ্র বর্মণসহ ১৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। এর আগে গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মিনার উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর খান, গাজীপুর জেলা অটো টেম্পু মালিক সমিতির সভাপতি শাহজাহান সিরাজ, সাধারণ সম্পাদক কোহিনুর ইসলাম, গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসিম দেওয়ানসহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন ।

বাড়ইপাড়া শাখার শ্রমিক ইউনিয়নের কমিটি গঠন, সভাপতি হুমায়ুন কবির, সম্পাদক রফিকুল

গাজীুপরের কাশিমপুরে দুই ব্যাটারি কারখানায় অভিযান, ২ লাখ টাকা জরিমানা ।

 

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার, ক্রাইম রিপোর্টার, গাজীপুর।

 

গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুরে অনুমোদনহীন দুটি চায়না মালিকানাধীন ব্যাটারি কারখানায় অভিযান চালিয়ে মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

জেলা এনএসআই গাজীপুর কার্যালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত কাশিমপুর থানাধীন এলাকায় পৃথক এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

প্রথমে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কাশিমপুর থানার ১ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ পানিশাইল এলাকায় ‘টংগুইদা’ নামের একটি কারখানায় অভিযান চালানো হয়।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, গাজীপুরের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সালেহুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে প্রতিষ্ঠানটিতে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই ব্যাটারি উৎপাদন ও বাজারজাত করার সত্যতা পাওয়া যায়।

 

এ সময় বিএসটিআই আইন, ২০১৮-এর ১৫(২৭) ধারা অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা এবং ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮-এর ৪০, ২৪ ও ৫৫ ধারায় আরও ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

 

পরে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট থেকে ৫টা ১০ মিনিট পর্যন্ত একই থানার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মাধবপুর এলাকায় ‘টাইগার ব্যাটারী’ নামের আরেকটি চাইনিজ মালিকানাধীন কারখানায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও কাগজপত্র ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনার সত্যতা পাওয়া যায়।

 

এ ঘটনায় বিএসটিআই আইন, ২০১৮-এর ৩১ ধারা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।

 

ভ্রাম্যমাণ আদালতের পৃথক দুটি অভিযানে মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

 

অভিযানের মাধ্যমে অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া ব্যাটারি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছেন ।

গাজীুপরের কাশিমপুরে দুই ব্যাটারি কারখানায় অভিযান, ২ লাখ টাকা জরিমানা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

খামারে খাবার দিয়ে ঘুমাতে যান আমিনুর, সকালে উঠে দেখেন তিন শতাধিক মুরগির মৃত্যু।

 

 

বিশেষ প্রতিনিধি,

মামুন হাওলাদার

 

বাগেরহাটের শরণখোলায় একটি মুরগির খামারে ঢুকে বনবিড়ালের (বাঘডাশ) আক্রমণে এক রাতেই প্রায় ৩০০টি ব্রয়লার মুরগির মৃত্যু হয়েছে। এতে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন খামারি।

 

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার খোন্তাকাটা গ্রামের প্রবাসী ফেরত আমিনুর সরদারের খামারে এই ঘটনাটি ঘটে।

 

ক্ষতিগ্রস্ত খামারি আমিনুর সরদার জানান, সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে তিনি নিজ বাড়িতে একটি ব্রয়লার মুরগির খামার গড়ে তোলেন। প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতেও খামারের প্রায় এক হাজার মুরগিকে নিয়ম অনুযায়ী খাবার ও পানি দিয়ে তিনি ঘুমাতে যান।

 

ধারণা করা হচ্ছে, শেষরাতের দিকে খাঁচা বা নেটের ফাঁকা অংশ দিয়ে একটি বনবিড়াল ভেতরে ঢোকে এবং মুরগিগুলোর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

বৃহস্পতিবার সকালে খামারে ঢুকে সারিবদ্ধভাবে ৩০০টি মুরগি মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তিনি।

মৃত প্রতিটি মুরগির শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড় ও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এক রাতের এই তাণ্ডবে তার অর্ধ লক্ষাধিক টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

খামারে খাবার দিয়ে ঘুমাতে যান আমিনুর, সকালে উঠে দেখেন তিন শতাধিক মুরগির মৃত্যু।

হারানো মোবাইল ফোন ফিরে পেলেন ৩০ জন, প্রশংসায় নীলফামারী সাইবার সেল

 

