মেসে বাজার করা নিয়ে বিরোধ, রুমমেটের ছু/রি/কাঘাতে প্রাণ গেল অপরজনের - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
মেসে বাজার করা নিয়ে বিরোধ, রুমমেটের ছু/রি/কাঘাতে প্রাণ গেল অপরজনের

মেসে বাজার করা নিয়ে বিরোধ, রুমমেটের ছু/রি/কাঘাতে প্রাণ গেল অপরজনের

ঝিনাইদহে মেসে বাজার করাকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডার জেরে রুমমেটের ছুরিকাঘাতে কাউসার আলী (২১) নামে এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত রুমমেটকে আটক করেছে পুলিশ।

 

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শহরের মহিলা কলেজপাড়ার একটি মেসে এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত কাউসার আলী হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বৈঠাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের সপ্তম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাউসার ও অভিযুক্ত লিখন শহরের মহিলা কলেজপাড়ার একটি মেসে একসঙ্গে থাকতেন। সন্ধ্যায় মেসের বাজার করা নিয়ে দুজনের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে কাউসার আলী লিখনকে থাপ্পড় দেন।

 

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে লিখন পাশে থাকা একটি ছুরি দিয়ে কাউসারের পিঠে আঘাত করেন। এ সময় দুজনের মধ্যে হাতাহাতি হলে লিখনও আহত হন।

 

পরে স্থানীয়রা আহত দুজনকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক কাউসার আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত লিখন বর্তমানে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

আটক লিখন বাড়িবাথান মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং সদর উপজেলার শৈলমারী গ্রামের বাসিন্দা।

 

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত লিখনকে আটক করা হয়েছে এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটিও উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।


নিয়মের তোয়াক্কা না করে অনিয়ম মতোই চলছে লক্ষীচাপ ডি ডি এস দাখিল মাদ্রাসা

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

নিয়ম-নীতির তোয়াকা না করে চলছে নীলফামারী লক্ষীচাপ ইউনিয়নের ডি ডি এস দাখিল মাদ্রাসা শিক্ষা কার্যক্রম-এমন অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি এবং শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর প্রতিষ্ঠানটির থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য ১৪ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত হয়। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৩ জন তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৭ জন। উত্তীর্ণদের মধ্যে সর্বোচ্চ ফলাফল জিপিএ ৩.৮৮। এ ফলাফল নিয়েও প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।

২০/আগস্ট/২০২৬

সরেজমিনে মাদ্রাসায় গিয়ে দেখা যায়, খাতায়-কলমে প্রতিষ্ঠানের ৩৫০ জনের বেশি শিক্ষার্থী থাকার তত্ত্ব থাকলেও ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত উপস্থিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল মাত্র ১৩ জন এত কম উপস্থিতির কারণে নিয়মিত পাঠদান ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এদিকে সর জমিনে পরিদর্শনের সময় প্রতিষ্ঠানের পাঁচজন নারী শিক্ষক-হাসনাহেনা, রাজিয়া সুলতানা, আয়েশা, রিতা রায় ও হাসিনা মাদরাসায় উপস্থিত ছিলেন না। পরে তারা দলবদ্ধভাবে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে প্রতিষ্ঠানে আসেন। শিক্ষকাদের সময়মতো উপস্থিত না থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানের প্রধান মাহমুদুল হাসান আফেন্দি বলেন, শিক্ষিকাদের নিয়মিত ও সময় মত উপস্থিত থাকার বিষয়ে বলা হলেও তারা সঠিক সময়ে উপস্থিত হন না। এ বিষয়ে কথা বললে তারা তাকে আকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান প্রতিষ্ঠানের প্রধান। তবে প্রতিষ্ঠান প্রধানের এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষিকাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থী উপস্থিতি, পাঠদান কার্যক্রম এবং শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে ওঠা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিয়মের তোয়াক্কা না করে অনিয়ম মতোই চলছে লক্ষীচাপ ডি ডি এস দাখিল মাদ্রাসা

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর দেশে দ্বিতীয়বারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। ৩৪৯ সংসদ সদস্য ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলেও সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ভোট দেবেন কিনা, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে কৌতূহল।

 

জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত এই সংসদ সদস্য জানিয়েছেন, ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি এখনো সিদ্ধান্ত নেননি কাকে ভোট দেবেন। এমনকি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেবেন কিনা, সেটিও চূড়ান্ত করেননি।

 

গাজী নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী থেকে আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এরপরও আমার ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। আমি ভোট দিতে যাব কিনা, কাকে ভোট দেব—এখনো সিদ্ধান্ত নিইনি।’

 

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

 

জাতীয় সংসদের ৩৫০ আসনের মধ্যে চট্টগ্রাম-৪ আসন শূন্য থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার হিসেবে রয়েছেন ৩৪৯ সংসদ সদস্য। দলীয় সংসদ সদস্য না হওয়ায় গাজী নজরুল ইসলামসহ আট স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য নিজেদের পছন্দের যে কোনো প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন। এরই মধ্যে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের কাছে ভোট চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

আজ দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ হবে। সংসদ সদস্যরা ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

 

ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে গাজী নজরুল ইসলাম ভোট দেবেন কিনা, তা নিয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কৌতূহল থাকছে।

জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত গাজী নজরুল কি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন?

মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনিকে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দিয়ে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে পুলিশি পাহারায় তাকে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। তাকে বহনকারী প্রিজন ভ্যানের সামনে ও পেছনে পুলিশের দুটি পৃথক গাড়ি ছিল।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. জান্নাত-উল ফারহাদ।

 

জেল সুপার জানান, দীপু মনিকে প্যারোলে মুক্তির জন্য বুধবার (১৯ আগস্ট) মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন তার মেয়ে তনী দীপাভলী নেওয়াজ। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দীপু মনিকে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তির অনুমতি দেওয়া হয়।

 

অনুমতি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তার প্যারোলের মেয়াদ থাকবে। কারাগারের নিয়ম অনুযায়ী পুলিশি পাহারায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

 

জেল সুপার আরও জানান, প্যারোলের নির্ধারিত সময় শেষ হলে দীপু মনিকে আবার মুন্সীগ

স্বামীকে শেষ বিদায় জানাতে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেলেন দীপু মনি

সোশ্যাল মিডিয়ায় পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে রাজধানী থেকে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামে এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ। এ সময় ওই তরুণীর প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেফতার করে পুলিশ।

 

এ ঘটনায় মেয়ের অনৈতিক কার্যক্রম অবহিত থেকেও তার উপার্জনে সম্মতি থাকা এবং অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও আসামি করা হয়েছে মামলায়।ডিবি সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ আগস্ট সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম আইডিতে আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেসব বিক্রির বিজ্ঞাপন দৃষ্টিগোচর হয়। মোবাইল ফোন ভিত্তিক অর্থ লেনদেনের মাধ্যম বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফি (যেমন- ৩ হাজার ৫০০ টাকায় লাইফটাইম প্যাকেজ) নিয়ে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও বিক্রি করা হতো।

 

এরপর প্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করে গত ১১ আগস্ট রাতে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সুমাইয়াকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি আইফোন-১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্ল্যাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। পরে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বাড্ডার ‘ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস’ থেকে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেফতার করা হয়।এ ঘটনায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, কয়েকজন সহযোগীর সঙ্গে যোগসাজশে সুমাইয়া চক্রটি পরিচালনা করতেন। আর চাঞ্চল্যকর তথ্য হচ্ছে, সুমাইয়ার বাবা মেয়ের এসব অপকর্ম জানার পরও তাতে কোনো ধরনের বাধা না দিয়ে, বরং নিয়মিত এর অর্থ নিতেন।

 

এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর অধীনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার রহস্য উদঘাটন এবং এ চক্রের পলাতক অন্যসব আসামিদের গ্রেফতারের জন্য আদালতে গ্রেফতারকৃতদের তিনদিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।

প/র্নো/গ্রা/ফিক কনটেন্ট তৈরি ও বিক্রির অভিযোগে ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া গ্রেফতার

সাভারে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশনের পক্ষ থেকে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মেয়র প্রার্থী ওবায়দুর রহমান অভির সাথে সৌজন্য সাক্ষা।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

মানবাধিকার সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন’ সাভার উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আসন্ন সাভার পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী ওবায়দুর রহমান অভির সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।

 

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এলাকার সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি, সামাজিক উন্নয়ন এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয়। এ সময় ওবায়দুর রহমান অভি বলেন, “মানবাধিকার সুরক্ষায় সামাজিক ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর ভূমিকা অপরিসীম। সমাজ থেকে অন্যায়-অবিচার দূর করে মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।” তিনি সংস্থার এ মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও যেকোনো সৎ ও সামাজিক কাজে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

 

অনুষ্ঠানে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন সাভার উপজেলা কমিটির সভাপতি মোঃ নুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সুমন মন্ডল, সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহরিয়াজ আকন্দ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল হোসেন, শাহা জালাল রনি, মোঃ ফজলুল শেখ সহ

বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সাভারে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশনের পক্ষ থেকে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মেয়র প্রার্থী ওবায়দুর রহমান অভির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ

অপরাধ দমনে পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি, গাইবান্ধায় সম্মাননা পেলেন ডিবি ওস

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা, মাদক উদ্ধার, অনলাইন জুয়া ও ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানসহ অপরাধ দমনে বিশেষ ভূমিকা রাখায় জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মোত্তালিব সরকারকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন ডিবি ওসি আব্দুল মোত্তালিব সরকারের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন।

 

জানা যায়, গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, মাদক ব্যবসায়ী ও অপরাধীদের গ্রেফতার, অনলাইন জুয়া ও ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এসব কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ডিবি ওসিকে এ বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুলিশের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