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

 

 

নীলফামারীতে জেলা পুলিশের সাইবার সেলের প্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধানে হারিয়ে যাওয়া ৩০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। পরে উদ্ধার করা এসব মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে নীলফামারী জেলা পুলিশ।

 

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) নীলফামারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উদ্ধার করা মোবাইল ফোনগুলো মালিকদের হাতে তুলে দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহসিন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) এ বি এম ফয়জুল ইসলাম।

 

জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক পুলিশিং কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে গত ১৩ জুন পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন খাঁনের দিকনির্দেশনায় নীলফামারী জেলা পুলিশে সাইবার সেল প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর থেকে সাইবার সেলের দক্ষ সদস্যরা বিভিন্ন থানায় করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) তথ্যের ভিত্তিতে হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারে কাজ করছেন। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রতারণা ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধেও কার্যক্রম পরিচালনা করছে সেলটি।

 

পুলিশের দাবি, তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনের অবস্থান শনাক্ত করে সেগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ৩০টি ফোনের মধ্যে বিভিন্ন নামী-দামি ব্র্যান্ডের হ্যান্ডসেট রয়েছে।

 

মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন মালিকরা। তারা জানান, হারানো ফোন ফিরে পাওয়ার আশা অনেকটাই ছেড়ে দিয়েছিলেন। জেলা পুলিশের সাইবার সেলের তৎপরতায় ফোনগুলো ফিরে পেয়ে তারা সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

জেলা পুলিশ জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের হারানো সম্পদ উদ্ধারের পাশাপাশি সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং আরও জোরদার করা হবে। এ লক্ষ্যে সাইবার সেলের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

হারানো মোবাইল ফোন ফিরে পেলেন ৩০ জন, প্রশংসায় নীলফামারী সাইবার সেল

শ্রীপুরের গোয়ালদাহ হাট পরিদর্শনে ইউএনও নাজমুল ইসলাম

 

মুজাহিদ শেখ, শ্রীপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি:

 

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার ৫ নম্বর দারিয়াপুর ইউনিয়নের একমাত্র ইজারাভুক্ত ঐতিহ্যবাহী গোয়ালদাহ হাট পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ নাজমুল ইসলাম।

 

পরিদর্শনকালে তিনি হাটের সার্বিক পরিস্থিতি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, জলবদ্ধতা এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের নানা সমস্যার কথা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। বিশেষ করে হাটের প্রধান সড়কগুলোতে জমে থাকা কাদাপানি ও খানাখন্দের কারণে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের যাতায়াতে যে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে, সে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে লক্ষ্য করেন তিনি।

 

পরিদর্শন শেষে ইউএনও বলেন, “হাটের জলাবদ্ধতা নিরসন ও রাস্তাঘাটের সুব্যবস্থা করার মাধ্যমে হাটে আগত ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

 

এ সময় দারিয়াপুর ইউনিয়ন প্যানেল চেয়ারম্যান গোলাম মওলা,ইউপি সচিব কাঞ্চন বিশ্বাস, বাজারের সভাপতি আলশাদ পাইলট, সাধারণ সম্পাদক সুমন বিশ্বাস,বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ি সাইফুল ইসলাম, মো সজিব বিশ্বাস,সহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বাজার ও এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

শ্রীপুরের গোয়ালদাহ হাট পরিদর্শনে ইউএনও নাজমুল ইসলাম

শরণখোলায় পরিত্যক্ত ভবন থেকে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

 

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মামুন হাওলাদার

 

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের পশ্চিম রাজৈর এলাকায় ইব্রাহিম হাওলাদার নাঈম (২১) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে স্থানীয় একটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

নিহত নাঈম পশ্চিম রাজৈর এলাকার আব্দুল হক হাওলাদারের ছেলে। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। প্রায় সাত বছর ধরে এ সমস্যায় ভোগার পর সম্প্রতি পাবনার একটি মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। প্রায় দুই মাস আগে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

 