অপরাধ দমনে পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি, গাইবান্ধায় সম্মাননা পেলেন ডিবি ওসি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সিলেটে আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়নে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের তিন চাওয়া প্রশাসনের কাছে। এরমধ্যে মাদককারবারিদের আনাগোনা, অনলাইন জুয়া ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা দেখতে চান না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

 

শনিবার দুপুরে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) কমিশনারের কার্যালয়ে নবাগত পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টার এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

 

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সিলেটের আইনশৃঙ্খলা কেমন আছে, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সিলেটের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আমরা কেমন দেখতে চাই। প্রথম হলো, সিলেটে আমরা কোনো মাদকের আনাগোনা দেখতে চাই না। দ্বিতীয়ত, এখানে আমরা কোনো অনলাইন জুয়া দেখতে চাই না। কোনো কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা দেখতে চাই না।

 

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে এসএমপির কাছে আমাদের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছি যে, আগামী দিনে মাদক, অনলাইন জুয়া এবং কিশোর গ্যাংয়ের কোনো তৎপরতা আমরা সিলেটে দেখতে চাই না। এ সময় এসএমপি কমিশনার এসব সামাজিক ব্যাধি ও অপরাধ নির্মূলে আইনের মধ্যে থেকে সর্বোচ্চ কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

 

মতবিনিময় সভায় সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী, সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমেদ চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্ক সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এই শুল্ক কেবল বাংলাদেশের ওপর নয় বরং বিভিন্ন দেশের ওপর রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ (পারস্পরিক শুল্ক) হিসেবে প্রয়োগ করা হয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সাধারণ শুল্কের বাইরে বর্তমানে ১০ শতাংশ ট্যারিফ ধরা হয়েছে, যা বৈশ্বিক বিচারে সর্বনিম্ন হারের অন্যতম।

 

এছাড়া ভারতীয় ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ভারতীয় ব্যবসায়ীদের অনেকে ইতোমধ্যে দেশে বিনিয়োগ করেছেন এবং তারা দুদেশের সীমান্ত বন্দরগুলো পুরোপুরি কার্যকর করার অনুরোধ জানিয়েছেন। বন্দর বন্ধ থাকায় কাঁচামালের পরিবহণ খরচ বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তারা এফবিসিসিআই নেতৃবৃন্দের কাছে পরিকাঠামো খাত ও ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরিতে যৌথ টাস্কফোর্স ও ট্রাস্ট গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন, যা সরকার স্বাগত জানিয়েছে। পাশাপাশি মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দলও বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং পরিবেশ তৈরিতে তাদের দেওয়া কিছু পরামর্শ সরকার বিবেচনায় নিয়েছে বলে জানান।

 

বাণিজ্য ঘাটতির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশে আমদানির পরিমাণ রপ্তানির চেয়ে বেশি এবং এটি বিশ্বের অনেক অর্থনীতির জন্যই একটি স্বাভাবিক চিত্র। তবে অর্থনীতির আকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাণিজ্যের মোট পরিধি বহুগুণ বাড়ানো প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি ভিয়েতনামের ৮০০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য আয়তনের উদাহরণ দেন, যার বিপরীতে বাংলাদেশের বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৬০০ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে চাকরিজীবীদের জীবনমান ও মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে জানান যে, এ প্রশ্নটি মূলত অর্থমন্ত্রীর এখতিয়ারভুক্ত এবং অর্থমন্ত্রী মুদ্রাস্ফীতির সার্বিক চাপ বিবেচনায় নিয়েই নীতি নির্ধারণ করবেন বলে তিনি আস্থা প্রকাশ করেন।

সিলেটে আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়নে মুক্তাদিরের তিন চাওয়া

ফরিদপুরের সালথায় ১০ থেকে ১২টি বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের জুগিকান্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।

 

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সালথা উপজেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি রাজিব হোসেনের নেতৃত্বে মুরাটিয়া, সজনকান্দা ও জুগিকান্দা গ্রামের লোকজন ওই হামলায় অংশ নেন। এতে কয়েকটি বসতঘর ও একটি মুদি দোকানে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়।

 

জুগিকান্দা গ্রামের বাসিন্দা ধলেনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ঘরের ভেতরে যা কিছু ছিল, সব ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। মেয়েকে খাটের নিচ থেকে টেনে বের করে আনা হয়েছে। স্বামী অনেক দিন ধরে গ্রামছাড়া। আমি একা থাকি। এখন রাতে থাকার মতো কোনো ব্যবস্থা নেই।

 

তিনি আরও বলেন, তাদের মুদি দোকান থেকেও টাকা-পয়সা ও বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর আগেও তাদের বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছিল। তখন ভিডিও ধারণ করা হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তার অভিযোগ।

 

আরেক ভুক্তভোগী রওসান মাতুব্বরের স্ত্রী সখিনা বলেন, আগের একটি বিরোধের জেরে তার স্বামী বাড়িতে থাকেন না। জাহিদ নামে একজন তার স্বামীকে গালিগালাজ ও বাজারে গেলে দেখে নেওয়ার হুমকি দিতেন। স্বামীকে মারধরের আশঙ্কায় তাকে বাড়ির বাইরে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

সখিনা বলেন, মুরাটিয়া, সজনকান্দা ও জুগিকান্দা গ্রামের লোকজন এসে বাড়িঘরে ভাঙচুর করেছে। আমার স্বামীকে মারধর করা হয়েছে। ঘরে ভাঙচুর করা হয়েছে।

 

ভুক্তভোগীদের দাবি, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় উপজেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি রাজিব হোসেনের সঙ্গে সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগের ইউনিয়ন সভাপতি হেমায়েত হোসেন, জাহিদ, রফিক ও ইবাদতসহ কয়েকজন জড়িত ছিলেন।

 

ভুক্তভোগীদের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী, বশির মাতবরের দুটি, বাবলু মাতবরের একটি, আবুল খায়েরের একটি, ইদ্রিস মাতবরের একটি, মিজান মাতবরের একটি, আজিজুল মাতবরের একটি, রওসান মাতবরের একটি এবং তুরাপ মাতবরের একটি বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়েছে। এছাড়া মামুন মাতবরের একটি ঘর ও একটি খড়ের গাদা ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে।

 

অভিযোগের বিষয়ে সালথা উপজেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি রাজিব হোসেন বলেন, জাহিদ নামের একজন লোক খেলা দেখতে যাওয়ার পথে রওসানের বাড়ির সামনে মারধরের শিকার হয়। খবর পেয়ে গ্রামের কিছু লোক এসে এই কাজ করেছে। ওই দলের নেতৃত্বে আমি থাকায় আমার নাম হয়েছে। কিন্তু আমি সরাসরি এ কাজের সঙ্গে জড়িত নই।

 

এ ঘটনা নিয়ে সালথা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বাবলুর রহমান বলেন, ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বাড়িঘর ভাঙচুর হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সালথায় ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে হামলা-লুটপাটের অভিযোগ

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ইচ্ছারচর এলাকায় ‘হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন’ সংগঠনের ব্যানারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার ভেতরে গাছ কাটা বন্ধ না হলে হাওর এলাকার সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বন বিভাগের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনের আলটিমেটাম দেওয়া হয়।

 

বক্তারা বলেন, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, সুনামগঞ্জ-জামালগঞ্জ সড়কে বর্তমানে সম্প্রসারণ বা উন্নয়নের কোনো কাজ নেই। অথচ বন বিভাগ উন্নয়ন প্রকল্পের দোহাই দিয়ে ইতোমধ্যে এক হাজারের অধিক ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ কেটে উজাড় করছে। সওজের বক্তব্য এবং বন বিভাগের কর্মকাণ্ডের এই সুস্পষ্ট বৈপরীত্য প্রমাণ করে যে, এটি উন্নয়নমূলক কোনো প্রয়োজন নয় বরং বন বিভাগের একটি অসাধু চক্র বা সিন্ডিকেট নিজেদের স্বার্থ হাসিলে বৃক্ষ নিধনে মেতে উঠেছে।

 

বক্তারা বলেন, দুই বছর আগেও একইভাবে গাছ কাটার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তখন মানুষের প্রতিবাদের মুখে গাছ কাটা বন্ধ করা হয়। এবার সড়ক সম্প্রসারণ ও সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা বলে গাছ কাটা হচ্ছে।

 

অযৌক্তিকভাবে সাড়ে ৪ হাজার বৃক্ষ নিধনের সঙ্গে জড়িত বন বিভাগের সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন বক্তারা।

 

সমাবেশ থেকে সুনামগঞ্জ-জামালগঞ্জের সাচনাবাজার সড়কে গাছ কাটার চলমান সব কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করা, সামাজিক বনায়নের সুবিধাভোগীদের লভ্যাংশ যথাযথভাবে বুঝিয়ে দেওয়া, গাছ কাটার নেপথ্যে বন বিভাগ, সুবিধাভোগী জনগোষ্ঠী, স্থানীয় প্রশাসন ও প্রভাবশালী সিন্ডিকেট চক্রের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত পূর্বক শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং অবৈধভাবে গাছ বিক্রির পরিকল্পনা ও বৃক্ষ নিধনে জড়িত বন বিভাগের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সিন্ডিকেটের সদস্যদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসককে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানানো হয়।

 

হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি মো. রাজু আহমেদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. ওবায়দুল হক মিলনের সঞ্চালনায় ঘণ্টাব্যাপী চলা সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মো. মুজাহিদুল ইসলাম মজনু, ওবায়দুল মুন্সী, মিডিয়া বিষয়ক সম্পাদক এমডি জাকারিয়া, ছাতক উপজেলা কমিটির সদস্য সচিব সুজন তালুকদার, দোয়ারাবাজার উপজেলার সদস্য মোফাজ্জল হাসানসহ এলাকার স্থানীয় ব্যক্তিরা।