পরিবার ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে নাঈম মাথাব্যথার কথা জানান। পরে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বাড়ির পাশের মালদ্বীপপ্রবাসী নাছির হাওলাদারের পরিত্যক্ত ভবনে যান তিনি। কিছুক্ষণ পর প্রতিবেশীরা ওই ভবনে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পরিবার ও পুলিশকে খবর দেন।

 

খবর পেয়ে শরণখোলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাফিজুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রোকেয়া খানম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

 

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নাঈম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। তবে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ।

 

শরণখোলা থানার ওসি রোকেয়া খানম জানান, মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

নাঈমের মৃত্যুতে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শরণখোলায় পরিত্যক্ত ভবন থেকে যুবকের ঝু/লন্ত লা//শ উদ্ধার।

নওগাঁ ধামইরহাটে চাঞ্চল্যকর মুস্তাকিন হত্যা: মামলা দায়ের করার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই ৫ জন গ্রেপ্তার

 

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর ধামইরহাটে ২০০ টাকা মূল্যের মাছ ধরার জাল বন্ধক রাখাকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া তরুণ মুস্তাকিন (২০) হত্যা মামলার প্রধান পাঁচ আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সাথে ঘটনার সাথে জড়িত আলামত হিসেবে রক্তমাখা সাবল উদ্ধার করে পুলিশ।

 

মামলা রুজুর মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ধামইরহাট থানা পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বড় শিবপুর যদুপাড়া গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে ডিসিষ্ট৫ মোস্তাকিনের সাথে মাছ মারার তৌরা জাল ২০০ টাকা বন্ধক রাখা নিয়ে আসামিদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে আসামিরা মোস্তাকিনের নিজ বাড়ির খলিয়ানে ঢুকে তাকে এবং তার মাকে মারপিট করে গুরুতর৫ রক্তাক্ত জখম করে। পরবর্তীতে স্থানীয়রা উদ্ধার করে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মোস্তাকিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

ঘটনার পরপরই নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এর কঠোর নির্দেশনায় ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব মোঃ মিন্টু রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস টিম অভিযানে নামে। ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ ভোর ০৪:৩০ ঘটিকায় সাহাপুর আঙ্গুরাত কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত পাঁচ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।৫

 

গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন:

মো: রতন হোসেন (২২), পিতা: আব্দুল জলিল

মো: সাইদুল ইসলাম (২৪), পিতা: আব্দুল জলিল

আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত শিশু মোঃ হাসান (১৪), পিতা: আব্দুল জলিল

মোসাম্মৎ রোকেয়া বেগম (৫৫)

মোছাম্মত জাকিয়া বেগম (১৯)

গ্রেফতারের পর আসামি সাইদুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার নিজ বাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা সাবল উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে ধামইরহাট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নওগাঁ ধামইরহাটে চাঞ্চল্যকর মুস্তাকিন হত্যা: মামলা দায়ের করার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই ৫ জন গ্রেপ্তার 

সাতক্ষীরা-মুন্সিগঞ্জ সড়ক!! ২৪ বছর অপেক্ষার পর কাজ শুরু, তবু শেষ নিয়ে অনিশ্চয়তা জনগণের

 

মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি :

 

দীর্ঘ ২৪ বছর পর পুনর্নির্মাণ শুরু হলেও শেষ হচ্ছে না সাতক্ষীরা- মুন্সীগঞ্জ ভেটখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের কাজ। নির্ধারিত মেয়াদ পার হয়ে গেলেও প্রকল্পের অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ৩১ শতাংশ। ধীরগতির নির্মাণকাজ, খুঁড়ে রাখা রাস্তা, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ এবং বৃষ্টিতে কর্দমাক্ত বিকল্প পথের কারণে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন হাজারো যাত্রী।

সাতক্ষীরা শহরের লাবনী মোড় থেকে মুন্সীগঞ্জ ভেটখালী পর্যন্ত ৬২ দশমিক ৩২৫ কিলোমিটার সড়কটি জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক মহাসড়ক। প্রতিদিন এ পথে যাত্রীবাহী বাস, ট্রাক, অ্যাম্বুলেন্সসহ বিপুলসংখ্যক যানবাহন চলাচল করে। প্রায় ৫৬৫ কোটি টাকা ব্যয়ে গৃহীত প্রকল্পটি ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কাজের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