 

গাছগুলো সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির মাধ্যমে রোপণ করা হয়েছিল জানিয়ে বন বিভাগের সুনামগঞ্জ রেঞ্জ কর্মকর্তা রিয়াজ উদ্দিন বলেন, স্থানীয় লোকজন এসব গাছের পরিচর্যা করেছেন। মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় নিয়মতান্ত্রিকভাবে গাছগুলো বিক্রি করা হয়েছে। এ ছাড়া সড়ক সম্প্রসারণ করা হবে। পরে সড়কের দুপাশে আবার গাছ লাগানো হবে।

 

হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি মোহাম্মদ রাজু আহমেদ বলেন, ‘আমাদের আন্দোলনের ফলে দুই বছর আগে গাছগুলো রক্ষা পেয়েছিল। আবার গোপনে কাউকে না জানিয়ে গাছ কাটার সব প্রক্রিয়া শেষ করা হয়েছে। এখন নির্বিচারে গাছ কাটা শুরু হয়েছে। দ্রুত গাছ কাটা বন্ধ না করলে আরও বৃহৎ পরিসরে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’

 

ক্যাপশন: সুনামগঞ্জ-জামালগঞ্জ সড়কে নির্বিচারে গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন।

সুনামগঞ্জ-জামালগঞ্জ সড়কে সাড়ে ৪ হাজার গাছ কাটার প্রতিবাদে সমাবেশ

মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে ভূল্লীতে দিনব্যাপী ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত।

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ভূল্লী উপজেলার ১ নং বড়গাঁও ইউনিয়নের কাচারি বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে কাচারি বাজার যুব সংঘের উদ্দ্যোগে দিনব্যাপী এ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।

টুর্নামেন্টকে ঘিরে সকাল থেকেই খেলোয়াড় ও ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। বিভিন্ন এলাকার ফুটবল দল এতে অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি ম্যাচে খেলোয়াড়দের দারুণ নৈপুণ্যে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়।

 

খেলা দেখতে মাঠের চারপাশে ভিড় করেন বিভিন্ন বয়সী দর্শক। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচগুলোতে খেলোয়াড়দের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে পুরো মাঠজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

 

আয়োজকরা বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। নিয়মিত এমন আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিভাবান ফুটবলার তৈরি হবে এবং যুবসমাজ খেলাধুলার প্রতি আরও আগ্রহী হবে। ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রতি ফুটবলসহ বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজনের মাধ্যমে তরুণদের মাঠমুখী করার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে।

 

টুর্নামেন্ট শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা বিএনপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ নুর আলম বাবু, বড়গাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, সিনিয়র সহসভাপতি হাফিজুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক ও স্বপ্ন গ্রুপ এর পরিচালক মামুনুর রশিদ মামুন, ছাত্রদল নেতা সুবাহান।

 

এ সময় আয়োজক কমিটির সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, খেলোয়াড় ও বিপুলসংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী উপস্থিত ছিলেন।

 

টুর্নামেন্টে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে চ্যাম্পিয়ন হয় আসিফ একাদশ (ভূল্লী) ও রানার্সআপ হয় কাচারি বাজার একাদশ।

মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে ভূল্লীতে দিনব্যাপী ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত।

শ্যামনগরে পারিবারিক শত্রুতার জেরে গৃহবধূ ও শিশুকে বেধড়ক মারপিট, লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার লু।

 

সংবাদদাতা: জিয়াউর রহমান জিয়া,

শ্যামনগর উপজেলা প্রতিনিধি,

“দৈনিক আমাদের দেশ”।

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ভুরুলিয়া ইউনিয়নের রুদ্রপুর গ্রামে পারিবারিক শত্রুতার জের ধরে এক গৃহবধূ ও তার নাবালক ছেলেকে বেধড়ক মারপিট করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত মা-ছেলে বর্তমানে শ্যামনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

 

ঘটনা ঘটেছে গত *২১ আগস্ট ২০২৬, রাত আনুমানিক ৮টার পর*।

 

স্থানীয় ও আহতদের সূত্রে জানা যায়, রুদ্রপুর গ্রামের মোসাম্মৎ সকিনা খাতুন স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে একই গ্রামের মোঃ আফজাল, পিতা- রুহুল আমিন; মোঃ হাসান, পিতা- মোঃ হবি; মোঃ হবি, পিতা- রুহুল আমিন এবং মোহাম্মদ আরাফাত, পিতা- আনিসুর রহমান সহ ৮/১০ জনের একটি দল দেশীয় লাঠি ও রড নিয়ে সকিনার বসতঘরে প্রবেশ করে।

 

এসময় নামাজরত অবস্থায় সকিনা খাতুনের চুলের মুঠি ধরে “আমাদের মেয়ে কই” বলে চিৎকার করে এলোপাতাড়ি মারতে থাকে। মাকে বাঁচাতে ১২ বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ ইব্রাহিম এগিয়ে এলে তাকেও রড ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তার বাম হাত ভেঙে দেয় দুর্বৃত্তরা।

 

হামলাকারীরা ঘরে থাকা আলমারি ভেঙে নগদ ১ লক্ষ ৫ হাজার টাকা, সকিনার কানের দুল ও গলার চেন লুট করে নেয়। পরে মা ও ছেলেকে জোর করে ধরে নিয়ে টেনে হিজড়ে তাদের বাড়িতে আটকে রেখে পুনরায় নির্যাতন করে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখে।

 

খবর পেয়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করতে না পেরে ৯৯৯ এ ফোন দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় সকিনা ও ইব্রাহিমকে উদ্ধার করে শ্যামনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

 

শ্যামনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ শাকিল হোসেন জানান, “রোগী দুইজনই মারাত্মকভাবে জখম হয়েছে। অবস্থা বিবেচনায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা লাগতে পারে।

 

সরেজমিনে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় অবসরপ্রাপ্ত নায়েব মনসুর আহম্মদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

 

এ ঘটনায় শ্যামনগর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

শ্যামনগরে পারিবারিক শত্রুতার জেরে গৃহবধূ ও শিশুকে বেধড়ক মারপিট, লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট

কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ওসির মতবিনিম

 

এস. এম. নাসির উদ্দীন, কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

 

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূল এবং অনলাইন জুয়া বন্ধে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়েছেন থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান।

 

শনিবার (২২ আগস্ট) বেলা ১১টায় কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের হলরুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ সহযোগিতা চান। প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফুর সভাপতিত্বে সভাটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু।

 

মতবিনিময় সভায় ওসি শেখ শাহিনুর রহমান বলেন, তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব তিনি যথাযথভাবে পালন করবেন। তিনি বলেন, ‘আমি যতদিন কালিগঞ্জে আছি, ততদিন সর্বস্তরের মানুষ যেন নির্ভয়ে ঘুমাতে পারে, সেই ব্যবস্থা করব। অযথা কাউকে হয়রানি করা হবে না।’

 

ওসি বলেন, তিনি ১৫ বছর ধরে পুলিশে চাকরি করছেন। তবে কালিগঞ্জে এসে যে ভালোবাসা পেয়েছেন, তা তাঁকে মুগ্ধ করেছে। সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের মানুষের জন্য তাঁর দরজা ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে বলেও জানান তিনি।

 

তিনি আরও বলেন, ‘যেকোনো সমস্যায় থানায় আসবেন। আমি তা সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’ নিজের কর্মদক্ষতার মাধ্যমে পরিচিত হতে চান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বৃক্ষ, তোমার নাম কী? ফলে পরিচয়। কথায় নয়, আমি আমার কাজের মাধ্যমে নিজের পরিচয় দিতে চাই।’

 

মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করে ওসি বলেন, এসব অপরাধের বিরুদ্ধে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। একার পক্ষে মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূল করা সম্ভব নয়। পুলিশ, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ কালিগঞ্জ গড়ে তোলা সম্ভব।

 

সভায় সাংবাদিকরা কালিগঞ্জে মাদক, সন্ত্রাস ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ ও সাংবাদিকদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।

 

সভায় প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম হাফিজুর রহমান শিমুল, সিনিয়র সদস্য শেখ লুৎফর রহমান, সহসভাপতি ও বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, কাজী মুজাহিদ ইসলাম তরুণ, লুৎফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব কাজী আল মামুন, তথ্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এস এম আহম্মদ উল্ল্যাহ বাচ্চু, জাহাঙ্গীর আলম, গোলাম ফারুক, ইশারাত আলী, শেখ নাজমুল হোসেন, আব্দুল করিম, মামুন হাসান, ফজলুল হক, আতিকুর রহমান, মাসুদ পারভেজ ক্যাপ্টেন, শিমুল হোসেন, আল নুর ইমন, শাহাদাত হোসেন, আলমগীর হোসেন, আবুল কালাম বিন আকবর, সোলায়মান মামুন, আব্দুল হামিদ, মো. শফিক, মো. আব্দুল জব্বার ও মাওলানা আব্দুল গফুরসহ প্রেসক্লাবের অন্যান্য সদস্য ও সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ওসির মতবিনিময়

মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় ৩ মাস ১৯ দিন কারাভোগের পর উচ্চ আদালতের জামিনে মুক্ত সেলিম খন্দকার।

গত ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ১টা ২০ মিনিটে পুলিশ সেলিম খন্দকারকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে পরিবার জানতে পারে, পার্শ্ববর্তী এলাকার দীর্ঘদিন বিরোধে থাকা মোঃ লোকমান তার মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

 