দেবহাটা, পারুলিয়া, গাজীরহাট ও কালীগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে রাস্তা খুঁড়ে ফেলে রাখা হয়েছে নির্মাণসামগ্রী। বৃষ্টির কারণে অস্থায়ী বিকল্প পথগুলো কাদায় পরিণত হওয়ায় পথচারী, শিক্ষার্থী ও মুমূর্ষু রোগীবাহী যানবাহনের চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ রেখে নির্মাণসামগ্রী যত্রতত্র ফেলে রেখেছে। এতে কোমলমতি শিশুদের রাস্তা পারাপার কঠিন হয়ে পড়েছে এবং প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। অবিলম্বে কাজ শেষ করে জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবি জানান তারা। সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইট ব্যবহার এবং বালু ভরাটে নির্ধারিত মান বা পুরুত্ব না মানার অভিযোগও রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে কাদাময় পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি। স্থানীয় বাসিন্দারা আরও জানান, রাস্তার দুই পাশে জমে থাকা পানিতে মশার উপদ্রব বেড়েছে। কাদার কারণে বিশেষ করে নারী পথচারীদের যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে এবং প্রায়ই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা জানায়, জরাজীর্ণ এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন স্কুলে যেতে হয় বলে অভিভাবকেরা সব সময় দুশ্চিন্তায় থাকেন। তাই দ্রুততম সময়ে সড়কের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার জোর দাবি জানিয়েছে তারা। যানবাহন চালকদের অভিযোগ, সড়কে সৃষ্টি হওয়া বড় বড় গর্তের কারণে গাড়ি চালানো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে, যা যাত্রীদের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করছে। সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা হলে যাতায়াত নিরাপদ ও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

এদিকে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে প্রায় ৮২২ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পে পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। কাজের সুবিধার্থে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মঈনউদ্দীন বাশি লিমিটেড’-এর ম্যানেজার নুর মোহাম্মদ জানান, বিদ্যুতের খুঁটি সরাতে বিলম্ব হওয়ার কারণেই মূলত কাজের গতি কমেছে।

অন্যদিকে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ সাতক্ষীরার নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার পারভেজ বলেন, দীর্ঘ ২৪ বছর পর সাতক্ষীরা থেকে শ্যামনগর হয়ে ভেটখালী পর্যন্ত ৬২ কিলোমিটার সড়কের কাজ শুরু হয়েছে। তবে মূল কাজ শুরু করার জন্য আমরা কার্যত মাত্র ১১ মাসের মতো সময় পেয়েছি। ফলে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। তাই প্রকল্পের মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়ানো হয়েছে।

সাতক্ষীরা-মুন্সিগঞ্জ সড়ক!! ২৪ বছর অপেক্ষার পর কাজ শুরু, তবু শেষ নিয়ে অনিশ্চয়তা জনগণের 

“শ্যামনগরের ভেটখালীর কাঁকড়া ব‌্যবসায়ী ম‌নিরুল নি‌খোঁজ

 