গ্রেফতারের পর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গ্রেপ্তারকৃত ব্যাক্তির ছেলে শাহাদাত খন্দকার মঞ্জুর রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকরভাবে প্রচার করা হয়—জাতীয় যুবশক্তি ও এনসিপির একজন কেন্দ্রীয় নেতার এবং ভোলা-৪ আসনের এমপি প্রার্থীর বাবাকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। এনসিপির নেতা মঞ্জুর অভিযোগ, একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিকভাবে তাকে ও তার পরিবারকে হেনস্তা করার উদ্দেশ্যে ঘটনাটিকে পরিকল্পিতভাবে প্রচার ও ব্যবহার করেছে।

 

থানায় আটকের পর বাদীপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি চক্রের পক্ষ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টির শুরু থেকেই নানা অসঙ্গতি আমাদের সন্দেহের জন্ম দেয়।

 

মামলার তদন্ত ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি, মেডিকেল রিপোর্ট এবং সোয়াব পরীক্ষার রিপোর্টে অভিযোগের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও অসঙ্গতি উঠে আসে বলে আমরা দাবি করছি। এছাড়া এজাহারে উল্লেখিত ঘটনার সময় ও তারিখের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্যেরও অসামঞ্জস্য রয়েছে। আমাদের হাতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন সংশ্লিষ্ট মেয়েটির মাদ্রাসায় উপস্থিতি এবং একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের বিষয়টিও নথিপত্রে প্রতিফলিত হয়েছে।

 

অভিযোগ, এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যথাযথভাবে বিবেচনায় না নিয়ে এবং বিভিন্ন বিষয় গোপন বা উপেক্ষা করে তাঁর বাবার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মতো জঘন্য অভিযোগ আনা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার একাধিক মুরুব্বি জানান রাজনৈতিকভাবে তাদের কে হেনস্তা ও সামাজিকভাবে পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যেই এই মামলা করা হয়েছে বলে আমরা মনে করি।

 

পরবর্তীতে মামলার ডিএনএ রিপোর্টসহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথিপত্র হাতে পাওয়ার পর উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করা হয়। গত ৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে উচ্চ আদালত সেলিম খন্দকারকে জামিন মঞ্জুর করেন। মামলার নথিপত্র ও প্রাসঙ্গিক তথ্য পর্যালোচনার সময় আদালত মামলার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেন।

 

উচ্চ আদালতের জামিন আদেশের পর গত ১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ভোলা জেলা কারাগার থেকে সেলিম খন্দকার মুক্তি লাভ করেন।

 

মিথ্যা ত্রুটিপূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে একজন মানুষকে প্রায় ৩ মাস ১৯ দিন কারাভোগ করতে হয়েছে। শাহাদাত খন্দকার মঞ্জু বলেন এই সময়টিতে বাবা, আমাদের পরিবার ও স্বজনরা মানসিক, সামাজিক এবং পারিবারিকভাবে অসংখ্য কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছি।

 

আমরা বিশ্বাস করি, মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির মাধ্যমে সত্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। মামলাটির সম্পূর্ণ নিষ্পত্তির পর সকল নথি, তথ্য ও প্রমাণ উপস্থাপন করে একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দেশবাসী, সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সামনে বিস্তারিত বিষয় তুলে ধরা হবে।

 

আমরা ন্যায়বিচার চাই এবং একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানাই।

 

— শাহাদাত খন্দকার মঞ্জু

সাংগঠনিক সম্পাদকঃ (বরিশাল বিভাগ)

জাতীয় যুবশক্তি – এনসিপি।

মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় ৩ মাস ১৯ দিন কারাভোগের পর উচ্চ আদালতের জামিনে মুক্ত সেলিম খন্দকার

মাদারীপুরের রাজৈরে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভাইয়ের সঙ্গে ভাইয়ের দ্বন্দ্ব চলছে। এ নিয়ে একের পর দুভাইকে মামলা আর অভিযোগ দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে আপন আরেক ভাইয়ের বিরুদ্ধে। প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন দুইভাই।

 

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে রাজৈরের টেকেরহাট আবাসিক এলাকার একটি ভবনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

 

জানা যায়, রাজৈর উপজেলার খালিয়া গ্রামের মৃত শমশের খানের ছেলে কাজেল খান ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত এবং ভাই-বোন ও মায়ের কাছ থেকে ১৯৮৯ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত আটটি সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে মোট ৬৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ জমির মালিক হন। তবে অভিযোগ রয়েছে, নিজের মালিকানাধীন জমির বাইরে অতিরিক্ত জমিও দাবি করছেন তিনি।

 

এ ঘটনায় ২০১৯ সালে কাজেল তার দুই ভাই তাজেল ও ফজেলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। এরপর বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়ে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

 

তাজেল ও ফজেলের অভিযোগ, সর্বশেষ শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে তারা নিজেদের জায়গায় টিনশেড ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করলে কাজেলের পক্ষ থেকে পুলিশ দিয়ে তাতে বাধা দেওয়া হয়। এতে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে দাবি করেন। এ পরিস্থিতিতে প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন তাজেল ও ফজেল। তারা জমির ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

 

ভুক্তভোগী ফজেল খান বলেন, ‘কাজল যতটুকু জমি পাবে, তার থেকে বেশি ভোগ করতে চায়। এটা কোনোভাবেই মেনে নেবো না। আমরা আইনি সহায়তা চাই।’

 

আরেক ভুক্তভোগী তাজেল খান বলেন, ‘স্থানীয়ভাবে কয়েকবার এটি নিয়ে বসা হয়েছিল। মীমাংসার কথা বলা হলে মামলা তুলে নেয়ার কথা হয়। কিন্তু আবার শুনি মামলা চলমান। আমরা কয়েক বছর ধরে হয়রানীর শিকার হচ্ছি। এর বিচার চাই।’

 

অভিযুক্ত কাজেল খান বলেন, ‘আমি ৬৬.৮৪ শতাংশ জমির মালিক। কিন্তু আমার আপন দুইভাই জোরপূর্বক আমাকে জমির মালিকানা বুঝিয়ে দিচ্ছে না। বাধাগ্রস্ত করছে। আমি ন্যায় বিচারের স্বার্থে আদালতে দ্বারস্থ হয়েছি। মামলা চলমান। নিষেধাজ্ঞা জারি করা, তারপরও তারা জোরপূর্বক আমার জায়গায় ঘর তুলছে। আমি ন্যায় বিচার দাবি করছি।’

 

মাদারীপুরের রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে দুপক্ষকে থানায় আসতে বলা হয়েছে। থানায় আসলে কাগজপত্র দেখে দ্রুত একটি সমাধানের চেষ্টা করা হবে।’

রাজৈরে জমি নিয়ে ভাইয়ে ভাইয়ে বিরোধ, মামলা-হয়রানির অভিযোগ

শুক্রবার (২১ আগষ্ট) রাতে ফেনীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা ও অগ্নিসংযোগ মামলার বাদী আবুল কাশেম মিলন মারা গেছেন।আবুল কাশেমের জামাতা জসিম উদ্দিন জানান, শুক্রবার রাতে শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করলে তাকে দ্রুত ফেনী হার্ট ফাউন্ডেশনে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। শনিবার বাদ জোহর মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

 

২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে ঢাকায় ফেরার পথে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী মহিপাল এলাকায় খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরে হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় যমুনা পরিবহনের বাসসহ বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

 

ঘটনার সাত বছর পর যমুনা হাই ডিলাক্স পরিবহনের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিলন বাদী হয়ে ফেনীর তৎকালীন পুলিশ সুপার এস এম জাহাঙ্গীর সরকার, আওয়ামী লীগ নেতা ও পুলিশ কর্মকর্তাসহ ২৮ জনের নাম উল্লেখ এবং ১০০-১৫০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে মামলা করেন। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) নির্দেশ দেন।

 

আবুল কাশেম মিলনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ফেনী জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন খান।

 

তিনি বলেন, আবুল কাশেম মিলন দলের জন্য একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ছিলেন। তার দায়ের করা মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন পর্যায়ে রয়েছে; বাদী মারা গেলেও আইনি প্রক্রিয়ায় বা মামলা পরিচালনায় কোনো সমস্যা হবে না। তবে অত্যন্ত আফসোসের বিষয়, তিনি নিজের মামলার বিচার ও রায় দেখে যেতে পারলেন না।

ফেনীতে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা মামলার বাদী মিলন মারা গেছেন

ঝিনাইদহে মেসে বাজার করাকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডার জেরে রুমমেটের ছুরিকাঘাতে কাউসার আলী (২১) নামে এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত রুমমেটকে আটক করেছে পুলিশ।

 

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শহরের মহিলা কলেজপাড়ার একটি মেসে এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত কাউসার আলী হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বৈঠাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের সপ্তম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাউসার ও অভিযুক্ত লিখন শহরের মহিলা কলেজপাড়ার একটি মেসে একসঙ্গে থাকতেন। সন্ধ্যায় মেসের বাজার করা নিয়ে দুজনের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে কাউসার আলী লিখনকে থাপ্পড় দেন।

 

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে লিখন পাশে থাকা একটি ছুরি দিয়ে কাউসারের পিঠে আঘাত করেন। এ সময় দুজনের মধ্যে হাতাহাতি হলে লিখনও আহত হন।

 

পরে স্থানীয়রা আহত দুজনকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক কাউসার আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত লিখন বর্তমানে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

আটক লিখন বাড়িবাথান মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং সদর উপজেলার শৈলমারী গ্রামের বাসিন্দা।

 

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত লিখনকে আটক করা হয়েছে এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটিও উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

মেসে বাজার করা নিয়ে বিরোধ, রুমমেটের ছু/রি/কাঘাতে প্রাণ গেল অপরজনের

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d