মো: জাহাঙ্গীর আলম

ক্রাইম রিপোর্টার

শ্যামনগর প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরার শ‌্যামনগর উপ‌জেলার ভেটখালী বাজা‌রের কাঁকড়া ব‌্যবসায়ী , ভেটখালী বাজারের নৈশ প্রহরী নূরুর পুত্র মোঃ ম‌নিরুল ইসলাম আজ সন্ধ‌্যা ৬.৩০ মি‌নি‌টের সময় ভেটখালী নিজ দোকা‌নের সাম‌নে থে‌কে নি‌খোঁজ হ‌য়ে‌ছে । তার ব‌্যবহৃত মটর সাইকেল দোকা‌নের সাম‌নে থাক‌লেও তার সন্ধান নাই । বিশ্বস্ত সূ‌ত্রে জানা যায় , বেশ ক‌য়ে‌ক‌দিন ধ‌রে মোবাইল ফো‌নের মাধ‌্যমে ম‌নিরু‌লের কাছে এক‌টি চক্র চাঁদা দাবী ক‌রে আস‌ছিল । ম‌নিরুল নি‌খোঁজ হওয়ার সময় তার নিকট ৩ লক্ষা‌ধিক টাকা ছিল ব‌লে জানা গে‌ছে । ম‌নিরুল নি‌খোঁজ হওয়ার প‌রে এলাকার সাধারন মানু‌ষের ম‌ধ্যে আতঙ্ক বিরাজ কর‌ছে । কয়‌দিন পূ‌র্বে মু‌ক্তিপ‌নের দাবী‌তে কৈখালীর পশু চি‌কিৎসক অ‌নি‌মেষকে অপহরন ক‌রে সুন্দরব‌নে নি‌য়ে যায় অপহরনকারীরা । মৃত‌্যুর মুখ থে‌কে সে ফি‌রে আসে । অ‌নিমে‌ষের রেশ না কাট‌তে ম‌নিরু‌ল নি‌খোঁজের ঘটনা । এ বিষ‌য়ে শ‌্যামনগর থানার অ‌ফিসার ইনচার্জ মোঃ শা‌ফিউল ইসলাম পা‌ট্য়োরী ব‌লেন এ বিষ‌য়ে এখনও কোন অ‌ভি‌যোগ পায়‌নি । অ‌ভি‌যোগ পে‌লে বিষয়‌টি খ‌তি‌য়ে দেখা হ‌বে । ম‌নিরুল নি‌খোঁজের বিষয়‌টি নজ‌রে নি‌য়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদ‌ক্ষেপ গ্রহ‌নের জন‌্য প্রশাস‌নের দৃ‌ষ্টি আকর্ষন ভুক্তভোগী পরিবার ।

শ্যামনগরের ভেটখালীর কাঁকড়া ব‌্যবসায়ী ম‌নিরুল নি‌খোঁজ”

নীলফামারীতে আ.লীগের কর্মীদের সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের প্রতিবাদে মানববন্ধ

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলামঃ

 

নীলফামারী সদর উপজেলার গোড়গ্রাম ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী পদে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মীদের নিয়োগ দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয়রা। বুধবার

(২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গোড়গ্রামের ভবানীগঞ্জ বাজারের বকুলতলা মোড়ে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন স্থানীয় বাসিন্দা ওয়াদুদ ইসলাম, রেজাউল ইসলাম, আবুল কালাম, আব্দুস সোবহান, জিকরুল ইসলাম, মশিউর রহমান ও মমিনুল ইসলামসহ অনেকে।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের জন্য তথ্য সংগ্রহের কাজে সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী পদে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মীদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হবে। পাশাপাশি প্রকৃত দরিদ্র মানুষ ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তারা আরও বলেন, যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তারা আওয়ামী লীগের কর্মী হওয়ায় গত ১৭ বছরে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। তাদের দায়িত্ব দেয়া হলে আবারও আওয়ামী লীগের কর্মীরা লাভবান হবে এবং প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিতরা আবারো বঞ্চিত হবেন।

বক্তারা গোড়গ্রাম ইউনিয়নে সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী পদে যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাদের নিয়োগ অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানান। অন্যথায় আরও জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

নীলফামারীতে আ.লীগের কর্মীদের সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের প্রতিবাদে মানববন্ধন

নীলফামারীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

০২/০৯/২০২৬ ইং

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নীলফামারীতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুকের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম। সভা সঞ্চালনা করেন পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক লুৎফুল আলম চৌধুরী শুভ।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল পারভেজ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বিএনপির প্রতিষ্ঠার ইতিহাস, দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে দলের ভূমিকা এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেন। তারা দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে দলকে আরও সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন নেতারা।

সভায় বক্তব্য দেন প্রবীণ গুহ রিন্টু, পলাশবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি জগদীশ চন্দ্র রায়, সংগলশী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রব্বু সরকার, জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মগনী মাসুদুল আলম দুলাল, জেলা তাঁতী দলের আহ্বায়ক শাহজাদা মুক্তি এবং সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোকলেছুর রহমান কাজল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম নীলফামারীর আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান খান রিনো, জেলা জাসাসের আহ্বায়ক আসলাম হায়াত মিল্টন, সদস্য সচিব আবুল হাসনাত রাসেল, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব ওয়ালিউর রহমান হেলাল, যুবনেতা মুকুল, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মারুফ পারভেজ প্রিন্সসহ বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

নীলফামারীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d